content
stringlengths
0
129k
আর এর থেকে পাপ মুক্তির আশায় আমরা সারা বিশ্ব থেকে প্রতি বৎসর জীবন-অর্থ বাজী রেখে লক্ষ লক্ষ মুসলমান এর দিকে ধাবিত হই
আর ওখানে পায়ের তলায় পিষ্ঠ হয়ে কত লোক যে মারা যায় তার বোধহয় ইয়ত্তা নাই
কি অদ্ভুৎ প্রথা!!!
ভবঘুরে আগস্ট 19, 2012 5:28 অপরাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
কালো পাথরের সম্পর্কে কিছু আলোচনার অনেকদিন থেকে আশা করতেছিলাম
অত্যন্ত সুন্দর বর্নণা হয়েছে
আর এর থেকে পাপ মুক্তির আশায় আমরা সারা বিশ্ব থেকে প্রতি বৎসর জীবন-অর্থ বাজী রেখে লক্ষ লক্ষ মুসলমান এর দিকে ধাবিত হই
আর ওখানে পায়ের তলায় পিষ্ঠ হয়ে কত লোক যে মারা যায় তার বোধহয় ইয়ত্তা নাই
ভাইজানেও আর দেরী না করে চলে যান মক্কাতে , কাল পাথরকে চুমা চাটি করে , মুক্তমনাতে ঘোরাঘুরি করে যে গুনাহ অর্জন করেছেন তা পরিষ্কার করে আসুন
আর পদ পিষ্ট হয়ে মারা গেলে ক্ষতি তো নেই ই বরং অনেক লাভ , হজ্জের সময় কেউ মক্কা মদিনাতে মারা গেলে সরাসরি বেহেস্ত লাভ ও সেই সাথে ৭২ টা হুর তো আছেই
সুতরাং আর দেরী কেন ?
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 18, 2012 7:32 অপরাহ্ন -
কথায় কথায় আপনি এ হাদিস উল্লেখ করে ইদানিং হুজুরদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দেন
তাই ভাবলাম বিষয়টার একটা কিনারা হওয়া দরকার
উক্ত হাদিস যে কোন আয়াতের ব্যখ্যা সেটা যেমন জানলেন সেই সাথে জানলেন জাকির মিয়ার ব্যখ্যা
এটাও জানলেন যে জাকির মিয়া ইদানিং মোহাম্মদের ব্যখ্যাকেও পরোয়া করছে না
হ্যাঁ, ঠিকই ওটার কোরানের সংগের সম্পর্ক ও মিঃ জাকির নায়েকের মতামতটাও দেখিয়ে দিয়ে অত্যন্ত ভাল করেছেন
হাদিছ টির সন্ধান আমি সর্ব প্রথম কাশেম ভাইয়ের নিকট থেকে পেয়ে ছিলাম
হাদিছটির একটি বিশেষত্ব রয়েছে
হয় নবীকে অথবা বর্তমান বিজ্ঞানকে বিশ্বাষ করতে হবে
উভয়কে একত্রে বিশ্বাষ করার সুযোগ এই হাদিছটি রাখে নাই
এই হাদিছের ঘাপানে তাবলীগ জামাতের পন্ডিত গন এখন আমাকে এড়িয়ে চলতেছেন
তিন চার সপ্তাহ আগে আমাদের মসজিদে ১০-১২ জন দলের একটি তাবলিগী জামাতের নিকট এই হাদিছটির কয়েকটা প্রিনট কপি দিয়ে এর সদুত্তর চাইলে, তারা এর সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হয়
আবার তিন দিন পূর্বে আর একটি ১৫-১৬ জন দলের তাবলিগী দল আমাদের মসজিদে অবস্থান নিয়েছেন
তারা এখনো আছেন
এর মধ্যে পূর্বের দলের সদশ্য ও কিছু কিছু আছেন
আমার বড় আশা ছিল এদের সংগে হাদিছটা লয়ে একটু আলোচনায় বসব
হাদিছটার কয়েকটা কপি প্রিনট দিয়ে ও প্রস্তুতি নিয়েছিলাম
তাদের সংগে আলোচনায় বসার সুযোগের অপেক্ষা করতেছিলাম
কিন্তু, এদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশী জ্ঞ্যানী ও স্মার্ট তিনি আমাকে পেয়েই তাদের হাদিছ আলোচনায় অংস গ্রহন করার আমন্ত্রন জানালেন
আর আমি তো এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিলাম
আমি সাথে সাথে বল্লাম আমি অবশ্যই হাদিছ আলোচনায় অংস গ্রহন করব, তবে হাদিছ সংক্রান্ত আমারো কিছু কিছু জিজ্ঞাস্য থাকলে সেগুলির ও ব্যাখ্যা বা উত্তর ও আপনারা দিবেন
লোকটা অতন্ত চতুর অথবা আমার প্রশ্ন পূর্বের সদশ্যদের নিকট থেকে হয়তোবা আগেই জেনে নিয়েছিলেন
লোকটা সাথে সাথে বল্লেন, আমাদের হাদিছ সম্পর্কে গভীর জ্ঞ্যান নাই, তাই হাদিছ সংক্রান্ত কোন প্রশ্নের উত্তর আমরা দেইনা
আমরা শুধু মানুষদেরকে আল্লাহর পথে আহবান করি
এর পর থেকে তারা আমাকে এড়িয়ে চলতেছে
আর আমাকে হাদিছ আলোচনায় বসতে বলতেছেনা
তাহলে অবস্থাটা দেখলেনতো ভাইজান?
