content
stringlengths
0
129k
এটা মানুষের দৃষ্টি বিভ্রম ছাড়া আর কিছু নয় সেটাই ছিল আলোচ্য নিবন্ধের মূল উদ্দেশ্য
ছাগুরা কি খুত ধরবে ? ধরুক না , ওরা কি যুক্তি দিয়ে কথা বলে নাকি ? আমি অনেককেই জিজ্ঞেস করেছি- কাল পাথরকে কেন হজ্জ করার সময় চুমু খেতে হবে ? তারা বলেছে এটা মোহাম্মদ বলেছে তাই অর্থাৎ কোন যুক্তি নেই
তারপর জিজ্ঞেস করেছি কাল পাথরকে চুমু খাওয়া ও তার পাপ মোচনের ক্ষমতা স্বীকার করা কি একই সাথে পাথর পুজা ও শিরক নয় ? তারা চিৎকার করে উঠেছে - বলেছে- না না তা কেন কিন্তু কোন সদুত্তর দিতে পারে নি
তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছি- আল্লাহ কোথায় থাকে? উত্তর- আরশে
নামাজ পড়ার সময় কার কাছে মাথা নত করেন ?- আল্লাহর কাছে
কোন দিকে মুখ করে মাথা নত করেন ?- কাবার দিকে
কাবার মধ্যে কি আল্লাহ বাস করে ?- না
তাহলে কাবার দিকে মুখ করে নামাজ পড়লে ও মাথা নত করলে তা আল্লাহর কাছে মাথা নত হয় কি করে ?
এটা কি কাবা ঘর ও তার ভিতরে থাকা পাথরের কাছে মাথা নত করা নয় ?
এর পর যা হবার তাই হয় আর কোন উত্তর দিতে না পেরে অর্থহীন প্রলাপ বকতে থাকে
বস্তুত এ ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হবে তা তারা ভাবতেই পারে না
আবার বাস্তব জীবনে এদের সাথে তর্কও করা যায় না
কারন এরা প্রথমে ভদ্র, পরে উগ্র ও আরও পরে ভয়ংকর হয়ে ওঠে
কথাই বলা যায় না
তাই অন্তর্জাল ভরসা
আমি তো অপেক্ষা করছি কোন্ মোল্লা এসে আমার যুক্তি খন্ডন করতে পারে
আগস্ট 18, 2012 3:25 অপরাহ্ন -
তাদেরকে জিজ্ঞেস করেছি- আল্লাহ কোথায় থাকে? উত্তর- আরশে
কাবার মধ্যে কি আল্লাহ বাস করে ?- না
তাও আবার বলে কাবা বরাবর আল্লাহর আরশ,
ইবনে আব্বাস বর্ণিত নবী বলেছেন-" কাল পাথর বেহেস্ত থেকে পতিত হয়েছে
যখন প্রথম দুনিয়াতে এটা পতিত হয় তখন এর রং ছিল দুধের মত সাদা কিন্তু আদম সন্তানদের পাপ গ্রহণ করার ফলে এর রং কাল হয়ে গেছে"
তিরমিজি, হাদিস- ৮৭৭
ইবনে ওমর নবী কে বলতে শুনেছেন, " কাল পাথর ও আর রুখ আল ইয়ামানি কে স্পর্শ করলে পাপ মোচণ হয়
তিরমিজি, হাদিস-৯৫৯
অথচ জাকির মিয়া বলে, পাথরে করলে উপকারও হয় না আবার ক্ষতিও হয় না,তাহলে কি লাভ হয়?
কিন্তু তারপরও কেন যে কিসস করে? ::
গোলাপ আগস্ট 21, 2012 2:20 পূর্বাহ্ন -
কারন এরা প্রথমে ভদ্র, পরে উগ্র ও আরও পরে ভয়ংকর হয়ে ওঠে
কথাই বলা যায় না
তাই অন্তর্জাল ভরসা
বরাবরের মতই দারুণ! () ()
অচেনা সেপ্টেম্বর 11, 2012 4:59 অপরাহ্ন -
@জিল্লুর রহমান,
তাহলেতো ভালই হতো পদ্মা সেতু নিয়ে ইহুদী-নাসারারদের বানানো ব্যাংকে হাত পাততে হতো না!
