content
stringlengths
0
129k
কিন্তু অপরাধ হলেও এটা কিন্তু অনেক পুরুষেরই মনোসঞ্জাত স্ট্র্যাটিজি, যা তারা সুযোগ পেলেই ব্যবহার করেছে ইতিহাসের যাত্রাপথে সে কথা কারো অজানা নয়
এ ক্ষেত্রে ১৯৮০ সালের দিকে পত্রপত্রিকায় সাড়া জাগানো ক্যানাডিয়ান মডেল এবং অভিনেত্রী ডোরোথি স্ট্র্যাটেন হত্যার উল্লেখ বোধ হয় অপ্রাসঙ্গিক হবে না
অনিন্দ্য সুন্দরী ডোরোথি স্ট্র্যাটেন তখন কানাডার সেন্টিনিয়াল হাইস্কুলে পড়ছিলেন, আর বাড়ির পাশে 'ডেইরি কুইন' নামের ফাস্ট ফুড রেস্তরায় কাজ করতেন
রেস্তরায় কাজ করতে গিয়েই পল স্নাইডার নামে এক লোকের সাথে পরিচয় হয় তার
অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের ভাবের আদান প্রদান - পরিচয় থেকে পরিণয়
ডোরোথি স্ট্র্যাটেনের বয়স তখন ১৭
আর স্নাইডারের ২৬
পরিচয়ের পর থেকেই স্নাইডার ডোরোথিকে বোঝাতে পেরেছিলেন যে, ডোরোথির একটি চমৎকার সুন্দর মুখশ্রী আর আকর্ষণীয় দেহবল্লরী আছে, যা মডেল হবার জন্য একেবারে নিঁখুত
ডোরোথি প্রথমে রাজী না হলেও স্নাইডারের চাপাচাপিতে বাধ্য হয়ে কিছু ছবি তুলেন
স্নাইডারই তোলেন সে ছবিগুলো তার নিজস্ব ক্যামেরায়
তারপর তা পাঠিয়ে দেন হিউ হেফনারের কাছে
হিউ হেফনার প্লে বয় ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা
স্নাইডার হেফনারের কাছ থেকে উত্তর পেলেন দুই দিনের মধ্যেই
এরপরের সময়গুলো ডোরোথি স্ট্র্যাটেনের জন্য খুবই পয়মন্ত
তিনি হিউ হেফনারের বিখ্যাত 'প্লে বয় প্রাসদে' গিয়ে উঠলেন স্নাইডারকে সাথে নিয়ে
শুরু হল ডোরোথির প্লে বয় মিশন
তিনি ১৯৭৯ সালে নির্বাচিত হলেন প্লে বয় ম্যাগাজিনের 'মাসের সেরা প্লে মেট' হিসেবে
, ১৯৮০ সালে তিনি হন বর্ষ সেরা
প্লেবয়ের পাঠকূল যেন আক্ষরিক অর্থেই ডোরোথির পরিস্কার চামড়া এবং প্রতিসাম্যময় দেহ, লাস্যময় কিন্তু নিষ্পাপ মুখশ্রী, আর নির্মল চাহনি দিয়ে আবিষ্ট ছিলো সেসময়
রাতারাতি ডোরোথি বনে গেলেন তারকা
আর অন্যদিকে স্নাইডারের অবস্থা রইলো আগের মতোই- চাকরীবাকরীবিহীন, হতাশাগ্রস্থ
হেফনারের কাছেও স্নাইডার তেমন কোন সহনীয় কিছু ছিলো না
একদিন প্লে বয় প্রাসাদ থেকে স্নাইডারকে তাড়িয়েই দেয়া হল
প্রাসাদরক্ষীকে বলে দেয়া হল যে, তিনি যেন স্নাইডারকে বাড়ির ত্রিসীমানায় না দেখেন
চিত্র: ডোরোথি স্ট্র্যাটেন (১৯৬০ -১৯৮০), ছবির কৃতজ্ঞতা -এখানে
এদিকে ডরোথিকে নিয়ে শুরু হল হেফনারের ম্যালা পরিকল্পনা
তাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হল হলিউডের নায়ক, নায়িকা আর খ্যাতিমান পরিচালকদের সাথে
এদের মধ্যে ছিলেন হলিউডের উঠতি পরিচালক পিটার বোগদানোভিচ
পিটার তখন ইতোমধ্যেই 'পেপার মুন' (১৯৭৩) আর 'দ্য লাস্ট পিকচার শো' (১৯৭১)'র মত জনপ্রিয় ছবি তৈরি করে ফেলেছেন
তিনি ডরোথিকে দেখেই তার ভবিষ্যৎ ছবির নায়িকা হিসেবে মনোনীত করে ফেললেন
ডরোথির জন্য এ যেন আকাশের চাঁদ পাওয়া
অবশ্য বর্ষসেরা প্লে বয় হিসেবে মনোনয়নের কারণে ইতোমধ্যেই ডরোথি পরিচিত হয়ে উঠেছেন বিভিন্ন মহলে
