content
stringlengths
0
129k
মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন ইউটিউব চ্যানেল
আপনার মতামত/লেখা পাঠান [ ] এ
সংবাদটি শেয়ার করুন
অধ্যাপক ডা. মো. রিদওয়ানুর রহমান ফল প্রকাশ পদ্ধতির পরিবর্তন অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ বিসিপিএস এফসিপিএস মাহফুজ উল্লাহ হিমু
একদিনে আরও ৬৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭১০
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ২৭৫ জন হাসপাতালে
বিএসএমএমইউর এফসিপিএস দ্বিতীয় পর্বের কোর্সে ৩৫ শিক্ষার্থীর যোগদান গৃহীত
করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ১৫৫
২৭ হাজার ছাড়ালো ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা
চট্টগ্রামে ৪.২ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত
২৭ দিন পর প্রাণ ফিরেছে চমেকে
বাংলাদেশকে আরও ১৮ লাখ ফাইজারের টিকা দিল যুক্তরাষ্ট্র
সর্বাধিক পঠিত
বিএসএমএমইউর এফসিপিএস দ্বিতীয় পর্বের কোর্সে ৩৫ শিক্ষার্থীর যোগদান গৃহীত
করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ১৫৫
২৭ হাজার ছাড়ালো ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা
চট্টগ্রামে ৪.২ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত
২৭ দিন পর প্রাণ ফিরেছে চমেকে
বাংলাদেশকে আরও ১৮ লাখ ফাইজারের টিকা দিল যুক্তরাষ্ট্র
নতুন ধরণ ওমিক্রন, আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ স্থগিত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তৃতীয় লিঙ্গের শিশুর চিকিৎসা: বিএসএমএমইউ শোনাচ্ছে আশার বাণী
ফের বিশেষ কোভিড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু
শহীদ ডা. মিলন দিবস আজ
বিএসএমএমইউর এফসিপিএস দ্বিতীয় পর্বের কোর্সে ৩৫ শিক্ষার্থীর যোগদান গৃহীত
করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ১৫৫
২৭ হাজার ছাড়ালো ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা
চট্টগ্রামে ৪.২ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত
২৭ দিন পর প্রাণ ফিরেছে চমেকে
বাংলাদেশকে আরও ১৮ লাখ ফাইজারের টিকা দিল যুক্তরাষ্ট্র
নতুন ধরণ ওমিক্রন, আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ স্থগিত হচ্ছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তৃতীয় লিঙ্গের শিশুর চিকিৎসা: বিএসএমএমইউ শোনাচ্ছে আশার বাণী
ফের বিশেষ কোভিড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু
শহীদ ডা. মিলন দিবস আজ
শিগগিরই চিকিৎসকসহ আরও ২০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ
চমেকে সংঘর্ষ: ৩০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার, ২৭ নভেম্বর খুলছে ক্যাম্পাস
আপিল নিষ্পত্তির আগে ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রাকটিসের অনুমতি না দেওয়ার অনুরোধ
এমডি-এমএস বিভিন্ন পর্বের লিখিত পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি
বিএসএমএমইউতে 'লিঙ্গ রূপান্তরে' বহির্বিভাগ চালু
চলতি মাসেই ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি
অধ্যক্ষের পদত্যাগ চেয়ে চমেক ইচিপ'র সংবাদ সম্মেলন
আলমডাঙ্গায় স্বাস্থ্যকর্মীকে মারধর, ইউএইচএফপিও'র সঙ্গে অসদাচরণ
গোপালগঞ্জে মেডিকেল ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
৪র্থ বার্ষিক উদ্ভাবন পিচ পুরস্কারে ভূষিত বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
২৫ টাকার ইনজেকশন ১৫০০ টাকায় বিক্রি: তিন ফার্মেসিকে জরিমানা
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬' এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
১৬ বছরের কমবয়সীদের মোবাইল দেয়া উচিত নয়: ডা. প্রাণ গোপাল
ক্যান্সারের নকল ঔষধসহ ইনসেপ্টার সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভকে কারাদণ্ড
মায়ের পাশাপাশি বাবারাও পিতৃত্বকালীন ছুটি পাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক
সাক্ষাৎকার
স্বাস্থ্য প্রশাসন
এডু কর্নার
সাইট ম্যাপ
প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টাঃ অধ্যাপক ডা. মো. তাহির, সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), ঢাকা
বার্তা কক্ষ:-০১৮৭০২১১২০৮ ই-মেইল: [ ]
মোবাইল: ০১৮৬৭৮৪৪৪৫১
স্বত্বাধিকারী কর্তৃক . এর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
লালবাগ কেল্লা, মোঘল আমলের বাংলাদেশের একমাত্র ঐতিহাসিক নিদর্শন যাতে একই সাথে ব্যবহার করা হয়েছে কষ্টি পাথর, মার্বেল পাথর আর নানান রঙবেরঙের টালি
লালবাগ কেল্লা ছাড়া আর বাংলাদেশের আর কোন ঐতিহাসিক নিদর্শনে এমন কিছুর সংমিশ্রণ পাওয়া যায় নি আজ পর্যন্ত
