content
stringlengths
0
129k
আমরা যন্ত্র, মিডিয়া আমাদের যন্ত্রী
মোদের যেমন নাচাও, মোরা তেমনি নাচি
ধরুণ ম্যাগিকান্ডের কোপ এবার গিয়ে সোজা পড়ল পাড়ার ফুচকার ফ্যাক্টরীতে অথবা আইসক্রিমের এঁদোগলিতে
ফুচকার জলে নাকি মশার লার্ভা থেকে শুরু করে পুকুরের জল পর্যন্ত থাকে
পুকুরের জলে শৌচকর্মের বীজাণুরা দিব্যি হেসে খেলে বেড়ায়
সস্তার আইসক্রিম নাকি ড্রেনের জলে তৈরী হয়
তাতে জলজ্যান্ত স্ট্যাফাইলোকক্কাসরা দিব্যি বেঁচেবর্তে থাকে দিনের পরদিন আর হিম-সাগরে অবগাহন করে তাদের নাকি মা-ষষ্ঠীর কৃপায় দিব্যি বংশবিস্তার চলতে থাকে
একটু গরমে এলেই ওরা ক্ষমতা দেখায়
গলায় ব্যথা, কাশির অব্যর্থ জীবাণু রূপে রোগসংসারে ওদের খুব নামডাক
ম্যাগিকান্ডে না হয় একটা মাল্টিন্যাশানাল বাঁশ খেল কিন্তু ফুচকায় হাত দিলে কিম্বা ঐ ফুটপাথী আইসক্রিমে হাত দিলে বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা
এক ঘা পড়বে ফুচকাওলার ঘাড়ে
এক ঘা পড়বে লোকাল দাদার ঘাড়ে
এক ঘা পড়বে স্থানীয় কাউন্সিলারের ঘাড়ে
আর বাদবাকী পনেরোটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ার আগেই সেখানকার যত ডাক্তারবাবুরা আছেন তাঁরাই ব্যাপারটাকে চাপা দিয়ে দেবেন
কারণ? কারণ রোগী বিনা ব্যাবসা নাই, ডাক্তারবাবুর ঘুম নাই
অতএব ফুটপাথী ফুচকা ও আইসক্রিম চলতেই থাকবে
লোকাল দাদা আর কাউন্সিলর সাহেবকে ঐ ডাক্তারবাবুরাই ম্যানেজ করে দেবেন
লোক দেখিয়ে দিনকয়েক ফুচকাওলা অন্য পাড়ায় গিয়ে দাঁড়াবে
আইসক্রিম ওয়ালা দুকুরবেলায় না বেরিয়ে সন্ধ্যের ঝুলে আইসক্রিম বিকোবে আর ড্রেনের জলে, পুকুরের জলে চুন ছড়িয়ে কাউন্সিলার সাহেব মাইক হাতে বলবেন" ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে দেওয়া হল সর্বত্র অতএব আজ থেকে পত্রপাঠ মশার লার্ভা, স্ট্যাফাইলোকক্কাস অন্তর্হিত হল এই এলাকা থেকে
" কানেকানে মাইক সরিয়ে ফুচকাওলাকেও বলে দেওয়া হল, যেমন চলছে চলুক
"তোমরা আমাকে তোলা দাও, আমি তোমাদের ফুচকা বেচতে দেব"
ডাক্তারবাবু মহাখুশিতে তাঁর ছাদের ওপর গভীররাতের নৈশভোজ ডাকলেন
সে যাত্রায় ফুটপাথী ফুচকা আর আইসক্রিম রক্ষে পেল
হোয়াটসএপ থেকে ফেসবুক সর্বত্র ম্যাগি নিয়ে জোকের ছড়াছড়ি
আরে মশাই ম্যাগি তো সলমন খানের চেয়েও বড় সেলেব
ঐটুকুনি হলদে প্যাকেট আর অত্তখানি স্বাদে ভরা, সুবিধেয় ঠাসা একটা মাল! ছোট্ট ছেলেটা স্কুল থেকে এসে বলল, মা! ম্যাগি ছেলে না মেয়ে বলতো? মা আবার "মাগী"র সাথে ম্যাগির নৈকট্য বুঝে উত্তর দিলেন "মেয়ে" ছেলে বলল, "হলনা, ওতো দু'মিনিটে তৈরী হতে পারে, তাই ম্যাগি হল ছেলে, ইয়ে! মাই ফেভারিট ম্যাগি! আমার ম্যাগি চাই-ই, ব্যস! আমিও ছেলে, ম্যাগিও ছেলে" ছেলের বাবা বলল, "আর সত্যি যদি লেড থাকবে তাহলে সারাদেশের ছেলেরা আজকে সলমনের মত মাসল ফুলিয়ে নটরাজ-বন্ডেড লেড, এইচবি" আর মা সেই শুনে বলল, "তাহলে মেয়েরা অত সীসা হজম করে নিশ্চয়‌ই অপ্সরা, এক্সট্রা ডার্ক, ঠিক যেন ব্ল্যাক বিউটি কৃষ্ণকলি!" মোড়ের মাথার চায়ের দোকানে ম্যাগি বিতর্কে সামিল হলেন ভোলাদা আর শিবুদা
