content
stringlengths
0
129k
ভারতীয়রা কখনই বীরত্বের তেমন পরিচয় দিতে পারে নি
পরন্তু হাজার হাজার বছর ধরে বিদেশী শাসক গোষ্ঠির দালালি ও গোলামি করেছে
বর্তমানকার স্বাধীন ভারত বাসীর মন মানসিকতায় যে বিপুল কোন পরিবর্তন ঘটেছে তা মনে হয় না
ভারতবাসীরা এখনও খুব বেশী উন্নত মন মানসিকতার অধিকারী হয়েছে বলে মনে হয় না
তাদের মনের মধ্যে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার মাত্রা বেশী পরিলক্ষিত হয়
আর এসব কারনেই জোকার নায়েকের মত একটা ভাঁড় যখন খোদ ভারতের মধ্যে তার নানা রকম মিডিয়া স্থাপন করে ভারতের সব মানুষকে মুসলমান বানানোর ছক এটেছে, ভারতীয়দেরকে দেখা যায় এ ব্যপারে ভীষণ উদাসীন, তারা ব্যস্ত কারিনা কাপুর বা ক্যটারিনা কাইফের নগ্ন বক্ষ দেখাতে ও ক্রিকেটের মত একটা সময়ক্ষেপনকারী খেলা নিয়ে মত্ত
ভারতে এখন ধনী মানুষের অভাব নেই , অভাব নেই টেলিভিশন চ্যনেলের কিন্তু জোকারের ভন্ডামী প্রকাশ করার মত কোন উদ্যোক্তা নেই ওখানে কারন এ ব্যপারে কেউ অর্থ ব্যয় করতে অনিচ্ছুক
ভারতের সব মানুষ একদিন ইসলামের পতাকাতলে আসলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না
এমনই জাতি এই ভারতীয়রা
আগস্ট 24, 2012 3:58 অপরাহ্ন -
ভারতীয়রা কখনই বীরত্বের তেমন পরিচয় দিতে পারে নি
আমি এমন পড়েছি যে, ভারতে বিভিন্ন সময়ে মুসলিম রা আক্রমণ করেছে কিন্তু বর্তমান ভারতে এত হিন্দু আসল কোথা হতে
এই রকম ১ টা হাস্যকর ধর্মই বা কিভাবে টিকে আছে বর্তমান পৃথিবিতে
তার উপর সুনা যায় বর্তমান পৃথিবিতে ১ বিলিয়ন হিন্দু ধর্মালম্বী আছে
(অবাক করার মত বিষয়)
অভাব নেই টেলিভিশন চ্যনেলের কিন্তু জোকারের ভন্ডামী প্রকাশ করার মত কোন উদ্যোক্তা নেই ওখানে কারন এ ব্যপারে কেউ অর্থ ব্যয় করতে অনিচ্ছুক
হৃদয়াকাশ আগস্ট 24, 2012 6:24 অপরাহ্ন -
আপনি আমার মন্তব্যটি ভালো করে পড়লে দেখবেন, আমি হিন্দু ধর্মের গুনগান করার জন্য কথাগুলো বলি নি
আমি বলেছি হিন্দু ধর্মের মূর্তি পূজার মধ্যে এমন কিছু আছে যা তাদের সুজনশীলতা প্রকাশে সহায়ক
ঠিক একই ভাবে বলেছি বৌদ্ধ ধর্ম প্রসঙ্গে মার্শাল আর্ট বা কুংফুর কথা
সব ধর্মের মধ্যেই কিছু না কিছু ভালো বিষয় আছে
না হলে ধর্মগুলো টিকে থাকতো না
ধর্মের সমালোচনা করি বলে সব সময় যে ধর্মকে "ধর্মকারী" সাইটের মতো নেগেটিভলি দেখতে হবে তার তো কোনো মানে নেই
আপনার লেখায় আপনি যীশু আর মুহম্মদের যে তুলনা করেছেন, তাতে কি এটা প্রমাণ হয় না যে আপনি যীশুর গুনগান করেছেন
না করলে আপনি তাকে মুহম্মদের চেয়ে ভালো করে দেখালেন কেনো ? আপনার এটা যদি গুনগান না হয় তাহলে আমি হিন্দু ধর্মের একটা পজিটিভ দিক নিয়ে বললে সেটা গুনগান হবে কেনো ? আর গুনগান হলেই বা দোষ কী ? ভালো কে ভালো আর খারাপকে খারাপ বলা ই মুক্তমনা লোকজনের বৈশিষ্ট্য
মুক্তমনা মানে এই নয় যে, সকল ধর্ম ফাউল বলে তাদের সমালোচনা করতে গিয়ে তাদের ভালো কোনো বৈশিষ্ট্যের কথা বলা যাবে না
আপনি অস্বীকার করতে পারবেন যে ভারতীয় কালচারের যে বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন তার পেছনে হিন্দু ধর্ম এবং তার সৃজনশীলতার কোনো ভূমিকা নেই ?
