content stringlengths 0 129k |
|---|
একসময় হেড মাস্টারের কাছে ধরাও |
এভাবে ক্লাসে যেতে বিলম্ব করতো আলী |
একসময় হেড মাস্টারের কাছে ধরাও খায় |
তারপরও আরও নানা ঘটনা ঘটতে থাকে এক জোড়া জুতাকে কেন্দ্র করে |
এত সব ঘটনা আলীর বাবা-মা কিছুই জানতে পারেনা |
অনেক খুঁজার পর আলী বোনের জন্য জুতা আনতে ব্যর্থ হয় |
কিছুদিন পর আলীর স্কুলে একটা ঘোষণা আসে দৌড় প্রতিযোগিতার |
যে তৃতীয় হতে পারবে সে এক জোড়া জুতা উপহার পাবে |
আলী বোনের খুশির জন্য দৌড় প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হওয়ার জন্য নাম লেখায় |
তাকে প্রথম বা দ্বিতীয় হলে চলবে না |
কারণ জুতা পেতে গেলে তাকে তৃতীয়ই হতে হবে |
মোটরসাইকেল ইনসুরেন্স কি ও ইনসুরেন্স করার নিয়ম |
আলী তৃতীয় হওয়ার নিয়তে দুজনকে আগে যেতে দিয়ে দৌড়াতে থাকে |
কিন্তু ঝামেলা সৃষ্টি হয় আলীর পেছনের চতুর্থ জনের জন্য |
জেদ চেপে যায় আলীর |
অপ্রত্যাশিত এবং অনিচ্ছাকৃত প্রথম হয়ে যায় আলী |
ঐদিকে জারা ভাইয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকে উঠানে |
আলী বিজয়ী হয়ে আসে |
কিন্তু আলীর দুচোখ বেয়ে পানি পড়তে থাকে |
সে চ্যাম্পিয়ন হয়েও বারবার তৃতীয় হওয়া জুতার দিকে তাকিয়ে ছিল |
স্কুলের সবাই আলীকে বাহুবা দিলেও আলীর তাতে খুশি হওয়ার কোন কারণ থাকেনা |
অন্যদিকে আলীর জুতা জোড়াও দৌড়াতে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায় |
এতদিন এক জোড়া জুতা দিয়ে দুজনে চলতো সেই পথটাও বন্ধ হয়ে যায় |
শেষটায় কি আলী আর জারা তাদের দুই জোড়া জুতাই ফিরে পায়? এই সিনেমাটি অসম্ভব সুন্দর |
বর্ণনা করে বুঝানো যাবেনা |
১৯৯৮ সালে অস্কারের আসরে বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে নোমিনেশন পায় |
#কাস্টিং:আমির ফারুক হাশেমিয়ান(আলী),বাহার সিদ্দীকি(জারা),মোহাম্মদ আমির নাজী,ফিরেস্তি সারাবান্দি প্রমুখ |
পছন্দের একটা মুভি |
কোরিয়ান কোন মুভি একটার চেয়ে আরেকটা কম না |
সত্যিই তারা বারবার অবাক করায় |
এ পর্যন্ত যতগুলো কোরিয়ান মুভি |
এ পর্যন্ত যতগুলো কোরিয়ান মুভি দেখেছি একটাও হতাশ করেনি |
আর এই মুভি তো একদমই না |
বলিউড মুভি এই মুভি থেকে কপি করা হয়েছিল |
: একজন লোক স্ত্রী-সন্তান হারিয়ে একা একা একটা এপার্টমেন্টে বাস করে |
নিজের জীবনে চাওয়া-পাওয়া বলতে তার কিছু নেই |
মাঝে মাঝে পাশের বাসা থেকে একটা ছোট মেয়ে তার সাথে দেখা করতে আসে |
মেয়েটির বাবা নেই |
মা ড্রাগ এডিক্টেড |
সেই লোকটির মাঝে মেয়েটি তার বাবার ছায়া খুঁজতে আসে |
কিন্তু লোকটি বাইরে থেকে মেয়েটিকে খুব বেশি পাত্তা দিতে চায়না |
অথচ মনে মনে ঠিকই নিজের সন্তানের জায়গা দিয়েছে |
তাইতো একদিন মেয়েটির মা আর মেয়েটি কুখ্যাত কিছু সন্ত্রাসী দ্বারা অপহরিত হলে তাদের খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে |
ঘটনাচক্রে মেয়েটির মায়ের লাশ লোকটি খুঁজে পায় |
কিন্তু মেয়েটিকে সন্ত্রাসীরা একটা বাজে জায়গায় বিক্রি করে দেয় |
তাহলে কিভাবে দেখা মিলবে লোকটির সাথে সেই ছোট্ট মেয়েটির? মুভির ফাইটিং সিনগুলো দারুণ ছিল |
আর কিছু কিছু জায়গায় আছে টান টান উত্তেজনা |
লিড রোলে নায়কের অভিনয়ও খুব ভাল লেগেছে |
আর কোরিয়ান শিশুশিল্পীরা একেকটা জেম |
সিনেমার মূল কাহিণী ধর্ষণকে কেন্দ্র করে |
দুখিয়া গ্রামে রাজনৈতিক নেতার ছোট ভাই আর তার সঙ্গীদের কাছে ধর্ষণ একটা উৎসবের মত |
মেয়েমানুষ দেখলেই দলবল নিয়ে প্রসুন তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে |
সেই দৃশ্যগুলো ছিল খুবই মর্মান্তিক |
পুরো গ্রামে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস কারও নেই |
