content
stringlengths
0
129k
ইউকেবেঙ্গলি, ১৬ জুন ২০১১, বৃহস্পতিবারঃ শ্যাডৌ চ্যান্সেলার এড বলস বলেছেন ব্রিটেইনের 'ফ্ল্যাটেনিং' (মন্দাগামী) অর্থনীতির 'জাম্প-স্টার্ট' (গতিসঞ্চার) করার জন্য চ্যান্সেলার অফ এক্সচেকার জর্জ ঔসবর্নের উচিত ভিএটি'র বৃদ্ধিকরা হার সাময়িকভাবে হলেও প্রত্যাহার করা
বৃহস্পতিবার লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে ..."
৩০ জুন ধর্মঘটঃ পেনশন-কাটা'র বিরুদ্ধে শিক্ষকদের সাথে সরকারী কর্মচারীরাও
বুধ, 15/06/2011 - 22:27'এ লিখেছেন
ইউকেবেঙ্গলি, ১৫ জুন ২০১১, বুধবারঃ শিক্ষক ও লেকচারারদের ইউনিয়নগুলো সরকারের পেনশন-কাটার বিরুদ্ধে আগামী ৩০শে জুন ধর্মঘটে যাবার যে-সিদ্ধান্ত মঙ্গলবারে গ্রহণ করেছে, তার সাথে সমান পদক্ষেপে চলে বৃহত্তর আঘাত হানার জন্য সরকারী কর্মচারীদের ইউনিয়ন পিসিএস সদস্যরা ধর্মঘটের পক্ষে ..."
এনএইচএস ফিউচার ফোরামের সুপারিশ মেনেছে সরকারঃ মূল নীতিমালা অপরিবর্তিত
বুধ, 15/06/2011 - 20:04'এ লিখেছেন
ইউকেবেঙ্গলি, ১৫ জুন ২০১১, বুধবারঃ প্রোফেসর স্টিভ ফীল্ডের নেতৃত্বাধীন এনএইচএস ফিউচার ফোরাম সোমবার হেলথ সেক্রেট্যারী ল্যান্সলীর আদি পরিবর্তন-প্রস্তাবের মূল-নীতিমালা অটুট রেখে কতিপয় পরিবর্তনের যে-সুপারিশ করেছে, সরকার আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছে
সরকারের ..."
মাদকের বিনিময়ে বালিকাদের যৌনগত শোষণঃ ম্যানচেস্টারে সংগঠিত চক্র গ্রেফতার
মঙ্গল, 14/06/2011 - 13:10'এ লিখেছেন
ম্যানচেস্টার
ইউকেবেঙ্গলি, ১৪ জুন ২০১১ মঙ্গলবারঃ টীনএইজ মেয়েদের যৌনগত শোষণের অভিযোগে বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের পুলিস একাধিক অভিযান চালিয়ে ৬ পুরুষকে গ্রেফতার করেছে
প্রায় ১০০ গোয়েন্দার সম্পৃক্তি ও তিন মাসের তদন্তের পর এ-অভিযান চালানো হয়
পাক্ষিকের পক্ষে সরকারঃ সাপ্তাহিক ময়লা সংগ্রহের সংকল্প ভেস্তে গেলো
মঙ্গল, 14/06/2011 - 12:11'এ লিখেছেন
ব্যয় সংকোচন
ইউকেবেঙ্গলি, ১৪ জুন ২০১১, মঙ্গলবারঃ সরকারের শূন্য-অপচয় অর্থনীতির দিকে পদেক্ষপ হিসেবে কাউন্সিল কর্তৃক সাপ্তাহিক ময়লা সংগ্রহের প্রতিশ্রুতি নাকচ করে দিয়ে দ্বিসাপ্তাহিক করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা দৃশ্যতঃ শ্যামল আন্দোলনকারীদের জন্য একটি বিজয় বটে
রাজকীয় নৌ-প্রধানের সতর্কতাঃ লিবিয়াতে দীর্ঘায়িত অভিযান চালানো সম্ভব নয়
মঙ্গল, 14/06/2011 - 11:30'এ লিখেছেন
