content
stringlengths
0
129k
(সুরা ৩ঃ৪৫ ও ৫৫, সুরা ১৯ঃ৩৩ ও সুরা যখরুফ ৪৩ঃ৬১ আঃ)
তাঁর মা, জগতের শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র নারী
(সুরা ৩ঃ৪২ আঃ)
আল্লাহর কাছে মারিয়ামের ‎প্রশ্ন, কোন পুরুষ আমাকে স্পর্শ করে নাই, আমি অসতী না তাহলে কেন আমার গর্ভে সন-ান হবে? (সুরা ৩ঃ৪৭ ও সুরা ১৯ঃ২০ আঃ)
আল্লাহ পাকের উত্তর: আমি উহাকে ‎এই জন্য সৃষ্টি করিব, যেন সে হয় মানুষের জন্য এক নিদর্শন ও আমার নিকট থেকে এক অনুগ্রহ বা দয়া রাহমত
ইহাতো এক সি'রীকৃত ব্যাপার বা পূর্ব পরিকল্পিত সিদ্ধান-
‎‎(১৯নং সুরা মারিয়াম ২১ আঃ)
তিনি দোলনায় থাকতেই নবুয়ত প্রকাশ করেছেন
(সুরা ৩ঃ৪৬ ও সুরা ১৯ঃ২৯-৩৩ আঃ)
তাঁর কাজ, শিক্ষা, মোজেজা, ও তিনি ‎ইব্রাহীম বংশের জন্য নবী ও রাসুল
(সুরা ৩ঃ৪৮-৫০ আঃ) তাঁর ইঞ্জিল কিতাব মুমিনদের পথ নির্দেশ ও আলো
(৫নং সুরা মায়িদা ৪৬ আঃ)
উপরের প্যারা দুটো তাদের মুসলিম থেকে কনভার্ট খ্রিস্টানদের ‎একটি লেখা (দাওয়াত) থেকে নেয়া এখানে আমার কোন মন-ব্য নেই
একথা যদি সত্যি হয় তাহালে তো বলতেই হয় মোহাম্মদের চেয়ে ঈসার শক্তি, ‎সামর্থ্যই শুধু নয়, ঈসা সত্যই ঈশ্বরের পুত্র বা তার সমকক্ষ
ত্রিত্ব ঈশ্বর সম্পর্কে খ্রিস্টানদের সাথে কথা বলে যা জেনেছি, তারা বলেন যে, ঈশ্বরের পুত্র হলো আধ্যাত্মিক অর্থে, যা ভবঘুরে ভাই তার লেখায় তুলে ধরেছেন, কোরানও স্বীকার ‎করে আল্লার রুহু থেকে যীশুর জন্ম
যেমন একটি গাছের কলম থেকে আরেকটি গাছ হলে তা তো একই রকম ফল দেবে এবং প্রায় একই বছরে ফল দেয় এবং একইরকম গাছ হয়, ‎তাই না
সেই অর্থে তারা তাকে ঈশ্বরের পুত্র বলে
আর পবিত্র আত্মা বিষয়ে তাদের বক্তব্য যে, পূর্বের ভবিষ্যৎবাণী অনুসারে যীশু যখন যিহুদের হাতে ক্রুশে মৃত্যুবরণ করে ‎এবং তিনদিন পর কবর থেকে উঠে স্বশরীরে স্বর্গারোহন করে, তখন তার শিষ্যদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলো, আমি চলে যাচ্ছি কিন্তু তোমাদের জন্য রেখে যাচ্ছি এক সহায় ‎আর সেই সহায় হচ্ছে পবিত্র আত্মা, তোমরা যখনই আমাকে ডা...
