content
stringlengths
0
129k
এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে উল্লেখ করা হয়
বিজ্ঞাপনে সুচতুরভাবে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহৃত বিভিন্ন পদবির কিছু লোকের নামোল্লেখ করে, তাদের বয়ানে গো-হত্যার বিরোধিতা উত্থাপন করা হয়েছে
সরাসরি বলা না হলেও, বিজ্ঞাপনে নরমে গরমে ণ্ণভারতবাসী' মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের ণ্ণঅনুরোধ' করা হয়েছে, ণ্ণআগামী বকরী-ঈদে গরু হত্যা করবেন না
বিজ্ঞাপনে বেশ কিছু কাল্পনিক তথ্যের অবতারণা করা হয়েছে, এবং কিছু অবৈজ্ঞানিক কথাও বলা আছে, যা নিঃসন্দেহে কুসংস্কারের সমতুল্য
যেমন, একটি ণ্ণরিসার্চ বই' এর উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ণ্ণপশুদের সাময়িক (!) হত্যার থেকে উৎপন্ন ব্যথার তরঙ্গ এত শক্তিশালী হয় যে, সুনামি, ভূমিকম্প ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপদ ডেকে আনে
' গরুর সংখ্যা কমা, গরুর দুধের ঘাটতি এবং শিশুমৃত্যুকে এমনভাবে গাঁথা হয়েছে বিজ্ঞাপনে, তাতে দাঁড়িয়ে যায়, ঈদে গরু কুরবানির কারণে ভারতে শিশুমৃত্যু ঘটছে
প্রসঙ্গত, ভারতবর্ষ সহ বহু দেশে মুসলিম সহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের পশুর মাংস খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে
অমুসলিমদের বিভিন্ন উৎসবে পশুবলি পর্যন্ত দেওয়া হয়
এমনকী ভারতবর্ষেও গো-মাংস খাওয়ার রেওয়াজ কেবল মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের নয়
উত্তর পূর্ব ভারতের বাসিন্দাদের মধ্যে ধর্ম নির্বিশেষে গরুর মাংস খাওয়ার চল আছে
অন্যদিকে কাশ্মীরি মুসলিমদের মধ্যে গরুর মাংস খাওয়ার চল অনেক কম
আবার বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে পশু এবং পাখি বলি দেওয়ার চলও রয়েছে আদিবাসী সমাজে, মুসলিম সমাজে, নিম্নবর্গের হিন্দু সমাজে এবং উচ্চবর্গের হিন্দু সমাজে
খোদ বকরী-ঈদেও কেবল গরু কুরবানি করা হয় না, মুরগি, ছাগল থেকে উট - নানা পশু পাখির কুরবানি হয়
আবার ভারতবর্ষেও গরুকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করার চলও রয়েছে
এই বৈচিত্র্য নিয়েই আমাদের দেশ
বিজ্ঞাপনে ২০১১ সালের ২ নভেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের একটি আদেশনামার কথা বলা হয়েছে, যাতে নাকি ১৯৯৪ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি অর্ডারে গরু কুরবানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, তা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে
প্রথমত, ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতা হাইকোর্টের ওই নির্দেশনামায় বলা হয়েছে, বকরী ঈদে গরু বেচাকেনা ও কুরবানির জন্য কোনো সরকারি বা প্রশাসনিক কর্মচারী কোনো বন্দোবস্ত করতে পারবে না
দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্টের ১৯৯৪ সালের যে রায়ের কথা বলা হয়েছে, তার ভিত্তিতে তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গ সরকার 'সানডে স্টেটসম্যান' পত্রিকায় ৩০ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে একটি আবেদন রাখে, তাতে বলা হয়েছিল, ণ্ণসুপ্রিম কোর্টের একটি সাম্প্রতিক রায়ের কারণে আইনগতভাবে রাজ্য সরকার ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী হত্যা নিয়ন্ত্রণ আইন-এর কোনো ছাড় দিতে পারে না কোনো ণ্ণস্বাস্থ্যবতী গাভী' বা 'গাভী' বা অন্য কোনো প্রাণী উৎসর্গে
