content
stringlengths
0
129k
ক্রিকেট বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত
জাহাঙ্গীরের মোটরসাইকেলে মুরাদ, ছবি ভাইরাল
এক মিটিংয়ে ৯০০ কর্মী ছাঁটাই!
সেই নাহিদের খোঁজে ডিবি
নারীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন মুরাদ
দুপুরেই ঢাকা ছেড়েছেন প্রতিমন্ত্রী মুরাদ, ফোন বন্ধ
নায়ক ইমনকে র‌্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়েছে
টাঙ্গাইলে ধারণকৃত ইত্যাদি'র পুনঃপ্রচার আজ
দশ দিন ধরে সাজানো দপ্তরে বসা হলো না মুরাদের
রেডিসনে আত্মগোপনে ছিলেন মুরাদ, রাতেই ছাড়েন হোটেল
ক্রিকেট এর সর্বশেষ
চার উইকেট হারিয়ে মধ্যাহ্নভোজে বাংলাদেশ
ফলোঅনের পর ১৯ রানে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের
৮৭ রানে অলআউট, ফলোঅনে বাংলাদেশ
যুব বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা
বাংলাদেশকে ইনিংস ব্যবধানে হারাতে চান সাজিদ
আল্লাহ চাইলেই পেসাররা উন্নতি করবে: সুজন
'বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে যুবাদের এই সাফল্য দরকার ছিল'
মুমিনুলদের ব্যাটিংয়ে অধৈর্য ব্যাপার দেখছেন সুজন
বাংলাদেশের বিপক্ষে থাকবেন না উইলিয়ামসন
এই বিভাগের সব খবর
মোবাইল সার্ভিস
সম্পাদক : জুয়েল মাজহার
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮১, +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০ ৯৬১ ২১২ ৩১৩১ নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৬, +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২৩৪৬
অসহিষ্ণু পরিস্থিতির সৃষ্টি শঙ্কায় ফেসবুকসহ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে সরকার
এই নিয়ে তীব্র মৌখিক বিতর্কের সৃষ্টি হয় দেশ জুড়ে
কেউ পক্ষে কেউ আবার বিপক্ষে
ঐ দিনতো জাতীয় সংসদে ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ করলেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকী, অবিলম্বে ফেসবুকসহ বন্ধকৃত সকল সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যম জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের এমন বক্তব্যের পরও সামাজিক মাধ্যম গুলো চালু করার ব্যাপারে কোনো তোড়জোর নেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
সিদ্ধান্ত আসতে পারে যে কোনো সময়
এমন নির্দেশনার অপেক্ষায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে জানা যায়, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে তবেই দেশের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে সিদ্ধান্তে আসবে মন্ত্রণালয়টি
এতো ঘটনা প্রবাহের আগেই প্রাথমিক ভাবে ফেসবুক খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে এসেও তা আর কর্যকর হয়নি
আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি বিদায় চালু করা হয়নি বন্ধ মাধ্যম গুলো
গত মঙ্গলবারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে
শীগ্রই বন্ধ থাকা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক, ভাইবার সহ অন্যান্য মাধ্যমগুলো খুলে দেয়া হবে
এদিকে গত বুধবার দুপুরে লালমনিরহাটের দহগ্রামে গ্রামীণ ফোনের থ্রিজি সেবার উদ্ধোধন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে ইঙ্গিত আসলেই চালু করা হবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো
আজ বৃহস্প্রতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির একাধিক সূত্রে জানা যায়, যে কোনো সময় খুলে দেয়া হতে পারে ফেসবুক, তবে অন্যান্য অ্যাপস গুলোর ব্যাপারে আরো বেশ কিছু দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করে তবেই চালু করা হবে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রলায়ের কাছ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এলেই টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিটিআরসিকে অ্যাপসগুলো চালু করার নির্দেশ দিবেন
বিডিটাইমস ৩৬৫ডটকম/এসএম/জেডএম/৮.১৬ ঘ.