পবিত্র আত্মা সম্পর্কে ‎বাইবেলে বলা হয়েছে, মথি ১২:৩১-৩২:‎
‎31 ...মানুষের সব পাপ এবং ঈশ্বর নিন্দার ক্ষমা হবে, কিন্তু পবিত্র আত্মার বিরুদ্ধে কোন অসম্মানজনক কথা-বার্তার ক্ষমা হবে না। 32 মানবপুত্রের বিরুদ্ধে কেউ ‎যদি কোন কথা বলে, তাকে ক্ষমা করা হবে, কিন্তু পবিত্র আত্মার বিরুদ্ধে কথা বললে তার ক্ষমা নেই, এযুগে বা আগামী যুগে কখনইনা।
বাইবেল (নিউস্টেটামেন্ট) যীশু যা বলেছে: নিউস্টেটামেন্ট থেকে দএকটি আয়ত (ওরা বলে পদ)
(যদিও আমি কোন ধর্মেই বিশ্বাস করছি না, তাই বাইবেল বা কোরানকে ছোট ‎বা বড় করার জন্য নয়, কেবলমাত্র ছন্দ, পরিষ্কার অর্থ ও উদাহরণের জন্য তুলে দিচ্ছি) দেখুন (পাপ সম্পর্কে কিছু উক্তি)
যোহন (জন) ৮:৩-১১ আয়াত:‎
‎[...ব্যভিচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছে এমন একজন স্ত্রীলোককে তাঁর কাছে নিয়ে এল। তারা সেই স্ত্রীলোককে তাদের মাঝখানে দাঁড় করিয়ে যীশুকে বলল, 4 Oগুরু, এই ‎স্ত্রীলোকটি ব্যভিচার করার সময় হাতে নাতেই ধরা পড়েছে। 5 বিধি-ব্যবস্থার মধ্যে মোশি আমাদের বলছেন, এই ধরণের স্ত্রীলোককে য়েন আমরা পাথর ছুঁড়ে মেরে ‎ফেলি। এখন আপনি এবিষয়ে কি...
অর্থাৎ খ্রীস্টানগণ বিশ্বাস করে যে, ঈশ্বরের ন্যায় যীশুরও পাপ ক্ষমা করার অধিকার ছিলো, যীশু অন্ধকে চোখ দান, করেছে, পক্ষাঘাতগ্রস'কে ভালো করেছে, পাপীকে ‎পাপমুক্তি দিয়েছে, মৃত লাসারকে জীবন দিয়েছে (গল্পটি আমি জানি কিন' লেখা বড় হয়ে যাবে তাই লিখলাম না) ইত্যাদি খ্রিস্টানগণ বিশ্বাস করেন
এতো গুণ যার ‎সে তো ঈশ্বরের পুত্র নয়, যেন ঈশ্বরই, যে গুণগুলো অন্য কোন নবীর ছিলো না, অতএব খ্রিস্টানদের দাবি অমূলক নয়
১করিনি'য় ৬:১৮-২০ এর কিছু অংশ :‎
‎[18 য়ৌন পাপ থেকে দূরে থাক। য়ে ব্যক্তি পাপকার্য় করে তা তার দেহের বাইরে করে, কিন্তু য়ে য়ৌন পাপ করে সে তার দেহের বিরুদ্ধেই পাপ করে। 19 তোমরা ‎কি জান না, তোমাদের দেহ পবিত্র আত্মার মন্দির, তিনি তোমাদের মধ্যে বাস করেন, য়াঁকে তোমরা ঈশ্বরের কাছ থেকে পেয়েছ? তোমরা তো আর নিজেদের নও। ‎‎20 কারণ তোমাদের মূল্য দিয়ে কেনা হয়ে...
১করিনি'য় ৭:১-১৪ এর কিছু অংশ [...একজন পুরুষের বিয়ে না করাই ভাল। 2 কোন পুরুষের কোন স্ত্রীলোকের সঙ্গে য়ৌন সম্পর্ক না থাকাই ভাল। কিন্তু য়ৌন ‎পাপের বিপদ আছে, তাই প্রত্যেক পুরুষের নিজ স্ত্রী থাকাই উচিত, আবার প্রত্যেক স্ত্রীলোকের নিজ স্বামী থাকা উচিত। 3 স্ত্রী হিসাবে তার যা যা বাসনা স্বামী য়েন ‎অবশ্যই তাকে তা দেয়; ঠিক ত...
