content
stringlengths
0
129k
(তিরমিজী শরীফ,ইবনে মাজা,মুসনাদে আহমদ,আল-মুসতাদরাক)
হাদিসের ভাবার্থ-
মুহাম্মদ বলছেন, তিনি যেমন সত্যের মাপকাঠি,এবং তার যেমন সমালোচনা করা যাবেনা, প্রশ্নাতীতভাবে তার অনুসরণ ও অনুকরণ ব্যতিরেকে যেমন নাজাতের বা মুক্তির কোন পথ নাই, তেমনি তার সাহাবাগণও সত্যের মাপকাঠী ও সকল প্রকার সমালোচনার উর্দ্ধে এবং তাঁদের অনুকরণ ও অনুকরণ ব্যতিরেকে উম্মতের নাজাতের বা মুক্তির কোন বিকল্প পথ খোলা নাই
নাস্তিক গুরু আগস্ট 26, 2012 7:34 অপরাহ্ন -
উপযুক্ত জবাব হইছে... ইসলাম ধর্মের অনেক ভুল ও অনেক কুসংস্কার আছে যে গুলা বন্ধ করা উচিত
মোহাম্মাদ নিজেকে যে কি মনে করতেন!! ::
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 25, 2012 1:58 পূর্বাহ্ন -
এত কোরান হাদিস চর্চা করার পরেও ভাইজানের জ্ঞান বিকাশ বিশেষ হয়েছে বলে দেখা যায় না যা দু:খজনক
কাল পাথর তো আর যেন তেন পাথর না, এটা একেবারে বেহেশতী পাথর, কুদরতের আধার
এ পাথর চাটাচাটি করলে এইডস রোগ কমনে হবে? বরং কারও এ্ইডস রোগ থাকলে তা সেরে যাওয়ার কথা
এ পাথরের সাথে এইডস রোগের ভাইরাস স্পর্শ করা মাত্রই তো তা মরে ভুত হয়ে যাবে পাথরের কুদরতী গুণের কারনে, তাই না ? তাই বলি কি ভাইজান, সময় থাকতে আপনিও একবার ঘুরে আসুন মক্কা মদিনায় , কাল পাথরটাকে মনের সাধ মিটিয়ে চাটা চাটি করে আসুন আর সমস্ত রকম পাপ তো বটেই রোগ ব্যধিও দুর করে আসুন
হা,হা,হা, একেবারে খাটি কথা বলেছেন,ভাইজান
আপনার প্রবন্ধ গুলী দ্বারা একটু আলোকিত না হতে পারলে মরুভূমির পাথর চেটে চেটে পাপ মোচন করানো ছাড়া আর কোনই উপায় ছিলনা
নিম্নোক্ত হাদিছ দুইটির লিংক দিতে পারেন? আমি তিরমিজীর এই (://.-.//.)লিংকটা খুজে ঐ নাম্বারের(৮৭৭ ও ৯৫৯) কোন হাদিছ পাইলামনা
ইবনে আব্বাস বর্ণিত নবী বলেছেন-" কাল পাথর বেহেস্ত থেকে পতিত হয়েছে
যখন প্রথম দুনিয়াতে এটা পতিত হয় তখন এর রং ছিল দুধের মত সাদা কিন্তু আদম সন্তানদের পাপ গ্রহণ করার ফলে এর রং কাল হয়ে গেছে"
তিরমিজি, হাদিস- ৮৭৭
ইবনে ওমর নবী কে বলতে শুনেছেন, " কাল পাথর ও আর রুখ আল ইয়ামানি কে স্পর্শ করলে পাপ মোচণ হয়
তিরমিজি, হাদিস-৯৫৯
নাকি এটা বোখারীর কোথাও আছে?