ধর্ষণের বিচার চাইতে গেলে পুলিশরা তাদের এরিয়ার আওতাভুক্ত না বলে এড়িয়ে চলে |
ধর্ষণের প্রতিবাদ করতে গেলে সেই লোকের বাড়ির মেয়েদের ধর্ষণসহ বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয় |
সেই গ্রামে বরুণ নামে এক শিক্ষিত ছেলে আরও কিছু শিক্ষিত তরুণদের নিয়ে ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে |
কিন্তু বরুণের পরিণতি হয় মৃত্যু |
বরুণ কলকাতার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতো |
বিনোদ বিহারী বরুণের মৃত্যুর সংবাদ |
সেই সূত্রে পরিচয় বিনোদ বিহারীর সাথে |
বিনোদ বিহারী বরুণের মৃত্যুর সংবাদ শুনে বরুণের গ্রামে শিক্ষকতা করতে আসে |
সে পথে ঘাটে বরুণ সম্পর্কে সকলকে অবগত করতে থাকে |
একসময় বিনোদ বিহারী বুঝতে পারে বরুণের খুনের বিচার পাওয়া যাবেনা |
অন্যদিকে প্রসুন ও তার দলবলদের অত্যাচার গ্রামে আবারও বাড়তে থাকে |
বরুণ জীবত অবস্থায় অনেকটা দমন করে ফেলেছিল ধর্ষকদের |
বরুণের অবর্তমানে গ্রামটি আবারও নরকে পরিণত হতে থাকে |
স্পেশাল অফিসার অনিমেষকে পাঠানো হয় দুখিয়া গ্রামে |
সে আসাতে গ্রামে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস পাওয়া যায় |
অজ্ঞাতভাবে একে একে সব ধর্ষকরা খুন হতে থাকে |
কিন্তু কে খুন করছে কেউ বুঝতে পারেনা |
কোন প্রমাণ ছিলনা |
একসময় অনিমেষ সবকিছু বুঝতে পারে এবং খুনীকে চিহ্নিত করে |
কিন্তু খুনীর পরিচয় সবার সামনে প্রকাশ করে না |
পুলিশ হয়েও তাকে খালাস করে দেয় |
এই সিনেমায় খুনী বুঝতে পেরেছিল আইনের আওতায় আনলে ধর্ষকরা তাদের প্রভাব খাটিয়ে ছাড়া পেয়ে যাবে |
তাদের বিরুদ্ধে আবার কোন বরুণ রুখে দাঁড়াবে |
কিন্তু পরিণতি হবে মৃত্যু |
তাই খুনী কৌশলে নরকের কীটগুলোকে নিশ্চিহ্ন করতে থাকে |
হলিউডের অন্যতম সমাদৃত ও বাণিজ্যিক সফলভাবে চলচ্চিত্রের পর্দায় তুলে আনে ডিরেক্টর ফ্রান্সিস ফোর্ড কাপেলো |
এটি ছিল মারিও পুজোর বিখ্যাত উপন্যাসের এডাপশন |
কাপেলোর নিপুণ দক্ষতার জন্য অস্কার সহ আরো বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নেয় এই মুভি |
১৯৭৩ সালের অস্কারে এই ছবি একাই দশটি বিভাগে নমিনেশন পায় |
এক এক করে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র,শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যের জন্য পুরষ্কার লাভ করে |
৩০তম গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার,১৫তম গ্র্যামি পুরস্কার,২৫তম ডিরেক্টরস গিল্ড অব আমেরিকা পুরস্কার এই মুভি অর্জন করে নেয় |
: ভিটো কর্লিয়নি নিজেকে মার্কিন গডফাদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে |
বড় ছেলে সনি কর্লিয়নি একটু রগচটা স্বভাবের |
সবসময় তাড়াহুড়ো করে সমস্যার সমাধানে পৌঁছাতে চায় |
মেজো ছেলে ফ্রেডো কর্লিয়নি ভীতু প্রকৃতির |
যেকোন সমস্যার সমাধানে মানুষ |
নিজেকে সবসময় গুটিয়ে রাখে |
ছোট ছেলে মাইকেল কর্লিয়নি তার বাবার জায়গা নেয় পরবর্তীতে |
যেকোন সমস্যার সমাধানে মানুষ ভিটোর কাছে সাহায্যের জন্য আগে আসে |
অবশ্য আমেরিগো বনসেরা তার কন্যার উপর ধর্ষণ চেষ্টার বিচার পুলিশের কাছে না পেয়ে পরে গডফাদার ভিটোর কাছে এসেছিল |
মাদক সম্রাট ভার্জিল সলোজ্জ এর সাথে চুক্তি নাকচ করে দেওয়ার পর ভিটোর পরিবারের সাথে সলোজ্জ পরিবারের শত্রুতা শুরু হয় |
ভাইবার একাউন্ট খুব দ্রুত ও সহজে চালু করার উপায় |
এক সময় ভিটোকে রাস্তায় বুলেট বিদ্ধ হতে হয় |
এ যাত্রায় বেঁচে ফিরে ভিটো |
কিন্তু পাল্টা আক্রমণ থেমে থাকেনা |
এগিয়ে যায় মুভির কাহিণী |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.