content
stringlengths
0
129k
অনেকের ভাষ্যমতে ইনশাআল্লাহ আপনি যেভাবেই লিখুন না কেন আপনি মনে মনে জানেন যে এটার অর্থ কি পাশাপাশি যিনি পড়ছেন তিনিও জানেন এটার অর্থ কি
এভাবে বিবেচনা করলে আমাদের মনে হয় ইনশাআল্লাহ লেখার নিয়ম নিয়ে বিতর্ক না করলেও চলবে
তবে অনেকেই এটাকে বিভিন্নভাবে সঠিক নিয়মে লেখার চেষ্টা করেছেন
ইনশাআল্লাহ অথবা ইন শা আল্লাহ কিংবা ইং শা আল্লাহ এই তিন উপায় কোনটি সঠিক স্মৃতি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে
এ ব্যাপারে এমডি সুমন মিয়া তে লিখেছেন
আমরা প্রায়ই সোশাল মিডিয়ায় কারো সাথে চ্যাটিং করতে গেলে, বা কমেন্ট করতে গেলে বা নিজেরই কোনো পোষ্টে إِنْ شَاءَ ٱللَّٰهُ, কিংবা ইনশাআল্লাহ বা ইনশা আল্লাহ অথবা ইংরেজী তে বা লিখে থাকি
কিন্তু বাংলা তে সঠিক উচ্চারণ হলো, ইংশাআল্লাহ এবং ইংরেজীতে বা .
কেনো ইংশাআল্লাহ বলা সঠিক, কেনো অন্য গুলো বলা সঠিক নয়? আসুন জেনে নিচ্ছি...
মুহতারাম, আমরা জানি মহাগ্রন্থ আল কোরআন এর ভাষা আরবী
তাই আমাদেরকে আরবী ভাষার বানান, উচ্চারণ সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন হতে হবে
নাহয় ভুল বানান লিখে কিংবা ভুল উচ্চারণ করে আসল অর্থই পরিবর্তন করা হয়ে যাবে
যেমন, আমরা যদি সুরা ইখলাস এর প্রথম আয়াতের কথাই ধরি,
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌউচ্চারণঃ ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ
অর্থঃ বলুন, আল্লাহ এক
কিন্তু এখানে যদি আমরা ق (ক্বফ) হরফকে ك (কা্‌ফ) এর মত করে উচ্চারণ করি, তাহলে এর অর্থ দাঁড়ায়, "খাও, আল্লাহ এক" (নাউজুবিল্লাহ! আস্তাগফিরুল্লাহ !)
মুহতারাম, আশা করি বুঝে গিয়েছেন, কেন শুদ্ধ ভাবে আরবী উচ্চারণ করা জরুরী
আমরা অনেকেই হয়ত ছোটবেলায় মাদরাসার মক্তব বা নুরানী বিভাগে পড়েছি যে,তাজবীদ এর নিয়মানুসারে নুন সাকিন ও তানভীন এর পরে ইখফার ১৫টি হরফের যেকোনো একটি হরফ থাকলে নুন সাকিন ও তানভীন কে নাকের ভেতর লুকিয়ে বা ইখফা করে গুন্নাহর সাথে পড়তে বা উচ্চারণ করতে হয়
যেমনঃ مِنْ شَرِّ (উচ্চারণ হওয়ার কথা, মিন - শাররি কিন্তু হচ্ছে মিং - শাররি) , إِنْ شَاءَ (উচ্চারণ হওয়ার কথা, ইনশা, কিন্তু হচ্ছে ইং - শা) , فَلَنْ تَجِدَ (উচ্চারণ হওয়ার কথা, ফালান তাজিদা, কিন্তু হচ্ছে ফালাং - তাজিদা)
উল্লেখ্য, ইখফার ১৫টি হরফ হলোঃت ث ج د ذ ز س ش ص ض ط ظ ف ق ك
আশা করছি আমরা এই পোস্টের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছি যে ইনশাআল্লাহ পড়ার সঠিক নিয়ম কোনটি
তারপরেও যদি আপনাদের এ ব্যাপারে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আপনাদের মতামত আমাদেরকে জানাতে পারেন
ইনশাআল্লাহ অর্থ কি?
