content
stringlengths
0
129k
যেন পুরো নদীটা একমাত্র আমার
বেশ লাগে এটা
বাংলাদেশের সৃজনশীল লেখালেখির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আপনার মতামত জানতে চাই
ইদানিং একটা কথা প্রায়ই শোনা যায় তা হলো, "এখন পাঠকের থেকে লেখকের সংখ্যা বেশি
ভালো লেখা কিছুই হচ্ছে না
না পড়াশোনা করে একটা গল্প লিখেই নিজেকে বিরাট লেখক ভাবে একেকজন
কিন্তু বিষয়টা আমার কাছে এমন মনে হয় না
একটা মানুষ কিছুই না পড়ে লিখতে পারে না
লিখতে হলে তাকে পড়তেই হবে
শুধুমাত্র হুমায়ূন আহমেদ পড়ে যদি কেউ লেখা শুরু করে তাহলেও কিন্তু সে পড়েছে
তার থেকে লেখার চেষ্টা করছে
আর এটা করতে গিয়েই সে নিজের দুর্বলতা আজ হোক,কাল হোক বুঝতে পারবে
নিজের পড়ার গন্ডি প্রতিদিন ছাড়িয়ে যাবে
প্রথিতযশা লেখকদের লেখা যেমন পড়বে তেমনি পড়বে তার সময়ের লেখকদের লেখা
একটা দেশের,একটা সময়ের সব মানুষ কিন্তু সৃজনশীল লেখা পড়ছে না,পড়েও না কখনো
কারণ মানুষের সৃজনশীলতা একদিকে না সবার
একেকজন একেক দিকে শাইন করে
সেগুলো আবার সেই ধারার লোকজন পছন্দ করে
ইদানিং তো আমার মনে হয় ছেলেমেয়েরা আগের তুলনায় পড়ছে
আলোচনা করছে
সেখান থেকে লেখকরাও লেখার উৎসাহ পাচ্ছেন
লেখালেখির ক্ষেত্রে একেকজন একেক জনরাই নিজের সাফল্য দেখাচ্ছেন
এতে তো বাংলাদেশের অদূর ভবিষ্যতে সাহিত্যের ভান্ডার সৃজনশীল লেখায় আরও পূর্ণ হবে এমনটা আশা করতেই পারি আমরা
লেখালেখি নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন
লেখালেখি তো সবে শুরু করলাম
মোটে দুটো বই এসেছে
বাচ্চাদের সময় দিতে গিয়ে বর্তমানে লেখার গতি অনেক স্লথ হয়েছে
তবে আমি হারিয়ে যাইনি
এবং সৃষ্টিকর্তা সহায় থাকলে হারাবো না ইনশাআল্লাহ
হাতে দুটো কাজ আছে
করছি খুব ধীরে সুস্থে
তবে আমি যেহেতু মেহেরপুরের মেয়ে
ওখানে বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী মুজিবনগর
তাই মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মেহেরপুর নিয়ে বৃহৎ পরিসরে কাজ করার ইচ্ছা আছে
পড়াশোনা করছি
কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে মানুষজনের সাথে কথা বলা, মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলা এগুলো করতে হবে
তার জন্য সময় লাগবে কাজটা করতে
সেই সাথে "মানতাসার জঙ্গলে" লেখার পর আমার মনে অদ্ভুত এক ভালোলাগা কাজ করছে
এক ধরনের পবিত্র আনন্দ যাকে বলে
তাই বাচ্চাদের জন্য লেখাটাও ধরে রাখবো
বছরে অন্তত একটা ভালো মানের লেখা বাচ্চাদের জন্য লিখবো
যাতে ওরা পড়ার আনন্দ পাবে, রঙিন একটা পৃথিবী পাবে, এবং গ্রাম বাংলার মাটির গন্ধ পাবে
দেখা যাক কতদূর কি করতে পারি...
[ বই-পুস্তক-প্রকাশনা এবং বাংলাদেশের প্রকাশনা জগতের যে কোনো সংবাদ প্রকাশের জন্য আমাদের ই-মেইল করতে পারেন : @. ]
কামরুন্নাহার দীপা
পাঁচটি প্রশ্ন
এ বিভাগের আরো খবর
বাংলাদেশে পাঠকের সংখ্যা ক্রমশ কমছে : শারমিন আহমেদ
বাংলা সাহিত্যের অতীত গৌরবময়, বর্তমানটা তুলনায় পিছিয়ে
অগ্রিম টাকা না দিলে কাউকে আর পাণ্ডুলিপি দেবো না
আমাদের সৃজনশীল সেক্টর জটিল এক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে
প্রকাশকদের অপেশাদার আচরণ বিস্মিত করে
সৃজনশীল বই একটা সমাজের সবাই পড়ে না
আমার মৃত্যু হলেও যেন আমার লেখারা বেঁচে থাকে অনন্তকাল
ছাপাখানা বা মুদ্রণ ব্যবস্থাপক নয় প্রকাশক হয়ে উঠতে চাই
একমাত্র সৃজনশীল লেখাই দূর ভবিষ্যতের আলো দেখতে পায়
দেশের বই
মোশতাক আহমেদ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
মুনির হাসান
রকিব হাসান
সর্বাধিক পঠিত
মোশতাক আহমেদ (13 বার)
মুহম্মদ জাফর ইকবাল (11 বার)
রকিব হাসান (11 বার)
আহমদ ছফা (11 বার)
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (11 বার)
মুনির হাসান (10 বার)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (10 বার)
হুমায়ূন আহমেদ (9 বার)
দেশের বই
সম্পাদক : খন্দকার সোহেল
সম্পাদকীয় যোগাযোগ : ০১৯৬৭৪০৪০৪০, ০১৭১১৩২৪৬৪৪
ইমেইল : @.