প্রায় প্রতিদিন হাজারো দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীর পদচারণয় মুখরিত হয় ঢাকার লালবাগ এলাকার এই দুর্গটি
ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার ঘুরে এসেছি, প্রথমবার যখন যাই তখন শুধু ঘুরেই এসেছি, এর বাইরে কিছু জানার চেষ্টা করি নি
পরে অবশ্য লেখার সুবিধার্থে যাওয়া হয়েছে
তখন চেষ্টা করেছি যতটুকু জানা যায় জেনে নেয়ার যাতে করে এ বিষয়ে মোটামোটি একটা লেখা সাজাতে পারি
লালবাগ কেল্লা - নামকরণ
স্বাভাবিকভাবে যেকেউ যদি এর নামকরণের কারণ চিন্তা করে তাহলে স্বাভাবিকভাবে তার মাথায় আসবে যে লালবাগে থাকার কারণেই এর নাম লালবাগ কেল্লা রাখা হয়েছে
ধারণাটি মোটেও ভুল নয়, আসলেই এর নামকরণ করা হয়েছে এলাকার উপর ভিত্তি করে
তবে প্রথমে এর নাম ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন, যাতে এলাকার কোন প্রভাব ছিলনা
একদম শুরুর দিকে এই কেল্লার নাম ছিল "কেল্লা আওরঙ্গবাদ"
নামটা শুনতে যদিও একটু অন্যরকম তবুও সম্রাটদের নামকরণ বলে কথা 😛 তারা এমনটাই পছন্দ করতেন হয়তো
লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে
তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন
যদিও আজম শাহ খুব কম সময়ের জন্যেই মুঘল সম্রাট হিসেবে ছিলেন
তবুও তার অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তার এই অসাধারণ কাজটি শুরু করেন
উল্লেখ্য আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি, যিনি তাজমহল তৈরির জন্যে বিশ্ব মহলে ব্যাপক সমাদৃত
এই দুর্গ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার প্রায় এক বছরের মাথায় তার বাবার ডাকে তাকে দিল্লিতে চলে যেতে হয় সেখানকার মারাঠা বিদ্রোহ দমন করবার জন্যে
সম্রাট আজম শাহ চলে যাওয়ার পর দুর্গ নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়
তখন এই দুর্গ নির্মাণের কাজ আদৌ সম্পূর্ণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়
কিন্তু সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তৎকালীন নবাব শায়েস্তা খাঁ পুনরায় লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন কাজ থেমে যাওয়ার প্রায় এক বছর পরে
পুরো উদ্যমে আবার কাজ চলতে থাকে দুর্গ নির্মাণের
তবে শায়েস্তা খাঁ পুনরায় কাজ শুরু করার প্রায় চার বছরের মাথায় দুর্গের নির্মাণ কাজ আবার বন্ধ হয়ে যায়, এরপর দুর্গটি নির্মাণের কাজ আর শুরু করা হয়নি
নবাব শায়েস্তা খাঁ এর মেয়ে পরী বিবি মারা যাওয়ার কারণেই মূলত শায়েস্তা খাঁ লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন
পরী বিবির মৃত্যুর পরে সবার মধ্যে দুর্গটি সম্পর্কে বিদ্রূপ ধারণা জন্ম নেয়, সবাই দুর্গটিকে অপয়া ভাবতে শুরু করে দেয়
পরী বিবির মৃত্যুর পর তাকে লালবাগ দুর্গের মাঝেই সমাহিত করা হয়, আর এরপর থেকে একে পরী বিবির সমাধি নামে আখ্যায়িত করা হয়
পরী বিবির সমাধির যে গম্বুজটি আছে তা একসময় স্বর্ণখোচিত ছিল, কিন্তু এখন আর তেমনটি নেই, তামার পাত দিয়ে পুরো গম্বুজটিকে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে
দেখার কি কি আছে?
লালবাগ কেল্লার তিনটি বিশাল দরজার মধ্যে যে দরজাটি বর্তমানে জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া সেই দরজা দিয়ে ঢুকলে বরাবর সোজা চোখে পড়ে পরী বিবির সমাধি
সচরাচর টেলিভিশনে, খবরের কাগজে, ম্যাগাজিনে আমরা লালবাগ কেল্লার যে ছবিটি দেখি সেটা মূলত পরী বিবির সমাধির ছবি
কেল্লাতে একটি মসজিদ আছে, আজম শাহ দিল্লি চলে যাওয়ার আগেই তিনি এই মসজিদটি তৈরি করে গিয়েছিলেন
তিন গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটি যে কারো দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম
মসজিদটিতে জামায়াতে নামায আদায় করা হয়, সময়-সুযোগ হলে সেখানে থেকে নামায পরে আসতে পারেন আপনি
ঢাকায় এতো পুরনো মসজিদ খুব কমই আছে
লালবাগ কেল্লাতে এখানে ওখানে বেশ কয়েকটি ফোয়ারার দেখা মিলবে, আমি যে কয়বার গিয়েছি তার কোনবারই ফোয়ারাগুলো চলতে দেখিনি, কখনো চালু করা হয় কিনা জানা নেই
কেল্লাতে সুরঙ্গ পথ ও আছে, শুনেছি আগে নাকি সুরঙ্গ পথগুলোতে যাওয়া যেতো, এখন যাওয়া যায়না
উল্লেখ্য সুরঙ্গ পথ এ যাওয়ার কথাটি নিতান্তই শোনা কথা, সত্যতা যাচাই করিনি
তবে এমনিতে আপনি দেখতে পারবেন সেগুলো, ভেতরে যেতে পারবেন না
লালবাগ কেল্লায় সর্বসাধারণের দেখার জন্যে একটি জাদুঘর রয়েছে, যা পূর্বে নবাব শায়েস্তা খাঁ এর বাসভবন ছিল আর এখান থেকেই তিনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন
জাদুঘরটিতে দেখার মতো অনেক কিছুই রয়েছে