content
stringlengths
0
129k
মুসলমানেরা কি আজ জ্ঞ্যান বিজ্ঞানে সবার পিছনে এই কারনে?
তাহলে এবার আপনি কিছু এর ব্যাখ্যা দিন?
আমার কি এত দু:সাহস আছে যে নিজে বানিয়ে বানিয়ে হাদিস লিখব ? কি যে বলেন
যথাযথ হাদিস উল্লেখ করার পরেও তো দেখি অনেকসময় মানুষ সেগুলো বিশ্বাস করে না, বলে এসব নাকি ভূয়া হাদিস
তা না হলেও বলে আমরা নাকি হাদিসের ভুল ব্যখ্যা করছি যদিও সঠিক ব্যখ্যা কি তাও তারা বলে না
আর এখন তো অনেক লোক আছে যারা হাদিসই বিশ্বাস করে না
আপনি যদি মোহাম্মদকে আল্লাহর নবী ও ইসলামকে আল্লাহর সত্য ধর্ম হিসাবে বিশ্বাস করেন, তাহলে পরিত্রাণের কোন উপায় আছে বলে তো দেখি না, ভাইজান
এখনো বুঝতে পারেন কি মুসলমানেরা জ্ঞানে বিজ্ঞানে কেন পিছিয়ে আছে? মুসলমানদের মধ্যে যারা মেধাবী তাদের একটা বিরাট অংশই যদি বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানাগারে বিজ্ঞান চর্চা না করে কোরানের মধ্যে বিজ্ঞান খুজে মরে, আর বিজ্ঞান ও বিজ্ঞান গবেষণা বাদ দিয়ে কোরানিক বিজ্ঞান প্রচারে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে, তাহলে তাদের কি ভিন্ন কোন অবস্থা...
আস্তরিন আগস্ট 19, 2012 9:24 অপরাহ্ন -
একদম পয়সা হুসুল, অ..............................নেক ধন্যবাদ
বস্তাপচা আগস্ট 19, 2012 9:22 অপরাহ্ন -
ত্রিত্ব () নিয়ে দারুণ লিখেছেন! সহজ এবং প্রাঞ্জল
' . খ্রীষ্টান ধর্ম নিয়ে আপনার লেখা পড়ার ইচ্ছে থাকল
ভবঘুরে আগস্ট 20, 2012 12:47 পূর্বাহ্ন -
@বস্তাপচা,
ত্রিত্ব () নিয়ে দারুণ লিখেছেন! সহজ এবং প্রাঞ্জল
' . খ্রীষ্টান ধর্ম নিয়ে আপনার লেখা পড়ার ইচ্ছে থাকল
ত্রিত্ববাদ নিয়ে আমারও আগে তিনটা ঈশ্বরের ধারনা ছিল ও প্রশ্ন ছিল একই সাথে ঈশ্বর ও ঈশ্বরের পূত্র এক হয় কিভাবে? পরে একটু পড়া শুনা শুরু করলাম আর দেখলাম বিষয়টা মোটেও সেরকম নয় যেটা ইসলামি পন্ডিতরা প্রচার করে
এ দিক দিয়ে দেখা যায় খৃষ্টান ধর্মের সাথে হিন্দু ধর্মের অনেক মিল আছে
বস্তাপচা আগস্ট 19, 2012 7:44 অপরাহ্ন -
কারণ তখন ধারণা ছিল পৃথিবী একটি সমতল ভূমি, তাই সূর্যই পূর্ব দিকে উদিত হয়ে সারা দিন কিরণ দিয়ে অস্ত যায় ও রাতের বেলা বিশ্রাম নেয়
এটি তখনকার সব ধর্মেরই, বিশেষ করে খ্রীষ্টান ধর্মেরও ব্ক্তব্য ছিল
হিন্দু ধর্মের বক্তব্যও প্রায় একই রকম
এটি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা
ময় (তিনি অসুর ছিলেন) তাঁর সূর্যসিন্ধান্ত গ্রন্থে প্রশ্ন তুলেছিলেন, "শূণ্যে ঘূর্ণ্যমান পৃথিবী গোলকের কোনটাই বা ঊর্দ্ধ কোনটাই বা অধঃ? "সর্বত্রৈব মহী-গোল স্বস্থানমুপ পরিস্থিতম্‌ মন্যন্তে খে যতো গোল স্তস্য ক্কোর্দ্ধং ক্কবাপ্যধঃ" -মহাশূণ্যে ভাসমান যে পৃথিবী গোলক তার কোন পৃষ্ঠই বা ঊপরে আর কোন পৃষ্ঠই বা নীচে আর কোথায় দাঁড়...