প্রকাশক খন্দকার মনিরুল ইসলাম কর্তৃক ১৮ নয়াপল্টন, ঢাকা ১০০০ থেকে প্রকাশিত
টিমওয়ার্ক-এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান
কপিরাইট © ২০১৭ - ২০২০
দেশের বই-এ প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না
১৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতরের শীর্ষ কর্তারা বৈঠক করে ঠিক করেছে, আসন্ন উৎসবের মরশুমে সাম্প্রদায়িকতায় উসকানি দিতে পারে এমন এসএমএস চালাচালির ব্যাপারে কড়া ব্যবস্থা নেবে
এ ব্যাপারে উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, কিছুদিন আগে অসম দাঙ্গার ঘটনা এবং মুসলিম বিরোধী এক চলচ্চিত্র নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের এসএমএস-এর বহর মারাত্মকভাবে বেড়ে গিয়েছিল
স্বরাষ্ট্র সচিব মোবাইল সংস্থার কর্তাদের নির্দেশও নাকি দিয়েছেন, জনমানসে হিংসার বাতাবরণ তৈরি করে, এই ধরনের এসএমএস চালাচালির ব্যাপারে কড়া নজরদারি চালাতে
কিছুদিন আগেই মায়ানমার এবং আসামে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ওপর হিংসাত্মক ঘটনার কিছু খবর এবং ছবি (যার কিছু কিছু নকল ছবি) ইন্টারনেটে প্রকাশ করার দায়ে বেশ কিছু ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারি স্বরাষ্ট্র দফতর
বলা হয়েছিল, সেইসব ছবি উত্তর পূর্ব ভারতের অধিবাসীরা, যারা মূলত দক্ষিণ ভারতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, তাদের মধ্যে আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি করছে
প্রচারের দৌলতে দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন শহর ত্যাগ করেছিল বেশ কয়েক হাজার উত্তর- পূর্ব ভারতীয়
তাদের জন্য আয়োজন করা স্পেশ্যাল ট্রেনে সওয়ারি হয়ে যাত্রাপথে ভয়াবহ হিংসার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছিল উত্তর- পূর্ব ভারতের অন্তত সাতজন মুসলিম ধর্মাবলম্বী
পুনে, বাঙ্গালোর ইত্যাদি কয়েকটি শহরে বসবাসকারী উত্তর- পূর্ব ভারতের অধিবাসীদের ওপর স্থানীয় মুসলিমরা হামলা চালিয়েছে বলেও কিছু অভিযোগ উঠেছিল
আসামের দাঙ্গা, যা কয়েক লক্ষ বাঙালি মুসলমান এবং বেশ কয়েক হাজার বড়ো জাতির মানুষকে ঘরছাড়া করেছে, তা ঠেকাতে ব্যর্থ হলেও সারা ভারত জুড়ে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের প্রতিবাদ, যা অনেকসময়ই হিংসাত্মক হয়ে দাঁড়াচ্ছিল, তা ঠেকাতে যথেষ্ট তৎপর ছিল বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ
উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন শহরে এবং মুম্বইয়ে বেশ হিংসাত্মকভাবেই দমন করা হয়েছিল এই প্রতিবাদ
একাধিক মুসলিম যুবক আহত এবং নিহত হয় পুলিশি তৎপরতায়
অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে আমাদের দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের তরফে কোনো সাম্প্রদায়িক বিক্ষোভ ও প্রচার কর্মসূচি আটকাতে দেশের পুলিশ এবং প্রশাসন যথেষ্ট তৎপর
যার প্রমাণ গতকাল রাজ্যে স্বরাষ্ট্র দফতরের বৈঠক
কিন্তু একইভাবে দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের উসকানি দিয়ে, তাদের কোণঠাসা করার মতলবে যে প্রচার কর্মসূচি জারি হয়েছে তাবড় মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনের দৌলতে, সে সম্পর্কে পুলিশ প্রশাসনের সেই তৎপরতা আছে কি?
১৬ অক্টোবর কলকাতার বড়ো মিডিয়া আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের প্রচারপত্রের বিজ্ঞাপন
গত ১৬ অক্টোবর বাংলার সবচেয়ে বড়ো মিডিয়া আনন্দবাজার পত্রিকায় একটি প্রচারমূলক বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়, এবং তা কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপন নয়, একটি সংগঠনের প্রচারপত্র
সংগঠনের নাম খুব ছোটো করে দেওয়া ছিল, রাষ্ট্রীয় গোরক্ষা সেনা, এবং গোরক্ষা সেবা সংঘ
বলাই বাহুল্য এই সংগঠন কোনো লোকপ্রিয় সংগঠন নয়
এবং সম্ভবত তা স্বাধীন কোনো সংগঠনও নয়, ভারতের হিন্দু মৌলবাদী শক্তি ণ্ণরাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ'-এর ঘনিষ্ঠ কোনো শক্তি
বিজ্ঞাপনের বিষয় ছিল, বকরি ঈদে গরু কুরবানি বন্ধ রাখার আহ্বান