content
stringlengths
0
129k
:
18 নভে. 2021
ইতিহাশে খাড়াইয়া মাওলানারে কদমবুছির কোশেশ
মাওলানা ভাশাানিরে বুঝতে পারি আমি, তারে লাইকও করি
মাওলানার ঘাটতিগুলা আমার ভিতরেও কম বেশি আছে, তাই বুঝতে কিছু শুবিধাও হয়
এই জামানার পলিটিক্সে জেই হেকমত বা কৌশলের আলাপ দেখেন মাঝে মাঝে, এই হেকমতের শবচে পজিটিভ ভার্শনটা পাইবেন মাওলানার মাঝে; ওনার ভিতর মদে ঘেন্না ছাড়া তেমন কোন ঘেন্না আছিলো না; আজকে অনেকে পেট ভইরা মদ খাইয়া মন ভরা ঘেন্না উগরায়, তার তুলনায় মাওলানার মদে ঘেন্না বহুত খুবছুরত! ঘেন্না পেরায় না থাকায় মাওলানা শাচ্চা হেকমত এস্তেমা...
অনেকেই দেখবেন ঘেন্না উতরাইতে না পারায় হেকমতে কামিয়াব হয় না! মাওলানা ইছলাম ঘেন্না করতেন না, হিন্দুও না, না কেপিটাল, না মার্ক্স, না পচ্চিম, না আরব, না ইনডিয়া, না পোলা, না মাইয়া! আবার এগুলার কোনটায় বাড়তি পিরিতিও আছিলো না ওনার; এই জামানাতেও এমন একজন বাইর কইরা দেখান! ওনার পিরিতি আছিলো মাকলুকাতে, মানুশ এবং আর শব মাকল...
কিন্তু জে কোন জামানাতেই এমন অতি রেয়ার গুন লইয়াও মাওলানা খুব বেশি হাছিল করতে পারেন নাই বা জা কিছু পারতেন, তার মাঝে অল্পই পারছেন বাস্তবে! মাওলানার থিকা ঐ পিরিতি আর দরদ আর ঘেন্না উতরাইয়া ওঠার ছবক জেমন নেওয়া দরকার আমাদের, তেমনি ওনার আরো আরো পারা কেমনে আটকাইয়া গেছিলো, শেইটা বুইঝা লইয়া ওনার ঘাটতিগুলা উতরাইয়া ওঠার রাস্...
শুরুতেই আমাদের খেয়াল রাখা দরকার, মাওলানা আশলে একটা ছিভিল পলিটিকেল ছিস্টেমের পলিটিশিয়ান! পলিটিকেল ছিস্টেম খুনি হইয়া উঠলে মাওলানা ডরাইতেন, এমনকি পালাইতেন ডরে!
আমাদের খেয়াল রাখা দরকার জে, ইংরাজ আমলের আখেরি জামানায় অনশন/উপাশ করা বা না খাইয়া থাকাই বিরাট একটা পলিটিকেল মুভমেন্ট আছিলো! নজরুল থিকা গান্ধি, জেলখানায় উপাশ থাইকা মুভমেন্ট করছেন! ওনারা না খাইয়া মরলে জেন বা ইংরাজের কত কি আশে জায়! এর লগে এই জামানা তুলনা কইরা দেখেন, এখন উপাশি বা অনশনি মুভমেন্ট কইরা মরা কেমন কমন, শাশকে...
ডাইরেক হামলা করলে, গুলি করলে শুর্যশেনদের মতো ফাশি-টাশি হইতো তো বটেই, কিন্তু জালিয়ানওয়ালাবাগে পাইকারি খুনের পরে শম্ভবত বিটিশ ইনডিয়ায় মুভমেন্ট করা, রাস্তায় নামা একটু শোজাই আছিলো! আজকের বাকশালি বাংলাদেশ বা ইনডিয়ার মতো মিছিলে গুলি করা, ক্রসফায়ার, গুম, রিমান্ডে হাড্ডি গুড়াইয়া দেওয়া ঠিক কমন আছিলো না! পলিটিকেল বন্দি...