এই পরিস্থিতিতে, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সবচেয়ে বড়ো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি সম্পূর্ণ সহানুভূতিশীল থেকে সরকার আন্তরিকভাবে আবেদন করছে শান্তি বিঘ্নিত না করার জন্য এবং আইন মেনে চলার জন্য
আমাদের দেশের শাসন ব্যবস্থায় বিচারব্যবস্থা যেমন একটি স্তম্ভ, তেমনি নির্বাচিত সরকারও একটি স্তম্ভ
তবে এসবের থেকেও অনেক পুরোনো এবং চিরাচরিত আমাদের দেশের মানব সমাজ
সেই সমাজের ঐতিহ্যই হল বিভিন্ন, বিচিত্র এবং কখনো কখনো পরস্পরবিরোধী প্রথার সহাবস্থান
সেসব প্রথার সংস্কার হয়, কখনো তা পাল্টাতেও পারে, কিন্তু তা একান্তই সমাজের ভেতর থেকেই পাল্টায়, সরকারি নিদান বা বিচারব্যবস্থার রায় চাপিয়ে কখনোই তা সম্ভব হয় না
বাইরে থেকে প্রচারপত্র বিলি করে উপদেশ দিয়েও না
তাই ভারতে ইসলামিক চিন্তার একটি ধারা দারুল উলুম দেওবন্দের কোনও ব্যক্তির বক্তব্য, ণ্ণবকরী ঈদে গরু কুরবানি এড়িয়ে চলুন' এবং সেই বক্তব্যকে ণ্ণগো-মাতাকি জয়' স্লোগান দেওয়া 'গোরক্ষা সেনা'র প্রচারপত্রে হাজির করা ভিন্ন মাত্রাবাহী
দ্বিতীয় কাজটি নিঃসন্দেহে সাম্প্রদায়িক উসকানি এবং ভাগাভাগির উদ্দেশ্যে ঘটানো, আমাদের দেশে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতার দীর্ঘ ইতিহাসে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির প্রচারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটু চর্চা করলেই তা পরিষ্কার হয়
আশা করা যায়, প্রায় শতাব্দী প্রাচীন পত্রিকা আনন্দবাজার-এর তা অজানা নয়
একই সাথে আরও একটি কথা বলার
যে কোনো প্রাণীহত্যাই ভালো কাজ নয়, কেবল গরু হত্যা নয়
বিয়ে, পার্টি, উৎসব উপলক্ষে আমাদের নাগরিক সমাজে যে লক্ষ লক্ষ ছাগল, মুরগি হত্যা করা হয়, তাও ভালো নয় কোনোমতেই
কিন্তু প্রাণীহত্যা বেশিরভাগ মানব সমাজেরই একটি চালু প্রথা, আমরাও হয়তো ব্যক্তিগত জীবনে তা করে থাকি, এবং সেগুলি মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়
এরই সাথে আরও একটি কথা বলার, প্রাণী হত্যার দুই ধরণ আছে, একটি ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য
আরেকটি ভোগ বিলাস ও আমোদ প্রমোদের জন্য
নাগরিক সমাজের প্রাণী হত্যার মধ্যে এই দ্বিতীয় ধরণের প্রাবল্য
তা আরও বেশি নিন্দনীয়
নদীয়া জেলার মদনপুর রেলস্টেশনে টিকিট কাউন্টারের সামনে বিভিন্ন বিজ্ঞানের পাশাপাশি আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত গোরক্ষা সেনার বিজ্ঞাপনটিও সাঁটা হয়েছে দেখা গেল
ওপরে আনন্দবাজার পত্রিকার নেমপ্লেটটি ব্যবহার করে, নিচে ওই পত্রিকার ছাপানো বিজ্ঞাপনটি রেখে একটি কোলাজ ফোটোকপি করে নিয়ে আঠা দিয়ে সেঁটে দেওয়া হয়েছে
উল্লেখ্য, গ্রাম অধ্যুষিত মদনপুরে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায় গা ঘেঁষাঘেঁষি করে থাকে, হিন্দুদের অনেকেই পূর্ববঙ্গীয়
সাম্প্রদায়িক গণ্ডগোলের কোনও নজির নেই এখানে
আরও উল্লেখ্য, এই বিজ্ঞাপনের অদূরেই চোখে পড়ল, ভারতীয় জনতা পার্টির একটি পতাকা, যা মদনপুর স্টেশন চত্বরে খুব একটা দেখা যায়, তা নয়
