content
stringlengths
0
129k
কিন্তু হাইপোথিসিস টেস্টিংয়ে নাল হাইপোথিসিস রিজেকশান মানেই কিন্তু নাল হাইপোথিসিস ফলসিফাই হওয়া না
বরং নাল হাইপোথিসিস আদৌ ফলসিফাই করা যায় কিনা ভাবতেছি
নাল হাইপোথিসিসের দিকে যাওয়া মানে একটা স্ট্যাটিস্টিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাডপ্ট করা যেটা কিনা এভয়েড করছিলাম (এবং আপনি ধরেছেনও সেটা ঠিক)
কিন্তু, এটা ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে
নাল হাইপোথিসিস আদৌ ফলসিফাই করা যায় না কেন? উইকিপিডিয়ায় দেখলাম বলছে নাল হাইপোথিসিস প্রমাণ করা যায়না, আপনি বলছেন ফলসিফাই করা যায় না
বেচারা যাবে কোথায়?
রূপম (ধ্রুব) জানুয়ারী 23, 2012 8:12 পূর্বাহ্ন -
কিন্তু, এটা ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে
নাল হাইপোথিসিস আদৌ ফলসিফাই করা যায় না কেন? উইকিপিডিয়ায় দেখলাম বলছে নাল হাইপোথিসিস প্রমাণ করা যায়না, আপনি বলছেন ফলসিফাই করা যায় না
বেচারা যাবে কোথায়?
এই লোকের প্রতি এতো দরদ দেখাইয়েন না
যেই স্যাম্পল সেটটা নাল হাইপোথিসিসের বিপরীতে গেলো, সেটা নাল হাইপোথিসিস সত্য হলে ঘটার সম্ভাবনা অনেক অনেক কম হলেও প্রবাবিলিস্টিক ফ্রেইমওয়ার্কে শূন্য না
এইটা দেখেন -
://../2.
, , , . " < α" .
( ) () . , . , (.., ) (.., μ), . , - ' .
রৌরব জানুয়ারী 23, 2012 9:52 অপরাহ্ন -
@রূপম (ধ্রুব),
সাবস্ক্রিপট না দিতে পারায় নাল-হাইপোথেসিস-এর যে নাম খাড়া করেছেন তা দেখে - করে হাসতে হয়েছে আমাকে
নাল হাইপোথেসিস এক্সট্রিম কেইস ছাড়া প্রমাণ-অপ্রমাণ করা সম্ভব না কারণ সেটা একটা অসীম সেটের ওপর প্রেডিকশন, এবং এমন ধরণের মেজার ইনভলভ করে, যার জন্য ওই পুরো অসীম সেটটাই দেখা দরকার (প্রমাণ-অপ্রমাণ দুই ক্ষেত্রেই)
ওকে...আমার মতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হল রাজা আর এরা সব পারিষদ
এরা বলতে নাল হাইপোথিসিস টাইপের সব বৈজ্ঞানিক প্র্যাকটিস
এসব হল বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি-র উপর দাঁড়ানো লিংগুইস্টিক-সাংস্কৃতিক-অভিজ্ঞতাসঞ্জাত টুল
এসব কিছুকে 'বিশুদ্ধ' বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি-র ভাষায় রূপান্তরিত করা সম্ভব (যদিও তা খুব ক্লান্তিকর হবে)
রূপম (ধ্রুব) জানুয়ারী 24, 2012 10:54 পূর্বাহ্ন -
আমি তো খালি কপি পেস্টিইনা করলাম
বড় জ্বালা :-
নেন - $ _ $
আস্তরিন জানুয়ারী 21, 2012 3:20 পূর্বাহ্ন -
নিঃসন্দেহে অত্যন্ত সন্দর একটা পোস্ট দিয়েছেন ধন্যবাদ
তবে হোমিওপ্যাথির ব্যপারটা বুঝলামনা কেন ,ইটালিতে আমি অনেক ডাক্তারকে দেখেছি কিছু কিছু হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রেস্কাইব করতে ,আমার ছোট মেয়ের জন্মের পরে অসুস্থ হলে কোন ঔষধে যখন কাজ হলনা তখন এই হোমিওপ্যাথ ঔষধেই সুস্থ হয় এই ইটালিতেই
ব্যপারট একটু পরিস্কার করা যায় কি?