সবই নাকি ভাই আরবী তেলের টাকা
আমরা নাকি ওদের ব্যাংকে আমাদের টাকা রেখেই ওদের ধনী বানাই
কাজেই আসেন সবাই ইসলামী ব্যাংকে টাকা রেখে সুদের বিনিময়ে লভ্যাংশ (!)নিয়ে আখেরাতের পথ পরিষ্কার করি
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 18, 2012 3:58 পূর্বাহ্ন -
অনেকদিন পরে এলেন
তবে মারাত্মক ধারাল অস্ত্র লয়ে এসেছেন
অল্প কিছু পড়েছি, তবে তার মধ্য হতে নীচের হাদিছটায় আপনার একটি চমৎকার এবং মজাদার ব্যাখ্যার দিকে যে কোন ব্যক্তির দৃষ্টি নিবদ্ধ না হয়ে পারেনা
আপনার ব্যাখ্যাটার দিকে আবার একটু লক্ষ করুন
তবে নিচের হাদিস থেকে আল্লাহর আরশের অবস্থান সম্পর্কে একটা ধারনা করা যেতে পারে-
আবু দার বর্ণিত- মসজিদের মধ্যে একদা আমি নবীর কাছে ছিলাম
তিনি জিজ্ঞেস করলেন- " আবু দার, তুমি কি জান সূর্য অস্ত যাওয়ার পর সে কোথায় যায় ? আমি উত্তর করলাম-" আল্লাহ ও তার রসুল ভাল জানেন"
তিনি বললেন-" এটা আল্লাহর আরশের নিচে যায়, বিশ্রাম করতে থাকে ও প্রার্থনা করতে থাকে পূনরায় উদিত হওয়ার জন্য
পরে তাকে আল্লাহ অনুমতি দিলে সে পূনরায় পূর্ব দিকে উদিত হয় যা আল্লাহ বর্ণনা করেছেন তার বানী ৩৬:৩৮ আয়াতে(সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে
এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ
সহি বুখারি, বই-৬০, হাদিস-৩২৬
পৃথিবীকে সমতল ভূমি (কোরান বস্তুত সেটাই ধরেছে) ধরলে আল্লাহর আরশের অবস্থান সম্পর্কে একটা আন্দাজ করা যেতে পারে
সমতল ভূমির ওপরের পৃষ্ঠে আমাদের অবস্থান , ঠিক এর উল্টো পাশেই হলো আল্লার আরশ কারন আমরা তো দেখি সূর্য অস্ত যাওয়ার পর সমতল পৃথিবীর উল্টো পাশেই চলে যায়
যদি সূর্য পৃথিবীর উল্টো পিঠে গমন ক'রে সেখানে আল্লাহর আরশের সাক্ষাত পায় তাহলে অবশ্যই সেখানেই আল্লাহর আরশ থাকবে এটা সুনিশ্চিত
তবে সেখানে পৌছানোটা আমাদের জন্য কঠিন হবে কারন পৃথিবীর উল্টো পিঠে গেলেই তো আমরা টুপ করে পড়ে যাব
তবে সেখানে পৌছানোটা আমাদের জন্য কঠিন হবে কারন পৃথিবীর উল্টো পিঠে গেলেই তো আমরা টুপ করে পড়ে যাব
উল্টো পিঠে গেলে আমরা কোথায় টুপ করে পড়ে যাব? হা,হা,হা,
সেখানে তো আমরা এখন বসবাস করছি
সেখানে তো আমরা এখন আরশের নীচে সূর্যকে অবস্থান নিতে দেখতে পাইনা
মহানবী যদি এই যুগে জন্মাইতেন, তাহলে ভাইজান, তখন হাদিছটি তে সূর্যকে অস্ত যাওয়ার পর আর আরশের নীচে গিয়ে বিশ্রাম ও লওয়ার দরকার হইতোনা, এবং পরবর্তি দিনের উদয় হওয়ার জন্যও প্রার্থনা করার দরকার হইতোনা
তখন নবীজী বলতেন, "আবু দার, আল্লাহর এই পৃথবীতে সূর্য কখনই অস্ত যায়না
এই গোলাকার ঘূর্নায়মান পৃথিবীতে সর্বদাই কোননাকোন যায়গায় উদিত
আমাদের বড় দুর্ভাগ্য যে আল্লাহ আমাদের নবীকে ১৪০০ বছর আগে পাঠিয়ে অনেক বাস্তব জ্ঞান হতে বঞ্চিত করেছেন
অথচ কোরানের কোন একখানে নাকি দৃঢ়তার সংগে আল্লাহ ঘোষনা করেছেন " নবীর নিজ ইচ্ছানুসারে কোন কথা বলেন না, আল্লাহর অহি ব্যতিরেকে
এই তো গত জুমায় একজন মওলানা সাহেব আয়াতটি পড়িয়া কত সুন্দর ভাবে ইমান্দার বান্দা গনকে বুঝাইলেন
আয়াৎটি কোরানের কোন্ ছুরায় বা কত নং আয়াৎ তা মওলানা সাহেব উল্লেখ করেন নাই
তবে আয়াৎটি ছিল আরবীতে এইরুপ,
وماينتق عن الهوي الا وحييحي
বাংলা উচ্চারন এইরুপ হইবে, "অমা ইয়ান্তেকু আনেল হাওয়া ইল্লা অহয়ুয়ুহা"
যারা আরবী বুঝেন তারা বুঝবেন এই আয়াৎটির কী অনুবাদ
এর বাংলায় অনুবাদ করিলে স্পষট ভাষায় দাড়ায় " নবীর নিজ ইচ্ছানুসারে কোন কথা বলেন না, আল্লাহর অহি ব্যতিরেকে
তাহলে কী আল্লাহ এভাবে নবীর মাধ্যমে তার নিজ বান্দাগনের জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান
তাহলে আমাদের এ ধরনের জটিলতর সমস্যার সমাধান টা এখন আপনিই একটু করুন?
