content stringlengths 0 129k |
|---|
আগস্ট 19, 2012 5:09 অপরাহ্ন - |
পৃথিবীকে সমতল ভূমি (কোরান বস্তুত সেটাই ধরেছে) ধরলে আল্লাহর আরশের অবস্থান সম্পর্কে একটা আন্দাজ করা যেতে পারে |
সমতল ভূমির ওপরের পৃষ্ঠে আমাদের অবস্থান , ঠিক এর উল্টো পাশেই হলো আল্লার আরশ কারন আমরা তো দেখি সূর্য অস্ত যাওয়ার পর সমতল পৃথিবীর উল্টো পাশেই চলে যায় |
যদি সূর্য পৃথিবীর উল্টো পিঠে গমন ক'রে সেখানে আল্লাহর আরশের সাক্ষাত পায় তাহলে অবশ্যই সেখানেই আল্লাহর আরশ থাকবে এটা সুনিশ্চিত |
তবে সেখানে পৌছানোটা আমাদের জন্য কঠিন হবে কারন পৃথিবীর উল্টো পিঠে গেলেই তো আমরা টুপ করে পড়ে যাব |
নিচের আয়াত ২ টা দিতে পারলে ভাল হত |
১৮) সূরা কাহফ ( মক্কায় অবতীর্ণ ) |
حَتَّى إِذَا بَلَغَ مَغْرِبَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَغْرُبُ فِي عَيْنٍ حَمِئَةٍ وَوَجَدَ عِندَهَا قَوْمًا قُلْنَا يَا ذَا الْقَرْنَيْنِ إِمَّا أَن تُعَذِّبَ وَإِمَّا أَن تَتَّخِذَ فِيهِمْ حُسْنًا |
অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন |
আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন |
حَتَّى إِذَا بَلَغَ مَطْلِعَ الشَّمْسِ وَجَدَهَا تَطْلُعُ عَلَى قَوْمٍ لَّمْ نَجْعَل لَّهُم مِّن دُونِهَا سِتْرًا |
অবশেষে তিনি যখন সূর্যের উদয়াচলে পৌছলেন, তখন তিনি তাকে এমন এক সম্প্রদায়ের উপর উদয় হতে দেখলেন, যাদের জন্যে সূর্যতাপ থেকে আত্নরক্ষার কোন আড়াল আমি সৃষ্টি করিনি |
কাবা ঘরের দিকে কেন নামাজ পড়তে হবে? কাবার মধ্যে কি আল্লাহ বাস করে ? না সেখানে আল্লাহ বাস করে না |
আবার কোরান এ কথাও বলে না যে আল্লাহর সর্বত্র বিরাজমান |
হিন্দু আর খ্রিস্টান ধর্মে লেখা আছে,আল্লাহ সর্বদা বিরাজ মান |
তারা যে মূর্তি পুজা করে, তাদের যুক্তি অনুযায়ী তাদের টা ঠিক |
আগস্ট 19, 2012 3:29 অপরাহ্ন - |
যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল |
সূরা নিসা, ০৪: ৮০ |
বিষয়টাকে একটা সমীকরণের সাহায্যেও প্রমান করা যেতে পারে, উপরোক্ত ০৪: ৮৯ আয়াত মতে, |
মোহাম্মদের হুকুম = আল্লাহর হুকুম বা, মোহাম্মদ + হুকুম = আল্লাহ + হুকুম |
উভয় পক্ষ থেকে হুকুম শব্দটা বাদ দিলে সমীকরণ টি দাড়ায় এরকম- মোহাম্মদ= আল্লাহ ( প্রমানিত) |
() () () |
ভবঘুরে আগস্ট 19, 2012 5:25 অপরাহ্ন - |
ইসলামি পন্ডিতরা কোরানের মধ্যে এত বিজ্ঞান আবিষ্কার করছে আমি না হয় সামান্য একটু গনিত আবিষ্কার করলাম, কি বলেন ? |
বস্তাপচা আগস্ট 19, 2012 10:07 পূর্বাহ্ন - |
মোহাম্মদ ও ইসলাম পর্বগুলি আমাদের সম্পদ |
নিবন্ধে প্রচুর বানান ভুল, বাক্য বিন্যাসে অসঙ্গতি, ব্যাকরণ দুষ্ট শব্দ চোখে পড়ে |
তার কিছু তুলে ধরলাম |
এ, তা, যা, না ইত্যাদি পৃথক শব্দ |