তিনি অভিনয় শুরু করেছেন বাক রজার্স এবং ফ্যান্টাসি আইল্যান্ডের মত টিভি সিরিয়ালে
ডরোথির দিনকাল ভালই চলছিলো
পিটার বোগদানোভিচের 'দে অল লাফড' ছবিতে অভিনয় শুরু করেছেন
এটিই তার প্রথম ছবি
অন্যদিকে তার সঙ্গি পল স্নাইডার চাকরী বাকরীবিহীন
গ্ল্যামারাস ডরোথির পাশে চলচিত্র জগতে অচ্ছুৎ স্নাইডার 'নিতান্তই বেমানান' হয়ে উঠছেন ক্রমশঃ
কিন্তু তিনি তখনো ডরোথিকে বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছিলেন
ডরোথিও প্রথমে না করেন নি, কারণ আফটার অল - পল স্নাইডারের কারণেই প্লেবয়ের মাধ্যমে তার খ্যাতির যাত্রা শুরু হয়েছিল
ডরোথি স্নাইডারকে বিয়ে করতে রাজী হলেন বটে কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই অনিবার্যভাবে প্রেমে পড়ে গেলেন পিটার বোগদানোভিচের
স্নাইডারকে এড়িয়ে চলতে শুরু করলেন ডরোথি
তার সাথে বিচ্ছেদের চিন্তা শুরু করেছেন তিনি
বেপরোয়া পল স্নাইডার শেষবারের মতো ডরোথির সাথে দেখা করতে চাইলেন
যদিও ডরোথির বন্ধুবান্ধব তাকে স্নাইডারের সাথে সকল ধরণের সম্পর্ক ছিন্ন করতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছিলেন, ডরোথি ভাবলেন - হোয়াট দ্য হেক, এই একবারই তো
তিনি ভাবলেন যে মানুষটার সাথে এতদিনের একটা সম্পর্ক ছিল, যার কারণে তিনি এই খ্যাতির সিড়িতে তার সাথে দেখা করে কিছুটা কৃতজ্ঞতার ঋণ শোধ করলে ক্ষতি কি!
সেই ভাবাই তার কাল হল
১৯৮০ সালের ১৪ই অগাস্ট ডরোথি স্নাইডারের সাথে দেখা করলেন
সাথে তার হ্যান্ড ব্যাগে নিলেন এক হাজার ডলার
ভাবলেন এ টাকাগুলো স্নাইডারের হাতে তুলে দিলে স্নাইডারের রাগ ক্ষোভ কিছুটা হলেও কমবে, আর তা ছাড়া চাকরী বাকরীবিহীন স্নাইডারের টাকার দরকার নিঃসন্দেহে
কিন্তু স্নাইডারের মাথায় ছিল ভিন্ন পরিকল্পণা
তিনি তার শটগান ডরোথির মাথায় তাক করে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলি করলেন
হত্যা করলেন ডরোথিকে
পুলিশ পরে বাসায় এসে রক্তের বন্যায় ভেসে যাওয়া ডরোথির নিথর দেহ আবিস্কার করলেন (ছবি দেখুন এখানে
ছবিটি অত্যন্ত গ্রাফিক বিধায় সরাসরি ব্লগে দেয়া হল না)
যে নির্মল চাহনি আর নিষ্পাপ মুখশ্রী এতোদিন আবিষ্ট করে রেখেছিল ডরোথির ভক্তদের, হাজার হাজার ম্যাগাজিনের কভার পেজে যে মুখের ছবি এতোদিন ধরে আগ্রহভরে প্রকাশ করেছেন পত্রিকার প্রকাশকেরা, সেই মুখ বিদ্ধস্ত
রক্তস্নাত বিকৃত মুখ, ফেটে যাওয়া মাথার খুঁলি আর এখানে ওখানে ছড়িয়ে পড়া মগজের মাঝে পড়ে থাকা নগ্ন দেহ ডরোথির
দেহে নির্যাতন আর ধর্ষণের ছাপও ছিলো খুব স্পষ্ট
স্নাইডারের ঈর্ষাপরায়নতার মর্মান্তিক বলি হলেন ডরোথি
ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস - মৃত্যুর কিছুদিন আগের এক সাক্ষাৎকারে ডরোথি তার সবচেয়ে অপছন্দনীয় বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন - ঈর্ষাপরায়নতা! মাত্র বিশ বছর বয়সেই পৃথিবীর সমস্ত রূপ রস ভালোবাসা ছেড়ে অজানার পথে পাড়ি জমাতে হলো ডরোথিকে
স্নাইডার নিজেও আত্মহত্যা করেন ডরোথিকে হত্যার পর পরই
