content
stringlengths
0
129k
বাবা মা (4)
বিধবা কাকিমা (4)
ভণ্ড তান্ত্রিক (3)
ভাই বোন (17)
মা ও ছেলে (50)
মামা ভাগ্নি (2)
মাষ্টারমশাই (2)
মাসি/পিসি (31)
শ্বশুর/বউমা (5)
শ্বাশুড়ি জামাই (7)
সাধু বাবা (2)
স্কুলের ম্যাডাম (4)
স্যার/ম্যাডাম (1)
আমি আর তোমার কোন কষ্ট রাখব না মা
আমি মা রে চিৎ করাইয়া দিলাম দিয়া কইলাম দেও তোমার পেটে মুখ ঘষি
মে যো বোল রাহা হু কর নেহিতো ব্যাটেকে সামনে তুঝে চোদনা শুরু করুঙ্গা
শ্বশুর দিয়ে বংশরক্ষা
বাড়াটা রেখার গুদে সুড়সুড় করে উঠে রস ঢেলে দিলো
. *
, , .
© -. |
এক্সক্লুসিভ জোনে সাবস্ক্রাইব করুন ফ্রী!
বাংলাচটী.কম এর এক্সক্লুসিভ জোনে সাবস্ক্রাইব করে জিতুন স্পেশাল অফার, ট্রায়াল ভিআইপি মেম্বারশীপ, দুর্লভ পর্ণ কমিকস, ভিডিও লাইব্রেরী এক্সেস সহ আরো অনেক কিছু
এছাড়াও অতি শীঘ্রই মোবাইল সাবস্ক্রিপশন এর মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমানে টপ-আপ জেতার অপশন যুক্ত করতে যাচ্ছি
আপনাদের অংশগ্রহণ আমাদের উদ্যোগ আরও ফলপ্রসু করবে
আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের গল্প, কমিকস, ভিডিও গ্যালারী আপডেট করে যাচ্ছি আপনাদেরই জন্য
এক্সক্লুসিভ জোনে ফ্রী সাবস্ক্রাইব করে আপনিও হতে পারেন সেই সব দুর্লভ সংগ্রহের মালিক
এছাড়াও মাত্র ১.৯৯ ডলার খরচ করে পেতে পারেন আমাদের স্পেশাল সেকশনের আজীবন সদস্যপদ
তাহলে আর দেরি কেন? আপনার ইমেইল এড্রেস টাইপ করে এখনি সাবস্ক্রাইব করে ফেলুন একদম বিনামূল্যে...
আজ সকাল থেকেই দু'জনে লেগেছে
সামান্য একটা ব্যাপার
চায়ে চিনি দেওয়া নিয়ে তুলকালাম কান্ড
হলোই বা একটু চিনি বেশি
তাই বলে এভাবে বলবে?
"বুড়ো হতে চললে, তবু তোমার কান্ডজ্ঞান হলো না
এতো চিনি খেলে আমি আজই মরব"
ডায়বেটিস টায়বেটিস কিচ্ছু নেই
তবু ঐ এক জুজু- একটু চিনি বেশি হলেই গেল আর কি! এছাড়াও সারাদিন এটা সেটা নিয়ে খিটিমিটি লেগেই আছে
রিটায়ার করার পর থেকেই এমন হচ্ছে
যেদিন সামাদ সাহেব চাকুরিতে অবসর নিয়ে বাসায় এলেন, তার পরদিন থেকেই এ অবস্থা
'এই জিনিসটা এখানে রেখেছিলাম নেই কেন?' 'জুতো জোড়া ঠিক জায়গায় রাখা হয়নি কেন?'- ঘরে যেন হাজারটা দাসী-বাদী আছে আর কি! কাজের লোক বলতে তো ঐ একরত্তি মেয়েটা
আগে সকালে উঠে নাকে মুখে কিছু দিয়ে ছুটতো
তারপর সেই কুর্মিটোলার অফিস থেকে এই মগবাজার বাসায় আসতে আসতে বিকেল পাঁচটা
যানজট পড়লে তো আর কথাই নেই
এক একদিন দুশ্চিন্তায় ভয়ে রাফেয়া বেগমের বুক শুকিয়ে যেত
অ্যাক্সিডেন্টের ভয়
আশেপাশে কত দেখলেন
সকালে বাবুটি সেজে অফিসে গেল, দুপুরে লাশ হয়ে ফিরে এলো
না, ভাগ্য ভালো, তেমন কিছু হয়নি