ভোলাদা বললেন, "যাই বল আর তাই বলো ম্যাগি একদম বন থেকে বেরোল টিয়ে, সোনার টোপর মাথায় দিয়ে
ভিনিভিডিভিসি করে আজ নুডলস দুনিয়ায় তার মত পপুলার কেউ নেই
আমার মনে হচ্ছে ঐ এম-এন-সি মানে, যারা ম্যাগি তৈরী করে তাদের সাথে ডাক্তারবাবুদের ষড় আছে
নতুন নতুন রোগের সন্ধানে ব্যস্ত থাকেন তারা
হাঁচি-কাশির যুগ শেষ হয়ে ডিপথিরিয়া-টিবির যুগ ফুরোল
এডস-হেপাটাইটিস নিয়েও মানুষ যথেষ্ট সচেতন এখন
তাই নতুন কিছু ভাবনা নিয়ে হাজির হতে হবে
মিলেনিয়ামের পনেরো বছর নতুন কিছুই এগোয়নি আর
কেবল "তারে জমিন পর", "পা", "মাই নেম ইজ খান" অথবা "ফিফটিন পার্ক এভিনিউ" ছাড়া ! অতএব চলো, কুছ করকে দেখানা হ্যায়
জাপানের মিনামাতা উপসাগরে বিষ পড়ায় মাছেদের মৃত্যু ও তা থেকে মানুষের মৃত্যু হয়ে গেল গেল রব উঠেছিল
সেখানেও সীসা ছিল মধ্যমণি অতএব চলো লেড পয়জনিং নিয়ে মাতামাতি কাম আন্দোলন করি আমরা
প্রথমে আমরা ক্ষেপিয়ে বেড়াই ম্যাগি নিয়ে
তারপর ঝড় থেমে গেলে আবালবৃদ্ধবনিতাকে পুছতাছ করে তার লেড পয়জনিং আদৌ হল কিনা দেখি কিছু টেষ্ট করে
তারপর বাজারে এই রোগ নিয়ে কিছুদিন উত্তেজনা চলবে
মিডিয়া বলবে
মানুষ ভয় পাবে
তারপর চারদিকে পাড়ায় পাড়ায় লেড পয়জনিং এক্সপার্ট ডাক্তারবাবুর ক্লিনিক চালু হবে
যেমন হযেচে "ইনফার্টিলিটি এক্সপার্ট', "ওবেসিটি এক্সপার্ট", "এনোরেক্সিয়া এক্সপার্ট" ..তেমনি আরকি!লেড পয়জনিং বা যার গালভরা নাম "প্লাম্বিজম" অথবা আরো বড়সড় নাম "কলিকা পিক্টোরিয়াম" বাবুদের চেম্বারে দেখলে রোগীরাও সচেতন হবে
হাজারো গন্ডা টেষ্টক্লিনিকে নতুন টেষ্ট হবে
নতুন রোগ মানেই নতুন জনকারী
নতুন জনকারী মানেই শোরগোল
অতএব সে যাত্রায় মনে হচ্ছে ম্যাগি পার পেয়ে যাবে
তাই ম্যাগির ভাগ্য নির্ধারণ করবেন মাননীয় ডাক্তারবাবুরা
একটু আধটু লেডও থাকুক
আজিনামোটোর ছোঁয়াও থাকুক
বেঁচে যাক এমএনসি
বেঁচে থাক ম্যাগি
বেঁচে যাক ছেলেবুড়ো ! সার্জেনরা কিন্তু মুষড়ে পড়েছে বড়
ম্যাগি না খেলে বেরিয়াট্রিক সার্জারী বন্ধ হয়ে যাবে
দিব্যি ম্যাগির ফ্যাট হজম করে বাচ্চাগুলোর ওবেসিটি হচ্ছিল, সার্জেনরা বছরে অন্ততঃ দুটো হলেও কেস পাচ্ছিল
" শিবুদা বললেন, "এবার থামবেন ভোলাদা? আমাকে কিছু বলতে দেবেন্?" "দুটো ব্যাপার আছে আমার মনে হয়
সরকার বলচেন, দেশে যে হারে আলুচাষী, গমচাষীরা আত্মহত্যা করছে তার অন্যতম কারণ হল গম, আলু এসব বিক্রি পড়ে যাওয়া
মানুষ ডাল খায়না আর
ডালের দাম বেশি তাই