ছবি তুলেছেন সম্রাট সরকার, ২৬ অক্টোবর
কিন্তু ঈদের কয়েকদিন আগে, বড়ো মিডিয়ায় কেবল গরু কুরবানি বিষয়ক প্রচারপত্র একটি মারাত্মক ইঙ্গিতবাহী
তা যে এমনকী শান্তি বিঘ্নিত করতে পারে, তার ইঙ্গিত পাওয়া যায় ১৯৯৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জারি করা 'আবেদন'-এ, যার কথা একটু আগে বলা হয়েছে
আসাম দাঙ্গা, মুসলিম ধর্মবিরোধী ব্যঙ্গচিত্র প্রভৃতির পটভূমিতে এ বছর বাংলার সবচেয়ে বড়ো মিডিয়া আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রায় হাফ পেজ বিজ্ঞাপনে এই প্রচারপত্র কি একভাবে সাম্প্রদায়িক হিংসার উসকানি নয়? হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের প্রচারপত্র বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রকাশ করে পত্রিকাটি কি ওই সংগঠনের চেয়েও বেশি মাত্রায় এই উসকানির দায়িত্ব নিয়ে নিচ্ছে না? তাহলে কি টাকা দিলে সবই ছাপা যায়? অচিরাচরিত মিডিয়া, যথা ইন্টারনেট ও মোবাইল এসএমএস সাম্প্রদায়িকতার প্রচার বিষয়ে প্রশাসনের কড়া মনোভাবের পরিচয় তো পাওয়া গেছে, বড়ো প্রিন্ট মিডিয়া কি এর আওতার বাইরে? এখনও পর্যন্ত তো এই বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের কোনো কথা শুনতে পাইনি
আরও গভীর উদ্‌বেগের বিষয়, মুসলিম সম্প্রদায়ের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে প্রশাসন বেশ তৎপর, কিন্তু সংখ্যাগুরুর ধর্মীয় মনোভাবের প্রতিনিধিত্ব দাবি করা সংগঠনের মুসলিম বিরোধী সাম্প্রদায়িকতার উসকানি নিয়ে প্রশাসনের সেই তৎপরতা কোথায়? এই উসকানি এড়িয়ে গেলে, তা কিন্তু ভবিষ্যতে আরও বড়ো হিংসার জন্ম দিতে পারে
সেই ইঙ্গিত গতবছর ২০১১ সালে বকরি ঈদের প্রাক্কালে গোরক্ষা সেনার নেতাদের কার্যকলাপে স্পষ্ট
এই কার্যকলাপের বিবরণ পাওয়া যায় সাম্প্রদায়িক, মুসলিমবিরোধী, হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির মুখপত্র এবং ওয়েবসাইটে
সেখান থেকেই নিচে তা তুলে দেওয়া হল :
ণ্ণকলকাতা হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় গোরক্ষা সেনার প্রধান শ্রী আশু মোঙ্গিয়া, আর্য বীর দলের পণ্ডিত যোগেশ শাস্ত্রী এবং আরও কিছু গো-ভক্ত কলকাতার দমদম এলাকার কিছু জায়গায় ২-৩ নভেম্বর রাতে হানা দেন কলকাতায় বেআইনি গরু পরিবহণ ধরার জন্য
তারা কিছু গরু এবং বাছুর আটক করলেও পুলিশ তা কসাইদের এবং পরিবহণকারীদের নিয়ে যেতে দেয়
এই সময় আশু মোঙ্গিয়া এবং অন্যান্য গোরক্ষাকারীদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় এবং তাদের ওপর মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে মুসলিম গুণ্ডারা
পুলিশ তাদের উদ্ধার করলেও, কর্তব্যরত পুলিশরা মুসলিম পরিবহণকারীদের গরুগুলিকে কলকাতার বেআইনি বাজারগুলিতে নিয়ে যেতে সাহায্য করে
আইন নিজেদের হাতে তুলে নিয়ে স্পষ্টতই এই ইস্যুটিকে নিয়ে দাঙ্গা বাধাতে তৎপর হয়েছে ওই মৌলবাদী হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি
এবছরও যদি একই কাণ্ড ঘটায় তারা, তাহলে তাদের প্রচারপত্র বিজ্ঞাপন হিসেবে ছেপে তাদের দাঙ্গা বাধাতে মদত দেওয়ার দায় বড়ো মিডিয়া আনন্দবাজার পত্রিকা অস্বীকার করতে পারে কি?