(অনুবাদ : বস্তাপচা) কয়েক হাজার বছর আগেই ভারতীয়রা ভাল ভাবেই জানতেন পৃথিবী পৃষ্ঠ সমতল নয় তার বহু লিখিত প্রমাণ আছে
বাহুল্য বোধে সেই প্রমাণ উল্লেখ করলাম না
কিছু ইসলামী ধারণার বশবর্তী হয়ে ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে লেখা কিছু বেয়াক্কেলে পুরাণ দেখে হিন্দু ধর্মকে আদৌ বোঝা সম্ভব নয়
কিছু বছর আগে পঞ্চাশ পেরোনোর পর কৌতুহল হওয়ায় আমি জানার জন্য তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব আর ভারতীয় ষড়দর্শন নিয়ে কিছুকাল পড়াশোনা করেছিলাম
কিছু বুঝেছিলাম, কিছু বুঝি নি তবে শুধু এটুকু বুঝেছি ভারতীয় ষড়দর্শনে ঈশ্বরের কোন অস্তিত্ব নেই, স্বর্গ নরক বলে কিছুই নেই
এমন কি মূর্তীপূজাও নেই
আমি মূল বইগুলোর কথাই বলেছি, কোন ভাষ্যকারের কথা বলছি না
হিন্দু ধর্ম দর্শন মূলক
হিন্দু ধর্মের মূল কথা হল তাদের ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় প্রয়োজন অনুসারে বহু রূপে আত্মপ্রকাশ করে
যে মানুষ তাকে যে ভাবে ডাকে ঈশ্বর ঠিক সেভাবেই তার কাছে ধরা দেন, যদি কোন সত্যিকার ঈশ্বর থেকে থাকে
হওয়ার কথাও তো তাই
কেউ ঈশ্বরকে বন্ধু ভাবে চাইতে পারে, কেউ সন্তান হিসাবে, কেউ বা স্বামী হিসাবে
ঈশ্বরের যদি এভাবে তার ভক্তের ইচ্ছা পূরণের ক্ষমতা না থাকে তাহলে সে কিসের ঈশ্বর?
একদম সঠিক লিখেছেন
@হৃদয়াকাশ,
আপনি ভাল যুক্তি দিয়েছেন (আগস্ট ১৯,২০১২ ৪:২০ অপরাহ্ণ)
আমার উদ্দেশ্য ছিল ভবঘুরের লেখায় যেন কোন বানান বা ব্যাকরণগত ভুল না থাকে কারণ এই নিবন্ধগুলো মানুষ কয়েক প্রজন্ম ধরে পড়বে
তবে এটা ঘটনা যে ভবঘুরে যে কাজ করছেন বানান বা ব্যাকরণগত ভুল ঠিক করা ওনার পক্ষে অসম্ভব
ওই কাজটি যদি আমরা ক'য়েক জন স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে করে দি তা হলে কেমন হয়? আমি সপ্তদশ পর্ব পর্যন্ত বেশ কিছু কাজ করে ফেলেছি, মায় মন্তব্যগুলোরও
জানাই ধর্ম নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই
ঈশ্বরের কোন অস্তিত্বেই কোন বিশ্বাস আমার ছোটবেলা থেকেই নেই
বেশ কিছু দিন ধরেই মুক্তমনায় আসি কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে
মাঝেমাঝে ওই তথ্যগুলো কিছু লোকের বেজায় কাজে লাগে
তারা ওই তর্কগুলো বেশ জাঁকিয়ে করেন
ওনাদের প্রবন্ধগুলো বানান ইত্যাদি সংশোধন করে ছাপিয়ে দিতে হয়
বুঝতেই পারছেন ভবঘুরের নিশ্ছিদ্র যুক্তির সামনে গোঁড়া মুসলমানরা কত খানি অসহায়
লেজ গুটিয়ে পালানোর আগে তারা কিছু চিমটি মারা কথা ছাড়া আর কিছু বলতেই পারে না
সপ্তদশ পর্বে এই ধরণের একটি 'যন্ত্র' দেখেছি, কিন্তু কোন উত্তর দেওয়া প্রয়োজন মনে করিনি কারণ সময়ের অপচয়
সুস্থ থাকুন
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 19, 2012 6:23 অপরাহ্ন -
নিশ্চয়ই আমি আপনাকে বার বার আকাশের দিকে তাকাতে দেখি
অতএব, অবশ্যই আমি আপনাকে সে কেবলার দিকেই ঘুরিয়ে দেব যাকে আপনি পছন্দ করেন
এখন আপনি মসজিদুল-হারামের দিকে মুখ করুন এবং তোমরা যেখানেই থাক, সেদিকে মুখ কর
যারা আহলে-কিতাব, তারা অবশ্যই জানে যে, এটাই ঠিক পালনকর্তার পক্ষ থেকে
আল্লাহ বেখবর নন, সে সমস্ত কর্ম সম্পর্কে যা তারা করে
সুরা বাক্কারা, ২: ১৪৪
আল্লাহ কী নবীজীকে বার বার উপরের দিকে তাকাতে দেখে খুব বেশী রকম ব্যথিত হয়ে পড়েছিলেন নাকি? হায় হয় এত মারাত্ম সর্বনেষে ব্যাপার
وَامْرَأَةً مُّؤْمِنَةً إِن وَهَبَتْ نَفْسَهَا لِلنَّبِيِّ إِنْ أَرَادَ النَّبِيُّ أَن يَسْتَنكِحَهَا خَالِصَةً لَّكَ مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ قَدْ عَلِمْنَا مَا فَرَضْنَا عَلَيْهِمْ فِي أَزْوَاجِهِمْ وَمَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ لِكَيْلَا يَكُونَ عَلَيْكَ حَرَجٌ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا
কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল
এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়
আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে
মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে
আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু
এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়
আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে
এখানেও তো দেখা যাচ্ছে , আল্লাহ নবিজীর বিশেষ অসুবিধার জন্য সংগে সংগে আয়াৎ নাজিল করতে এতটুকু ও দেরী করেন নাই
বিশ্ব ধর্ম প্রচরণার লক্ষে নবিজীর এমন কী সমস্যা এসে গিয়েছিল, যার জন্য আললাহ কে সংগে সংগে আয়াৎটা নাজিল করে সেই অসুবিধা দূর করতে হল?