ভাত-রুটি-ডাল খাওয়া কমে যাচ্ছে তাই সরকারের হঠাত মনে হয়েচে ম্যাগি হল যত নষ্টের গোড়া
মানুষ ম্যাগি বেশি খাচ্ছে তাই ম্যাগির ব্যবসা লাটে ওঠাও
আর সরকারী কোঁদল চাপা দিতে কি ওষুধ লাগে জানেন তো ভোলাদা? শুধু ঠিক জায়গাটায় ঐ কোম্পানী তার দেয় অঙ্কটা মিটিয়ে দিন, এই আমার ঐকান্তিক ইচ্ছা
" কলেজের এক প্রোফেসরের নামটাই দিয়ে দিলাম "ম্যাগি" কারণ ওনার মুদ্রা দোষ
ওনার বোরিং লেকচারে ব্যতিবস্ত হয়ে আমরা "আর কতক্ষণ" ম্যাম জিগেস করলেই উনি শুধাতেন "টু মিনিটস" ! আমরা ওনার নাম বদলে দিয়ে রাখলাম "ম্যাগি" সেই ব্র্যান্ড আজ বিপর্যস্ত
সেই সুখ আজ অসুখে পরিণত
সেই হলুদ প্যাকেট আজ বিতাড়িত
সলমন খান অত বড় দোষ করে পার পেয়ে গেল আর ম্যাগির নামে যত্ত দোষ! আরে মশাই জ্বরে গা পুড়ে যাওয়া বাচ্চার ম্যাগি খেয়ে অসুখ বেড়ে গেছে বলে তো শুনিনি কখনো
একশো গ্রাম ম্যাগি আধখানা পেঁযাজ আর একটা ডিম দিয়ে দিব্যি কমপ্লিট মিল! আর কুকিং টাইম দুমিনিট
নো হ্যাপা অফ গেটিং গ্যাস আর পেটও ভরবে জেনো, ব্যাস! অতএব বস্তিতেও স্বস্তি
হাইরাইজেও মস্তি
ম্যাগি হল ফুড দুনিয়ায় সেলিব্রিটি
আজ ম্যাগির মধ্যে এমএসজি তাই এত হুজ্জুতি তোমরা করো! তোমরা যে সব বুড়ো খোকা আর কারো দোষ দেখতে নারো! কত লোক কথা দিয়ে কথা রাখেনি তার বেলা? কত ব্ল্যাক মানির হদিশ পাওনা তার বেলা? কত করাপশান "দেবা: ন জানন্তি কুতো মনুষ্যা:", তার বেলা? কত মামলা সুবিচার পায়না তার বেলা? কত টুপি প্রতিনিয়তঃ আমাদের পরতে হয়, অন্যতম সমাজবন্ধু ডাক্তারবাবুর দ্বারা
তার বেলা? অতএব বন্ধু গুজবে কান দিবেননা
দিন আগত ঐ ! ম্যাগি বেঁচে থাকিবে
তার জনক মিষ্টার নেসলে অত বোকা নন
তিনি জানেন এ দেশে কিভাবে ব্যাওসা পাতি করতে হয়
টু আর ইজ হিউম্যান
একটু সময় দিন কেবল
তাঁর অপত্যকে রক্ষা তিনি‌ই করিবেন, বলাই বাহুল্য
ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানাবিধ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে
ইউএন ডিপির কারিগরি সহায়তায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) কর্মসূচী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়, বিভাগ, ও অধিদপ্তরসহ অন্যান্য অফিসে ই-সেবা প্রদানে কারিগরি ও কোন কোন ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে
সরকারের এই কর্মসূচীর আওতায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় সারাদেশে প্রায় ৪৫৪৭ টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যার মাধ্যমে গ্রামীণ জনগনের মানুষের কাছে তথ্য প্রযুক্তি সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে
এছাড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা ই-সেবাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, অনলাইনে খতিয়ান (পর্চা) প্রদান, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু, চিনিকলসমূহে ই-পূর্জি চালু, জাতীয় তথ্য বাতায়ন তৈরী, মোবাইল কোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, সেবাকুঞ্জ, রেলওয়ের মোবাইল টিকেটিং, অনলাইন হজ্জ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম শুরুর ফলে জনগণের দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে
জনগণের দোরগোড়ায় সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে প্রতিটি মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তরে ই-সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার জন্য একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে আসছে যাতে জনসেবায় উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করে স্বল্পসময় ও ব্যয়ে এবং কম যাতায়াতের মাধ্যমে হয়রানিমুক্ত পরিবেশে জনগণকে সেবা প্রদান করা সম্ভবপর হয়
এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ চা শিল্পের উন্নয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ চা বোর্ড ও এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসমূহ চা বাগানসমূহে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে আসছে
তন্মধ্যে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) ও প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিট (পিডিইউ) চা বাগানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে বিভিন্ন ধরনের কারিগরি সমস্যাদির সমাধানকল্পে বিভিন্ন ধরনের বৈজ্ঞানিক সহায়তা প্রদান করে আসছে
এই সেবা সহজীকরণের লক্ষে বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক 'দু'টি পাতা একটি কুঁড়ি' নামক মোবাইল অ্যাপ্স এর মাধ্যমে চা তথ্য ও প্রযুক্তি সেবা সহজীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১
6 : ষষ্ঠ শ্রেণির এসাইনমেন্ট ২০২১ (১ম সপ্তাহ) প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর...
যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয় জানেন কতটা হৃদয়স্পর্শী একটি সিনেমা
মাজিদ মাজিদি পরিচালিত ১৯৯৭ সালের একটি ইরানী সিনেমা
আলী এবং জারার অভিনয় অসাধারণের উপরে অসাধারণ ছিল
আলী এবং জারা সম্পর্কে আপন ভাই-বোন
তাদের পরিবার দিন আনে দিন খায় এই অবস্থা
আলী স্কুলে ছাত্র হিসেবে খুব ভালো
একবার সে তার বোনের একজোড়া জুতা হারিয়ে ফেলে
বাবার ভয়ে আলী তার ছোটবোন জারাকে কিছু বলতে নিষেধ করে এবং আশ্বস্ত করে সে জারাকে আবার এরকম জুতা এনে দেবে
জুতা খোঁজা নিয়ে দুই-ভাই বোন বিভিন্ন এডভ্যাঞ্চারের ভিতর দিয়ে যায়
স্কুলে যাওয়ার সময় তার ছোটবোন আলীর জুতা পরে যেত এবং ছুটি হলে আলী আবার সেই জুতা পড়ে ক্লাসে যেত