content stringlengths 0 129k |
|---|
মনে রাখতে হবে, আমরা কোনো এলিট ক্লাব দেখতে চাই না |
আমরা চাই গণমানুষের সংগঠন বানাতে |
মান যেমনই হোক, আরএমজির (আসলে /এ্যাডমিন/কমপ্লায়েন্স এর একটি সম্মিলিত রূপ) যেকোনো বিচারে, আকারে ও ব্যাপ্তিতে দেশের বৃহত্তম |
তাদের বাস্তবতা ও গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সংগঠন এর স্ট্রাটেজিক প্যাটার্ন সাজানো উচিৎ |
১৬.সংগঠনে একটি গবেষনা ও থীংক ট্যাংক সেল করতে হবে যারা মূল গ্রূপকে এ্যাসিস্ট করবে |
আর মূল কমিটি/ইসির সাথে ওই সেলকে সিংক্রোনাইজড করতে হবে |
১৭.সরকার কর্তৃক সৃষ্ট ওয়েলফেয়ার ফান্ড এর আদলে সংগঠনের নিজস্ব একটি ফান্ড থাকা দরকার |
যেখান থেকে নিয়মিত তার সদস্যদের আর্থিক সাহায্য, লোন, দান এমনকি সম্ভব হলে পেনশন বা এককালীন ভাতাও দেয়ার কথা ভাবা যেতে পারে |
আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সংগঠক হিসেবে খুব ভাল নই |
কিন্তু তারপরও সংগঠন নিয়ে আমার এত কনসার্নড হবার একটা কারন হল, দেশে সত্যিকারভাবেই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বেসরকারী পেশাদার সংগঠন থাকা দরকার |
যার সবরকম ক্ষেত্র প্রস্তুত হয়ে আছে |
বিভিন্ন সংগঠনের উপর অনুযোগ ও আশাহত হবার ঘটনা হতে প্রচুর বিচ্ছিন্ন ও প্রান্তিক সংগঠন গড়ে উঠেছে ও উঠবে |
যার ফলে প্র্রোফেশনালদের, বিশেষত এইচআরের ঐক্য দিন দিন আরো নষ্ট হবে |
তাছাড়া একটি সংগঠন যদি তার কাজটা না করে আর কেউ যদি সেই বাস্তবতা হতেই আরেকটি সংগঠন দাড়া করার চেষ্টা করে, তাকে দোষ দেয়া যায় না |
আমি আশা করি, আমাদের সংগঠনগুলো তাদের করনীয়টি এই বাস্তবতা হতেই ঠিক করবে |
সংগঠন যেন কোনো বিশেষ ব্যক্তি, দল, ফোরাম, অঞ্চল, পেশা, মুগ্ধতা, কৃতজ্ঞতার সংগঠন না হয় |
এ ঘটনায় জীবিত উ'দ্ধার করা হয়েছে দুজনকে, নি'খোঁজ আরও একজন |
নি'হতদের মধ্যে এক শি'শু ও ৫ জন নারী রয়েছেন |
তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি এখনও |
কর্তৃপক্ষ জানায়, বুধবার ফ্রান্স উপকূল থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ব্রিটেনে প্রবেশের চেষ্টা করছিল অ'ভিবাসন প্রত্যাশী দলটি |
ছোট ডিঙ্গিতে গাদাগাদি করে তোলা হয় প্রায় ৪০ জনকে |
স্রোত অনেক বেশি থাকায় এক পর্যায়ে দুর্ঘ'টনার কবলে পড়ে এটি |
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন |
চলতি বছর ইংলিশ চ্যানেলে অ'পর এক দুর্ঘ'টনায় মৃ'ত্যু হয়েছিল ১৪ জনের |
এই অঞ্চলে অ'ভিবাসী সংকটের জন্য যু'ক্তরাজ্যকে দায়ী করছে ফ্রান্স |
তাদের দাবি, ব্রিটেনের উচিত অ'ভিবাসী নীতিমালায় পরিবর্তন আনা |
বিজ্ঞান ব্লগ > ব্লগ > অনুবাদ > একমেবাদ্বিতীয়ম্ সংযোজন > সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো? |
সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো? |