আপনার পক্ষে কি অস্বীকার করা সম্ভব- হংকং এর ব্রুসলি, চীনের জ্যাকি চানসহ অন্যান্য চীনা অভিনেতা, থাইল্যান্ডের টনি জা সহ অন্যান্য অভিনেতা অভিনেত্রীদের মার্শাল আর্ট বা কুংফুতে যে পারদর্শিতা তার পেছনে বৌদ্ধ ধর্মের কোনো ভূমিকা নেই ?
আপনি কি অস্বীকার করতে পারবেন যে, মুসলিমদের তুলনায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টানদের প্রার্থনায় যে সময় বাঁচে সেটা তাদের মুসলিমদের তুলনায় এগিয়ে দিচ্ছে অনেক খানি?
এসব বিষয় নিয়ে কথা বললে কেনো ধরে নেওয়া হবে যে আমি সেই বিশেষ ধর্মের গুনগান করছি
আমরা বিশ্বাস করি কোনো সৃষ্টিকর্তা এই পৃথিবী এবং তার উপরিস্থিত কোনো কিছু সৃষ্টি করে নি
সুতরাং ধর্মের সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কিত যে বিষয়গুলো আপনার কথায় কিচ্ছা কাহিনি সেগুলো নিয়ে যুক্তিসংগতভাবে যা তা বলা যেতে পারে
কিন্তু ধর্মের যে বিষয়গুলো সামাজিক আইন হয়ে আপনার আমার জীবনে প্রভাব ফেলেছে এবং ফেলবে সেগুলোকে আপনি অস্বীকার করবেন কিভাবে ?
মুহম্মদের বিধি বিধান নিয়ে আমরা যা তা বলি, কারণ সেগুলোর অনেক কিছুই বাস্তবে অচল
কিন্তু তাই বলে ইসলামের মধ্যে কি কিছুই ভালো নেই? যাকাত ফিতরার সামাজিক উপকারিতার কথা আপনি কিভাবে অস্বীকার করবেন ? এটা তো অন্য কোনো ধর্মে নেই
এই বিষয় নিয়ে আমি যদি পজিটিভ কিছু বলি তাহলে কি আপনি ধরে নেবেন যে আমি মুসলিম, সুযোগ পেয়ে ইসলামের গুনগান করছি!
