content stringlengths 0 129k |
|---|
উনারা সবচেয়ে বড় দেব দেবী |
তাহলে এখন আপনিই চিন্তা করেন, একজন মানুষ হিসেবে আপনাকে কতগুলো মানুষ তথা দেব-দেবীকে সন্তুষ্ট করতে হয় ? এই জন্যই বলেছি, হিন্দুধর্ম হলো বাস্তবতার ধর্ম |
এর বিপরীতে ইসলাম ধর্মের যে-এক আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার বিধান সেটা সম্পূর্ণ অবাস্তব |
কারণ শুধুমাত্র একজনকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে আপনি পৃথিবীতে কিছু করতে পারবেন না |
" এই বলে ভদ্রলোক তার বক্তব্য শেষ করেছিলেন |
ভবঘুরের এই লেখা পড়ে অনেক আগে শোনা সেই কখাগুলো আবার মনে পড়লো |
এবং অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম দুজনের চিন্তার মিল এবং গভীরতা সম্পর্কে |
ভবঘুরে আগস্ট 19, 2012 5:23 অপরাহ্ন - |
@হৃদয়াকাশ, |
বিষয়টা কি আসলে তাই নয় ? |
মুসলিম পন্ডিতরা অহরহ হিন্দুদের দেব দেবীর পূজাকে মূর্তি পূজা বলে উপহাস করে |
অথচ এর একজনও ভিতরে প্রবেশ করে না |
পক্ষান্তরে তারা নিজেরা যে স্রেফ একটা ঘর ও কাল পাথরের কাছে রাত দিন মাথা খুড়ে মরছে সেটা তারা বোঝে না |
অথবা বুঝেও চেপে যায় |
হিন্দুদের তো কমপক্ষে একটা যুক্তি আছে যে তারা উক্ত মূর্তির মধ্যে তাদের ঈশ্বর বা দেব দেবীর কল্পনা করে তার সামনে মাথা নত করে, কিন্তু মুসলমানদের কি যুক্তি আছে ? তারা তো স্রেফ একটা ঘর ও কাল পাথরের কাছে তথা শুধুমাত্র জড় পদার্থের কাছেই মাথা নত করে |
এটা কি হিন্দুদের চাইতে ঢের বেশী জড়পূজা নয় ? |
হৃদয়াকাশ আগস্ট 24, 2012 2:02 পূর্বাহ্ন - |
হিন্দুদের মূর্তি পূজা সম্পর্কে আমার কাছে আর একটি বলিষ্ঠ যুক্তি আছে |
কাউকে যদি বলা হয় আগুন আনতে, সে কিন্তু কাঠ বা কয়লা এই জাতীয় কোনো বস্তু ছাড়া শুধু আগুন আনতে পারবে না |
আগুন এক প্রকার শক্তি |
তাই এ শক্তিকে পেতে হলে কোনো না কোনো বস্তুকে অবলম্বন করতেই হবে |
সেই রূপ অলৌকিক কোনো শক্তি ( যদিও নাই, শুধু তর্কের খাতিরে বলা) কে পেতে হলে কোনো না কোনো বস্তুকে অবলম্বন করতেই হবে |
হিন্দুরা তাই করে |
মাটি বা পাথরের মূর্তি অর্থাত কোনো না কোনো বস্তুর মাধ্যমে তারা কোনো শক্তিকে পেতে চেষ্টা করে |
সেই তুলনায় মুসলমানদের প্রার্থনা তো হাওয়ায় মিলিয়ে যায় |
এগুলো বললাম, জাস্ট তর্কের খাতিরে |
এবার মূর্তি পূজার কিছু বাস্তব উপকারিতার কথা বলি |
হিন্দুরা মূর্তির মাধ্যমে যে অলৌকিক শক্তি ও কল্যান কামনা করে সেটা তো বাস্তবে সম্ভব না, কোনো ধর্মের লোকই তা পায় না, তাই হিন্দুরাও পায় না |