সুতরাং 'ছাড়া' বা 'হলে'র সঙ্গে তাদের জুড়ে দেওয়া অনুচিত |
দেখুন 'তাছাড়া' লেখা লিখলে আপনি 'মাছাড়া শিশুর চলে না' লিখতে চাইবেন নাকি? |
'না' একটি পৃথক শব্দ |
আলাদা করে লেখা সঙ্গত |
যেমন 'করেনা' না লিখে 'করে না' লিখুন |
কিন্তু 'নি' কোন পৃথক শব্দ নয়, একান্তভাবেই পরাশ্রিত |
এই কারণেই 'নি'কে তার পূর্ববর্তী শব্দের সঙ্গে জুড়ে দেবেন |
যেমন ''করেনি' |
'সাথে' শব্দটি কাব্যিক, ব্যবহার কাব্যে |
গদ্যে ব্যবহার করুন 'সঙ্গে' |
'বলাই বাহুল্য' লেখা অনুচিত কারণ বাহুল্য হলে সেটা লিখছেন কেন? |
'আজো' 'আরো' না লিখে লিখুন 'আজও' 'আরও |
সাংঘর্ষিক না লিখে লিখুন 'বিরোধী' বা 'পরস্পর বিরোধী' |
পরে আরও লিখব |
হৃদয়াকাশ আগস্ট 19, 2012 4:20 অপরাহ্ন - |
@বস্তাপচা, |
আমি বাংলা সাহিত্যের একজন ছাত্র |
সেই হিসেবে আমিও নিয়মগুলো জানি |
কিন্তু গদ্য লেখার ক্ষেত্রে আল্টিমেট কথা হচ্ছে, আপনি যা লিখছেন, তা অন্যে বুঝতে পারছে কি না ? যদি আপনি অন্যকে বোঝতে সক্ষম হন, তাহলে আপনি যেভাবেই লিখুন না কেনো, আপনার লেখায় ব্যকরণগত ভুল থাকলেও তা গ্রহনযোগ্য |
কারণ, ভাষামাত্রই খামখেয়ালিতে ভরপুর |
বাংলা ভাষায় এখনও এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো ব্যাকরণগত দিক থেকে ভুল |
কিন্তু এত বেশি প্রচলিত যে সেগুলো ব্যবহার করতেই হয় |
কারণ, আপনি যদি সঠিকটা ব্যবহার করনে তাহলে অন্যে আপনাকে ভুল মনে করতে পারে |
এ ছাড়াও আপনাকে বলা হবে এই নিয়ম, ওই নিয়ম; অতঃপর যতগুলো নিয়ম আপনি শিখলেন, শেষে গিয়ে দেখবেন ঠিক প্রায় ততগুলো ব্যতিক্রম আপনার জন্য অপেক্ষা করছে |
তাই এগুলো নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাবার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না |
তবে এটা ঠিক ভবঘুরে এর লেখা বিষয় অন্যদের বোঝানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু দুর্বল দিক এখনও রয়ে গেছে; আবার তার সম্পর্কে এটাও ঠিক যে, তার জ্ঞানের গভীরতা দিয়ে তিনি তার সেই দুর্বলতাকে প্রায় সম্পূর্ণই কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন |
ভবঘুরে আগস্ট 19, 2012 5:19 অপরাহ্ন - |
@হৃদয়াকাশ, |
ভাইজান , আপনি যথার্থ বলেছেন |
কিন্তু আমি সাহিত্যিক নই |
আমি মূলত: গবেষণা করি , সত্য জানার চেষ্টা করি |
যা আবিষ্কার করি তাই লিখে যাই যতদুর সম্ভব শুদ্ধ করে |
বানানের দিকে তাই অত নজর দিতে পারি না |
ভাই জান, ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টি দিয়ে দেখবেন বিষয়টাকে আশা করি |
ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য |
অচেনা আগস্ট 19, 2012 4:32 পূর্বাহ্ন - |
ক্রুশ বিদ্ধ অবস্থায় সে অশেষ যন্ত্রনা ভোগ করে মারা যাওয়ার অভিনয় করেছিল |