আমি ভারতীয় কি কানাডিয়ান এই প্রযুক্তির যুগে সেটা কোনো বিষয় নয়
হতে পারে আপনি যে ফ্ল্যাটে থাকেন আমি তার নিচের বা উপরের বা পাশের ফ্ল্যাটে থাকি; তাতে কি আসে যায় ? আমার কম্পিউটারে যখন ইন্টারনেট সংযোগ আছে তখন আমি বিশ্ব নাগরিক
এটা প্রযুক্তির সূত্রে
কিন্তু মানবতার সূত্রেও আমি নিজেকে বিশ্ব নাগরিক মনে করি
কিন্তু আপনি যখন, আমি ভারতীয় কি না, এই প্রশ্ন তুলেছেন; পরে হয়তো এই প্রশ্নও তুলবেন আমি হিন্দু, বৌদ্ধ না খ্রিস্টান ? এর মাধ্যমে আমি কিন্তু আপনার মনের সংকীর্নতার পরিচয় পাচ্ছি
ভবঘুরে আগস্ট 24, 2012 11:00 অপরাহ্ন -
@হৃদয়াকাশ,
কোরান হাদিস ও গসপেল পড়ে মোহাম্মদ ও যীশুর চরিত্রের যে বর্ণনা পেয়েছি সেটাই তুলে ধরেছি মাত্র
এতে করে যীশুকে মোহাম্মদের চাইতে বেশী গুণ সম্পন্ন মনে হলে আমার তো করার কিছু নেই ভাইজান
আর এটা তুলে ধরার কারন হলো- মোহাম্মদের উম্মতরা মনে করে মোহাম্মদ হলো দুনিয়ার সকল সময়ের সব চাইতে সেরা ও আদর্শবান মানুষ, যীশু তার ধারে কাছে ভিড়তে পারে না- এ বিষয়টা যে ডাহা মিথ্যা কথা সেটা তুলে ধরা
অন্য কিছু নয় ভাইজান
ইনভারব্রাস আগস্ট 25, 2012 7:39 অপরাহ্ন -
@ভবঘুরে, নাযারেথ শহরে ইয়েশুয়া নামে রক্ত মাংসের কাঠমেস্তরী আদৌ ছিলো কিনা সে ব্যাপারেই বা নিশ্চিৎ হচ্ছেন কিভাবে?
যিসাস মিস্ট্রী-র প্রবক্তাদের মতে, পারস্যের মিথ্রাস, মিশরের হোরাস সহ বিভিন্ন উপাস্যকে ব্লেন্ডারে ফেলে ককটেল বানিয়ে ঈশ্বরের পুত্রকে ম্যানুফেকচার করেছে রোমান ক্যাথলীক চার্চ
যীশু নামে আদৌ কোনো ব্যক্তিই ছিলো না, তিনি ক্রশবিদ্ধ হবার ঘটনাও ঘটে নি
পিটার যোসেফের যাইৎগাইস্ট (১ম পর্ব) দেখতে পারেনঃ
://../?=36_0
(ডকুমেন্টারীটিতে তথ্যগুলো অবশ্য একটু ওভার-দি-টপ, সেন্সেশনালিস্ট-ভাবে দেখিয়েছে - তবে চিন্তার প্রচুর খোরাক পাবেন)
হৃদয়াকাশ আগস্ট 19, 2012 2:10 পূর্বাহ্ন -
কোরান হাদিসের বিবরন অনুযায়ীই যীশুর সাথে মোহাম্মদের কোন তুলনাই হয় না
এ প্রসঙ্গে আমার একটা ছোট্টলেখা আছে, অনেক দিন আগে লিখেছিলাম, সেটাই পোস্ট করে দিলাম
ভবিষ্যৎদ্রষ্টা হিসেবে কে বেশি সফল, যীশু না মুহম্মদ ?