যারা নিজেরা স্বীকার করতেছে যে তারা নিজেরাই হাদিছ ভাল জানেন না, আর সেই তারাই হাদিছ আলোচনা করে করে নাকি মানুষদেরকে সৎপথে আনতেছেন
এটা কেমন ধরনের কথা হল?
এই তো আমাদের সৎপথের অবস্থা,ভাইজান
কোরান হাদিছে কী বলতেছে সেটা আমাদের বুঝার কোন প্রয়োজন নাই
ভবঘুরে আগস্ট 18, 2012 8:52 অপরাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
ভাইজানে কি ছাই দিয়ে পাকাল মাছ ধরার অভিযানে নেমেছেন নাকি ? কিন্তু মাছ তো সব ফসকে যায়, ধরতে পারলেন একটাও ? তবে অদ্ভুত কথা হলো- আমি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে ডিগ্রী ধারী কিছু লোকের সাথে এ ব্যপারে কথা বলেছিলাম একবার , তারা বলল - আমরা বিজ্ঞানেরটা বিশ্বাস করি আবার মোহাম্মদের কথাও বিশ্বাস করি
তারা আরও বলল- হাদিস বোঝা সবার কাজ নয়, এবং উক্ত হাদিসটির নাকি অন্য কোন গূঢ় অর্থ থাকতে পারে যদিও সেটা কি তা তারা নিজেরাও জানে না
আর এদেরকে বাংলা কোরান ও হাদিস গ্রন্থ কিনে টিক মার্ক দিয়ে উপহার দিয়ে পরবর্তীতে অনেক দিন পর খবর নিয়ে দেখেছি এরা এসব পড়ার সময় পায় নি
এখন বুঝুন অবস্থা
সাব্বির শওকত শাওন আগস্ট 18, 2012 6:27 অপরাহ্ন -
যে কারও সাথে ধর্মের বিপক্ষে যুক্তির যুদ্ধে আপনার লিখাগুলো আমার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে
খুব ই তথ্যবহুল ও বিশ্লেষণধর্মী লিখা
আপনি শুনে খুশি হবেন শুধু মাত্র আপনার লিখা পড়িয়ে আমি আমার পরিবারকে ধর্ম নামক কুসংস্কার থেকে মুক্ত করতে পেরেছি
আপনার সব গুলো লিখাকে কপি করে ফোল্ডার বানিয়েছি
অনেককে পড়তে দিয়েছি,আপনার যুক্তির বিপক্ষে যুক্তি দাড় করাতে বলেছি যুক্তি দিয়ে বিশ্বাস দিয়ে নয়
প্রথম যখন ধর্ম থেকে সরে আসি
মাঝে মাঝে মনে হত,আমি কি ভুল চিন্তা করি? কিন্তু আপনি আমাকে আমার অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছেন
আপনার মঙ্গল কামনা করি এবং আপনার কাছ থেকে ভবিষ্যতে এরকম লিখা প্রত্যাশা করি
ভাল থাকবেন
ভবঘুরে আগস্ট 18, 2012 8:54 অপরাহ্ন -
@সাব্বির শওকত শাওন,
আপনি যে আমার লেখা পড়ে উপকৃত হয়েছেন তা শুনে ভাল লাগল , অন্তত: একজন মানুষকে তো সত্য জানাতে সক্ষম হলাম
আমার উদ্দেশ্য কাউকে ধর্ম ছাড়া করা নয়, সত্য জানানো
সত্য জানার পর যদি কেউ ধর্ম ত্যাগ করে সেটা তার নিজস্ব ব্যপার
আপনাকে ধন্যবাদ
কামালউদ্দিন আহমেদ আগস্ট 18, 2012 6:20 অপরাহ্ন -
