content
stringlengths
0
129k
" আল্লাহ সর্বদা বিরাজমান " কোরান এবং সহি হাদিস কোথাও এ নাকি এ ধরনের কথা নাই
নবিজীরে এক মহিলা প্রশ্ন করছে আল্লাহ কোথায় থাকে নবিজী হাত দিয়া দেখাইছে উপরের দিকে,মুখ দিয়া কিসুই বলে নাই
কোরান এ না কি বলা হয়ছে,আল্লাহ না কি তার নিজস্ব কিসু
জ্ঞান বুদ্ধি মানুষ এর মধ্য দিছে
এবং আল্লাহ পৃথিবিতে থাকে না
"জাকির নায়েক"
তবে মুসলিমরা কেন কাবা ঘর এর সামনে সেজদা দেয়?
আমি অনেক মুসলিমকে প্রশ্ন করেছি"কাবা ঘর এর সামনে সেজদা দেয় কেন?" তারা বলে "কাবা বরাবর আল্লাহ র আরশ"
.
তবে ১ জন বলেছে কাবা এর ভিতর আল্লাহ থাকে
::
ভাই জানে রা আমারে ১ টু বুজাইয়া বলবেন কি?
ভাল থাকবেন
আপনার জন্য রইল শুভ কামনা......
ভবঘুরে আগস্ট 18, 2012 1:14 অপরাহ্ন -
তবে ১ জন বলেছে কাবা এর ভিতর আল্লাহ থাকে
মোহাম্মদ আসলে আল্লাহর প্রকৃতি সম্পর্কে না বুঝে কথা বলেছে
সর্ব শক্তিমান আল্লাহর সব যায়গাতে বিচরন করে থাকার ক্ষমতা থাকার কথা যা অন্যান্য ধর্মগুলো বিশ্বাস করে
সে ক্ষেত্রে কাবা ঘরকে কিবলা বানালে একটা ব্যখ্যা থাকতো
তা হলো কাবা ঘর আল্লাহর প্রথম ঘর ও সবচাইতে পবিত্র ঘর, আর তার ভিতরে আল্লাহ অবস্থান ও করে
তাই এ ঘরকে সম্মান প্রদর্শনের খাতিরে এটাকে কিবলা করলেও একটা ব্যখ্যা দেয়া যেত
কিন্তু মোহাম্মদ আল্লাহ কে সাত আসমানে আরশের ওপর তুলে দিয়ে কি সর্বনাশ করে গেছে সেটা তখন কেউ না বুঝলেও এখন মানুষ বুঝতে পারছে
এ থেকে বোঝা যায় মোহাম্মদ আধ্যাত্মিক ধ্যান ধারনা খুবই কম ছিল
পরবর্তীতে এসে সূফীবাদীরা এটাকে আধ্যাত্মিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে ও বলার চেষ্টা করেছে আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান
কিন্তু মূল ধারার ইসলাম পন্থিরা এটা মানে না , মানার কথাও নয়
আগস্ট 18, 2012 3:39 অপরাহ্ন -
কিন্তু মোহাম্মদ আল্লাহ কে সাত আসমানে আরশের ওপর তুলে দিয়ে কি সর্বনাশ করে গেছে সেটা তখন কেউ না বুঝলেও এখন মানুষ বুঝতে পারছে
ভাই,কোণ মানুষ যে বুজতে পারছে? সেটাই বুঝতে পারছি না
আমার কিছু বন্ধুরা আমার সাথে রাগ করে, ঠিক মত কথা বলে না
ফেসবুক এর স্ট্যাটাস দেখলে , অনেক বন্ধু রাগ করে আবার হুমকিও দেয়
কিন্তু চোর না শুনে ধর্মের কাহিনি(আমি আমার কাজ চালিয়ে যাই)
তবে ভাই আপনার লেখাটা চরম হইছে
আফসোস সেপ্টেম্বর 11, 2012 8:09 অপরাহ্ন -
তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন ছয়দিনে, অতঃপর আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন
তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে ও যা ভূমি থেকে নির্গত হয় এবং যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় ও যা আকাশে উত্থিত হয়
তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক
তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন
সূরা আল-আদীদ, আয়াত-৪