অসুবিধার কথা টা একটু ব্যাখ্যা করবেন কি?
আর যেদিন নবিজী তার পালিত পুত্র যায়েদের তালাকের পর তারস্ত্রী যয়নবকে কে নববধু করে ঘরে তুলেছিলেন
সে রাত্রে বিবাহ অনুস্ঠান শেষে ছাহাবাগন নবীর ঘরে একটু খাওয়া দাওয়ার পর একটু বেশী সময় কাটাচ্ছিলেন
তখনো তো আল্লাহ নবীর ব্যক্তি গত অসুবিধা দুর করার লক্ষে, "আল্লাহ ছাহাবা দের সেখান থেকে অতি শীঘ্রই চলে যাওয়ার নির্দেশ দিতে এতটুকুও দেরী করেন নাই
(আমি দুখিত সেই আয়াৎটির উদ্ধৃতি এই মুহূর্তে দিতে পারতেছিনা)
আর আজ সেই নবীর উম্মতরা যে সারা বিশ্বে মার খাচ্ছে, নিজেরা হানাহানি করে মরছে এমনকি পবিত্রতম স্থান মছজিদ ও তীর্থ স্থান ও রক্ষা পাচ্ছেনা
আল্লাহ কে তো এর জন্য এতটুকু ও উদ্বিগ্ন মনে হয়না
এগুলীর কী কারণ একটু ব্যাখ্যা করবেন কী? আল্লাহ কি তাহলে শুধু নবিজীর ব্যক্তিগত পারিবারিক সমস্যা জন্যই আয়াৎ অবতীর্ণ করতেন
আল্লাহ কি শুধু নবিজীর ব্যক্তি গত সমস্যায় ব্যথিত ছিলেন? মুসলমানদের জন্য বা মানব জাতির জন্য কি আল্লাহ মোটেই ব্যথিত নন?
একটু ব্যাখ্যা করুন তাহলে?
পাঠকদের জন্য,
ঈদ মোবারক, আজ আমরা এখানে ঈদ পালন করছি
এক্ষনি নিকটে একটা মছজিদে ঈদের জন্য বের হয়ে যাচ্ছি
সবাইকে ঈদ মোবারক
ভবঘুরে আগস্ট 20, 2012 12:51 পূর্বাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
এগুলীর কী কারণ একটু ব্যাখ্যা করবেন কী? আল্লাহ কি তাহলে শুধু নবিজীর ব্যক্তিগত পারিবারিক সমস্যা জন্যই আয়াৎ অবতীর্ণ করতেন
আল্লাহ কি শুধু নবিজীর ব্যক্তি গত সমস্যায় ব্যথিত ছিলেন? মুসলমানদের জন্য বা মানব জাতির জন্য কি আল্লাহ মোটেই ব্যথিত নন?
আপনি যথার্থই ধরেছেন, কোরানের একটা উল্লেখযোগ্য অংশই শুধুমাত্র মোহাম্মদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে নাজিল হয়েছে
আর এটাই কোরান যে আল্লাহর কাছ থেকে নাজিল হয় নি তার একটা বড় কারন
কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল
এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়
আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে
মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে
আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু
এ আয়াতটা তো ইসলামের জন্য রীতিমতো আত্মঘাতী
এটা কিভাবে হতে পারে যে , আল্লাহ তার নবীকে যত ইচ্ছা খুশী বিয়ে করার লাইসেন্স দেবে ? মোহাম্মদ কি শুধুমাত্র বিয়ে করার জন্য নবী হিসাবে আগমন করেছিল? এ ধরনের আয়াত তো মোহাম্মদকে একটা নারী লোভী যৌনকাতর মানুষ হিসাবেই প্রতিষ্ঠিত করে
তাই নয় কি ?