content stringlengths 0 129k |
|---|
মো. সারোয়ার আলম ১৯৭৮ সালে ২৮ ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া পৌর সদরের বড়বাড়িরতে জন্মগ্রহণ করেন |
ব্যবসায়ী বোরহান উদ্দিন ও গৃহিণী আমেনা খাতুনের একমাত্র পুত্রসন্তান সারোয়ার আলম |
ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় তিনি |
সারওয়ার আলম ২৭তম বিসিএসে ক্যাডার সার্ভিসে যোগদান করেন |
এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিদ্যা বিভাগে পড়াশোনা শেষ করেন |
ছয় ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় সারওয়ার |
সৎ ও মেধাবী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত পাওয়া সারওয়ার আলম র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র্যাব) যোগদানের পর থেকে সব সময় আলোচিত ছিলেন |
কর্মদক্ষতা আর নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে গেছেন বারংবার |
ব্যক্তিস্বার্থ নয়, বরং তিনি প্রাধান্য দিয়েছেন দেশ ও জনগণের স্বার্থকে |
স্বার্থান্বেষী মহল তার কাজে অসন্তুষ্ট থাকলেও জনগণ তাকে অফুরান ভালোবাসা দিয়ে বরণ করে নিয়েছে |
তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে বিশেষ করে ভেজাল খাদ্য, নকল প্রসাধনী ছাড়াও অবৈধ হাসপাতাল পরিচালনা, মাদকবিরোধী অভিযান এবং আলোচিত ক্যাসিনো অভিযান অন্যতম |
২০১৯ সালে ফকিরাপুলে ক্যাসিনোতে ও যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের অফিসে অভিযান ছিল সবচেয়ে আলোচিত |
এসব ক্ষেত্রে সামনের সারিতে থেকে অভিযান পরিচালনা করেছেন তিনি |
এ ছাড়া ৮ মার্চ দেশে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে কোয়ারেন্টিন ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত, নকল মাস্ক-গ্লাভসের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছেন র্যাবের এই সাবেক চৌকস কর্মকর্তা |
এ ছাড়া ফার্মগেটে পদচারী-সেতু দিয়ে চলাচল না করে সড়ক পারাপারের ঘটনায় নামমাত্র জরিমানা করে যাত্রীসাধারণকে সচেতন করেন তিনি |
কিশোর গ্যাং আটকে অভিযান, কুকুর ও পশুর মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্যাকসিন উদ্ধার, নামীদামি হাসপাতালে অভিযান, হজের টিকিট জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযান, পুরান ঢাকার কেমিকেল অভিযান ও জড়িতদের জেল-জরিমানাসহ অসংখ্য আলোচিত অভিযানে অংশ নিয়ে দেশজুড়ে একনামে পরিচিত হয়ে ওঠেন অপরাধী চক্রের পিলে কাঁপানো সারওয়ার আলম |
সর্বশেষ পুরান ঢাকায় হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তিনি আরও আলোচনায় আসেন |
সারোয়ার আলম বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন |
১৯৮৩ সালে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় বাড়ির পাশের ইসমাইল মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে |
১৯৯৩ সালে পাকুন্দিয়া পাইলট উচ্চবিদ্যালয় (বর্তমান পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়) থেকে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেয়ে ভর্তি হয় কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজে |
১৯৯৫ সালে কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অর্জন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন প্রাণিবিদ্যা বিভাগে |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে ২০০৫ সালে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর পাস করেন তিনি |
সারওয়ার আলম ২০০৮ সালে ২৭তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে যোগ দেন প্রশাসনে |
অনুবাদ আর্ট ইন্টারভিউ ইন্ডিয়া এডিটোরিয়াল ওং কার ওয়াই কবিতা কলকাতা কাজী নজরুল ইসলাম ক্রিটিক গল্প গান ছোটগল্প জগদীশ গুপ্ত জীবনানন্দ দাশ ঢাকা ধর্ম নারীবাদ নোম চমস্কি পাকিস্তান ফরহাদ মজহার ফিকশন ফিলোসফি ফিল্ম ফেমিনিজম বই বঙ্কিমচন্দ্র বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বঙ্গদর্শন বাংলা বাংলা সিনেমা বিনোদিনী দাসী ভাষা মিউজিক মিডিয... |
: |
02 ডিসে. 2021 |
লাবিব ওয়াহিদ |
যেকোনো চিন্তা, পোয়েটিকাল বা অন্যকিছু, যেকোনো চিন্তাই অনেককিছুর জোট হইয়া তৈয়ার হয় - রবার্ট ফ্রস্ট |
ফ্রস্টের জন্ম ১৮৭৪ সালে সানফ্রানসিসকো'তে, আর এমেরিকান লিটারারি ক্রিটিক রিচার্ড পরিয়ার যখন ফ্রস্টের এই ইন্টারভিউটা নিতেছেন তখন ১৯৬০ সাল, ফ্রস্ট ততদিনে কাটাইয়া ফেলছেন ৮৪ বছরের একটা লম্বা জীবন |
এর তিন বছর পরে ফ্রস্ট মারা যান বোস্টনে |
ওনার এপিটাফে লেখা হয় ওনার কবিতার লাইন, " ' ". |
কবি হিসাবে ফ্রস্টকে সিম্পল কোনো ডেফিনেশনের আন্ডারে আনা সম্ভব না |
ফ্রস্ট নিজে এই ধরনের এটেম্পট পছন্দ করতেন না |
আর নিজেও এইগুলা নিয়া ভাবতেন না |
অন্য এক ইন্টারভিউ'তে এই প্রসঙ্গে কইছিলেন যে, "আমি অতো সেলফ-কনশাস না" |
যাই হোক, অনেকে অনেকরকম কথা তো বলছে, ফ্রস্টের কবিতার ডিরেকশানকে লোকেট করতে চাইছে, ওনার আগে-পরের লেগেসি বাইর করতে চাইছে |
ফ্রস্ট নিজে সমালোচনা পড়তেন না |
বাট কেউ যদি ওনার সমানে এইরকম কিছু বলতো, যদি ওনারে কোথাও লোকেট করার এটেম্পট নিতো, উনি কনফিডেন্টলি-ই ঐটারে নাকচ করতেন, এবং এই ধরনের একটা ভাইব দিতেন যে ওনারে ডিফাইন করার যেইকোনো এটেম্পট-ই আসলে ওনার একটা ভুল বা আংশিক ভিউ-ই অফার করতে পারে |
...একটা ব্যাপার, যেইটা ইন্টারভিউয়ারের ভূমিকায়ও কিছুটা বলা হইছে, এইখানে আরেকবার বইলা রাখতেছি যেহেতু অনুবাদ করতে গিয়া ব্যাপারটা বারবার ফেইস করছি |
ফ্রস্ট কবিতা লেখার ক্ষেত্রে খেয়ালে বা বেখেয়ালে গলার টোনের উপর ভালোই ডিপেন্ড করতেন |
অর্থাৎ, কবিতাটা পড়ার সময় কোন জায়গায় কোন টোনে পড়া হইতেছে - এই ধরনের ব্যাপারগুলা খুব ভাইটাল ওনার কবিতার মিনিং তৈয়ার হওয়ার ক্ষেত্রে |