খ্রিষ্টানরা বলে থাকেন যীশুর পুনরুত্থান ঘটবে; আর কোনো কোনো মুসলমান বলে থাকে যীশু অর্থাৎ ঈশা নবী হযরত মুহম্মদের উম্মত হিসেবে আবির্ভূত হবেন
বিষয়টিকে যেভাবেই নিই না কেনো এর মূল কথা হচ্ছে পৃথিবীতে আবার যীশুর আগমন ঘটবে
যীশুর- হযরত মুহম্মদের উম্মত হিসেবে আগমনের কারণ হিসেবে মুসলমানগণ ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে যে, যীশু নাকি নবুয়ত প্রাপ্তির পর জানতে পারেন যে, তার পরে আর একজন নবীর আবির্ভাব ঘটবে; যিনি হবেন সর্বশ্রেষ্ট এবং সর্বশেষ
এই কথা জানতে পেরেই নাকি যীশু, সেই সর্বশ্রেষ্ঠ নবীর উম্মত হিসেবে আবার জন্ম গ্রহণের জন্য আল¬ার কাছে ফরিয়াদ করেন এবং আল¬া তার প্রার্থনা কবুলও করেন
এই যদি ঘটনা হয়, তাহলে মঞ্জুরিপ্রাপ্ত নবী হিসেবে যীশুর খাঁটিত্বের প্রমাণ মেলে; কারণ, তার ভবিষ্যৎ বাণী অনুযায়ী একজন নবীর আবির্ভাব ঘটেছে যিনি সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার
কিন্তু, যীশুর তুলনায় শ্রেষ্ঠত্বের দাবীদার হযরত মুহম্মদের-ভবিষ্যৎ বক্তা হিসেবে- অবস্থানটা কোথায় ? তার ভবিষ্যৎ বাণী অনুযায়ী ইমাম মাহদী নামে একজনের আবির্ভাব ঘটবে
কিন্তু ইমাম মাহদীর আবির্ভাব যে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ঘটবে বলে ইসলামে বলা হয়েছে তা পৃথিবীতে আদৌও ঘটবে বলে মনে হয় না
যেমন অনেক কণ্ডিশনের মধ্যে বলা হয়েছে- (১)পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উঠবে
(২) চাঁদটি দু টুকরা হয়ে পরস্পর নিকটবর্তী থাকবে
(৩) পূর্ব দিকে একটি নক্ষত্র উঠবে যা চাঁদের মতো জ্বলজ্বলে
(৪) একটি আগুন দেখা যাবে পূর্ব দিকে যা সাতদিন অথবা তিনদিন থাকবে
(দ্রষ্টব্য: কে ইমাম মাহদী ( আঃ) - সাইয়্যেদ সাদরুদ্দীন আল সাদর)
এগুলোর একটু ব্যাখ্যা দেওয়া যাক; সৌরজগত সম্পর্কে যাদের অল্প কিছু জ্ঞান আছে তারাও জানে যে, কখনোই পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উঠা সম্ভব নয়
এটা যদি কখনো ঘটে তাহলে আমাদের এই সৌরজগত ধ্বংস হয়ে যাবে এবং তারপর ইমাম মাহদীর কাণ্ডকারখানা দেখার জন্য পৃথিবীতে কেউ জীবিত থাকবে না
চাঁদটি দু টুকরা হয়ে পরস্পর নিকটবর্তী থাকবে- সৌরজগতের নিয়মানুযায়ী এটাও কখনো সম্ভব নয়
কারণ মহাজাগতিক কোনো কিছুর ধাক্কায় চাঁদ টুকরো টুকরো হতে পারে, কিন্তু সেক্ষেত্রে চাঁদের টুকরোগুলো পুরো সৌরজগত ছড়িয়ে পড়তে পারে
এর রিয়্যাকশন পড়তে পারে পৃথিবীতেও
সুতরাং দুটুকরো হয়ে চাঁদের কাছাকাছি থাকার এবং তা পৃথিবী থেকে মনোরম দৃশ্য হিসেবে অবলোকন করার কোনো সুযোগ নেই
পূর্ব দিকে একটি নক্ষত্র উঠবে যা চাঁদের মতো জ্বলজ্বলে - সৌরজগত সম্পর্কে যাদের জ্ঞান কম, একমাত্র তাদের পক্ষেই এরকম হাস্যকর কথা বলা সম্ভব
