content stringlengths 0 129k |
|---|
বিবেক কাঁপানো একজন শোভা বৃত্তান্ত স্কুলে হিন্দুদের_কে_গো_মাংস_খাওয়ানো_হল তেলের দাম কমাতে জো বাইডেনের ঘোষণা শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পরী, পুরস্কার তুলে দিলেন তথ্যমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি 'সনাতন সমাজের' সুফিয়া কামালকে কেন আমাদের স্মরণে রাখতেই হবে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও তৃণমূল নেতৃত্বের ভাবনা কোথায়... |
সিলেটে প্রাচীন শৈব ভাস্কর্যের সন্ধান |
ফের জওয়ানদের উপর মাওবাদী হামলা, মৃত ২ - - | |
আপনি 11 ভার্সনে এই সময় সাইট দেখছেন |
এই সময় সাইট অপটিমাইজড এবং এডজ ও ক্রোম ব্রাউজারে সেরা অভিজ্ঞতা দেয় |
প্লিজ আপনার ব্রাউজার আপডেট করুন |
জলপাইগুড়ি |
আলিপুরদুয়ার |
পশ্চিমবঙ্গ |
সরকারি প্রকল্প |
লাইফস্টাইল |
অ্যাস্ট্রো |
উত্তর-পূর্ব ভারত |
অপরাধ-তদন্ত |
মার্কিন খবর |
তথ্য-তালাশ |
সিটিজেন রিপোর্টার |
লেন্সবন্দি |
ফটো গ্যালারি |
- |
ফের জওয়ানদের উপর মাওবাদী হামলা, মৃত ২ |
| . | : 20, 2021, 8:56 |
ছত্তিশগড়ে হামলা চালাল মাওবাদীরা () |
হামলায় মৃত ২ জওয়ান |
-47, দু'টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও একটি ওয়্য়ারলেস সেট নিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা |
জওয়ানদের উপর হামলা |
এই হামলায় ২ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে |
হামলার পরেই ওই এলাকা থেকে পালিয়ে যায় ওই হামলাকারীরা |
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ছত্তিশগড়ে হামলা চালাল মাওবাদীরা |
ভারতীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে |
এই হামলায় ২ জওয়ান শহিদ হয়েছেন বলে খবর |
বাস্তার জেলার আইজি পি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, হামলার পরেই ওই এলাকা থেকে পালিয়ে যায় ওই হামলাকারীরা |
একটি -47, দু'টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও একটি ওয়্য়ারলেস সেট নিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা |
সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট মোতাবেক, কেড়েমাটা ক্য়াম্পের কাছে ১২টা ১০ নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে |
প্রাথমিক রিপোর্ট মোতাবেক জানা গিয়েছে, -এর ৪৫ নং ব্যাটেলিয়ানের একটি স্কোয়াড টহল দিচ্ছিল, সে সময়ই হামলা চালানো হয় |
জওয়ানদের ওপর হামলার খবরের পরেই আরও নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় |
তাঁরাই দু'জন আইটিবিপি সদস্যের দেহ নিয়ে ফেরে |
জৈশ-লস্করের নাম করে দিল্লির বার্তা |
প্রসঙ্গত, নারায়ণপুর, রাজনন্দগাঁও এবং কোন্দাগাঁও - ছত্তিশগড়ের এই তিনটি জেলাতেই মাও দমনের জন্য আইটিবিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে |
আধা সামরিক বাহিনীর আটটি ব্যাটালিয়ন ছত্তিশগড়ে মোতায়েন করা রয়েছে |
স্বপ্ন দেখতে ভালো লাগে |
ভালো লাগে জানতে |
জানানোর মধ্যেও আনন্দ পাই |
বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে |
জানি তা অসম্ভব |
খুব সল্প সময়ের জন্য এ পৃথিবীতে আসা |
পৃথিবীতে একটু বেশি সময় থাকার জন্যই কিছু লেখার চেষ্টা |
কিছু রেখে যাওয়ার চেষ্টা |
সময় পেলেই বই পড়ি |
প্রোগ্রামিং প্র্যাকটিস করলেও অলস |
আর অলস বলেই হয়তো পড়তে ভালোবাসি |
পৃথিবীতে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধদের বিচারের ব্যাপারটি প্রাচীন-কাল থেকেই চালু রয়েছে |
গ্রীক পুরাণেও যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কিছু বিবরণ পাওয়া যায় |
মধ্যযুগেও রয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের নমুনা |
১৪৭৪ সালে হাগেনবাখের স্যার পিটারকে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিলো |
১৮১৫ সালে পরাজিত ফরাসী সম্রাট নেপোলিয়ানকে অপরাধী ঘোষণা করে বৃটিশ সরকারের কাছে তুলে দেয় ভিয়েনা কংগ্রেস |
ফলস্বরূপ ফলস্বরূপ সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেয়া হয়েছিলো তাঁকে |
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের জন্য দায়ী জার্মানদের বিচারের দায়িত্ব জার্মান সরকারের ওপর ন্যস্ত করে মিত্র শক্তিসমূহ |
১৯২০ সালে ৪৫টি মামলার দায়িত্ব নিয়ে ১২ জনের বিচার করে জার্মানী এবং ছ'জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় |
এ-বিচার 'লাইপজিগ ট্রায়াল' নামে পরিচিত |
যুদ্ধাপরাধীদের লঘুদণ্ড প্রদানের কারণে এ-রায় মেনে নেয়নি মিত্র শক্তি |
মিত্র দেশগুলো নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য ১৯৪৫ সালে ইন্টারন্যাশনাল মিলিট্যারী ট্রাইবুন্যাল গঠন করে |
এটা নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল নামে পরিচিত |
জাপানের যুদ্ধপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত হয় টোকিও ট্রাইবুন্যাল |
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের এখনও যেখানে পাচ্ছে, সেখানে থেকে ধরে আদালতে দাঁড় করিয়ে দেয়া হচ্ছে |
দেশে-দেশে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির অনেক নমুনা রয়েছে |
হিটলারের সহযোগী আইখম্যানকে ১৯৬২ সালে আর্জেটিনা থেকে ধরে বিচারের কাঠগড়ায় আনা হয় |
১৯৯০ সালে বসনিয়া, ক্রৌয়েশিয়া ও কসোভোয় গণহত্যার জন্য মিলেসোভিচকে ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের সামনে দাঁড় করানো হয়েছে |
অত্যন্ত আক্ষেপ আর লজ্জার বিষয় হলেও সত্যি যে, ১৯৭১ সালে এদেশে সংঘটিত পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ গণহত্যার বিচারটি পাবার জন্য এ জাতিকে দীর্ঘ ৪৪ বছর ধরে অপেক্ষা করতে হয়েছে |
সময়ের হিসেবে আর মানুষ হত্যার হিসেবের অনুপাতে বাংলাদেশের গণহত্যাকেই আমি "পৃথিবীর সবচাইতে বৃহৎ গণহত্যা" বলবো |
বর্ণনাতীত নৃশংসতার জন্য হিটলারের নাম বিশ্ব ইতিহাসে সুপরিচিত ; সাথে আরও রয়েছে চেঙ্গিস খান,হালাকু খান,নাদির শাহ্ |
আর সত্তুরের দশকে সেই নৃশংসতার ইতিহাসে আরও যুক্ত হয়েছে তৎকালীন পাকি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান,নিয়াজী,রাও ফরমান আলী ও ব্রিগেডিয়ার বশিরের মতো কিছু নরপিশাচ |
১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চ রাত থেকে শুরু করে ১৬ ই ডিসেম্বর মধ্যাহ্ন পর্যন্ত এই নর পিশাচেরা এদেশের নিরীহ নিরস্ত্র মানুষের উপর যে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে, তাতে নাদির,চেঙ্গিস ও হালাকুর আত্মাও সম্ভবত শিউরে উঠবে |
আঁতকে উঠবে হিটলারের মতো একনিষ্ঠ ঘাতকের অভিশপ্ত আত্মাও |
কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ্য করি এখনো এ জাতি সেসব ঘৃণিত যুদ্ধাপরাধীর বিচারের ইস্যুতে একাত্ম হতে পারে নি |
১৭ কোটির এ দেশটিতে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে দাঁড়াবার মতো লোকের সংখ্যাটা নেহাত কম নয় |
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রসঙ্গে কথা বলতে গেলে এ সমস্ত লোকেরা সর্বপ্রথম যেই প্রশ্নটি করে তা হল "এতো বছর পরে কিসের বিচার!" |
এক্ষেত্রে আমি তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই- ফৌজদারি অপরাধের বিচার কখনো তামাদি হয় না |
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার ২৪ বছর পরে ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ থেকে ২৮শে মার্চ পর্যন্ত মস্কো শহরে ৪ দিনব্যাপী একটি সম্মেলন হয় |
যার আলোচ্য বিষয় ছিল "নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার" |