যার জন্য চিন্তা করতে করতে জীবন কেটে ফেল সে-ই কিনা দু'মাস ঘরে থাকতে না থাকতে রাফেয়ার হাড়-মাংস কালি করে দিল
অথচ কত স্বপ্ন ছিল
বিয়ের পর স্বামীর নতুন চাকরি, ঘরসংসার, শ্বশুর-শাশুড়ি এসবের জন্য একটু কক্সবাজার পর্যন্ত যেতে পারেননি
বিয়ের আগে কত স্বপ্ন ছিল- হানিমুনে যাবেন
কোথায় কী! সংসারের হাঁড়ি ঠেল! একটা সিনেমা দেখতে গেলে শ্বাশুড়ির অনুমতি নিতে হবে
তার উপর আবার গুচ্ছের দেবর-ননদ
দু'জনে মিলে কোথাও যাবার উপায় ছিল না
তারপর একদিন ছেলেপুলে, তাদের দেখ-ভাল, লেখাপড়া, সংসার চালাতে হিমশিম
বাইরে রেখে ঘরেই দম ফেলার ফুরসৎ নেই
তখন মাঝে মাঝে রেগে গেলে সান্ত্বনা দিত- "ওরা বড় হোক
আমি রিটায়ার করলে তোমাকে নিয়ে বেড়াতে বের হবো"'
কোথায় কী! সেসব কথা যদি একটু মনে থাকতো
এখন বাড়ি করার কথা মাথায় ঢুকেছে
"এই বাড়ির ভূতে তোমাকে খাবে
আমি পারবো না হাঁড়ি ঠেলতে
সব ছেড়ে ছুড়ে চলে যাবো"- রাগে গজগজ করতে করতে আরেক কাপ চা বানালেন রাফেয়া
চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে বেডরুমে ঢুকে বেডসাইড টেবিলের উপর ঠক করে রাখলেন- "তোমার সংসার দেখার লোক জোগাড় কর
আমি আর পারবো না"
"দেখ রাফু, তুমি মিছিমিছি ঝগড়াটা চাগিয়ে তুলবে না"
"কেন তুলব না? একশো'বার তুলব
সারাটা জীবন তুমি আমাকে ভাওতা দাওনি?"
"কি? কী ভাওতা দিয়েছি?"
"আগে বলেছো রিটায়ার করার পর এই করবে, সেই করবে
এখন বাড়ি নিয়ে পাগল হয়েছো
কে থাকবে তোমার বাড়িতে? আমি চলে যাবো"
"যাওনা, কে তোমাকে ধরে রেখেছে? হুঁ! আমি যেন বাড়ি নিজের জন্য করছি আর কি!"
"তোমার জন্যই করছো
স্বার্থপর
কে থাকবে তোমার বাড়িতে? আমার ছেলে তো যে চাকরি নিয়েছে- বাইরে বাইরেই থাকবে
তুমিই থাকো তোমার বাড়িতে
আমি চলে যাবো যেদিকে দু'চোখ যায়"
কে তোমাকে ধরে রেখেছে? গেলেই বাঁচি"- খেঁকিয়ে উঠলেন সামাদ সাহেব
"যাবোই তো"- রাগে অগ্নিমূর্তি হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন রাফেয়া বেগম
বাইরে এসে কান্না পেয়ে গেল তাঁর
আশ্চর্য! এভাবে বলতে পারলো! "যাও!" যেন এ সংসার তার কিছুই না
তিনি কিছুই করেন নি এর জন্য?
কিছুক্ষণ পর বাইরে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে বেরিয়ে এলেন সামাদ সাহেব
"আমি বাইরে যাচ্ছি
দালালের সঙ্গে দেখা করতে হবে
দু'একদিনের মধ্যে বায়না হবে"
রাফেয়া কোন উত্তর দিলেন না
মনে মনে শুধু বললেন- 'নিকুচি করি তোমার বাড়ির
তুমিই থাকো'
কাজের মেয়েটা দরজা বন্ধ করে দিল
রাফেয়ার রাগ একটুও কমেনি
মানুষটার আস্পর্ধা দিন দিন বাড়ছেই
আরো বুড়ো হলে বোধহয় হাত ধরেই বের করে দেবে
কেমন করে লোকটা বললো- "যাও! কে তোমাকে ধরে রেখেছে!" না, আর এক মুহূর্ত নয়
এক্ষুণি চলে যাবেন তিনি