যাহোক ভবঘুরে ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, তার বিশ্লেষণ খুব সুন্দর হচ্ছে
শুভ কামানা রইলো
ভবঘুরে আগস্ট 18, 2012 9:02 অপরাহ্ন -
@কামালউদ্দিন আহমেদ,
যীশু খৃষ্ট যে অন্য দশটা নবীর মত নবী নয়, বরং তার বৈশিষ্ট্য ঈশ্বরের মত সেটা খোদ কোরান হাদিসই স্বীকার করে
যা আমি নিবন্ধে দেখিয়েছি
তবে সমস্যা যেটা হয়েছিল তা হলো- মোহাম্মদ খৃষ্টান ও ইহুদিদের কাছ থেকে বাইবেলের কাহিনী গুলো দীর্ঘদিন ধরে শুনেছিল আর তার পরই তার কোরানে যীশুকে নিয়ে বলা শুরু করেছিল
মোহাম্মদ অশিক্ষিত হওয়ার কারনে কোন কথার কি গুরুত্ব হতে পারে তা আপাত: মোহাম্মদ উপলব্ধি করতে পারেনি
তাই একবার তার বৈশিষ্ট্য খোদ ঈশ্বরের মত বলার পরেই আবার বলেছে সে তো অন্য নবীর মতই একজন নবী মাত্র
অর্থাৎ মোহাম্মদ যীশুকে একেবারেই বুঝতে পারে নি
না বুঝে উল্টা পাল্টা বলে গেছে
ঠিক একারনেই খৃষ্টানরা বুঝতে পারে যে মোহাম্মদ কোনমতেই নবী নয় আর তাই তারা তাতে উন্মাদ . পাগল এসব বলে উপহাস করতে থাকে
মোহাম্মদ ঠিক তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে বায়তুল মোকাদ্দসকে বাদ দিয়ে কাবা কে কিবলা করার
আর সেকারনেই দেখা যায় পরবর্তীতে খৃষ্টান ও ইহুদিদের ব্যপারে হিংসাত্মক সব আয়াত যাকে সোর্ড ভার্স বলে যা মূলত আছে সূরা আত তাওবা তে
তারেক অণু আগস্ট 18, 2012 5:11 অপরাহ্ন -
ভালো লাগল, খুবই তথ্যপূর্ণ লেখা
শেষাদ্রী শেখর বাগচী আগস্ট 18, 2012 12:54 অপরাহ্ন -
যে লোক রসূলের হুকুম মান্য করবে সে আল্লাহরই হুকুম মান্য করল
সূরা নিসা, ০৪: ৮০
মানুষকে সেক্স করতে বলার জন্য কোন রাসুল পাঠানোর দরকার পরেনা , খেতে বলার জন্য কোনো রাসুল পাঠানোর দরকার পরে না , কারণ এই সমস্ত জিনিসগুলি আমরা প্রাকিতিক ভাবেই প্রাপ্ত হই , এগুলো আমাদের জেনেটিক কোডেই লিখে দেওয়া আছে
আল্লাহ যদি সত্যি সত্যি আমাদের জেনেটিক কোডেই সমস্ত কিছু লিখে দিত তাহলে তো আর আলাদা করে রাসুল পাঠাতে হত না
প্রত্যেক মানুষ
একটা সময় এলে নিজে থেকেই নামাজ পড়তে সুরু করে দিত
আফসোস সেপ্টেম্বর 12, 2012 10:11 পূর্বাহ্ন -
@শেষাদ্রী শেখর বাগচী,
মানুষকে সেক্স করতে বলার জন্য কোন রাসুল পাঠানোর দরকার পরেনা
কিন্তু কার সাথে সেক্স করা যাবে আর কার সাথে সেক্স করা যাবেনা, এটা কে বলবে
সেক্স করা সেখানোর জন্য আল্লাহ রাসূলকে দুনিয়াতে পাঠান নাই
ক‍ার সাথে সেক্স করা যাবে আর কার সাথে সেক্স করা যাবে না এটা সেখানোর জন্যই আল্লাহ রাসূলকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন
ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে
তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তা...
মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও
আল- কোরআন-24:31
যদি আল্লাহর নবী না আসত তাহলে মা-ছেলের কোন তফা‍ৎ থাকতো না
মাকে মায়ের সম্মান না দিয়ে মাকে যৌন খায়েস পুরা করার জন্য ব্যবহার করত
আপন ভাই বোনের কোন ভাই বোনের সম্পর্ক থাকতো না
নাস্তিকরাতো এমন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায় যে সমাজে মা, বোন, খালা, ফুফু, অন্য নারী যখন যেখানে ইচ্ছা সেখানে যৌন লালসা পূরন করা যায়
সেপ্টেম্বর 12, 2012 4:38 অপরাহ্ন -
কিন্তু কার সাথে সেক্স করা যাবে আর কার সাথে সেক্স করা যাবেনা, এটা কে বলবে
সেক্স করা সেখানোর জন্য আল্লাহ রাসূলকে দুনিয়াতে পাঠান নাই
ক‍ার সাথে সেক্স করা যাবে আর কার সাথে সেক্স করা যাবে না এটা সেখানোর জন্যই আল্লাহ রাসূলকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন
নবিজি(চরিত্র হীন ইবলিস) কত সুন্দর বুঝিয়ে দিয়েছে, কার সাথে সেক্স করা যাবে আর কার সাথে সেক্স করা যাবে না?