এখানে নবীর হাদিছ দুইটি কোরানের একত্ববাদের সাক্ষাৎ পারিপন্থি হয়েছে
আমার সঠিক রেফারেন্স এজন্য দরকার হয় কারন কখনো কখনো কারো কারো সংগে হাদিছ আলোচনায় অংশ গ্রহণ করতে হয় এবং নিশ্চিত রেফারেন্স কাছে না থাকলে মনে জোর থাকেনা
এবং তাহলে তাদের আটকাতেও পারবনা
আর এসব আমাদের দ্বারা তো কোনদিন খুজে খুজে বের করা ও সম্ভব নয়
ভবঘুরে আগস্ট 26, 2012 4:08 অপরাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
হাদিস খুজে বার করা অত সোজা না বলেই তো ইসলামি পন্ডিতরা নিজেদের মত হাদিস বানিয়ে বানিয়ে বলে মানুষকে ধোকা দেয়
আর আপনি যদি এমন কোন হাদিস বার করেন যা পড়লে মনে হয় স্ববিরোধী তারা সাথে সাথে বলবে সেটা জইফ হাদিস অথবা আপনি তার অর্থ বুঝতে পারেন নি
এরা এতটাই ধান্ধাবাজ ও ধুরন্ধর
যাহোক উপরের হাদিস দুটি পাওয়া গেছে
ইসলামি বইএর একটা সাইট আছে এখানে -://../-/ এখানে গেলে সব রকম হাদিসের বাংলা সংকলন পাওয়া যাবে, তিরমিজি হাদিসের মোট ৪টি খন্ড আছে, আপনি ২য় খন্ডেই পেয়ে যাবেন
আর যদি কখনো কাল পাথর চুমাচাটি করে পাপ মোচন করতে মক্কাতে যান, দয়া করে এ পাপী বান্দার জন্যে একটু খাস দিলে দোয়া করবেন
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 26, 2012 7:43 অপরাহ্ন -
যাহোক উপরের হাদিস দুটি পাওয়া গেছে
ইসলামি বইএর একটা সাইট আছে এখানে -://../-/ এখানে গেলে সব রকম হাদিসের বাংলা সংকলন পাওয়া যাবে, তিরমিজি হাদিসের মোট ৪টি খন্ড আছে, আপনি ২য় খন্ডেই পেয়ে যাবেন
আর যদি কখনো কাল পাথর চুমাচাটি করে পাপ মোচন করতে মক্কাতে যান, দয়া করে এ পাপী বান্দার জন্যে একটু খাস দিলে দোয়া করবেন
হ্যা ভইজান,
হাদিছ টা ঠিকই ওখানে পেয়েছি
অনেক ধন্যবাদ
ওখানে এটাও উল্লেখ করা হয়েছে এটা আরো কয়েক যায়গায় বর্ণিত আছে এবং এটা একটা ছহীহ বা সঠিক হাদিছ
এটা আমি করে রাখছি কখনো কখনো আমার বিশেষ বিশেষ কাজে লাগতে পারে
আর আমাকে মক্কায় গিয়ে পাথর পূজা করে আপনার জন্য দোয়া করার দরকার হইবেনা ইনসা আল্লাহ
আপনি আমাদেরকে যে ভাবে নবীর কোরান হাদিছ শিক্ষা দিয়ে পূন্য অর্জন করতেছেন তার বদৌলতে মাশা আল্লাহ কেয়ামতের দিন বিদ্যুতের গতিতে পুলসিরাত পার হয়ে একেবারে জান্নাতুল ফেরদৌছে পৌছে যাবেন
তাতে সন্দেহ নাই
এতে মনে কোনই দুর্বলতা রাখার প্রয়োজন নাই
কারন আপনি তো আল্লাহর বান্দাদেরকে গভীর অন্ধকার হতে আলোকের দিকে লয়ে আসতেছেন
আর আল্লাহ পাকের ও সেইটাই কাম্য
কেহ মানুষের অজ্ঞানতা ও বর্বরতার দুর্বলতার সুযোগ গ্রহন করে কিছু আজগুবী, অবৈজ্ঞানিক, অযৌক্তিক,পরশ্পর সাংঘর্ষিক কল্পকাহিনী শুনিয়ে ধর্ম প্রবর্তকের দাবীদার হলেই অমনি হয়ে গেল নাকী?
আল্লাহ পাক তাহলে মানব মশ্তিস্ক টা কী জ্ন্য দিয়েছেন?
আল্লাহ পাক কী তাহলে মানব মস্তিস্কের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন নাকী?