উক্ত সম্মেলনে রাশিয়াসহ বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, জার্মান প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, রুমানিয়া, চেকোশ্লোভাকিয়া, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, গ্রিস, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, এবং সুইডেনের প্রতিনিধিরা অংশ নেয় |
আলোচনা শেষে সকল প্রতিনিধিরা নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে যে মতামত প্রদান করে সেটার সংখিপ্ত অনুবাদ হল- |
"দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে জার্মান ফ্যাসিবাদী ও সমরবাদীরা শান্তি ও মানবতার বিরুদ্ধে যে অপরাধ করেছিলো তা স্মরণে রেখে, যারা ফ্যাসিবাদীদের অত্যাচার থেকে জনগণকে মুক্ত করার জন্য জীবন দিয়েছেন তাঁদের স্মরণে এনে ; এটা লক্ষনীয় যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার এক শতাব্দীর চতুর্থাংশ পার হলেও পশ্চিম জার্মানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কর... |
আমরা পশ্চিম জার্মানির গণতান্ত্রিক দলকে আহ্বান জানাচ্ছি কোন যুদ্ধাপরাধী যেন শাস্তি থেকে রেহাই না পায় |
তেমন কার্যক্রম জরুরী কারণ নাৎসিদের হাতে অত্যাচারিত ও নিহত লাখ লাখ ব্যক্তির ত্যাগ ও আত্মদান স্মরণে রাখার উদ্দেশ্যে এবং শান্তিময় ভবিষ্যতের নিমিত্তে..." |
তাহলে এবার আমি "এতো বছর পরে কিসের বিচার!"- এই প্রশ্নকারীদের পাল্টা প্রশ্ন করতে চাই- "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এতো বছর পরে যদি নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয়, তবে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কেন নয়?" |
এবার আরেকটি প্রসঙ্গে আসা যাক |
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যুতে কিছু লিখলেই অনেকেই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, "কেন ১৯৭২ সালেই এদের বিচার করা হল না?" |
অনেকে আবার খানিকটা আক্ষেপ করে বলেন, "যদি ১৯৭২ সালেই এসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার করা হতো তাহলে স্বাধীনতার পরে এই ৪৪ বছর যাবত এরা এদেশে এদের শেকড় গাঁড়তে পারতো না, এদের পক্ষে কেউ কথা বলার সাহস পেতো না" |
অনেকে তো আবার সরাসরি বঙ্গবন্ধুকেই দোষারোপ করে বসেন যে, তিনিই নাকি তখন সেরকমভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কোন পদক্ষেপ নেন নি |
আমার এই লেখাটি মূলত তাঁদের জন্যই যারা নিজেদের মনে এরকম সংশয়, রাগ, ক্ষোভ জমিয়ে রেখেছেন |
প্রারম্ভিকাঃ |
মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর সমগ্র বাঙালি জাতি উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করেছিলো মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব নরপিশাচ পাকিস্তানিদের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনসহ যাবতীয় ধ্বংসযজ্ঞে সাহায্য করেছিলো তাদের বিচারের প্রত্যাশায় |
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরে এসে রেসকোর্স ময়দানে জনতার উদ্দেশ্যে বলেন- |
"বিশ্বকে মানবতার ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের তদন্ত অবশ্যই করতে হবে |
একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক দল এই বর্বরতার তদন্ত করুক এটাই আমার কামনা"(দৈনিক বাংলা, ১১/১/৭২) |
এমনকি সেই সময়ে বহির্বিশ্ব থেকে যারা সহানুভূতি জানাতে এদেশে এসেছিলেন তাঁরাও বিশেষ ট্রাইবুনালে সকল যুদ্ধাপরাধীকে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানায় |
এ প্রসঙ্গে কিছু ঘটনা উল্লেখ করিঃ- বিশ্ব শান্তি পরিষদ প্রতিনিধি দলের নেত্রী মাদাম ইসাবেলা রুম ১৯৭২ সালের ২০ শে জানুয়ারি ঢাকায় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন- |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.