ব্যাপারটিকে সাদা চোখে জিঘাংসার জের বলে মনে হলেও সেটি আরেকটু গভীর বিশ্লেষণের দাবী রাখে
ডোরোথি ছিলেন সুন্দরী, কিন্তু নিজের সৌন্দর্য নিয়ে তিনি তেমন সচেতন হয়তো ছিলেন না যখন তিনি ডেইরি কুইন রেস্তরায় পার্ট টাইম কাজ করতেন
প্লে বয় ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা প্লে মেট নির্বাচিত হবার পরই তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি পরিণত হয়েছেন বহু শিক্ষা দীক্ষা গুণমান সমৃদ্ধ রথী মহারথী পুরুষের হার্টথ্রবে
অর্থাৎ খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই বাজারে ডরোথির 'মেটিং ভ্যালু' বেড়ে গিয়েছিলো অনেকগুণ
আর অন্যদিকে স্নাইডার ছিলেন চাল চুলোহীন চাকবাকরী বিহীন বেকার যুবক
তিনি অর্থবিত্তে বলীয়ান সামাজিক প্রতিপাত্তিশালী হেফনার কিংবা পিটার বোগদানোভিচদের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবেন কেন? তার মেটিং ভ্যালু ছিলো পড়তির দিকে
প্রতিযোগিতায় হেরে যাবার, অর্থাৎ এতদিনের সুন্দরী সঙ্গি 'হাত ছাড়া' হয়ে যাবার আশঙ্কাই ঈর্ষান্বিত করে তুলেছিলো স্নাইডারকে
ভিজিলেন্স থেকে তিনি চেঁছে নিয়েছিলেন ভায়োলেন্সের পথ
বিবর্তন মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, বিবর্তনীয় যাত্রাপথে নারীরা পুরুষ সঙ্গীদের এক ধরনের 'সম্পদ'-এর যোগান হিসেবে চিহ্নিত করে এসেছে[17]
অর্থবিত্ত, ভাল চাকরী, সামাজিক পদমর্যাদা, প্রভাবপ্রতিপত্তি পুরুষদের জন্য খুব বড় ধরণের মেটিং ভ্যালু
কাজেই চাকরী হারানো কিংবা চাকরী না থাকার মানে সম্পদের যোগান বন্ধ
মেয়েরা সঙ্গি নির্বাচনের সময় চাকরীদার এবং সামাজির প্রতিপত্তিওয়ালা ছেলেদের পছন্দ করে
এগুলো না থাকলে মেটিং ভ্যালু কমে আসবে
স্নাইডারের ক্ষেত্রে ঠিক এটিই ঘটেছিলো
ব্যাপারটাকে সামাজিক স্টেরিওটাইপিং বলে মনে হতে পারে, কিন্তু পুরুষদের জন্য চাকরী বাকরী না করে বেকার বসে থাকাটা কোন অবশনই নয় বিয়ের বাজারে কিংবা এমনিতেই সামাজিকভাবে, কিন্তু বহু সমাজেই মেয়েদের জন্য তা নয়
আমার ব্যক্তিগত জীবনের উদাহরণ টানি এ প্রসঙ্গে
স্বভাবে আমরা দু'জনেই ঘরকুনো হলেও মাঝে মধ্যে চাপে পড়ে আমাকে আর বন্যাকে মাঝে মধ্যেই কোন দেশী পার্টিতে যেতে হয় এই আটলান্টায়
অনেক সময়ই নতুন কারো সাথে দেখা হয়, পরিচয়ের এক পর্যায়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় - 'ভাই আপনি কোথায় চাকরী করেন?' বন্যার ক্ষেত্রে ঠিক তা হয়না
তার দিকে প্রশ্ন আসে -'আপা/ভাবী, আপনি কি বাসায় থাকেন নাকি চাকরী করছেন?' এ থেকে বোঝা যায় নারীদের ক্ষেত্রে চাকরী না করাটা একটা অপশন মনে হলেও 'ভাল স্বামীর' ক্ষেত্রে তা হয় না কখনোই, তা তিনি যতই শখের বসে বইপত্তর লিখুন কিংবা ব্লগ করুন ! সেজন্যই চাকরী না থাকলে একজন নারী যতটা না পীড়িত হয়, একজন পুরুষকে তার বেকার জীবন পীড়িত করে ঢের বেশি
তারা হয়ে উঠে হতাশাগ্রস্থ, এবং সর্বোপরি এই ভঙ্গুর সময়টাতেই তারা সঙ্গি হারানোর ভয়ে হয়ে উঠে চিন্তিত এবং ঈর্ষান্বিত