:
17 নভে. 2021
নাজিয়া আফরিন মনামী
নাজিয়া আফরিন মনামী'র কবিতা
জন্ম নিয়াই নাম পাইলাম
সেই নাম বইয়া যায়
আজ এই দিকে
কাল ঐ দিকে
আমি দাঁড়াইতে পারি না
আম্রিকানরা জম্বি চিনাইলো
কোরিয়ানদেরটা আরো ভাল
জম্বিরা ব্রেইন খায়া ফেলে
সবাই ব্রেইন খাইতেসে আসলে
দেহ তখন বেচা হইতেসে
ভাবনা ভাবা বড় কঠিন
আমি বেখেয়ালে তারে ডাকলাম
সে আইসা আমার ব্রেইনটা খাইলো
জম্বি হইয়া নামটা ভুইলা গেলাম
আমার চিহ্ন রাখার আগেই
আকাশ হারায় গেল
অনাথ চিহ্নগুলা নিয়া
আমি পাথর হয়ে গেলাম
পানির খোঁজে ছুটতে ছুটতে
কারবালায় পৌঁছায় গেলাম
সেখানে দুলদুল কইলো
তুই মিরাজ কর
আমি কইলাম আকাশ কই?
অর্থের শোকে জমিনে লুটাই
সীতায় চরণ জড়ায়
সব চিহ্ন মিটে যায় বার বার
কোন দাগ রাখতে পারি না
আমি নিজেরে খরচ করতেসি
আমি নিজেরে খরচ করতেসি
জমাইসিলাম ম্যালা দিন ধরে
ছোটকালে কেনা মাটির ব্যাঙ্কে
প্রতিদিন ফেলতাম নিজেরে
মাঝে মাঝে গুইনা দেখতাম
ভাংতি মুহূর্ত আর স্মৃতির নোট
চিন্তার বড় নোটও ছিল
সেই ব্যাঙ্ক হুদাই ভাংসি
মুঠি মুঠি খরচ করতেসি
এরে তারে দিয়া দিতেসি
যে যখন য্যাম্নে চায়
কারণ তুমি নেও নাই
[ ="://..///10154113693553980"]
ইন্টারভিউ সিরিজ
লেটেস্ট কিছু লেখা
ইতিহাস ক্রিটিকস
ইতিহাশে খাড়াইয়া মাওলানারে কদমবুছির কোশেশ
মাওলানা ভাশাানিরে বুঝতে পারি আমি, তারে লাইকও করি
মাওলানার ঘাটতিগুলা আমার ভিতরেও কম বেশি আছে, তাই বুঝতে কিছু শুবিধাও হয়
শামীম আহমেদ ॥ বরিশালের গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাসের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে এক স্কুল ছাত্রী
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে গেছে, গৌরনদী উপজেলার পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের মনির হাওলাদারের স্কুল পড়-য়া কন্যার (১৪) সাথে একই গ্রামের হাসেম ঘরামীর পুত্র মাসুম ঘরামীর (২৬) বিয়ের দিন ধার্য ছিলো শুক্রবার
সে অনুযায়ী কনের বাড়িতে বিয়ের সকল আয়োজন চলছিলো
সকালে বিষয়টি জানতে পেরে কনের বাড়িতে গিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস
এসময় ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মেয়েটিকে কোথাও বিয়ে দেওয়া হবে না বলে অঙ্গীকার করে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পান কনের মা
বরিশালক্রাইমট্রেসডেস্ক
মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল রোববার (২৩ মে) গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ১৭৫টি স্থাপনা উদ্বোধন করবেন
এর মধ্যে রয়েছে- ১১০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, ৩০টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র, ৩০টি জেলা ত্রাণ ও গুদাম কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্য কেন্দ্র ও ৫টি মুজিব কিল্লা
এছাড়া ৫০টি মুজিব কিল্লারও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি
শনিবার (২২ মে) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এ তথ্য জানান
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দুর্যোগ সহনীয় টেকসই নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় পরিকল্পিতভাবে কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে
বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা থেকে মানুষের জানমাল রক্ষার্থে মাটির কেল্লা নির্মাণ করা হয়
যা সর্ব সাধারণের কাছে মুজিব কিল্লা নামে পরিচিত
তারই আধুনিক রূপে উপকূলীয় ও বন্যা উপদ্রুত ১৪৮টি উপজেলায় ৫৫০টি মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান
তিনি বলেন, উপকূলীয় দুর্গত জনগণ যেমন সেখানে আশ্রয় নিতে পারবেন, তেমনি তাদের প্রাণিসম্পদকে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারবেন
এছাড়া জনসাধারণের খেলার মাঠ, সামাজিক অনুষ্ঠান ও হাট-বাজার হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যাবে
উপকূলীয় এলাকায় বয়স্ক, গর্ভবতী, শিশু ও প্রতিবন্ধীবান্ধব ৩২০টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় দুই লাখ ৫৬ হাজার বিপদাপন্ন মানুষ এবং প্রায় ৪৪ হাজার গবাদিপশুর আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে
সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ তাদের গবাদিপশুসহ এসব আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় আশ্রয় নিতে পারবেন
বন্যাপ্রবণ ও নদীভাঙ্গন এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে বন্যা পীড়িত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য দ্বিতল বিশিষ্ট ২৩০টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী
তিনি বলেন, এতে প্রায় ৯২ হাজার মানুষ ও ২৩ হাজার গবাদিপশুর আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে
এনামুর রহমান বলেন, ২০১৮-২০২২ মেয়াদে ৪২৩ বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে
দুর্যোগকালীন ঘূর্ণিঝড় প্রবণ উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত পানি পরিশোধনে ৩০ টি মাউন্টেড স্যালাইন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সংগ্রহ করা হয়েছে
সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কারণে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিপদ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সহজ হয়েছে
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
ইতোপূর্বে বিশেষ মর্যাদার আওতায় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই অঞ্চল একটা মাত্রার স্বায়ত্তশাসন ভোগ করতো
এর বদলে এখন কাশ্মীরকে দুটো ইউনিয়ন টেরিটরিতে (মর্যাদার দিক থেকে রাজ্যের নিচে অবস্থান) বিভক্ত করা হয়েছে, যেগুলো ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি শাসন করবে
ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারার আওতায় কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদার ফলে সাত দশক আগে কাশ্মীরের ভারতে যোগদান সহজতর হয়েছিল
কাশ্মীর নামক এই অঞ্চলের উপর ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তানও নিজেদের অধিকার দাবি করে
এরকম একটি অঞ্চলের সাথে সম্পর্কের ধরন পরিবর্তনের মাধ্যমে ভারত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতাবস্থাকেই হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে
মোদী সরকার খুব ভালো করেই জানে যে তাদের এই সিদ্ধান্ত কাশ্মীর কিংবা পাকিস্তানে ভালোভাবে নেওয়া হবে না
কাজেই এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগের দিন কাশ্মীরে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে
ঘোষণার পর মোদী সরকার এ অঞ্চলের জনগণের উপর কারফিউ জারি করে, পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদেরকে বের করে দেয়, জনপ্রিয় স্থানীয় নেতাদেরকে গৃহবন্দী করে, মিডিয়া ও টেলিকম বন্ধ করে দেয়
কিন্তু, ভারতীয় বিরোধী দলসমূহের সদস্যদের স্বীকৃতি অনুসারে, কাশ্মীরিদের প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে মোদী সরকারের ক্ষমতা একেবারেই সীমাবদ্ধ, কারণ এসকল কাশ্মীরি দশকের পর দশক ধরে সহিংসতা সহ্য করে আসছে
আশঙ্কার বিষয় হলো, পাকিস্তান "দ্ব্যর্থহীন" ভাষায় এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি আখ্যায়িত করে প্রত্যখ্যান করেছে, এবং "সকল সম্ভাব্য উপায়ে" প্রতিরোধ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে
এর ফলে প্রতিবেশী দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে আবারও সামরিক সঙ্ঘাত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে