content
stringlengths
0
129k
তিনি পরম দয়াময়
তাঁর সম্পর্কে যিনি অবগত, তাকে জিজ্ঞেস কর
সূরা- ফুরকান-২৫:৫৯(মক্কায় অবতীর্ণ)
আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি আরশে বিরাজমান হয়েছেন
তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক ও সুপারিশকারী নেই
এরপরও কি তোমরা বুঝবে না?সূরা-সাজদা, ৩২: ০৪ (মক্কায় অবতীর্ণ)
আপনারই উদৃতি উপরোক্ত আয়াত গুলিতে আল্লাহ নিজে বলতেছেন বিশ্ব ভ্রমান্ডকে তিনি ৬ দিনে সৃষ্টি করেছেন
খুব ভাল কথা
কোনই আপত্তি ছিলনা
কিন্তু সেই আল্লাহই আবার অন্য আয়াতে বলতেছেন তিনি বিশ্ব ভ্রমান্ড সর্বমোট ৮ দিনে সৃস্টি করিয়াছেন
আমার কথা বিশ্বাষ না হলে নিচের আয়াত তিনটির সৃষ্টির বছর সংখ্যা গুলী একত্রে যোগ করে দেখুন
২বছর+৪বছর+২ বছর=মোট ৮বছর হয় কিনা
আল্লাহ কি তাহলে কোরানে এক এক জায়গায় এক এক ধরনের কথা বলেছেন নাকি?
এটা কি করে সম্ভব হল?
মহান স্রষ্টার ভাস্য টা তো হতে হবে চিরন্তন চিরসত্য
এটাও একটু ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিন?
41: 9 ?
41: 10 () , , , ...
41: 12 () ...
এখানে ২+৪+২ বছর=৮ বছর হচ্ছে
ভবঘুরে আগস্ট 21, 2012 12:04 পূর্বাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
ভাইজান আপনার কোরান ও হাদিস পাঠ ও তা থেকে নিত্য নতুন তথ্য ও জ্ঞান আহরনের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়
তারপরেও আপনার কষ্ট লাঘবের জন্য নিচের নিবন্ধগুলি পড়তে পারেন যা আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেবে বলে আশা করি-
বিজ্ঞানময় আসমানী কিতাব কোরান, পর্ব-১
বিজ্ঞানময় আসমানী কিতাব কোরান, পর্ব-২
বিজ্ঞানময় আসমানী কিতাব কোরান, পর্ব -৩
কোরানের 'মিরাকল ১৯'-এর উনিশ-বিশ!
কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১
কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? -২
অনন্যা আগস্ট 20, 2012 2:27 অপরাহ্ন -
বরাবরের মতো, এক বসাতে পড়ে ফেললাম
আপনার অন্যান্য লেখাগুলোও আমি পড়েছি
আমার মধ্যে যে কি পরিবর্তন এনেছে আপনার লেখাগুলো, তা ভাষায় বোঝাতে পারবো না
শুধু বলবো ইসলামের ভূত আমার ঘাড় থেকে নেমে যাওয়ায় মাথা এখন অনেক নির্ভার লাগে
আজ ঈদের দিনেও দেখছেন না কেমন মুক্তমনায় পড়ে আছি
আগস্ট 20, 2012 7:23 অপরাহ্ন -
ভাইজান লেখাটা কষ্ট করে আর ১ বার পরেন, আরও ভাল বুঝতে পারবেন
কথায় আছে নানা মনির নানা মত ,যত মত তত পথ
তাই ভাল মত মন্তব্য গুলা পড়ুন
ভবঘুরে আগস্ট 20, 2012 9:28 অপরাহ্ন -
আমি গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে দেখেছি আমাদের সহ অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো যে অর্থনৈতিক ও অন্য সব দিক দিয়ে অমুসলিম দেশ গুলোর থেকে শত শত বছর পিছনে পড়ে আছে তার প্রধান কারন এই ইসলাম
উদাহরনস্বরূপ বলা যেতে পারে যে দেশের জন বিস্ফোরন সমস্যা
এর থামানোর একমাত্র উপায় হলো এক সন্তান আইন করা
কিন্তু একমাত্র ইসলামের কারনেই সেটা সম্ভব নয়
শুধুমাত্র গণসচেনতা সৃষ্টির মাধ্যমেও এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়
বিস্ময়করভাবে দেশের বহু শিক্ষিত মানুষও শুধুমাত্র ধর্মীয় কারনে এটাকে সমস্যা হিসাবে না দেখে উপায় বাতলায় এত বিপুল জনসংখ্যা নাকি আমাদের দেশের সম্পদ
এ বিপুল জনসংখ্যাকে নাকি শিক্ষার মাধ্যমে সম্পদে পরিণত করলে দেশ নাকি সব দেশকে ছাড়িয়ে যাবে উন্নতিতে
তাই মনের ক্ষেদে বেছে নিয়েছি এ পথ
যদি এর মাধ্যমে দুই একজনের মধ্যেও ধর্ম নামক এ অপসংস্কার ও অন্ধত্ব দুর করতে পারি
আপনার উপকার হয়েছে জেনে নিজেকে ধন্য মনে হলো
ধন্যবাদ আপনাকে
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 21, 2012 4:19 পূর্বাহ্ন -
আমি গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে দেখেছি আমাদের সহ অন্যান্য মুসলিম দেশগুলো যে অর্থনৈতিক ও অন্য সব দিক দিয়ে অমুসলিম দেশ গুলোর থেকে শত শত বছর পিছনে পড়ে আছে তার প্রধান কারন এই ইসলাম
উদাহরনস্বরূপ বলা যেতে পারে যে দেশের জন বিস্ফোরন সমস্যা
এর থামানোর একমাত্র উপায় হলো এক সন্তান আইন করা
একমাত্র ইসলামের কারনেই সেটা সম্ভব নয়
একেবারে ঠিক কথাটি বলেছেন,ভাইজান
আপনার সংগে আমি সম্পূর্ণএকমত
আমি বাংলা দেশে থাকাকালীন কোন একটি মারাত্মক বন্যা পীড়ীত অত্যন্ত দরিদ্র এলাকায় দরিদ্র বন্যার্তদের ত্রাণ কাজের সুযোগে স্থানীয় মারাত্মক দরিদ্র ও দুর্গত দের সংস্পর্ষে আসবার সুযোগ হয়েছিল
একটি পরিবারে গিয়ে তাদের ৯টি সন্তান পাইলাম
তাদের মুলতঃ ১টি সন্তানের ও ভরন পোষনের ক্ষমতা নাই
সেখানে তাদের ছোট ছোট ৯টি সন্তান
আমি তাদের জিজ্ঞাসা করিলাম, এত সন্তান আপনারা লইয়াছেন এটাই তো অসুবিধার কারণ
লোকটি আমাকে বিতর্কে হারিয়ে দিল
কী বল্ল জানেন?