কিন্তু কেউ যখন জ্ঞান বা বিদ্যা বুদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে তখন কোয়ান্টাম মেথড বা সাইকোলোজির সূত্র অনুযায়ী অটোমেটিক্যালি তার মস্তিষ্ক্য তাকে সেই পথে চালিত করে যা তাকে জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করে |
প্রার্থনা বা বিশ্বাসের মাধ্যমে যে মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয় তার মূল সূত্র কিন্তু এখানেই |
এই সূত্র অনুযায়ীই কেউ যখন ধনের জন্য লক্ষ্মী দেবীর কাছে প্রার্থনা করে, তখন লক্ষ্মী দেবী তাকে ধন দিতে না পারলেও তার ব্রেইন তাকে সেই দিকে চালিত করে যাতে তার ধন প্রাপ্তি ঘটতে পারে |
হিন্দুদের সমস্ত দেব-দেবীর পূজার পেছনে এই রকম কোনো না কোনো একটা উদ্দেশ্য থাকে |
এই প্রাপ্তির অবশ্য সবকিছুই পরোক্ষ |
সবার ক্ষেত্রে যে এমন ঘটবে তা নয়, তবে কারো কারো ক্ষেত্রে তা ঘটতে পারে |
কিন্তু মূর্তি পূজার একটি প্রত্যক্ষ উপকারিতার কথা এবার আপনাকে বলি, হিন্দুরা যে প্রত্যেক বছর নতুন নতুন ধারণা ও থিম নিয়ে মূর্তিগুলো তৈরী করে এবং পূজার মন্ডপ সাজায় এতে করে তাদের সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটে দারুনভাবে |
যা তারা তাদের জীবনে অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারে |
আপনার কি মনে হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমনি এমনি রাতারাতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হয়ে উঠেছেন |
এর পেছনে আছে অনেক শত বছরের হিন্দু ঐতিহ্য-কৃষ্টি-কালচারের সারাংশ |
আমার তো মনে হয় আর ৫০ বা ১০০ বছর পর পৃথিবীতে বিনোদন কালচার বলতে একমাত্র ভারতীয় বিনোদন কালচারই বুঝাবে |
আর ভারতীয় বিনোদন কালচারের মূলে কিন্তু হিন্দু ঐতিহ্য |
সিনেমা বলেন, সাহিত্য বলেন, মিউজিক বলেন, নাচ বলেন- সব খানেই কিন্তু সৃজনশীলতা |
আর এই সৃজনশীলতার মূলে নীরবে কাজ করছে প্রতিমা গড়া, ভাঙ্গা; আর তাদের ঘিরে চলা নাচ-গান- উৎসব |
ধর্মীয় কারণে বৌদ্ধরা মার্শাল আর্ট শিখতে বাধ্য হয়েছিলো, এখন ও শিখে |
সেই মার্শাল আর্ট বা কুংফুকে সিনেমার মাধ্যমে কাজে লাগিয়ে আজ চীন, জাপান, থাইল্যান্ড বিশ্ব জয় করে ফেলেছে |
অথচ আমাদের আফশোস, ইসলামে এমন কিছু নেই যা বর্তমান পৃথিবীতে মার্কেটিং করা যায় |
এজন্যই বোধহয় ইসলামি জঙ্গী এবং সোমালিয়ান জলদস্যুদের মতো একটি প্রব্লেম মুসলিম বিশ্বে তৈরী হয়েছে |
ইসলমি বিধি বিধান কিভাবে বর্তমান পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরূপ- এই বিষয় নিয়ে আপনি অবশ্য একটি প্রবন্ধ লিখে মুক্তমনায় পোস্ট করতে পারেন |
সাইফুল ইসলাম আগস্ট 24, 2012 4:00 পূর্বাহ্ন - |
@হৃদয়াকাশ, |
কিন্তু কেউ যখন জ্ঞান বা বিদ্যা বুদ্ধির জন্য প্রার্থনা করে তখন কোয়ান্টাম মেথড বা সাইকোলোজির সূত্র অনুযায়ী অটোমেটিক্যালি তার মস্তিষ্ক্য তাকে সেই পথে চালিত করে যা তাকে জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করে |
কোয়ান্টাম মেথড কী জিনিস? খায় না গায় মাখে? |
আর সৃজনশীলতার পিছোনে কিসের কথা বললেন এইটা কি ভাবনা চিন্তার ফসল নাকি খালি ইসলামরে দমাইতে হইব তার জন্য যা ইচ্ছা তাই বমি করলেন? সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কে কোন ধারনা আছে? আধুনিক সাহিত্য সম্পর্কে তেমন কোন পড়াশোনা করছেন? জানেন ইতিহাসে সাহিত্যের সাবজেক্টের ক্রমবিকাশ? প্রথম দিকে কী নিয়া নাড়াচাড়া হইত আর আধুনিক কেউ কেউ কয় উত... |
মুভিডা দেখছেন? ? ? ? ? এমন আরো বহু ভালো ভালো ফিল্মের নাম বলা যাইব যেইগুলার কাহিনী ইসলামিক টেরোরিজম নিয়া |
এইটা তো জানেন, বিশ্বের যত ভালো যুদ্ধভিত্তিক মুভি আছে ঐগুলা সবই হইছে প্রথম আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়া |
তো এখন আমারে বলেন আপনার যুক্তি কী কয় এই ব্যাপারে |
ইসলামিক টেররিজম না থাকলে এত ভালো ফিল্ম আমরা পাইতাম না, দুইটা বিরাট যুদ্ধ না হইলে এমন চমৎকার ভালো মুভি পাইতাম না, তো তাইলে কি ইসলামের টেররিজমের একটা বাস্তব ভিত্তি আছে? মানে এইটারও তো দরকার আছে কী কন? তারপরে ধরেন আরো ভালো কিছু যুদ্ধের মুভির জন্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধটা বাজাইয়া দিতে পারেন |
শতহইলেও সৃজনশীলতা তো দরকার কী কন? |
ইরানী ফিল্ম দেখছন কখনও? নাকি ইসলামিক দেশের জিনিস বর্জন করছেন? ইরানের কিছু মুভি দেইখ্যা একবার আওয়াজ দিয়েন তো |
কইয়েন তো এত রেস্ট্রিকশন থাকার পরেও এত চমৎকার জিনিস এরা বানাইতাছে কেমনে যেইখানে আপনার হিন্দু দেশ ইন্ডিয়ায় বুক দেখাইন্যা ছাড়া আর কিছু বানাইয়া পাবলিকরে খাওয়াইতে পারতাছে না? আমার কাছে এইডা একটা বিরাট রহস্য |
পারলে একটু খোলাসা কইরেন তো ভাই |
ইসলমি বিধি বিধান কিভাবে বর্তমান পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরূপ- এই বিষয় নিয়ে আপনি অবশ্য একটি প্রবন্ধ লিখে মুক্তমনায় পোস্ট করতে পারেন |
আর ইসলামিক দ্যাশগুলাতেই কেন আমেরিকা মানবতার ঝান্ডাধারী ডান্ডা মাতায় গনতন্ত্রের পতাকা পতপত কইরা উড়াইতে চায় এইটা নিয়াও একটু লেখতে কইয়া দেন |
আফনের পিলিজ লাগে ভাই! 🙁 |
আগস্ট 24, 2012 8:34 পূর্বাহ্ন - |
@সাইফুল ইসলাম, |
কোয়ান্টাম মেথড কী জিনিস? খায় না গায় মাখে? |
আপনার মত মহাঞ্জেনীরা এই ধরনের কথা বলে, এটা খায় ও না ,মাথায় ও দেয় না এটা কষ্ট করে রপ্ত করতে হয় |