ভবঘুরে আগস্ট 18, 2012 12:51 অপরাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার,
অল্প কিছু পড়েছি, তবে তার মধ্য হতে নীচের হাদিছটায় আপনার একটি চমৎকার এবং মজাদার ব্যাখ্যার দিকে যে কোন ব্যক্তির দৃষ্টি নিবদ্ধ না হয়ে পারেনা
ভাইজান এ হাদিস টা কিন্তু এ নিবন্ধে দেয়ার ইচ্ছা ছিল না কারন এ নিয়ে আগের কোন কোন প্রবন্ধে ব্যপক আলোচনা হয়েছে , দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র আপনার জন্যে কারন লক্ষ্য করেছি এ হাদিস এর প্রতি আপনার একটা দুর্বার টান আছে
কথায় কথায় আপনি এ হাদিস উল্লেখ করে ইদানিং হুজুরদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দেন
তাই ভাবলাম বিষয়টার একটা কিনারা হওয়া দরকার
উক্ত হাদিস যে কোন আয়াতের ব্যখ্যা সেটা যেমন জানলেন সেই সাথে জানলেন জাকির মিয়ার ব্যখ্যা
এটাও জানলেন যে জাকির মিয়া ইদানিং মোহাম্মদের ব্যখ্যাকেও পরোয়া করছে না
অচেনা আগস্ট 18, 2012 12:06 পূর্বাহ্ন -
ভবঘুরে ভাই, অনেক দিন অপেক্ষা করালেন ১৮তম পর্বটির জন্য
যাক তবু শান্তি লাগছে
এখন খানিকটা পড়লাম, পরে আবার পুরটা ভাল মত পড়ব, এখন ঘুম ধরেছে
আপাত: দৃষ্টিতে আল্লাহর কাছে বলেই মনে হয় , কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কি তাই ?
আমার তো মনে হয় আল্লাহর কাছেই কারন আল্লাহই তো আসলে প্রধান প্যাগান দেবতা কি বলেন?
মুহাম্মদের ইসলামের আগে থেকেই আল্লাহর পুজা হত কাবাতে মক্কার পৌত্তলিক দের মধ্যে
পরে মুহাম্মদ যদিও সবাইকে তাড়িয়ে শুধু আল্লাহকেই রাখল, যেমন জরথ্রুস্ত্র রেখেছিল আহুরা মাযদা কে
সমস্যা এক্টাই যে মুহাম্মদ রীতিমত আল্লাহকে দিল আহরিমানের ( আহুরা মাজদার শত্রু; অন্ধকারের প্রভু )রূপ
যেটুকু পড়লাম এতে বুঝলাম যে মুসলমানরাই সবথেকে বড় পৌত্তলিক কারন কাবা ঘরের পাথর চুমু খাবার সিস্টেম
আপনাকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভাই দেরিতে হলেও ১৮তম পর্বটি নামানোর জন্য
এখন দেখি আমাদের হুজুরেরা ( যেমন হাজি সাহেব সহ আরও অনেক দ্বিনি ভাই বোনেরা)কি বক্তব্য দেন
আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 18, 2012 5:59 পূর্বাহ্ন -
এখন দেখি আমাদের হুজুরেরা ( যেমন হাজি সাহেব সহ আরও অনেক দ্বিনি ভাই বোনেরা)কি বক্তব্য দেন
ভাই অচেনা,
আমার মনে হয়না এতবড় ধারাল প্রবন্ধ কেহ কেহ খন্ডন করতে আসবে
তবে দেখা যাক কেহ আসে নাকি
অচেনা আগস্ট 21, 2012 1:11 পূর্বাহ্ন -
@আঃ হাকিম চাকলাদার, ভাইজান আপনার কথাই ঠিক প্রমাণিত হয়েছে
হুযুরেরা কেউ আসেন নি