বরং আল্লাহ পাক কেয়ামতের দিনে এই সব ধোকাবাজ দেরই দোজখের ভিতর ঢুকিয়ে দিয়ে ঢাকনা দিয়ে আটকিয়ে দিবেন
এরা তো আমাদের চোখের সামনেই এখনো অশংখ্য ধোকা দিচ্ছে
তার অজস্র প্রমান রয়েছে
আল্লাহ কখনো অবিচার করেন না,মনে রাখবেন
মনে কোনই দুর্বলতা আনার প্রয়োজন নাই
আল্লাহ পাক বরং আমাদেরই সহায় এবং পক্ষে
এটা এক রকম নিশ্চিত
আর হ্যাঁ, প্রায় ভূলেই গিয়েছিলাম
কাল পাথর বেহেস্ত থেকে পতিত হয়েছে
যখন প্রথম দুনিয়াতে এটা পতিত হয় তখন এর রং ছিল দুধের মত সাদা কিন্তু আদম সন্তানদের পাপ গ্রহণ করার ফলে এর রং কাল হয়ে গেছে"
তিরমিজি, হাদিস- ৮৭৭
পাথরটি বেহেশত হতে নীচে নামাবার সময় দুধের মত সাদা ছিল- এটাকী নবী নীজ চোখে দেখেছিলেন নাকী? নাকি জিব্রাঈলের দ্বারা কোরানের কোন আয়াৎ অবতীর্ন করে জানিয়ে দিয়েছিলেন? কোরানের এমন কোন আয়াৎ কী দেখাতে পারবেন? তাহলে দেখান?
নবী তো নিজেই কোরানে বলেছেন"তিনি আমাদের মতই একজন সাধারন মানুষ শুধু পর্থক্য এই যে তার উপর অহি অবতীর্ণ হয়
যদি তার উপর এ ব্যাপারটির কোন অহী অবতীর্ণ না হয়ে থাকে তা হলে তিনি আমাদের মত একজন সাধারণ মানুষ হয়ে কী করে এটা দেখতে পেলেন যে পাথর বেহেশত হতে ঠিক নামিয়ে দেওয়ার সময়ে এটা দুধের মত সাদা ধবধবে ছিল?
নবী যখন এটা জানেন তাহলে নবীর এটাও অবশ্যই জানা থাকার কথা এটা কত বৎসর আগে বেহশত হতে মক্কায় নামানো হয়েছিল
এ সময়টা তাহলে নবী কোথাও কেন উল্লেখ করলেননা? তিনি তো আর যেমন তেমন নবী নন,তিনি তো সর্বশ্রেষ্ঠ.সরবশেষ এবং বিশ্বনবী
তার প্রতিটা বাক্যই তো যূক্তিপূর্ণ ও পরিপূর্ণ হতে হবে
এটাও তাহলে একটু ব্যখ্যা করুন
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 24, 2012 6:57 অপরাহ্ন -
প্রীয় পাঠকেরা,
তার অর্থ এ কাল পাথর যেন তেন পাথর নয়, খোদ বেহেস্ত থেকে পথ ভুলে পৃথিবীতে টুপ করে এসে পড়েছে
আর এ পাথরের আছে পাপ মোচনে ক্ষমতা যা খোদ স্বয়ং নবীও মনে করতেন
তাহলে বিষয়টি দাড়াল, মোহাম্মদের আল্লাহ ছাড়াও একটা কাল পাথরেরও পাপ মোচনের ক্ষমতা বিদ্যমান
গত কাল এখানে নোয়খালীর কিছু পাকা ইমানদার হাজী সাহেবদের সংগে তাদের কালো পাথর ও কাবা ঘর সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা জানতে চাচ্ছিলাম
এদের একজন ইউনিভার্ছিটি হতে বিজ্ঞানে ডিগ্রী ধারী এবং ছউদী তে দীর্ঘ কাল বসবাস করার পর এখানে এসেছেন
তারা আমাকে অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে পাথর ও কবা ঘর সম্পর্কে নিম্নোক্ত বক্তব্য প্রদান করিলেন
"পাথর টার আকৃতি টা হাত দ্বারা দেখাইলেন
এটা গেলাব দিয়ে ঢেকে রাখা
শুধু মাত্র উপরের একটি অংস ফাকা রাখা হয়েছে যেখানে শুধু মাত্র হজের সময়েই নয়.বরং সারাটি বৎসর ই বিভিন্ন দেশের ইমান্দার বান্দা গন এসে এসে সারা জীবনের পাপ মোচনের জন্যে জিহ্বা লাগিয়ে লাগিয়ে চেটে চেটে ঐ জায়গাটিতে গর্তের সৃষ্টি করে ফেলেছে