লিখেছেন আরাফাত রহমান 16, 2021 পড়তে 6 মিনিট লাগবে |
: 30, 2021 |
পাঠসংখ্যা: 👁️ 59 |
এর পরে পড়ুন |
যে ভাইরাসটি মানুষকে বৃক্ষে পরিণত করতে পারে |
[একমেবাদ্বিতীয়ম্ সংযোজন - ২য় কিস্তি] |
সুকেন্দ্রীক-কোষের কিছু অংশ এক সময় অন্তঃমিথোজীবী স্বাধীন অণুজীব হিসেবে ছিলো যারা পরবর্তীতে অন্য কোষের মধ্যে স্থায়ী ঠিকানা গড়ে নেয় - রাশিয়ান বিজ্ঞানী কনস্ট্যানটিন মেরেস্কোস্কি ১৯০৫ সালে সর্বপ্রথম এ ধারণা দেন |
তিনি ভেবেছিলেন নিউক্লিয়াস এভাবে গড়ে উঠেছে, আর সৌরালোক থেকে উদ্ভিদকোষকে শক্তি জোগানো ক্লোরোপ্লাস্টের উদ্ভবও একইভাবে |
অন্তঃমিথোজীবির তালিকায় প্রথমে মাইটোকন্ড্রিয়া বাদ গেলেও ১৯২৩ সালে আমেরিকান শরীরবিদ ইভান ওয়ালিন একে যুক্ত করেন |
ধারাবাহিকের সূচী: |
ধারাবাহিকের সূচী: |
কিস্তি ১. প্রাণের প্রথম একশ কোটি বছর কেন একঘেয়ে ছিলো? |
কিস্তি ২. সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব কেন অসম্ভব-সম্ভাবনা ছিলো? |
কিস্তি ৩. প্রাককেন্দ্রিক জিনেরা সুকেন্দ্রিক জিনোমে কিভাবে কর্মবিভাজন করলো? |
কিস্তি ৪. মাইটোকন্ড্রিয়াহীন সুকেন্দ্রিকদের হুমকি সামলানো গেলো কিভাবে? |
কিস্তি ৫. কোষের শক্তি কোথেকে আসে? |
কিস্তি ৬. কেন সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব গবেষণায় অনিশ্চয়তা নিশ্চিত? |
দশকের পর দশক ধরে এসব ভাবনা উপেক্ষিত ছিলো, যতক্ষণ না আমেরিকান জীববিজ্ঞানী লিন মার্গুলিস ১৯৬৭ সালে তাদের পুনর্জাগরিত করেন |
একটি বৈপ্লবিক নিবন্ধে তিনি বলেন মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্ট একসময় মুক্ত-ব্যক্টেরিয়া ছিলো যাদেরকে অন্য একটি প্রাচীন অণুজীব পরপর গিলে ফেলেছে |
মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টের মধ্যে ধারণকৃত জিনোম দেখতে ব্যক্টেরিয়া জিনোমের মতো মনে হওয়ার এটাই কারণ |
মাগুলিস বললেন যে অন্তঃমিথোজীবিতা কোন পাগলামী বা উদ্ভট ধারণা নয় - বরং সুকেন্দ্রীকদের আগমণ-সংগীতে বাজানো স্থায়ী সুর, যা বার বার ফিরে আসবে |
লিন মার্গুইলিস |
১৯৭০-এর দশকে তিনি এন্ডোসিম্বায়োসিস তত্ত্বকে বিজ্ঞানীমহলে প্রতিষ্ঠিত করেন |
সেই বৈজ্ঞানিক নিবন্ধটি জীবকোষবিদ্যা, জৈবরসায়ন, ভূতত্ত্ব, জিনতত্ত্ব ও জীবাশ্মবিদ্যার ক্ষেত্রে বিশেষ নৈপূণ্যের সাথে উপস্থাপিত একটি প্রস্তাবনা ছিলো |
সেই নিবন্ধের উপসংহার ছিলো তৎকালীন জীববিজ্ঞানের ভাবনা-গন্ডীর বাইরে |
সে সময় বেশিরভাগ মানুষ ভাবতো যে মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের অন্য অংশ থেকে বিবর্তিত |
জার্মানির হেনরিখ হেইন ইউনিভার্সিটির বিল মার্টিন বলেন, |
"অন্তঃমিথোজীবিতা ছিলো নিষিদ্ধ |
আপনাকে কোন লুকোনো কুঠুরিতে গিয়ে নিজের কানে এ কথা ফিসফিস করতে হবে; ভাবনাটা আরেকবার ফিরে আসার আগেই |