বেঙ্গলেনসিস জানুয়ারী 21, 2012 6:54 পূর্বাহ্ন -
আপনাকে ধন্যবাদ
আমি এখানে আলাদাভাবে ব্যাখ্যা করতে চাচ্ছি না
উপরের একাধিক মন্তব্যে সৈকত চৌধুরী কিছু লিংক এবং ভিডিও শেয়ার করেছেন
সেগুলো দ্রষ্টব্য
বিশেষ করে এই সহজবোধ্য লেখাটি অবশ্যই পড়ে দেখবেন
বেঙ্গলেনসিস জানুয়ারী 21, 2012 6:55 পূর্বাহ্ন -
হোমিওপ্যাথি কতটা বিজ্ঞানসম্মত?
ইয়াসিন জানুয়ারী 21, 2012 2:14 পূর্বাহ্ন -
অনেক ভালো লিখেছেন
অনেক ভালো লাগে এমন লিখাগুলো পড়তে
কাজি মামুন জানুয়ারী 20, 2012 9:04 পূর্বাহ্ন -
লেখককে অনেক ধন্যবাদ! লেখাটিতে যে লিস্টটি দেয়া হয়েছে, তা শুধু জ্ঞানবর্ধকই নয়; বড় ধরনের ভুল-নিবারকও বটে
চলতে ফিরতে আমরা অনেক ধরনের প্রতারণার হাতছানি পেয়ে থাকি; তো এই লিস্টটা মস্তিষ্কের কোষে শক্ত করে ধরে রাখলে বিপদে পড়ার আশংকা কম!
হোমিও প্যাথি চিকিৎসার কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই
কিন্তু কেন? এর ঔষধগুলোর ভিতর কোন রোগ-নিরাময়যোগ্যতা নেই? তাছাড়া, ঔষধি গাছ নির্ভর অন্যান্য প্রচলিত চিকিৎসার ব্যাপারেই বা বিজ্ঞান কি বলছে?
বেঙ্গলেনসিস জানুয়ারী 20, 2012 10:59 পূর্বাহ্ন -
@কাজি মামুন,
হোমিওপ্যাথি বিষয়ে সৈকত চৌধুরী উপরের একটি কমেন্টে একটি প্রবন্ধের লিংক এবং একটি ভিডিও লিংক পোস্ট করেছেন, সেগুলো দ্রষ্টব্য
হোমিওপ্যাথি এবং "ঔষধি গাছ নির্ভর" চিকিৎসাবিদ্যা এক জিনিস নয়
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান "ঔষধি গাছ নির্ভর" পদ্ধতির পথ ধরেই এসেছে
তবে যেহেতু চিকিৎসা ব্যবস্থার ত্রমাগত উন্নতি ঘটছে তাই সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করাটাই যুক্তিযুক্ত
সংশপ্তক জানুয়ারী 20, 2012 1:32 পূর্বাহ্ন -
অপবিজ্ঞান সেই তত্ত্বকেই বলা হবে যা বিজ্ঞান হিসেবে উপস্থাপন করা হবে, যার সাথে বৈজ্ঞানিক অন্যান্য তথ্য উপাত্তের সম্পর্ক দেখানো হবে কিন্তু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তার সত্যতা প্রমাণ করা যাবে না
অপবিজ্ঞান নিয়ে বলার আগে প্রথমেই বলুন বিজ্ঞান কি জিনিষ ? বিজ্ঞান কি কখনও সত্য - অসত্য নিয়ে কাজ করে ?
জলবায়ু পরিবর্তন অস্বীকার: অনেকেই ধারনা করে থাকেন জলবায়ু পরিবর্তনের যে দাবী করা হয় সেটা আসলে ভিত্তিহীন! আর যদি পরিবর্তন হয়েই থাকে তার সাথে কার্বনডাই-অক্সাইডের কোন সম্পর্ক নাই
জলবায়ুবিদ্যা কি আদৌ বিজ্ঞানের পর্যায়ে পড়ে ( সিরিয়াস উত্তর আশা করছি) ? সন্দেহ এবং সংশয়বাদ কি করে অপবিজ্ঞান হয় যেগুলো কি না বিজ্ঞানের মূলমন্ত্রগুলোর অন্যতম ?‌
বেঙ্গলেনসিস জানুয়ারী 20, 2012 10:48 পূর্বাহ্ন -
বিজ্ঞান হচ্ছে পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নীরিক্ষার মাধ্যমে লব্ধ তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে যৌক্তিক পথে এগিয়ে যাওয়া
বিজ্ঞান সত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, এই হিসেবে সত্য-অসত্য নিয়ে কাজ করে বলা যেতে পারে
সত্য প্রতিষ্ঠায় বিজ্ঞান নতুন পর্যবেক্ষণের সাথে পূর্বতন তথ্য-উপাত্ত কাজে লাগায় একই সাথে পূর্ববর্তী ভুল-ত্রুটিগুলো দূর করার চেষ্টা করে