আর এক কালের এই আল্লাহর কুদরতী দুধের মত সাদা পাথরটি একই সংগে পাথরে চোষন কারীদের পাপ ও নীজে গ্রহন করতে করতে কাল বর্ণের রুপ ধারন করেছে
এখানে বেশীর ভাগ ইমান্দার বান্দাগন আসেন সমান ভাবে আফ্রিকান পুরুষ ও মহিলারা
তাদের সংগে ভীড়ের মধ্যে সামনে এগুতে গায়ের জোরে অন্য সবাইরা হেরে যায়
আর কাবা ঘর তাওয়াফ বা প্রদক্ষিন ও শুধু হজের সময়ের জন্যই সীমাবদ্ধ নয়
পাপ মোচনের জন্যও এটা বৎসরের ৩৬৫ দিন ২৪ ঘন্টা ব্যাপী চলতেছে
আর সেখানে গেলে মনের যে কী একটা অভূতপূর্ব অবস্থা হয়,তা ভাষায় প্রকাশ করা যায়না
"(বক্তব্য শেষ)
এখানে আমার ব্যক্তিগত মতামত ধর্মের দিক দিয়ে এটা এক ধরনের আল্লাহর সংগে পাথরের শেরেকী বা অংশীদারত্ব করা হল, যা স্বয়ং আল্লাহই বহু যায়গায় কোরানে নিষেধ করেছেন
যেমনটা এখানেই খুব সুন্দর ভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে
যা আমী নীচে পুনরায় কপি করিলাম
এ ধরনের কাজ কাম বা প্রথা ধর্মীয় মূল নীতি কেও ভেঙ্গে চুরমার করে দেয় ও মূলনীতির একটির সংগে অপরটি মারাত্মক রকমের সাংঘর্ষিক হয়
আর তাছাড়া আর যেটা তাৎক্ষনিক মারাত্মক ব্যাপার হয়ে দাড়ায় তা হল একজনের জিহ্বিা দ্বারা চোষা বস্তু আর একজনে চুষিলে,এইডছ সহ বহু রকমের মারাত্মক মারাত্মক ভইরাল ব্যাধি সংক্রমন হইতে পারে
এটা যে কেহই জানে
তা হলে এর সংঘের সাক্ষাৎ সাংঘর্ষিক আয়াৎ গুলী দেখুন
বলে দিনঃ তোমরা কি আল্লাহ ব্যতীত এমন বস্তুর এবাদত কর যে, তোমাদের অপকার বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না? অথচ আল্লাহ সব শুনেন ও জানেন
সূরা মায়েদা-৫:৭৬
জিজ্ঞেস করুন নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলের পালনকর্তা কে? বলে দিনঃ আল্লাহ! বলুনঃ তবে কি তোমরা আল্লাহ ব্যতীত এমন অভিভাবক স্থির করেছ, যারা নিজেদের ভাল-মন্দের ও মালিক নয়? বলুনঃ অন্ধ চক্ষুষ্মান কি সমান হয়? অথবা কোথাও কি অন্ধকার ও আলো সমান হয়
তবে কি তারা আল্লাহর জন্য এমন অংশীদার স্থির করেছে যে, তারা কিছু সৃষ্টি করেছে, যেমন সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ? অতঃপর তাদের সৃষ্টি এরূপ বিভ্রান্তি ঘটিয়েছে? বলুনঃ আল্লাহই প্রত্যেক বস্তুর স্রষ্টা এবং তিনি একক, পরাক্রমশালী
সুরা রাদ ১৩:১৬
তিনি বললেনঃ তোমরা কি আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর এবাদত কর, যা তোমাদের কোন উপকার ও করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না ? সুরা আম্বিয়া, ২১: ৬৬ (মক্কায় অবতীর্ণ)
তারা এবাদত করে আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর, যা তাদের উপকার করতে পারে না এবং ক্ষতিও করতে পারে না