মোঃ শাহীনুর ইসলাম (শাহীন), ব্যবসা সংক্রান্ত আলোচনা করতে এবং টেকনোলোজি নিয়ে পরে থাকতে ভালবাসি
0
জনপ্রিয় পোস্ট
নবীন বরণ অনুষ্ঠানে নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য বা ভাষণ
ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করা এবং চেক করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া 2021
১০০ টি ব্যবসার আইডিয়া বাংলাদেশ ২০২১ | ব্যবসা আইডিয়া
গ্যাসের চুলা
ওয়ালটন ফ্রিজের দাম সবচেয়ে কম দামের মধ্যে ২০২১
3//-
আসুন পরিচ্ছন্ন অনলাইন জগত গড়ে তুলি
আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চেষ্টায় হয়তো এই অনলাইন পরিচ্ছন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে বিন্দু পরিমান অবদান রাখতে পারবে
সঠিক এবং নির্ভুল তথ্য প্রচারের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত থাকবে
বাংলাদেশে রোটারী আন্দোলনের বেশ সুনাম রয়েছে বিশ্বজুড়ে
বিশেষ করে পলিও মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে বাংলাদেশের রোটারীয়ানরা ছিলেন বেশ সক্রিয়
দেশের যে ক'জন রোটারীয়ান বিদেশে সুনামের সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনছেন তাদের মধ্যে রোটারীয়ান মীর আনিসুজ্জামান অন্যতম
তিনি চট্টগ্রামের অন্যতম পুরানো ক্লাব রোটারী ক্লাব অব আগ্রাবাদের সাবেক সভাপতি
তিনি বাংলাদেশের রোটারী জেলা-৩২৮০ হতে গর্ভনরও নির্বাচিত হন
বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের হয়ে রোটারী আন্দোলনের সাথ সম্পৃত্ত আছেন
সম্প্রতি একটি খবর বাংলাদেশের হাজার হাজার রোটারীয়ানদের কষ্টের কারন হয়ে দাড়িয়েছে
রোটারীর জোন ওয়ান বি এর পরিচালক পদে আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়
গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এ অঞ্চলের 'আর আই ডিরেক্টর' পদের জন্য নমিনেটিং কাউন্সিলের নির্বাচন
এ নির্বাচনে কাউন্সিলদের মেজরিটি ভোট যিনি পাবেন তিনিই হবেন এ অঞ্চলের 'রোটারী ইন্টারন্যাশনাল ডাইরেক্টর'
এ পদের জন্য বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার দুটি করে ভোট ছিল
ইন্দোনেশিয়ার একটি ভোট কম হওয়াতের ৫ সদস্য বিশিষ্ট নমিনেটিং কাউন্সিলদের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়
প্রার্থী ছিলেন বাংলাদেশের রোটারীয়ান মীর আনিসুজ্জামান ও সেলিম রেজা, পাকিস্তানের প্রার্থী ফয়েজ আহমেদ
প্রথম দফায় মীর আনিস পান ৪ ভোটএবং সেলিম রেজা পান ১ ভোট
এর পর ফাইনাল ভোটে প্রার্থী হয়ে যান বাংলাদেশের মীর আনিস ও পাকিস্তানের ফয়েজ আহমেদ
শেষপর্যন্ত দেখা যায় পাকিস্তানের প্রার্থী তাদের দেশের দুটি ভোট পেলেও বাংলাদেশের প্রার্থী মীর আনিস তিনটি ভোট পবার জায়গায় নিজের দেশের একটি ভোট পাকিস্তানের পক্ষে চলে যায়
অথচ ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেয়
বাংলাদেশের দুটি ভোট মীর আনিসকে দিলে পদটি বাংলাদেশ পেতো
এতে দেশের সম্মান বাড়তো
কিন্ত কেন এবং কি কারনে বাংলাদেশের এক পিডিজি পাকিস্তানের পক্ষে গেলেন এ নিয়ে দেশের রোটারীয়ানদের মাঝে বিরাজ করছে নানা ক্ষোভ
বিষয়টি নিয়ে এখন সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও সরগরম
রোটারীয়ান মিন্টু ইব্রাহিম তাদের ফেসবুক আইডিতে লেখেন..
'রোটারিতে আমাদের মতভেদ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক; তাই বলে *দেশের সাথে বেঈমানী*???
গত ১৫ সেপ্টেম্বর আমাদের নতুন 1 এর জন্য এর ইলেকশন অনুষ্ঠিত হয় এই জোনের প্রতিটি রিপ্রেজেনটেটিভ এর সমন্বয়ে গঠিত ৫ সদস্য বিশিষ্ট নমিনেটিং কাউন্সিলের
সেই মিটিং এ * * সর্বোচ্চ সংখ্যক ৪ টি ভোট পেয়ে ১ম হন
বাংলাদেশের অপর ১ টি ভোট পান
সংশ্লিষ্ট সংবাদ
জার্মানের ভি-২ মিসাইলের ব্লু প্রিন্ট থেকে বানানো হয় ইন্টার...
আধুনিক যুদ্ধ বিমান নিয়ে বিশ্বের অস্ত্র বাজারে ঢুকতে চাইছে চীন
সুপার পাওয়ার হতে পারছে না তুরস্ক
অতঃপর *বাংলাদেশের রিপ্রেজেনটেটিভ* এবং পাকিস্তানের এর মাঝে ফাইনাল রাউন্ডের ভোট অনুষ্ঠিত হয়
পাকিস্তানের তার দেশের দুটি ভোট পায় এবং বোনাস হিসাবে *বাংলাদেশের রাজাকার* এর ভোট টিও পায়
অপরদিকে বাংলাদেশের রিপ্রেজেনটেটিভ দুঃখজনক ভাবে তার দেশের ১টি ( এর ভোট) ও ইন্দোনেশিয়ার ১টি ( এর ভোট) ভোট পান
পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়া মিলেও বাংলাদেশের যে পরিমাণ ভোট আছে তার সমান নয়
অথচ শুধুমাত্র বেঈমানীর কবলে পরে আজ আমাদের বাংলাদেশ নমিনেটিং কাউন্সিল থেকে ছিটকে পড়লো
*কেন দেশের সাথে এই বেঈমানী, কেন কেন?*
সবসময় আমরা চুপ করে থাকি বলেই?