মানবাধিকার গোরক্ষা সেনা, মিডিয়া, মুসলিম, সাম্প্রদায়িকতা, হিন্দুত্ব
এই প্রতিবেদনটি প্রিন্ট করুন
. *
অনুসন্ধান করুন
সংবাদ মন্থন
মাতৃভূমি লোকাল
খবরের মাসিক সূচী
খবরের মাসিক সূচী 2021 (1) 2021 (2) 2021 (6) 2021 (10) 2020 (7) 2020 (12) 2020 (15) 2020 (28) 2020 (21) 2020 (30) 2016 (1) 2016 (5) 2016 (4) 2016 (12) 2016 (10) 2016 (1) 2016 (3) 2016 (9) 2015 (9) 2015 (13) 2015 (16) 2015 (23) 2015 (30) 2015 (20) 2015 (32) 2015 (19) 2015 (32) 2015 (21) 2015 (31) 2015 (23) 2014 (33) 2014 (9) 2014 (30) 2014 (19) 2014 (25) 2014 (28) 2014 (28) 2014 (28) 2014 (18) 2014 (34) 2014 (12) 2014 (25) 2013 (25) 2013 (31) 2013 (18) 2013 (26) 2013 (42) 2013 (34) 2013 (43) 2013 (40) 2013 (48) 2013 (29) 2013 (50) 2013 (22) 2012 (32) 2012 (28) 2012 (39) 2012 (34) 2012 (49) 2012 (42) 2012 (39) 2012 (47) 2012 (41) 2012 (12) 2011 (1) 2011 (7) 2010 (2)
উত্তরবঙ্গবর্ধমানপূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরহাওড়া ও হুগলিপুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়াউত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনানদিয়া মুর্শিদাবাদ
সম্পাদকের পাতা
আমাদের মতনিবন্ধসম্পাদক সমীপেষুবইপত্র
ফুটবলক্রিকেট
সাজকথারান্নাবান্নাসম্পর্কবেড়ানোঅন্দরকথাস্বাস্থ্যই সম্পদ
জ্যোতিষকথাশুভ দিনআজ জন্মদিন হলেআপনার প্রশ্ন জ্যোতিষীর উত্তর
আপনার টাকাসোনার দামরুপোর দামজ্বালানির দাম
রবিবাসরীয়পত্রিকাঅবসরকুইজ
পাত্রপাত্রী
© 2021 . .
০৬ ডিসেম্বর ২০২১ ই-পেপার
     
প্রথম পাতা
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তরবঙ্গবর্ধমানপূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরহাওড়া ও হুগলিপুরুলিয়া বীরভূম বাঁকুড়াউত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনানদিয়া মুর্শিদাবাদ
সম্পাদকের পাতা
আমাদের মতনিবন্ধসম্পাদক সমীপেষুবইপত্র
ফুটবলক্রিকেট
জীবন+ধারা
সাজকথারান্নাবান্নাসম্পর্কবেড়ানোঅন্দরকথাস্বাস্থ্যই সম্পদ
জ্যোতিষকথাশুভ দিনআজ জন্মদিন হলেআপনার প্রশ্ন জ্যোতিষীর উত্তর
আপনার টাকাসোনার দামরুপোর দামজ্বালানির দাম
রবিবাসরীয়পত্রিকাঅবসর
সাত পাকে বাঁধা
পাত্রপাত্রী
উপাচার্য, বিজ্ঞানী ও একটি রঙিন পোস্টকার্ড
উপাচার্য, বিজ্ঞানী ও একটি রঙিন পোস্টকার্ড
অশোক মিত্র
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০০:০০
কলকাতা ও ঢাকা
আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ও সত্যেন্দ্রনাথ বসু
বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেন, আমরা মূর্খের সম্প্রদায়, অবাক বিস্ময়ে শুনি: সৃষ্টি ও ধ্বংসের উভয়েই নাকি অণু-পরমাণুদের ক্রিয়া-প্রক্রিয়ায়-বিক্রিয়ায়