ইউকেবেঙ্গলি, ১৪ জুন ২০১১, মঙ্গলবারঃ রয়্যাল নেভীর ফার্স্ট সী-লর্ড এ্যাডমিরাল স্যার মার্ক স্ট্যানহৌপ সোমবার সতর্কতা জানিয়ে বলেন, সরকার তার করণীয় বিষয়ে অগ্রাধিকার নিরূপণের কঠিন সিদ্ধান্তবলী গ্রহণ করতে না পারলে এ-গ্রীষ্মের পর লিবিয়াকে ঘিরে নৌবহরের বর্তমান মাত্রার অভিযান চালানো সম্ভব হবে না
খুলনা বিভাগ---সিলেট বিভাগঢাকা বিভাগচট্রগ্রাম বিভাগরাজশাহী বিভাগময়মনসিংহ বিভাগরংপুর বিভাগবরিশাল বিভাগখুলনা বিভাগ
নামে বেনামে, জানিয়ে, না জানিয়ে, বিভিন্ন অনলাইন গ্রূপ বা পেজে আমার মতো অভাজনকে যখন কেউ সংযুক্ত করে, তখন মানুষ হিসেবে নিজেকে বেশ গুরুত্বপূর্ন মনে হয়
কিন্তু মুশকীল হল, এরকম (মূলত ফেসবুক কেন্দ্রীক) প্রায় ডজনখানিক প্রোফেশনাল ও সোশ্যাল গ্রূপে যুক্ত হবার পর প্রায়ই পরীক্ষা করে দেখি, ওই গ্রূপগুলোর কয়েকটাতে কোনো লেখা দিলে ৭ দিনেও এপ্রূভ হয় না
অন্যদের পোষ্টেও দেখি পাঠক ২ জন, ৭ জন, ১০ জন
কেউ হয়তো ওখানে কোনো সিরিয়াস প্রশ্ন করেছেন
তার কোনো উত্তর নেই
কেউ কুইজ দিয়েছেন, তার উত্তর পরেছে গোটা দশেক
কুইজদাতার খবর নেই
সদস্যদের কোনো একটিভিটি নেই
গ্রূপ খুলে বসে আছেন একেকজন
যে যেভাবে পেরেছেন খুলেছেন আর মানুষকে জুড়েছেন
গ্রূপ খুলতে তো পয়সা লাগে না
ফেসবুক কেন্দ্রীক প্রগতি চর্চার একটা বন্যা বইছে দেশে
হাজার হাজার গ্রূপ-প্রোফেশনাল ও সোশ্যাল-দুটোই
কোনো শেয়ারিং, বিনিময়, আলোচনা, তথ্য দান, প্রশ্ন, অভিজ্ঞতা বিনিময়, জ্ঞান শেয়ারিং কিছু নেই-এমন গ্রূপের সংখ্যাও অসংখ্য
খালি প্লাটফরমের পর প্লাটফরম গড়ে উঠছে
কী চাচ্ছি আমরা? একই অবস্থা এইচআর/কমপ্লায়েন্স/এ্যাডমিনের কর্মীদের প্লাটফরমের
কেউ কেউ দৈত্যাকার সংগঠনে রূপ নিয়েছেন, তারা আকার বড় করা আর বছরে কয়েকটা পিকনিক টাইপের গেট টুগেদার কিংবা কনফারেন্স করেই হাত ধুয়ে ফেলছেন
পাশাপাশি বাজার পাচ্ছে "কী নোট স্পিকার" এর চেয়ার দখলের ব্যাপক মহোৎসব আর পদের কাড়াকাড়ি
তাদের সুখে ইর্ষান্বিত হয়ে আরো হাজার হাজার এ্যাসোসিয়েশন, গ্রূপ, ফোরাম, দল, উপদল জন্ম নিয়েছে ও নিচ্ছে
অলিতে গলিতে সংগঠন, সেক্টরওয়াইজ সংগঠন, এলাকাভিত্তিক সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে সংগঠন, থানা বা সাবজেক্ট সূত্রে পেশাজীবি সংগঠন
সবারই মহৎ উদ্দেশ্য-এইচআর/কমপ্লায়েন্স/এ্যাডমিন প্রোফেশনালদের ভাগ্যোন্নয়ন
এতগুলো এ্যাসোসিয়েশন, হয়তো এত কর্মীও দেশে নেই