সূর্যই আমাদের সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র এবং আমরা জানি একেকটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করেই একেকটি সৌরজগত গঠিত হয়
পৃথিবীর আাকাশে মিটমিট করে জ্বলা তারাসদৃশ যে নক্ষত্রগুলো আমরা দেখতে পাই সেগুলো পৃথিবী থেকে হাজার হাজার কোটি মাইল দূরে
সেগুলোকে যদি পৃথিবীর আকাশে চাঁদের মতো দেখতে হয় তাহলে সেগুলোকে আমাদের সৌরজগতের অনেক কাছাকাছি আসতে হবে
এটা ঘটলে মহাবিশ্ব ওলটপালট হয়ে যাবে
এতে আমাদের সৌরজগত এবং পৃথিবীও ধ্বংস হয়ে যাবে
একটি আগুন দেখা যাবে পূর্ব দিকে যা সাতদিন অথবা তিনদিন থাকবে- সাতদিন না তিন দিন থাকবে সেটাই যখন ইসলামী পণ্ডিতরা ঠিক মতো বলতে পারছে না, তখন তাদের কথা বিশ্বাসযোগ্য হয় কিভাবে ? তাছাড়া আগুন দেখা যাবে পূর্ব দিকে, এটা আকাশে না পৃথিবীতে ? যদি পৃথিবীতে হয় তাহলে সেই আগুন কোন দেশে লাগবে ? আর যদি আকাশে হয় তাহলে সেই আগুন লাগবে ক...
ইমাম মাহদীর আগমনের নিদর্শন স্বরূপ এরকম অনেক আজগুবি কথা - 'সাইয়্যেদ সাদরুদ্দীন আল সাদর' এর লেখা "কে ইমাম মাহদী ( আঃ)" নামক বইটিতে দেওয়া আছে
আমি কয়েকটি সম্পর্কে আলোচনা করলাম মাত্র
কৌতূহলী পাঠকগণ চাইলে বইটি দেখে নিতে পারেন
তাহলেই বুঝবেন ভবিষ্যৎদ্রষ্টা হিসেবে হযরত মুহম্মদের সফলতা বা গ্রহনযোগ্যতা কতটুকু ?
অবশ্য আল্লাহ সব পারে- একথা বিশ্বাস করলে অন্য কথা
আসলে আল্লা কিন্তু কিছুই করতে পারে না
যেমন পারে না তার পেয়ারের দেশ সৌদি আরবকে ভারতের মতো সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা বানাতে
তেমনি পারে না পৌত্তলিকতার দেশ ভারতকে মরুভূমিময় আরবের মতো বানাতে
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 19, 2012 12:49 পূর্বাহ্ন -
তার অর্থ এ কাল পাথর যেন তেন পাথর নয়, খোদ বেহেস্ত থেকে পথ ভুলে পৃথিবীতে টুপ করে এসে পড়েছে
আর এ পাথরের আছে পাপ মোচনে ক্ষমতা যা খোদ স্বয়ং নবীও মনে করতেন
তাহলে বিষয়টি দাড়াল, মোহাম্মদের আল্লাহ ছাড়াও একটা কাল পাথরেরও পাপ মোচনের ক্ষমতা বিদ্যমান
ঠিক একারনেই নিজেদের সীমাহীন পাপ মোচনের জন্য হজ্জের সময় হাজীরা এ কাল পাথরকে চুমু বা নিদেন পক্ষে একটু স্পর্শ পাওয়ার জন্য উন্মাদ হয়ে যায়, এটাকে স্পর্শ করতে যেয়ে এ পর্যন্ত কত মানুষ মানুষের পায়ের নীচে চাপা পড়ে মারা গেছে তার কোন সঠিক হদিস নেই
আর বলা বাহুল্য, মোহাম্মদের কাল পাথরকে এভাবে পাপ মোচনকারী হিসাবে প্রচার করাটা মারাত্মক শিরক
বলতে গেলে তা অন্যান্য ধর্মের চেয়ে বেশী শিরক
কালো পাথরের সম্পর্কে কিছু আলোচনার অনেকদিন থেকে আশা করতেছিলাম
অত্যন্ত সুন্দর বর্নণা হয়েছে