আমাদের দেশ রোটারিতে এতো অবদান রাখার পরও কেন আমাদের বার বার থেকে ছিটকে পড়তে হবে? কেন?'
বিষয়টি আলাপকালে রোটারীর সাবেক এক জেলা গর্ভনর নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিষয়টি দু:খজনক
রোটারী আন্দোরনে পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে
পুরো বিষয়টি নিয়ে আপিল করা হবে বলে তিনি জানান
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পদটি যাতে ন্যায়সঙ্গতভাবে বাংলাদেশের পক্ষে আসে তার জন্য প্রচেষ্টা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন
বেঙ্গলেনসিস|2012-01-1922:52:16+06:00জানুয়ারী 19, 2012|: বিজ্ঞান, বিতর্ক, মুক্তমনা, যুক্তি|: অপবিজ্ঞান|51
অপবিজ্ঞান তথা হল সেইসব তত্ত্ব যা বিজ্ঞান হিসেবে দাবী করা হয় কিন্তু সেগুলো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয়
সাধারণত সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য, বই বিক্রয় বাড়ানোর জন্য, প্রতারণার মাধ্যম হিসেবে কিংবা ব্যবসায়িক স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অপবিজ্ঞান, বিজ্ঞানের ফাঁকে ফাঁকে ঢুকিয়ে দেয়া হয়
নিজেদের অজান্তেই আমরা সাধরণ মানুষ প্রতিনিয়ত অপবিজ্ঞানের শিকার হচ্ছি
এমন অনেক কিছুই আছে যা আমরা বিজ্ঞান বলে জানি কিংবা আমাদেরকে জানানো হয় কিন্তু সেটা আসলে বিজ্ঞান নয়
এধরনের অপবিজ্ঞানের ফাঁদ থেকে দুরে থাকার জন্য আজ এই লেখার অবতারনা করছি
অপবিজ্ঞান সেই তত্ত্বকেই বলা হবে যা বিজ্ঞান হিসেবে উপস্থাপন করা হবে, যার সাথে বৈজ্ঞানিক অন্যান্য তথ্য উপাত্তের সম্পর্ক দেখানো হবে কিন্তু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তার সত্যতা প্রমাণ করা যাবে না
অপবিজ্ঞানের সবচেয়ে স্থূল উদাহরন হচ্ছে বৈজ্ঞনিক ভাবে ধর্মের ব্যখ্যা হাজির করা
অনেক সময় অপবৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলো অন্যান্য বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের সাথে এত গভীরভাবে জড়িয়ে যায় কিংবা এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে উপস্থাপন করা হয় যে, সেগুলোকে পরীক্ষিত বিজ্ঞান থেকে সহজে আলাদা করা যায় না
তবে বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত বিজ্ঞানের ভিতর থেকে অপবিজ্ঞানের বিষয়গুলো দুর করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন
বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে অবশ্য এই অপবৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলো সনাক্তকরণ বেশ সহজ হয়ে যাচ্ছে
অপবৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলোর তালিকা বর্ণনা করতে গেলে একটা মোটা বই লিখে ফেলা যাবে
তাই এখানে শুধু অতি গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের জীবন ঘনিষ্ট কিংবা প্রতারণার হাত থেকে বাঁচার জন্য যেটুকু জানা দরকার সেটুকুই আলোচনা করব
জোতিষশাস্ত্র: সবচেয়ে প্রকট, নগ্ন অবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যেটা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মাঝে প্রভাব বিস্তার করে আছে তা হল জোতিষশাস্ত্র
জোতিষশাস্ত্র অত্যন্ত প্রাচীন একটি তত্ত্ব
এর সাথে বিজ্ঞান কোনো ভাবেই খাপ খায় না
তথাপি এটা আমাদের দেশসহ সারা পৃথিবীব্যাপী বহুলভাবে সমাদৃত
এমন কি শিক্ষিত শ্রেণীর বিশাল একটা অংশ জোতিষশাস্ত্রের ফাঁদে আটকা পড়ে আছে
সাধারন মানুষের নির্ভরতা সুযোগ নিয়ে অনেকেই জোতিষচর্চার ব্যবসা ফেঁদে যুগ যুগ ধরে আমাদেরকে ঠকিয়ে আসছে
ইদানিং একে গণিতের একটি শাখা সংখ্যাতত্ত্বের সাথে মিলিয়ে বৈজ্ঞানিক ফ্লেভার দেয়া হচ্ছে