আমার সহকর্মীর কাছ থেকে একবার একটা সমিতির নাম শুনে হেসে মরেছিলাম-"উত্তরা বারো নম্বরস্থ লাইসেন্সবিহীন ভ্যানচালক সমিতি
" দেশে এইচআর, কমপ্লায়েন্স, এ্যডমিন নিয়ে যে হারে 'আমরা নিজেরাই রাজা' ধরনের ভূড়ি ভূড়ি সংগঠন প্রতিদিন পয়দা পাচ্ছে, তাতে অচীরেই মহল্লা বা গলির ভিত্তিতেও সংগঠন পয়দা হতে পারে
যেমন, "মিরপুর লাভ রোডস্থ চাকরি হারানো বিদগ্ধ এইচআর সমিতি"
পদ পাচ্ছি না, মনের মতো কিছু হচ্ছে না
ব্যস নতুন একটা সংগঠন
মুশকীল হল, এত এত সংগঠনের জন্য উপদেষ্টার ভান্ডারে টান পড়েছে
ফলাফল, এ্যডহক উপদেষ্টা, ভারপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, তাত্ত্বিক উপদেষ্টা, 'পরে নাম দেয়া হবে উপদেষ্টা' দিয়ে ব্যানার বানানো হচ্ছে
উদভ্রান্ত কর্মীরা দ্বিধাগ্রস্থ ও কানাউলায় আক্রান্ত
কোনটা ছেড়ে কোনটার সদস্য হব-ধন্দে পড়ে যাই
কোনটা ছেড়ে কোনটায় গেলে আগেরটার তিক্ততার মুখোমুখি হব না-বুঝতে পারি না
ফলে বারবার ঠোক্কর খেয়ে নতুন আরেকটাতে যাই
দু'দিন যেতে না যেতেই থোড়-বড়ি-খাড়া>খাড়া-বড়ি-থোড়
[হ্যা, অবশ্যই সবাই নন
আরেকটা মড়ক শুরু হয়েছে বিগত ৩-৪ বছর ধরে
বাংলাদেশে যে কারনেই হোক, প্রশিক্ষন বিষয়টার বিপুল আলোড়ন শুরু হয়েছে
আলোড়নটি সৃষ্টি হবার বিভিন্নমুখী কারন রয়েছে
তবে বাংলাদেশে যা হয় আরকি? ওই যে, কেউ একজন ফুড বিজনেসে সাফল্য পেয়েছে
ব্যাস, গোটা ঢাকা শহরে শুধু খাবারের দোকান আর দোকান
দেশে আর কোনো ব্যবসা যেন বেঁচে নেই
তেমনি করে, ট্রেইনিং এখন একটি লাভজনক পেশা
প্রতিদিন আমি দাওয়াত পাই অন্তত প্রায় ৫০ টি ট্রেইনিং এর-মেইলে, মেসেঞ্জারে, লিংকডইন মেসেজে, সদস্য আছি-এমন গ্রূপে
অত্যন্ত আশাপ্রদ ঘটনা, যে, মানুষ ট্রেনিং নিতে আগ্রহ পাচ্ছে
কিন্তু সমস্যাটা হল, যত ট্রেনিং হচ্ছে বা আয়োজিত হচ্ছে, তার কতটা মানসম্পন্ন? মান মানে অনেক কিছু, যার মধ্যে বিষয়ের যুগোপযোগীতাসহ অনেক কিছু জড়িত
যোগ্যতা সম্পন্ন ট্রেইনার, ম্যাটেরিয়াল, লজিসটিকস, সময়, ইভ্যালুয়েশন-এগুলোও মানসম্পন্ন ট্রেনিং এর অনুসঙ্গ
আমি একটু সন্দিহান, প্রতিদিন যত যত ট্রেনিং হচ্ছে, তার কতটা সত্যিই মানোত্তীর্ন
যারা ট্রেনিং নিচ্ছেন, তারা আসলে একটি এক পাতার পার্টিসিপেশন সনদ ছাড়া আর কী পাচ্ছেন? ফ্রি বা বিনামূল্যে ট্রেনিং তো অবশ্যই সম্ভব নয়
কিন্তু তাই বলে, ট্রেনিং দেবার মূল লক্ষ্য যদি হয় ব্যবসা বা পেশা-তবে সেটা সবক্ষেত্রে ইতিবাচক নাও হতে পারে