আল্লাহ কোরআনে বলছেন আমরা যেখানেই থাকি আল্লাহ সেখানেই আছেন
"তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে
" সূরা আল-বাকারা, আয়াত-255
সেপ্টেম্বর 13, 2012 2:29 অপরাহ্ন -
তিনি নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল সৃষ্টি করেছেন ছয়দিনে, অতঃপর আরশের উপর সমাসীন হয়েছেন
তিনি জানেন যা ভূমিতে প্রবেশ করে ও যা ভূমি থেকে নির্গত হয় এবং যা আকাশ থেকে বর্ষিত হয় ও যা আকাশে উত্থিত হয়
তিনি তোমাদের সাথে আছেন তোমরা যেখানেই থাক
তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন
সূরা আল-আদীদ, আয়াত-৪
আল্লাহ কোরআনে বলছেন আমরা যেখানেই থাকি আল্লাহ সেখানেই আছেন
সূরা আল-আদীদ না হাদিদ (কোনটা)
এতেও কিন্তু বুঝা যায় না ,আল্লাহ সর্বদা বিরাজ মান
মানুষ যেখানে নাই সেখানে গভেট টাও নাই(মজা মজা)
আল্লা আমাদের কোথা হতে দেখেন, নিচের সুরা টা ভাল মত দেখেন
আল্লাহ যিনি নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তিনি আরশে বিরাজমান হয়েছেন
তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক ও সুপারিশকারী নেই
এরপরও কি তোমরা বুঝবে না?সূরা-সাজদা, ৩২: ০৪ (মক্কায় অবতীর্ণ)
নবিজি মক্কায় ১ টা বলছেন, আবার মদিনাতে আর ১ টা বলছেন
://.-./?=6037
লিংটা ভাল মত পরেন
আফসোস সেপ্টেম্বর 14, 2012 11:29 পূর্বাহ্ন -
টাইপ মিস্টেক, সূরা আল-হাদীদ হবে
কোরআনের অর্থ বুঝার শক্তি ‍আপনার নাই এটা বলেন
নিজের অক্ষমতাকে আল্লাহর উপর চাপাতে ভালোই পারেন
‍আপনারা বলেছেন কোরআনের কোথাও নাই আল্লাহ সর্বত্র বিরাজমান
আমি দেখিয়েছি আপনারা গ্রহন করবেন না
এটাকি আমার দোষ
আপনাদের অবস্থা হলো বিচার মানি তাল গাছ আমার
ন্যায় হোক আর অন্যায় হোক
শয়তানতো আপনাদের চোখে কালো চশমা পেরিয়ে দিয়েছে
এখন সাদা জিনিসকেও কালো দেখেন
ভালো চোখ নিয়ে দেখুন সব পরিষ্কার হয়ে যাবে
আপনার নিজেদের সুবিধামতো কোরআনের উদ্বিৃতি দেন
সামান্য জ্ঞান নিয়ে আসছেন কোরআনের ভুল ধরতে
শুধু আপনি কেন পৃথিবীতে কত হাজার হাজার নেটওয়ার্ক বিদায় নিয়েছে কোরআনে একটা নোকতার পরিবর্তন ঘটাতে পারে নাই
আর আপনাকে একটা প্রশ্ন আপনিকে কোন লোক‍াল বাসে কন্ট্রাক্টর ? আপনার মুখের ভাষা অনেক নিম্ন মানের
শিক্ষিত সমাজে বাস করতে চাইলে ভদ্র ভাষায় কথা বলুন
আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলকে গালি দিয়ে আপনি বিশ্বজয় করতে পারবেন না
জিল্লুর রহমান আগস্ট 18, 2012 4:53 পূর্বাহ্ন -
বর্তমানে দরিদ্র মুসলিম দেশ গুলো ( বিশেষ করে বাংলাদেশ) কেন যে খামোখা রাস্তা ঘাট ব্রিজ কালভার্ট এসব তৈরী করার জন্য ইহুদি নাসারা কাফেরদের কাছে হাত পাতে বোঝা দুস্কর, তার চেয়ে বরং আল্লাহর কাছে আর্জি জানালেই তো পারে
অতীতে যেমন সে রাস্তা ঘাট তৈরী করে দিয়েছিল না চাইতেই , আর এখন সবাই মিলে তার কাছে প্রার্থনা জানালে সে কি রাস্তা ঘাট ব্রিজ কালভার্ট তৈরী করে দেবে না?