পুরাটা কষ্ট করে পইড়েন, তবে ভাল মত ৩য় ও ৭ম বিবাহ টা পইড়েন
১ম: বিবি খাদিজা- মোহাম্মদ ৪০ বছর বয়স্কা খাদিজাকে ২৫ বছর বয়েসে বিয়ে করেন
ধনাড্য খাদিজাকে বিয়ে করার পর মোহাম্মদের দারিদ্র ঘোচে
স্ত্রীর আয়ের ওপর নির্ভর করে মোহাম্মদ তাঁর চিন্তা ভাবনাকে গুছিয়ে নিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ পায়
২য়: বিবি সওদা- খাদিজা মারা যাওয়ার পর ৫৫ বছর বয়স্কা সওদাকে বিয়ে করেন
মোহাম্মদের বাচ্চা কাচ্চাদের দেখাশুনো করার জন্য তিনি সওদাকে বিয়ে করেন
৩য়: বিবি আয়শা - ৫৩ বছর বয়েসে মোহাম্মদ ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করেন
আয়শা ছিলেন মোহাম্মদের বাল্যবন্ধু আবু বকরের কন্যা
স্বপ্নে দেখে মোহাম্মদ একে বিয়ে করেন
৪র্থ: বিবি হাফসা- হযরত ওমরের কন্যা হাফসা বিধবা হওয়ার পর মোহাম্মদ তাকে বিয়ে করেন
ওমর তার বিধবা কন্যাকে ওসমান ও আবু বকরের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, তারা প্রত্যাখ্যান করার পর মোহাম্মদ বিয়ে করেন
৫ম: বিবি জয়নাব বিনতে খুজাইমা- বদর যুদ্ধে তার স্বামী মারা যাওয়ার পর পরই মোহাম্মদ তাকে বিয়ে করেন
৬ষ্ট: বিবি উম্মে সালামাহ- তারা ইথিওপিয়াতে প্রবাসকালে তার স্বামী মারা যাওয়ার পর মোহাম্মদ তাকে বিয়ে করেন
৭ম: বিবি জয়নাব বিনতে জাহস- মোহাম্মদের পালক পূত্র জায়েদের স্ত্রী
একবার স্বল্প বসনা জয়নাবকে তার ঘরের মধ্যে আতর্কিতে দেখে ফেলার পর আকৃষ্ট হয়ে মোহাম্মদ তার প্রেমে পড়েন
মোহাম্মদ নানা কায়দায় তাকে তালাক দিয়ে পরে পূত্র বধূকে নিজেই বিয়ে করেন
এ বিয়ে করার জন্য আল্লাহকে বহু কাঠ খড় পোহাতে হয় কারন তাকে একের পর এক আয়াত নাজিল করতে হয় সাধারণ মানুষের কানা ঘুষা বন্দ করার জন্য
৮ম: বিনি জুরাইয়া- পরাজিত বানু মুস্তালিক গোত্রের প্রধানের বিধবা স্ত্রী
এ বিয়ের পর উক্ত গোত্রের সকল বন্দীদেরকে মুক্তি দিয়ে সবাইকে মোহাম্মদ তার দলে ভিড়াতে সক্ষম হন
এটা ছিল খুবই কার্যকরী একটা বিয়ে
৯ম: বিবি হাবিবা- স্বামীর সাথে ইথিওপিয়ার গমন করার পর তার স্বামী খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করে, ফলে তাদের তালাক হয়ে যায়, এর পর মোহাম্মদ তাকে বিয়ে করেন
১০ম: বিবি সাফিয়া-খায়বার যুদ্ধে বিজয়ের পর মোহাম্মদ তাকে গণিমতের মাল হিসাবে ভাগে পান
যেদিন মোহাম্মদ সাফিয়ার স্বামী, পিতা, ভাই সহ সকল আত্মীয়কে নির্মমভাবে হত্যা করেন সেদিনই সাফিয়াকে নিয়ে রাত কাটান
পরে তাকে বিয়ে করেন
১১শ: বিবি মায়মুনা- প্রথম স্বামী তালাক দিলে আবার বিয়ে করে, সে স্বামী মারা গেলে মোহাম্মদ বিয়ে করেন
১২শ: মারিয়া- মিশরের একজন শাসকের কাছ থেকে পাওয়া এ কপটিক খৃষ্টান দাসী ভীষণ সুন্দরী ছিল
মোহাম্মদ তাকে বিয়ে করা ছাড়াই তার সাথে যৌন সঙ্গম করতেন ও তার গর্ভে ইব্রাহিম নামের ছেলের জন্ম দেন
ইব্রাহীম শৈশবেই মারা যায়
একে মোহাম্মদ বিয়ে করেছেন কি না এ বিষয়ে দ্বিমত আছে