অবশ্য আপনার মত ঞ্জানী আবার বলে উঠতে পারে রপ্ত কি জিনিস |
ইরানী ফিল্ম দেখছন কখনও? |
ভাই আমি দেখছি, আমি ১ টা ছবি দেখেছি |
নাকি ইসলামিক দেশের জিনিস বর্জন করছেন? |
লজ্জা করে না ইস্লামিক দেশ বলতে, ইসলামিক দেশ আবার মুভি বানায়, আবার অমুসলিম দের পুরুষ্কার নিতে লজ্জা করে না, আবার বলে ইসলামিক দেশ |
যেই দেশে কি না ১০ বছরের কম মেয়ে দের বিয়ে দেয়ার বিধান রাখছে |
ভাই এই কথাটার উত্তর দিয়েন |
ইসলামিক দ্যাশগুলাতেই কেন আমেরিকা মানবতার ঝান্ডাধারী ডান্ডা মাতায় গনতন্ত্রের পতাকা পতপত কইরা উড়াইতে চায় এইটা নিয়াও একটু লেখতে কইয়া দেন |
আমরা পাইত্তা দিব আর অন্যেরা তো মারবই |
নিজেদের মাথায় কিছু নাই তাই আমেরিকানরা মাজা লইতাছে |
ভাই ঘর খোলা রাখবেন আর চোর বা ডাকাইত আসব এটাই স্বাভাবিক |
অবশ্য আপনে তো আবার ধর্ম প্রান মুসলিম, তাই আবেগের কারনে বলবেন চোর বা ডাকাইতের কি কোন নীতি নাই? |
ভাই আপনে কি ধর্ম প্রান মুসলিম? |
যদি ধর্ম প্রান মুসলিম হয়ে থাকলে তাহলে ভবঘুরের লেখাটা র উত্তর দিয়েন |
ভাল থাকবেন |
সাইফুল ইসলাম আগস্ট 24, 2012 10:05 অপরাহ্ন - |
আপনার মত মহাঞ্জেনীরা এই ধরনের কথা বলে, এটা খায় ও না ,মাথায় ও দেয় না এটা কষ্ট করে রপ্ত করতে হয় |
অবশ্য আপনার মত ঞ্জানী আবার বলে উঠতে পারে রপ্ত কি জিনিস |
না দাদা, রপ্ত কী জিনিস ঐটা আর জিগামু না |
খালি কন কোয়ান্টাম মেথড কী জিনিস |
যা জিগাইছি তা কইলেই কাহিনী খালাস অইয়া যায় |
এত প্যাচাইয়া ফায়দা কী তাতো বুঝলাম না |
না আফনে নিজেই জানেন না? |
ভাই আমি দেখছি, আমি ১ টা ছবি দেখেছি |
তাইলে আর কী |
দ্যাশ উদ্ধার করছেন |
কিন্তু আমি আসলে কী জিগাইছিলাম মন্তব্য পড়ছেন ঠিকঠাকভাবে? নাকি না পইড়াই ফাল পারতাছেন? এর মতন একটা অসাধারন মুভি ইরানের মতন একটা দ্যাশে কেমনে হইল? জবাবটা দিয়া যাইয়েন জনাব |
লজ্জা করে না ইস্লামিক দেশ বলতে, ইসলামিক দেশ আবার মুভি বানায়, আবার অমুসলিম দের পুরুষ্কার নিতে লজ্জা করে না, আবার বলে ইসলামিক দেশ |
যেই দেশে কি না ১০ বছরের কম মেয়ে দের বিয়ে দেয়ার বিধান রাখছে |
না ভাই, ইসলামিক দ্যাশরে ইসলামিক কইতে আমার লজ্জা টজ্জা করে না |
আফনের লজ্জাবোধের টাওয়ার বহু উচায় হওয়ায় আফনের নেটওয়ার্কে লজ্জা প্রখরভাবে ধরা পরে |
আমার ভাই তেমন লজ্জা টজ্জা নাই |
আর ইরানে ১০ বছরে বিয়া দেওয়ার সিস্টেম রাখছে নাকি সবাইরে সন্যাসী বানানোর সিস্টেম রাখছে এইডা নিয়া এডভোকেসি করার জন্য আমি কাউর লগে চুক্তি করছি বইলা তো মনে পরে না |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.