জীববিজ্ঞানী রবিন বেকার এবং মার্ক বেলিস ইংল্যান্ডে চালানো তাদের একটি গবেষণায় দেখিয়েছেন, একজন বিবাহিত নারী যখন অন্য কোন পুরুষের সাথে পরকীয়ায় জড়ায়, সেই পুরুষের চাকরীর স্ট্যাটাস, প্রতিপত্তি, সামাজিক অবস্থান প্রভৃতি তার বর্তমান স্বামীর চেয়ে সাধারণতঃ বেশি থাকে[18]
অন্য আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, শতকরা ৬৪ ভাগ ক্ষেত্রে একজন পুরুষ তার সঙ্গিকে হত্যা করে যখন সে থাকে চাকুরীবাকুরীবিহীন একজন বেকার ভ্যাগাবন্ড[19]
ঈর্ষার পরিনাম এবং রুমানা মঞ্জুর উপাখ্যান
সম্প্রতি একটি আলোচিত ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদপত্রে এবং মিডিয়ায় আলোচনা তুঙ্গে
বৃটিশ কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি্র গবেষক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুমানা মঞ্জুর দেশে থাকাকালীন সময়ে তার স্বামী হাসান সাইদের হাতে রক্তাক্ত হয়েছেন, ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন
আঁচড়ে কামড়ে নাক ঠোঁট গালের মাংস খুবলে নেয়া হয়েছে
চোখে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তার চোখ উপড়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে
রুমানাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বাংলাদেশ এবং ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েও লাভ হয়নি, রুমানার দুটো চোখই অন্ধ হয়ে গেছে
চিত্র : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুমানা গত ৫ জুন স্বামী হাসান সাইদের মারাত্মক নির্যাতনের শিকার হন ( ছবির উৎসের কৃতজ্ঞতা - ইন্টারনেট)
হাসান সাইদের এই 'পশুসুলভ' আচরণে স্তম্ভিত হয়ে গেছে সবাই
কী ভীষণ কুৎসিৎ মন মানসিকতা থাকলে শুধু সঙ্গিনীকে কেবল মারধোর নয়, রীতিমত নাক কান গাল কামড়ে ছিঁড়ে নেয়া যায়, আঙ্গুল ঢুকিয়ে চোখ উপড়ে নেবার চেষ্টা করা যায়
পত্রপত্রিকা, ফেসবুক আর ব্লগে আলোচনা, প্রতিবাদের ঝড়
কেউ দুষছেন পুরুষতন্ত্রকে, কেউ বা ধর্মকে, কেউ বা আবার দোষারোপ করছেন দেশের আইন কানুনকে
আবার কিছু মহল থেকে তাকে পাগল প্রতিপন্ন করার চেষ্টাও হয়েছে
চিত্র : দু চোখ হারানো রুমানা সাংবাদিক সম্মেলনে কথা বলছেন (ছবির উৎসের কৃতজ্ঞতা - বিডিনিউজ২৪ ডট কম)
না হাসান সাইদ পাগল ছাগল কিছুই নন, বরং বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোন থেকে দেখলে তিনি নারীর কাছে মেটিং ভ্যালু কমে যাওয়া একজন হীনমন্য ঈর্ষাপরায়ন পুরুষ - যার শকুনাচরণ ক্রমশঃ রূপ নিয়েছিলো নিষ্ঠুর পুরুষালী সহিংসতায়
সাইদ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সে বুয়েটের পড়ালেখা সে শেষ করতে পারেনি, ইটের ভাঁটি সিএনজি সহ বিভিন্ন ব্যবসায় হয়েছে ব্যর্থ
সম্প্রতি শেয়ারেও খেয়েছে লোকশান
অন্যদিকে রুমানা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সফল শিক্ষিকা, ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের শেষ পর্যায়ে