এই ব্যাপারে ইন্টারভিউটার মধ্যে আলাপ আছে |
তো, এই মানুষ যখন বাস্তবে কথা কইতেছেন কারোর লগে, সেইক্ষেত্রেও এই 'টোন' এর ব্যাপারটা ইম্পর্টেন্ট; এবং শারীরিক নানা এক্সপ্রেশান, কোথায় কখন থামলেন, কোন শব্দটায় জোর দিলেন - এই সব নিয়াই কথার মিনিং দাঁড়াইতেছে, এবং সামনের লোকটা বুঝতে পারতেছে |
কথা বলার মধ্যে ফ্রস্ট কখনো কখনো হয়তো ঠিকমতো একটা সেন্টেন্স-ই কইলেন না, কখনো হয়তো একটা লাইনে "তারা" বলতে একদলরে বুঝাইলেন, আর পরের লাইনে গিয়া "তারা" বলতে অন্য কোনো গ্রুপরে বুঝাইলেন - এই সমস্ত ব্যাপারের কারণে আপনের বুঝায় কোনো অসুবিধা হবে না যদি আপনে তার সামনে 'দর্শক' এবং 'শ্রোতা' হিসাবে থাকেন |
বাট এইরকম একটা দুইঘণ্টার ইন্টারভিউকে যখন টেপ রেকর্ডারে রেকর্ড করে এরপর সেইখান থেকে ট্রান্সক্রিপশান করে লিখিত ফরম্যাটে আনা হয়, সেইটা পড়ার সময় কোনো কোনো জায়গায় ঠিকমতো বুঝতে পারা একটু টাফ হইতে পারে |
প্লাস, ১৯৬০ সালে দুইজন এমেরিকান লোক কথা কইতেছে, সেইটা ২০২১ সালে বাংলাদেশের একজন লোক যখন পড়বে তার তো একটু টাফ হবে ভাষার নানান চিকন চিকন ব্যাপারগুলারে ঠিকঠাক মতন ধরতে পারার ক্ষেত্রে |
এবং যেইটা ধরতে পারা গেলো সেইটারে আবার বাংলা ভাষায় একইরকম এক্সপ্রেশানে প্রকাশ করতেও হ্যাপা কম না |
পড়ার সময় এইগুলা মাথায় রাখা ভালো, তবে না রাখলেও ক্ষতি নাই |
ফ্রস্ট বিশ শতকের একজন ভাইটাল কবি |
সেই স্বীকৃতি উনি বাঁইচা থাকা অবস্থায়ই বেশ ভালোমতোই পাইছেন |
তবে কবি হিসাবে একটা 'পজিশান' পাইতে ওনার সময় লাগছিলো, তার কারণও আছে |
উনি ধইরা নিছিলেন ম্যাগাজিনে লেখা থেকেই ব্যাপারগুলার শুরুয়াত হবে |
আমেরিকায় যখন উনি ম্যাগাজিনে লিখতেছিলেন, তখন উনি যেমন রিজেকশানের স্বীকার হইতেছিলেন না, তেমন খুব বেশি একনোলেজমেন্ট-ও পাইতেছিলেন না |
ফলে ওনার জানা আছিলো না কী করতে হবে |
১৯১২ সালে ফ্রস্ট ইংল্যান্ডে যান |
১৯১৫ সালে ২য় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে উনি আমেরিকায় ব্যাক করেন |
মাঝখানের তিন বছরে ফ্রস্ট ইংল্যান্ডে কবি হিসাবে ভালোই একনোলেজমেন্ট পাইছিলেন, এবং ওনার প্রথম দুই বই ' (১৯১৩) আর (১৯১৪) ঐখানেই পাবলিশ হয় |
আমেরিকায় যখন ব্যাক করেন, ওনার ভাষায় ততদিনে উনি অলরেডি "মেইড পোয়েট" |
আমেরিকায় আসার অল্পদিনের মধ্যে হেনরি হোল্ট অ্যান্ড কোম্পানি ওনার বই পাবলিশ করতে থাকে |
ইংল্যান্ডের প্রতি ফ্রস্ট একটা কৃতজ্ঞতা ফিল করতেন |
এবং আমেরিকার প্রতিও |
আমেরিকার ক্ষেত্রে কারণটা ছিল মেইনলি কলেজগুলার চাকরি |
কম বয়সে ফ্রস্ট জুতার কারখানায় চাকরি করছেন, লোকাল পত্রিকার এডিটরের কাজ করছেন, হাইস্কুলের টিচারি করছেন, কৃষিকাজ করছেন, এইরকম অনেক কিছুই করছেন অল্প অল্প করে |
তবে কবি হিসাবে স্বীকৃতি পাইবার পরে ওনার দায়িত্ব নিছে আসলে কলেজগুলা |