এর পাশাপাশি শুরু হয়েছে প্রোফেশনাল বাহুবলি কে হবেন, কে হবেন বিভিন্ন সেক্টরের মহাদেব-তাই নিয়ে কুরুক্ষেত্র
বিভিন্ন সেক্টরের মহান পিতা হিসেবে অমরত্ব দাবী জমা পড়ছে প্রতিনিয়ত
জায়ান্ট যারা আছেন তারা আখের গুছিয়ে নিয়ে এখন ফিতা কেঁটে দিন কাটাচ্ছেন
আর যারা কাঁটবার মতো ফিতা পাচ্ছেন না, তারা অপরের পাজামার ফিতা খুলে নেবার চেষ্টায় পরস্পরের চরিত্রস্খলন, কাদা ছোঁড়াছুড়ি করে সময় কাটাচ্ছেন
একজন চান্স পেলে অনলাইনে সরাসরি কিংবা ছদ্মভাষায় ল্যাঙ মারছেন
কারো ভাল কাজ দেখলে সেটাকে ইনিয়ে বিনিয়ে পঁচাচ্ছেন
না পারলে নিজের নাক কেঁটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করছেন
আমজনতা প্রোফেশনাল যে কয়জন নিরপেক্ষ এখনো আছেন কিংবা যারা উদভ্রান্ত, দ্বিধাগ্রস্থ বা কানাউলায় আক্রান্ত-তাদের রোজ খন্ড খন্ড করে ভাগাভাগি করে নিজের কোর্টে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছেন
করুন, সেটা তাদের পছন্দ
কিন্তু আমাদের মতো চুনোপুঁটিদের কী হবে? আমরা যে একটু দু'পয়সা করে খাব, সবার আশির্বাদ নেব, সেটার রাস্তাও তো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
আর বড়দের যুদ্ধের পাটা-পুতায় মরিচ পেষা হয়ে শ্যাম রাখি না কূল রাখি অবস্থা আমাদের
বিব্রত আমরা আমজনতা
দয়া করে সবাই সব ভেদাভেদ/হামবড়ায়ি/দ্বন্দ্ব/মতভেদ স্বত্ত্বেও এক হোন
এক হতে না পারেন নিজেরা চুপ থাকুন
আমাদের দ্বিখন্ড, ত্রিখন্ড না করুন
আপনি যদি সেক্টরের স্বপ্নদ্রষ্টা, আদি পিতা হয়েই থাকেন, আমরা আপনাকে এমনিতেই চিনি, আপনাকে শ্রদ্ধা করি, আপনার পাওনা সম্মানটুুকু দিই
আপনাকে নিজের অমরত্ব নিজে দাবী করতে হবে না
[এমনটা অবশ্যই সবাই নন
যারা নন, তারা এর আওতার বাইরে
আর যারা ভাল কাজ করছেন তারা নমস্যঃ ব্যক্তিত্ব
কেউ ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না দয়া করে
আমাদের আরএমজি সেক্টরের বয়স চার দশক হতে চলল
এমন একটি স্থায়ী সেক্টরের জন্য প্র্রফেশনাল সংগঠন তৈরীর স্বপ্ন দেখা, ভিত্তি প্রতিষ্ঠা, কাঠামো দেয়া'র মতো কঠিন কাজটি কিন্তু সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ
আমাদের এর চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হল, সংগঠনকে গোছানো, বড় করা, সুসংগঠিত করা, স্থিতিশীল করা, বহুমুখী করা; আর হ্যা, অবশ্যই, এর সদস্যদের জন্য একটি সত্যিকারের প্রোফেশনাল প্লাটফরমে পরিণত করা