content stringlengths 0 129k |
|---|
মুঘল আমলের বিভিন্ন হাতে আঁকা ছবির দেখা মিলবে সেখানে, যেগুলো দেখলে যে কেউ মুগ্ধ না হয়ে পারবে না |
শায়েস্তা খাঁ এর ব্যবহার্য নানান জিনিসপত্র সেখানে সযত্নে রয়েছে |
তাছাড়া তৎকালীন সময়ের বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্র, পোশাক, সেসময়কার প্রচলিত মুদ্রা ইত্যাদিও রয়েছে |
দেখার যোগ্য অনেক কিছুই সেখানে রয়েছে, সবই যদি বলে দেই তাহলে দেখে তো আর তেমন মজা থাকবেনা 😛 |
তাই সবচেয়ে ভালো হয় নিজেই গিয়ে দেখে আসুন |
আর সেই সাথে আপনি কি কি দেখলেন যা আমি এখানে উল্লেখ করিনি তা কমেন্টে জানিয়ে দিতে পারেন |
কিভাবে যাবেন লালবাগের কেল্লায়? |
পুরোনো ঢাকার বিভিন্ন অলি-গলি পেরিয়ে আপনাকে যেতে হবে লালবাগের কেল্লায় |
সেখানে যাওয়ার সবচেয়ে উপযোগী মাধ্যম রিকশা |
আপনি এই এলাকার আশেপাশেই কোথাও থাকলে বা রিকশা যায় এমন দূরত্বে থাকলে রিকশা নিয়ে চলে যেতে পারেন সেখানে |
যেকোনো রিকশাওয়ালাকে লালবাগ কেল্লা বললেই চিনে ফেলার কথা |
বাসা যদি খুব দূরে হয় তাহলে আপনি সি এন জি নিয়ে আসতে পারেন এখানে |
তবে যদি বাসে আসতে চান তাহলে গোলাপ শাহ্ মাজার এ নেমে সরাসরি সেখান থেকে রিকশা নিয়ে চলে যেতে পারেন |
আপনি চাইলে গোলাপ শাহ্ মাজার এর সামনে থেকে টেম্পোতে করেও যেতে পারেন |
টেম্পোতে গেলে অবশ্যই পকেট সাবধানে রাখবেন |
গুগল ম্যাপস থেকে দেখে নিতে পারেন লালবাগ কেল্লার ঠিকানা |
টিকেট কোথায় পাবো? |
লালবাগ কেল্লার দরজার ঠিক ডান পাশেই রয়েছে টিকেট কাউন্টার, জনপ্রতি টিকেট এর দাম দশ টাকা করে, তবে পাঁচ বছরের কম কোন বাচ্চার জন্যে টিকেট এর দরকার পড়েনা |
যেকোনো বিদেশি দর্শনার্থীর জন্যে টিকেট মূল্য একশো টাকা করে |
লালবাগ কেল্লার সময়সূচী |
গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কেল্লা খোলা থাকে |
মাঝখানে দুপুর ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত আধ ঘণ্টার জন্যে বন্ধ থাকে |
আর শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে |
শীতকালে দুপুর ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে |
আর সবসময়ের জন্যেই শুক্রবারে জুম্মার নামাযের জন্যে সাড়ে বারোটা থেকে দুইটা পর্যন্ত বন্ধ থাকে |
😉 আরেকটা জিনিস, ভুল করেও কোন রবিবারে লালবাগের কেল্লায় যাবেন না |
ইতোমধ্যেই আমি দুইবার রবিবারে গিয়ে ফিরে এসেছি |
কেল্লা রবিবার বন্ধ থাকে |
আর যেকোনো সরকারী ছুটির দিনেও কেল্লা বন্ধ থাকে |
মুঘল আমলের অনন্য এই কীর্তিটি একবার হলেও দেখে আসা কর্তব্য |
সময় করে সপরিবারে অথবা সবান্ধব ঘুরে আসুন লালবাগ কেল্লা থেকে |
ইমেইলে নতুন লেখাগুলো পেতে সাইন আপ করুন 🙂 |
আরিফুল ইসলাম পলাশ |
10, 2013 |
দেশ পরিচিতি |
আরিফুল ইসলাম পলাশ |
বর্তমানে ঢাকার এক স্বনামধন্য কলেজে অধ্যয়নরত |
লেখালেখির ঝোক ছোটবেলা থেকেই |
ব্লগিং এ হাতেখড়ি সেই সপ্তম শ্রেণীতে |
তখন ঠিকমতো টাইপ করতে পারতাম না, খুব কষ্ট হতো লিখতে |
ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি |
এখন কিবোর্ড চলে বুলেটের মতো |
তাই ইচ্ছা আছে বাংলায় তথ্যসমৃদ্ধ ইন্টারনেট দেখার |
সেই ভেবেই পিপীলিকাতে লেখা |
:) ফেসবুকে আমি |
মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে ২০২১ সালের এইচএসসির ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ঢাকা শিক্ষাবোর্ড |
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ২৭ জুন থেকে ফরম পূরণ শুরু হবে |
আর শেষ হবে ৭ জুলাই |
ফর্ম পূরণ প্রক্রিয়াটি অনলাইনের সম্পন্ন করবে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান |
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ফরম পূরণের এসব তথ্য জানানো হয়েছে |
এতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান শাখার জন্য দুই হাজার ৫০০ টাকা, মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখার জন্য এক হাজার ৯৪০ টাকা করে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে |
এবারের এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষে কোনো নির্বাচনী পরীক্ষা হবে না |
তাই এ সংক্রান্ত কোনো ফি'ও নেয়া যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে |
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নির্ধারিত ফি'র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা যাবে না |
এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কলেজের ফরম পূরণ প্যানেল বন্ধকরাসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে |
করোনার কারণে গত বছর এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি |
জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ওপর এইচএসসির ফল দেয়া হয় |
এ বছর ৮৪ দিনের পাঠ পরিকল্পনার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের |
কিন্তু করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় পূর্বঘোষিত ৩০ মার্চ এবং ১৩ জুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার ঘোষণা দিয়েও সেখান থেকে সরে এসেছে সরকার |
এর ফলে চলতি বছরের বাকি সময়ে সরাসরি ক্লাসরুমে ৮৪ দিন পড়িয়ে পরীক্ষায় নেয়া কতটুকু সম্ভব হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে |
সরকার আগামী বছরের (২০২২ সাল) ছুটির তালিকা প্রকাশ করেছে |
গত বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের পর আজ রোববার (৩১ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ তালিকা প্রকাশ করা হয় |
তালিকা অনুযায়ী, আগামী বছর ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং নির্বাহী আদেশে ৮ দিন ছুটি থাকবে |
এরমধ্যে ৩ দিন করে মোট ৬ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির (শুক্র-শনি) মধ্যে |
সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে- ২০২২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ২৯ এপ্রিল জুমাতুল বিদা, মে দিবস, ৩ মে ঈদুল ফিতর, ১৫ মে বুদ্ধপূর্ণিমা (বৈশাখী পূর্ণিমা), ১০ জুলাই ঈদুল আজহা, ১৫ আগস্ট... |
অন্যদিকে, আগামী বছরের ১৯ মার্চ শব-ই-বরাত, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ২৯ এপ্রিল শবে কদর, ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের দুই দিন ২ এবং ৪ মে, ঈদুল আজহার আগে ও পরের ২ দিন ৯ ও ১১ জুলাই এবং ৯ আগস্ট আশুরার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে |
ঐচ্ছিক ছুটি |
ঐচ্ছিক ছুটির মুসলিম পর্বের মধ্যে রয়েছে- ১ মার্চ শবে মেরাজ, ৫ মে ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন, ১২ জুলাই ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন, ২১ সেপ্টেম্বর আখেরি চাহার সোম্বা এবং ৭ নভেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম |
হিন্দু পর্বের ঐচ্ছিক ছুটিগুলোর মধ্যে রয়েছে- ৫ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পূজা, ১ মার্চ শিবরাত্রি, ১৮ মার্চ দোলযাত্রা, ৩০ মার্চ হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ২৫ সেপ্টেম্বর মহালয়া, ৪ অক্টোবর দুর্গাপূজা (নবমী), ৯ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা এবং ২৪ অক্টোবর শ্যামাপূজা |
এছাড়া ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ২ মার্চ ভস্ম বুধবার, ১৪ এপ্রিল পূণ্য বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল পূণ্য শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল পূণ্য শনিবার, ১৭ এপ্রিল ইস্টার সানডে এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগে ও পরের দিন) হচ্ছে খ্রিস্টান পর্বের ঐচ্ছিক ছুটি |