মুসলিম থেকে কনভার্ট খ্রিস্টানদের, ঈসা বা যীশুর ধর্মমত প্রচারের কিছু কাহিনী জানি যা নিয়ে আমার কিছু লেখাও আছে কিন্তু সময় অভাবে তা ঠিকঠাকভাবে ‎প্রকাশ করতে পারছি না
এরই কিছূ অংশসহ বাইবেলের (নিউ স্টেটামেন্ট যে গ্রন'টিই মূলত খ্রীস্টানদের) কিছু উদাহরণ
যেমন নারীদের পাথর ছুঁড়ে হত্যা এবং বিবাহ সম্পর্কে ‎ঈসা কি বলেছে তা পরিষ্কার
অথচ কুরানে এরূপ কাজে নারী হত্যা জায়েজ বা দোররা অনিবার্য
(এগুলো এক কনভার্ট মুসলিমের লেখা থেকে কপি করা বা চুরি করা বলতে ‎পারেন, জানিনা সঠিকভাবে তারা লিখেছে কিনা)
‎[[[[হে ঈসা আমি তোমাকে আমার কাছে তুলিয়া নিতেছি আর তোমার অনুসারীগণকে কিয়ামত পর্যন- প্রাধান্য দিতেছি
(সুরা ৩ঃ৫৫ ও সুরা ৪ঃ১৭১ আঃ)
হযরত মুহাম্মাদ ‎বলেন, সেই সত্ত্বার হাতে আমার জীবন, তারই শক্তি হযরত ঈসা আল মসীহ (আঃ) সত্যই বিচারক ও বাদশাহ্‌ হয়ে দুনিয়াতে অবতরণ করবেন
তখন সমস- জাতি তাঁর হুকুম ‎মেনে চলবে
আর তিনি দাজ্জালদেরকে ধ্বংস করে অশানি- নির্মূল করে সারা বিশ্বে শানি- কায়েম করবেন
(সহিমুসলিম ৭০ অনুচ্ছেদ, হাদিস নং ২৯৭)
অতএব, কুরআন ও ‎হাদিসের আলোকে আমরা জানতে পারলাম হযরত ঈসা আল মসীহ (আঃ) আমাদের জন্য অনুগ্রহ ও নাজাতদাতা
তিনিই আল্লাহর জীবন- কালাম
তাঁর কোন কথার পরিবর্তন ‎নাই
তিনি জগতে আসছেন, আর সকল জাতিকেই তাঁর কাছে ফিরে আসিতে ও তাঁকে বিশ্বাস করিতেই হইবে
(সুরা ৪ঃ১৫৯ আঃ)
‎[হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ব্যাপারে কুরআন বলে: Oবল আমি কোন নূতন রাসুল না, আমি জানি না আমার ও তোমাদের ব্যাপারে কি করা হবে
O (৪৬নং সুরা, আহকাফ ৯ ‎আঃ)
তিনি কোন অদৃশ্যের খবর জানেন না, তাঁর কি হবে তা তিনি নিজে জানেন না
(৭নং সুরা, আরাফ ১৮৮ আঃ)
তাঁকে শুধু পূর্ববর্তী নবীদের ধর্ম প্রচারের অনুমতি ‎দেয়া হয়েছে
(৪২নং সুরা শুরা ৭ ও ১৩ আঃ)
কেউ কারো পাপের ভার বহন করিতে পারে না
কারো সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না
(২নং সুরা, বাকারা ৪৮ ও ১২৩ ‎আঃ)
এমতাবস'ায় আমাদের করণীয়: আমরা একজন পবিত্র মুর্শিদ ও নাজাতকারীর পরিচয় কুরআন থেকে তুলে ধরতে চাই
আর তিনি হলেন, হযরত ঈসা আল্‌ মসীহ ‎‎(আঃ)
তিনি আল্লাহর জীবন- কালাম ৪:১৭১ নং আঃ
তিনি মহা পবিত্র আত্মায় জন্ম নিয়েছিলেন
তিনিই ইহকালে ও পরকালের সম্মানীয় বাদশাহ্‌
(৩নং সুরা, এমরান ‎৪৫, মারিয়াম ১৯ ও আম্বিয়া ৯১ আঃ)
তিনি আল্লাহর নিকট থেকে এসেছিলেন, অবিশ্বাসীরা তাঁকে মেরেছিল
আল্লাহ তাঁকে নিজের কাছে তুলে নিয়েছেন
আবার জগতে ‎আসছেন