অপর দিকে অপবৈজ্ঞানিক তত্ত্বগুলোকে অনেকটা বৈজ্ঞানিকভাবে উপস্থাপন করা হয় কিন্তু সেগুলো পরীক্ষালব্ধ নয় কিংবা প্রমাণযোগ্যও নয়
আমি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি বিশেষ দিকের কথা উল্লেখ করেছি সেটা হল বৈশ্বিক উষ্ণতা
এই বিষয়টি অবশ্যই বিজ্ঞানের পর্যায়ে পড়ে
কারন বৈশ্বিক উষ্ণতার ব্যাখ্যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বের মাধ্যমেই দেয়া হয়
সন্দেহ এবং সংশয়বাদ কি করে অপবিজ্ঞান হয় যেগুলো কি না বিজ্ঞানের মূলমন্ত্রগুলোর অন্যতম ?‌
আমার পোস্টের শেষ লাইনে কিন্তু আমি নিজেই বলেছি "সংশয় ও অবিশ্বাস দীর্ঘজীবি হোক
" কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি তত্ত্বের প্রতি সংশয় ও অবিশ্বাস স্থাপনের জন্য অবশ্যই উপযুক্ত ভিত্তি থাকতে হবে
যে তত্ত্বটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয় কিন্তু আমাদের মধ্যে তার প্রচলন রয়েছে এবং যাকে বিনা যুক্তিতে সত্য বলে ধরে নেয়া হয় তার প্রতি অবশ্যই সংশয় ও অবিশ্বাস স্থাপন জরুরী
আমার মনে হয় আমার পোস্টে আমি এই মেসেজটিই দিতে চেয়েছি
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
হোরাস জানুয়ারী 20, 2012 11:39 অপরাহ্ন -
@বেঙ্গলেনসিস,
আমি জলবায়ু পরিবর্তনের একটি বিশেষ দিকের কথা উল্লেখ করেছি সেটা হল বৈশ্বিক উষ্ণতা
এই বিষয়টি অবশ্যই বিজ্ঞানের পর্যায়ে পড়ে
কারন বৈশ্বিক উষ্ণতার ব্যাখ্যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বের মাধ্যমেই দেয়া হয়
বৈশ্বিক উষ্ণতা প্রাকৃতিক ভাবেই হতে পারে
৫৬ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে কোন বরফ ছিলো না
নিচে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের আর্টিকেলটা পড়ে দেখতে পারেন
খুবই ইন্টারেস্টিং
56 . .
তাই শুধু মানব সৃষ্ট কার্বণই যে বৈশ্বিক উষ্ণতা ঘটাচ্ছে এটা ঠিক না
বরং সঠিক ভাবে বললে বলা যায় আমরা পুরো প্রক্রিয়াটাকে হয়ত ত্বরাণ্মিত করছি
আর কেউ যদি এতে সন্দেহ প্রকাশ করে তাতেও কোন অসুবিধা দেখি না
বেঙ্গলেনসিস জানুয়ারী 21, 2012 6:50 পূর্বাহ্ন -
হ্যাঁ, এই ব্যাপারটি আমি আগে দেখেছি
আমি আসলে এই ব্যাপারটিকে অস্বীকার করতে চাইনি
আমার লেখা খুব বেশি সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে বোধ হয়
আমি বলতে চেয়েছি, অনেকেই শুধু এই ঘটনাটিকেই বৈশ্বিক উষ্ণতার কারন ভেবে থাকে
আর মানবসৃষ্ট কার্বন-ডাইঅক্সাইড নিঃসরণ হেতু যে নিঃসরণ ঘটছে সেটাকে অস্বীকার করে
স্বাধীন জানুয়ারী 21, 2012 1:44 অপরাহ্ন -
প্রাকৃতিক ভাবে বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় কথাটি ঠিক
আমাদের শেষ বরফ যুগ হয়েছিল প্রায় ১৩ হাজার বছর আগের কাছাকাছি
গ্লেসিয়ার টাইম স্কেল হিসেবে বরফ যুগের পর থেকে বিশ্বের তাপমাত্রা বেড়েছে কথাটি ঠিক
কিন্তু সেই হার অনেক কম
ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রেভুল্যাশনের পর থেকে বিশ্বের তাপমাত্রা যে হারে বাড়ছে সেটা প্রাকৃতিক হারের তুলনায় অনেক অনেক বেশি
এবং এর মূল কারণ গ্রিন হাউজ গ্যাস
আরো বিস্তারিত জানার জন্যে সচল জাহিদের জলবায়ু পরিবর্তন সিরিজটি পড়ার অনুরোধ রইল