ঐচ্ছিক ছুটির বৌদ্ধ পর্বের মধ্যে রয়েছে- ১৬ ফেব্রুয়ারি মাঘি পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, ১২ জুলাই আষাঢ়ি পূর্ণিমা, ৯ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ৯ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা (আশ্বিনী পূর্ণিমা) |
পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে- ১২ ও ১৫ এপ্রিল বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অনুরূপ সামাজিক উৎসব |
ছুটির আদেশে বলা হয়েছে, একজন কর্মচারীকে তার নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে অনধিক তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে |
প্রত্যেক কর্মচারীকে বছরের শুরুতে নিজ ধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে |
এতে আরও বলা হয়, সাধারণ ছুটি, নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগ করার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে |
গত ক'মাস ধরেই সুপর্ণার চুল পড়ে যাচ্ছে, মুখ জুড়ে ব্রণ, শরীরে মেদ জমছে, পিরিয়ডও নিয়মিত হয় না, সমস্ত কাজেই কেমন যেন ক্লান্তি-ভাব |
রক্তের কিছু পরীক্ষা এবং আলট্রাসোনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে |
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বা আজকের দিনে মেয়েদের খুব সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা |
১৯৩৫ সালে সর্বপ্রথম বিজ্ঞানী স্টেইন ও লিভানথাল এই বিষয়টিকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের সামনে হাজির করেন |
এটিকে একটি 'ডিজিজ' না বলে 'সিনড্রোম' বলাটাই বেশি যুক্তিযুক্ত কারণ শুধুমাত্র ওভারিই নয় বরং শরীর জুড়ে নানা সমস্যার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এতে |
রোগটির অপর নাম স্টেইন-লিভানথাল সিনড্রোম (- ) |
মূল উপসর্গসমূহ |
সাধারণত ১৩ থেকে ৩৫ বছরের মেয়েদের মধ্যে বেশি দেখা দেয় এই সমস্যা |
আক্রান্তদের মধ্যে নানা উপসর্গের মধ্যে অন্যতম হল- |
১. অনিয়মিত পিরিয়ড (মাসিক রজঃস্রাব একেবারেই বন্ধ বা রক্তক্ষরণ কমে যাওয়া বা কয়েকমাস বন্ধ থাকার পর হঠাৎ করে বেশি পরিমাণ/দীর্ঘকালীন রক্তক্ষরণ হতে পারে), |
২. ওজন বৃদ্ধি (যদিও এক তৃতীয়াংশের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক থাকে), |
৩. ব্রণ (অনেকের ক্ষেত্রে নাও থাকতে পারে), |
৪. ৭০% ক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত রোম ()/ ঠোঁটের ওপর গোঁফের রেখার মতো লোম, |
৫. চুল পড়া ( ), |
৬. ৫% ক্ষেত্রে ঘাড়ের নীচে বা বগলে ভেলভেটের মতো পুরু কালো চামড়া ( ) |
কেন হয় এই রোগ ? |
গবেষণায় দেখা গেছে 'ইনসুলিন রেজিসট্যানস' ( ) এই রোগে কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেয় |
জেনেটিক ফ্যাক্টর খানিকটা দায়ী হলেও মেদ সঞ্চয় বেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে |
শরীরের কোষগুলিতে ইনসুলিনের ক্রিয়া কমে যাওয়ার দরুন ওভারি থেকে আনড্রোজেন হরমোন () বেশি নিঃসৃত হয় |
ফলত ডিম্বাশয় ()-এর থেকে নির্দিষ্ট সময়ে (মাসিক রক্তক্ষরণের ২ সপ্তাহ আগে) ডিম্বাণু () নিঃসরণ হয় না, তা ওভারির মধ্যেই থেকে যায় এবং ছোট ছোট সিস্ট তৈরি করে |
ফলস্বরূপ রজঃস্রাব অনিয়মিত হয়ে পড়ে এবং সন্তান ধারণ ক্ষমতা কমে যায় |
দৈনন্দিন যন্ত্রনির্ভর জীবনে শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালোরি খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণই এর মূলে রয়েছে |
তাছাড়া বর্তমান ফাস্ট ফুড সংস্কৃতির কথাও না উল্লেখ করলেই নয় |
প্রতিযোগিতার জীবনে অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অ্যালকোহোলিসম (মদ্যপান), ধূমপান ইত্যাদিও অনেকাংশেই দায়ী |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.