যেমন, এমহার্স্ট কলেজের চাকরির ব্যাপারে বলতে গিয়া আরেক জায়গায় উনি বলছিলেন যে বিশ বছর ধইরা এখানে ফ্যাকাল্টির মেম্বার হিসাবে উনি আছেন এবং ওনার তেমন কোনো কাজ নাই কেবল নিজের কবিতা লেখা ছাড়া |
আরেকটা ইনফরমেশান দিয়া রাখি পাঠকের কনফিউশান এড়ানোর জন্য |
ইন্টারভিউয়ারের ভূমিকাতে ফ্রস্টের লগে নিউ ইংল্যান্ডের সম্পর্কের ব্যাপারে আলাপ আছে |
নিউ ইংল্যান্ড বইলা ডাকা হয় আমেরিকার উত্তর-পূর্ব সাইডের একটা অঞ্চলকে |
কানেক্টিকাট, মেইন, ম্যাসাচুসেটস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, রোড আইল্যান্ড, ভারমন্ট - এই স্টেটগুলা নিউ ইংল্যান্ডের ভিতর পড়ে |
সাহিত্যের বাইরে ফ্রস্টের আরো নানা ইন্টারেস্টের জায়গা আছিলো |
পলিটিক্স আর সায়েন্সের কথা স্পেশালি বলা যায় |
তবে কবিতারে উনি কবিতা-ই রাখতে পারছিলেন |
পলিটিকাল কবিতা বা নেচারের কবিতা বা এই টাইপের কিছু করতে যান নাই |
লাস্টে একটা ইন্টারেস্টিং কাহিনী বইলা শেষ করি |
ইউটিউবে ওনার একটা শর্ট ইন্টারভিউ দেখছিলাম, তাহমিদ রহমান এইটা দিছিলো আমারে |
ঐখানে ইন্টারভিউয়ার ওনারে জিগাইছিলেন উনি অপটিমিস্ট নাকি পেসিমিস্ট |
ফ্রস্ট তারে উল্টা জিগাইছেন, "আপনে কোনটা?" তো উনি কইছিলেন, "ওয়েল, আই হ্যাভ ফেইথ |
" ফ্রস্ট কইলেন, "এইটার দ্বারা কি বুঝাইতেছেন আপনে অপটিমিস্ট?" ইন্টারভিউয়ার কইলেন, "আমার লজিক অনুসারে, ইয়েস |
" তখন ফ্রস্ট কইলেন, "অপটিমিস্ট দ্বারা কী বুঝান? যিনি ফিউচারের ব্যাপারে আশাবাদী?" উত্তর আসলো, "হ্যাঁ" |
ফ্রস্ট বললেন, "আমি শুধু ফিউচারের ব্যাপারে না, পাস্ট এবং প্রেজেন্টের ব্যাপারেও আশাবাদী |
" ইন্টারভিউয়ার বললেন, "এটার মানে কী?" ফ্রস্ট কইলেন, "আমি মনে করি অতীত যেইরকম ছিলো, সেইটার জন্যই একদিন তারে সঠিক বইলা মাইনা নেয়া যাবে |
আর যেই বর্তমানটা আছে সেইটাও একদিন ইতিহাসে তার পয়েন্ট প্রুভ করবে |
লাবিব ওয়াহিদ → |
: |
27 নভে. 2021 |
ইমরুল হাসান |
সিনস অফ সিনেমা (ফার্স্ট পার্ট) |
[অনেক সিনেমা দেখা না হইলেও কিছু সিনেমা তো দেখা হইছে আমার |
মানে, আমরা এমন একটা ভিজ্যুয়ালের টাইমে আছি, যেইখানে না চাইলেও সিনেমা দেখা লাগে আমাদের |
সিনেমা-দেখা দিয়া অনেক কিছু বুঝি আমরা, অনেক কিছু বুঝাইতেও পারি |
তো, সিনেমা দেখতে দেখতে দেখছি যে, কিছু সিনের (-ই, তবে -ও হইতে পারে) কথা মনে আছে |
অইরকম কিছু সিন নিয়া কিছু কথা বলার ইচ্ছা আছে |
এইখানে ফার্স্ট পার্টে ৭টা সিনের কথা বলা হইছে |
আরো কিছু বলার ইচ্ছা আছে |
সিনস অফ সিনেমা (১) |
বেটার কল সল (২০১৫ - ২০২২) : সিজন ৪, এপিসোড ১০, ডিরেক্টর - ভিন্স জিলিয়ান |
এইটার কথা ফার্স্টে মনে হইলো |
বেটার কল সল সিরিজের একটা সিন |
ড্রাগ ডিলারদের জন্য মেক্সিকোর বর্ডার থিকা আম্রিকাতে একটা পাইপলাইন বানানোর জন্য জার্মাান ইঞ্জিনিয়াররে ভাড়া করে গাস ফ্রিং; অইটার তদারকি করে মার্ক |
খুবই সিক্রেট প্রজেক্ট এবং অনেক লম্বা সময় ধইরা চলে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.