ভবঘুরে ভাই, ভুল বুঝলাম কি আমি? আসলেতো খ্রিষ্টানরা বলে যে যীশুর ২তা সত্বা আছে |
একটা মানব সত্ত্বা, আরেকটা ঈশ্বর সত্ত্বা |
দুটিই একে অপরের থেকে অবিচ্ছেদ্য |
কিন্তু ২টি এ ১০০% |
মানে যিশু ১০০& ঈশ্বর আর ১০০% মানুষ |
আর যীশুর ঈশ্বর সত্ত্বা না বরং মানব সত্ত্বা ক্রুশে কষ্ট পেয়েছেন, আর সেটা ছিল মানুষের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য সত্যিকার কষ্ট, অভিনয় না! |
সত্য অনুসন্ধানি আগস্ট 24, 2012 12:51 অপরাহ্ন - |
ধর্মগ্রন্থ সমুহের গল্পগুলির বিষয়ে প্রশ্ন করলেই সে সবের দুনিয়ার এজেণ্টদের ব্যাখ্যার অন্তত অভাব নেই |
যাহোক একটা গাঁজাখুরি জুড়ে দিলেই হল |
শেষ পর্যন্ত সে গ্রন্থে বিশ্বাসিকে তা মানতেই হবে আর না মানলে তুমি কাফের (অবিশ্বাসি) |
অতএব অবিশ্বাসি (কাফের) তকমা নিজের নাম থেকে ঊঠাতেই আমাকে বাধ্য হয়েই এই গাঁজার বয়ান মেনে নিয়ে ধার্মিক সেজে থাকতে হয় |
এই জ্বালা কেমনে জুড়াই ভাই............. |
অচেনা সেপ্টেম্বর 9, 2012 8:55 অপরাহ্ন - |
@সত্য অনুসন্ধানি, সেটা ঠিক আছে ভাই, কিন্তু আমার প্রশ্নটা ছিল যীশু ক্রুশ বিদ্ধ হয়ে যন্ত্রণা পেয়েছেন কি পান নি |
রোমান ক্যাথলিক সহ মূলধারার খ্রিষ্টান রা বিশ্বাস করে যে যীশুর মানব সত্বা ক্রুশবিদ্ধ হয়ে যন্ত্রণা ভোগ করেছেন |
এখানে কথাটা বলেছি আমি খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে, সেটা গাঁজার বয়ান ,অথবা সত্য কি মিথ্যা সেটা নিয়ে নয় |
হৃদয়াকাশ আগস্ট 19, 2012 2:33 পূর্বাহ্ন - |
হিন্দুদের যে শত কোটি দেব দেবী আছে এগুলো সেই এক ঈশ্বরের বহুরূপ ছাড়া আর কিছু নয় |
একবার এক লোক আমাকে বলেছিলো, হিন্দু ধর্ম হলো বাস্তবতার ধর্ম |
জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে থাকলে সে বলতে থাকলো, 'হিন্দুরা যে বহু দেবদেবীর পূজা করে এটা বাস্তবতার দিক থেকে এটা একদম ঠিক |
জিজ্ঞেস কললাম, কিভাবে ? |
-'মানুষ হিসেবে আমাদেরকেও প্রতিনিয়ত বহু দেব-দেবীর পূজা করে তাদের সন্তুষ্ট করতে হয় |
' বললো সে |
সে আরও ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বলতে থাকলো, "এই ধরেন, অফিসের প্রত্যেকটি বড় কর্মকর্তা এক একজন একটি করে দেবতা |
তাদের প্রত্যেককে আলাদা করে সন্তুষ্ট রাখতে হয় |
তারপর ধরেন বাসার কথা, সেখানে বউ হচ্ছে একটা বড় দেবী |
তাকে সন্তুষ্ট করতে না পারলে অশান্তির শেষ নেই |
তারপর যদি ছোট ভাই থাকে, সেও একজন ছোট দেবতা |
তারও চাহিদা মিটিয়ে তাকে সন্তুষ্ট রাখতে হয় |
না হলে ঝামেলা |
ছোট বোন থাকলে সেও একজন ছোট দেবী |
তার সন্তুষ্টিও আপনাকে রক্ষা করতে হয় |
আর বাড়িতে যদি বাপ-মা থাকে তাহলে তো কথা ই নেই |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.