সংশ্লিষ্ট সংবাদ
প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন সাকা ও মুজাহিদ
এবার হোয়াইট হাউস উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আইএস এর
শীতে ঠোঁটের যত্ন
আমিরকে নিয়ে হাফিজের সিদ্ধান্ত 'ব্যক্তিগত' বললেন মিসবাহ
৬৬ দিন পর দেশে ফিরেছেন খালেদা জিয়া
সাকা চৌধুরী ও মুজাহিদের পরিবারকে দেখা করতে ডেকেছে কারা কর্তৃপক্ষ
জাতীয় বিভাগের আরো খবর
ভেজালবিরোধী অভিযান: চকবাজারে ১৫ লাখ টাকার চকলেট জব্দ, আটক ৫
আবারও অভিশংসিত ট্রাম্প
বিজয়ের মাসে পদ্মা জয় করল বাংলাদেশ
বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন টার্মিনালে মাটি খুঁড়তেই মিললো বোমা
পদ্মাসেতুতে তিন বিশ্ব রেকর্ড বাংলাদেশের
আন্তর্জাতিক
অন্যান্য খেলার সংবাদ
চাকুরির খোঁজ
প্রকাশক: এস এম জহিরুল ইসলাম সবুজ, লিংকন মিডিয়া, বাড়ী # ১০, সড়ক # ১৪, সেক্টর # ৬, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ ফোন: +৮৮ ০২ ৫৮৯৫৬৩৭৯, হটলাইন : ০১৮৪১৫২১৫২২, ০১৮৪১৫২১৫২৩, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৫৮৯৫২৮২০, আইপি ফোন: ০৯৬১২২২৪৪২২. ইমেইল: [ ]
অভিজিৎ|2016-12-2722:53:52+06:00জুন 26, 2011|: বিজ্ঞান, ভালবাসা কারে কয়?, মনোবিজ্ঞান, মানব বিবর্তন, সামাজিক বিজ্ঞান|: অভিজিৎ বিজ্ঞান, ঈর্ষা, ঈর্ষাপরায়ণতা, জিঘাংসা|154
সখি, ভালবাসা কারে কয়? <আগের পর্ব : পর্ব-১
পর্ব-৩| পর্ব-৪ | পর্ব-৫ | পর্ব -৬>
'সখি ভালবাসা কারে কয় ?' সিরিজের আগের পর্বগুলোতে প্রেম ভালবসা কী, এবং কতপ্রকার এর পেছনের হরেক রকম কেচ্ছা কাহিনী নিয়ে আলোচনা হয়েছে
এই পর্বটি একটু ভিন্ন
এই পর্বে আলোচনা থাকবে ঈর্ষা নিয়ে
সমাজে প্রেম ভালবাসা যেমন আছে, তেমনি আছে ঈর্ষা
কিভাবে এবং কেন ঈর্ষাপরায়নতার মত একটি বৈশিষ্ট জৈবিকভাবে মানব সমাজে উদ্ভুত হল, এর অনুসন্ধান করাই প্রবন্ধটির উদ্দেশ্য
লেখাটির শেষ অংশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুমানা মঞ্জুরের উপর ঘটে যাওয়া নৃশংসতা নিয়েও আলোচনা আসবে ...
আছে ভালবাসা, আছে ঈর্ষা
সুরঞ্জনা, ওইখানে যেয়ো নাকো তুমি,
বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনা :
নক্ষত্রের রূপালি আগুন ভরা রাতে;
ফিরে এসো এই মাঠে , ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূর - আরো দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়ো নাকো আর
কী কথা তাহার সাথে? -তার সাথে! ...