"এগুলী আল্লাহর দান
আল্লাহই এদের পাঠিয়েছেন,এবং আল্লাহই এদের রুজী ধার্য করিয়া পাঠাইয়াছেন
যদি এটা আল্লাহর কাজ না হইতো তাহলে আমার পড়সী সদরুদ্দীন (নামটা আমার এখন কল্পিত) এর তো একটি বাচ্চাও হয়না
কোন ডাক্তাররাও এযাবত তার জন্য একটি বাচচার ও ব্যবস্থা করতে পারে নাই
কই মানুষে পারলে বাচ্চার ব্যবস্থা করুকনা? কাজেই এসবই তো আল্লাহর হাতে
এব্যাপারে আমাদের মনে কোনই দুশ্চিন্তা বা দুর্লবলতা আনা আল্লাহর ইচ্ছার বিরোধী কাজ কাম
এটা হতে আমাদের অবশই বিরত থাকতে হবে
ভাইজান, আমি তার কাছে হেরে গেলাম
এই অবস্থাটা বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই
আর সেখানে উন্নত দেশের জনসংখ্যা কোন কোন দেশে কমতেছে
আমাদের দেশের কী আর কোন উপায় আছে?
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 20, 2012 5:54 পূর্বাহ্ন -
আয়শা বর্ণিত- আল্লাহর নবী বলেছেন- যারা প্রানীর ছবি আকে তাদের শেষ বিচারের দিন আল্লাহ বলবেন- যে সব প্রানীর ছবি আকতে তাদেরকে জীবন দান কর
যে ঘরে কোন প্রানীর ছবি থাকে সে ঘরে ফেরেস্তারা প্রবেশ করে না
সহি বুখারি, বই-৩৪, হাদিস-৩১৮
হাদিছটির আকৃতি দেখতে খুব ছোট ও সরল মনে হলেও এর বাস্তব ফলাফল জাতির উপর ভয়াবহ
ফটো বা ছবি ছাড়া জীবন অচল
পাছপোর্টে, ফটো আইডিতে,জীব বিজ্ঞান, চিকিৎসা বিজ্ঞানও ইত্যাদির জন্য ফটো তোলা অপরিহার্য
ব্যাংকে টাকা তুলতে গেলে,কোন সরকারী অফিসে বিশেষ কোন কাজে গেলে,রাস্তায় চলাচল করতে পুলিসের কোন প্রশ্নের সম্মুখীন হলে ফটো আইডি সংগে সংগেই দেখাতে হয়
নিজের ফটো আইডি সংগে না রাখলে অথবা না দেখাতে পারাটা অপরাধ
তখন পুলিস ইচ্ছা করলে তাকে আটকিয়ে রেখে তদন্ত করতে পারে
চোর ডাকাত দের কেও পুলিসের আটকিয়ে তাদের শাশ্তির বিধান করে সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গেলেও ফটো আইডি অপরিহার্য
এক কথায় ফটো নিষিদ্ধ করার অর্থ দাড়ায় জ্ঞ্যান বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রাকে নস্যাৎ করে দিয়ে ও সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা ও প্রশাসন ব্যবস্থাকে বিকল করে দিয়ে এক আদিম বর্বর বন্য জগতে প্রবেশ করা
তাহলে আমাদের মহানবী কি তার উম্মত কে এক আদিম বর্বর বন্য জগতে প্রবেশ করাইতে চান? এটাতো আমাদের জন্য একটা মারাত্মক বিপজ্জনক ব্যাপার
আপনার উদৃতিটা সঠিক আছে কিনা আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য "বোখরীর" লিংকএ গিয়ে একটু তদন্ত করে দেখলাম
দেখতে পেলাম সেখানে ঠিকই নবিজীর হাদিছটি বিদ্যমান রহিয়াছে
তাহলে এখন আমাদের পরিত্রাণের উপায় কী?
মুসলমানেরা কি আজ জ্ঞ্যান বিজ্ঞানে সবার পিছনে এই কারনে?
তাহলে এবার আপনি কিছু এর ব্যাখ্যা দিন?
ভবঘুরে আগস্ট 20, 2012 12:14 অপরাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
আপনার উদৃতিটা সঠিক আছে কিনা আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য "বোখরীর" লিংকএ গিয়ে একটু তদন্ত করে দেখলাম
দেখতে পেলাম সেখানে ঠিকই নবিজীর হাদিছটি বিদ্যমান রহিয়াছে
তাহলে এখন আমাদের পরিত্রাণের উপায় কী?