তাহলেতো ভালই হতো পদ্মা সেতু নিয়ে ইহুদী-নাসারারদের বানানো ব্যাংকে হাত পাততে হতো না!
আপনার লেখার বরাবরই ভক্ত আমি
কারন আপনার লেখায় প্রচুর রেফারেন্স ও যুক্তিতে ভরপুর থাকে
তবে, যে শুধু এই পর্বটাই পড়বে সে ভাবতে পারে ইহুদী, খ্রীষ্টান ও হিন্দু ধর্ম সত্যধর্ম আর মুসলমান ধর্মকেই শুধু মিথ্যা বলতে চাইছেন
অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কেও একটু খোলাসা করলে আরো ভাল লাগতো
কারন ছাগুরা বসে থাকে এসব খুতগুলো কিভাবে ধরবে, আর বলবে এগুলো সব বিধর্মীদের চাল
এরা শুধুই মুসলিম বিদ্বেষী লেখা লেখে
ভবঘুরে আগস্ট 18, 2012 1:07 অপরাহ্ন -
@জিল্লুর রহমান,
আপনার লেখার বরাবরই ভক্ত আমি
কারন আপনার লেখায় প্রচুর রেফারেন্স ও যুক্তিতে ভরপুর থাকে
তবে, যে শুধু এই পর্বটাই পড়বে সে ভাবতে পারে ইহুদী, খ্রীষ্টান ও হিন্দু ধর্ম সত্যধর্ম আর মুসলমান ধর্মকেই শুধু মিথ্যা বলতে চাইছেন
অন্যান্য ধর্ম সম্পর্কেও একটু খোলাসা করলে আরো ভাল লাগতো
কারন ছাগুরা বসে থাকে এসব খুতগুলো কিভাবে ধরবে, আর বলবে এগুলো সব বিধর্মীদের চাল
এরা শুধুই মুসলিম বিদ্বেষী লেখা লেখে
ধন্যবাদ আপনাকে
বিষয়টা হলো ইসলাম নিজেকে চুড়ান্ত একেশ্বরবাদী ধর্ম দাবি করে ও অন্য সব ধর্মগুলোকেই পৌত্তলিক বলে
এ নিবন্ধের মূল উদ্দেশ্য ছিল - আসলে ইসলাম পৌত্তলিকতা মুক্ত কি না সেটা দেখানো
অন্য ধর্মগুলোকে উপর থেকে দেখলে পৌত্তলিক ভাবাপন্ন মনে হলেও তাদের সুন্দর কতকগুলো ব্যখ্যা আছে যা দিয়ে কিছুটা হলেও তারা পৌত্তলিকতামুক্ত করতে পারে নিজেদেরকে
কিন্তু ইসলামের এমন কিছু উপাদান আছে যার কোনই ব্যখ্যা নেই, আর তাই ইসলামই বলতে গেলে একমাত্র ধর্ম যা ১০০% পৌত্তলিক
অথচ উপর থেকে দেখলে মনে হয় ইসলামই একমাত্র পৌত্তলিকতা মুক্ত ধর্ম