'আকাশলীনা' নামের কবিতায় ঈর্ষাপরায়ণ চরিত্রের এক অসাধারণ চিত্রায়ণ করেছেন কবি জীবনান্দ দাস, যে কবিতায় ঈর্ষাকাতর প্রেমিক অন্য যুবকের সাথে সুরঞ্জনার কথা বলা নিয়ে চিন্তিত, ঈর্ষান্বিত
হ্যা - প্রেম যেমন আছে, তেমনি আছে ঈর্ষাপরায়ণতা
প্রেমের মত ঈর্ষাপরায়ণতার ব্যাপারটাও বোধ হয় মানুষের মজ্জাগত
একতরফা ভাবে প্রেম কখনোই কোথাওই হয় না, প্রেমে ছলনা আছে, আছে প্রতারণা
আর ছলনা বা প্রতারণা থাকলে থাকবে ঈর্ষা, থাকবে ঘৃণা, এবং ক্ষেত্রবিশেষে জিঘাংসাও
শুনতে যতই খারাপ লাগুক না কেন- ছলনা, বিশ্বাসঘাতকতা, ঈর্ষা বা জিঘাংসার মত বৈশিষ্টগুলোর জন্মও হয়েছে প্রেমের মতই একই বিবর্তনীয় যাত্রাপথে
বিবর্তন মনোবিজ্ঞানীদের এগুলো নিয়েও সঙ্গত কারণেই গবেষণা করতে হয়
ডেভিড বাস তাঁর বই 'ভয়ঙ্কর আবেগ : প্রেম এবং যৌনতার মধ্যে ঈর্ষাও জড়িত থাকে কেন?' নামের বইয়ে দেখিয়েছেন, কেউ প্রেমে প্রতারণা করলে আমরা ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠি
ঈর্ষা আসলে একটি সারভাইভাল স্ট্র্যাটিজি - বেঁচে থাকার এক সুচতুর পরিকল্পণা
আসলে বিবর্তনের ধারাবাহিকতাতেই ভালবাসার মত ঈর্ষার বীজও মানুষের মনে তৈরি হয়েছে, এর পরিস্ফুটন ঘটেছে
আমাদের বর্তমান মানসিকতার মধ্যে ঈর্ষার বীজ দেখে বোঝা যায়, আমাদের পূর্বপুরুষেদের মধ্যেও ঈর্ষা যথেষ্ট পরিমাণেই ছিল
যাদের মধ্যে ঈর্ষা ছিল না তাঁরা প্রজননগতভাবে সফল ছিলো না, তারা কোন উত্তরসূরী রেখে যান নি[1]
তবে এর অর্থ এই নয় যে, আমাদের সবাইকে ঈর্ষাপরায়ন হিসেবে বড় হতে হবে, আর কাউকে দেখলেই ঈর্ষান্বিত হতে হবে
ঈর্ষার ব্যাপারটা বহুলাংশেই সময় এবং পরিস্থিতি নির্ভর
বিবর্তনের কৌশল সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়, এছাড়া বিবর্তনের কৌশলজনিত যে কোন মানবিক বৈশিষ্ট্য মানুষের মধ্যে পারিসাংখ্যিক সীমায় বিস্তৃত, কারও ক্ষেত্রে কম, কারও ক্ষেত্রে বা বেশি
চিত্র: আমাদের পূর্বপুরুষেদের মধ্যেও ঈর্ষা যথেষ্ট পরিমাণেই ছিল
যাদের মধ্যে ঈর্ষা ছিল না তাঁরা প্রজননগতভাবে সফল ছিলো না, তারা কোন উত্তরসূরী রেখে যান নি (ছবির কৃতজ্ঞতা - সায়েন্টিফিক আমেরিকান)
তবে বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন ঈর্ষা এবং প্রতারণার রকম ফের নারী-পুরুষে ভিন্ন হয়
বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের অনুকল্প অনুযায়ী যৌনতা সংক্রান্ত হিংসা কিংবা ঈর্ষার ব্যাপারটি আসলে জৈবিকভাবে () অনেকটাই পুরুষদের একচেটিয়া, যাকে বলে - 'স্কেসুয়াল জেলাসি'বা যৌন-ঈর্ষা
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে - কেবল পুরুষদেরই যৌন-ঈর্ষা থাকবে কেন? কারণ হচ্ছে, সঙ্গমের পর গর্ভধারণ এবং বাচ্চা প্রসবের পুরো প্রক্রিয়াটা নারীরা নিজেদের মধ্যে ধারণ করে, পুরুষদের আর কোন ভূমিকা থাকে না
ফলে পুরুষরা নিজেদের পিতৃত্ব নিয়ে কখনোই 'পুরোপুরি' নিশ্চিত হতে পারে না
সত্যি কথা বলতে কি - আধুনিক 'ডিএনএ' টেস্ট আসার আগ পর্যন্ত আসলে কোন পুরুষের পক্ষে একশত ভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলা সম্ভব ছিলো না যে সেই তার সন্তানের পিতা
কিন্তু মাতৃত্বের ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়
মাকে যেহেতু গর্ভধারণ করতে হয়, প্রত্যেক মাই জানে যে সেই তার সন্তানের মা