বিল মার্টিন, হেনরিখ হেইন ইউনিভার্সিটি |
মার্গুইলিসের মতামত তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হলেও তিনি সমান-তেজে সেগুলো প্রতিরোধ করেছেন |
বেশ দ্রুতই তিনি উপযুক্ত প্রমাণের সমর্থন পেলেন |
বংশগতির গবেষণায় দেখা গেল মাইটোকন্ড্রিয়ার ডি.এন.এ. মুক্ত-ব্যক্টেরিয়ার ডি.এন.এ.-র মতো একই রকমের |
সকল প্রাণী ও উদ্ভিদ কোষে অনুপ্রবিষ্ট হওয়া সমবায়ী যে প্রাচীন ব্যক্টেরিয়ারই উত্তরপুরুষ তা নিয়ে বর্তমানে খুব কম বিজ্ঞানীই সন্দেহ পোষণ করেন |
তবে সেই আদিম-সংযোজনের সময়কাল, অংশগ্রহণকারীদের প্রকৃতি, আর সুকেন্দ্রিক-কোষের উদ্ভবে সংযোজনের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে এখনো উত্তপ্ত বিতর্ক চলে |
সাম্প্রতিক দশকগুলোতে সুকেন্দ্রিক কোষের উদ্ভব নিয়ে নতুন নতুন তত্ত্ব পুরানোগুলো পরীক্ষিত হওয়ার চেয়ে দ্রুতগতিতে তৈরি হচ্ছে |
বেশিরভাগ বয়ানকেই দুইটি শিবিরে ভাগ করা যায় |
লিন মার্গুইলিসের তত্ত্ব অনুযায়ী এন্ডোসিম্বায়োসিস যেভাবে হয়েছে |
জার্নালে প্রকাশিত |
প্রথম শিবিরকে বলা যায় "ক্রম-উদ্ভব" দল - যারা দাবী করেন যে প্রাককেন্দ্রীকরা ক্রমেই তাদের আকার বৃদ্ধি করেছে, নিউক্লিয়াস ও অন্যান্য কোষ গলাধঃকরণের মতো বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে |
এভাবেই প্রাক-সুকেন্দ্রিকরা মাইটোকন্ড্রিয়া অর্জন করেছে, কারণ তারা নিয়মিতই ব্যক্টেরিয়া গ্রাস করতো |
এই কাহিনী ধীরগতির, চাঞ্চল্যহীন এবং ধরনের দিক দিয়ে ধ্রুপদী ডারউইনিয় |
মাইটোকন্ড্রিয়া অর্জন হলো এই দীর্ঘ রূপান্তর প্রক্রিয়ায় কেবল একটি মাত্র ধাপ |
মার্গুইলিস জীবনের শেষ পর্যন্ত এই কাহিনীতেই ধারণাটিই সমর্থন করতেন |
অন্যপক্ষকে বলা যায় "হঠাৎ-উদ্ভব" শিবির |
এটি পূর্বোক্ত মতামতকে নাকচ করে দিয়ে বলে যে নাটকীয়ভাবে দু'টি প্রাককেন্দ্রিক কোষের হঠাৎ-সংযোজনের মাধ্যমে সুকেন্দ্রিকরা উৎপন্ন হয়েছে |
বহুকাল আগে একটি ব্যক্টেরিয়া ছিলো |
আর ছিলো প্রাককেন্দ্রিকদের আরেক কুলীন বংশ: আর্কিয়া (আর্কিয়া নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরে) |
এই দুই অণুজীব বাইরে থেকে দেখতে এক রকম হলেও প্রাণ-রসায়নের দিক দিয়ে একেবারেই ভিন্ন, যেমন উইন্ডোজ ও ম্যাক তাদের অপারেটিং সিস্টেমের দিক দিয়ে ভিন্ন |
এরা সংযোজিত হওয়ার মাধ্যমে গড়ে তুললো সুকেন্দ্রিকদের প্রারম্ভ |
বিল মার্টিন ও মিকলোস মুলার এই ভাবনার প্রথমিক রূপ এগিয়ে নিয়ে যান ১৯৯৮ সালে |
তারা একে ডাকা শুরু করলেন হাইড্রোজনে অনুকল্প নামে |
এ নামের কারণ হলো একটি প্রাচীন আর্কিয়া: যা তাদের অনেক উত্তরসূরীদের মতোই হাইড্রোজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড যুক্ত করে মিথেন বানানোর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি সংগ্রহ করে |
সে আর্কিয়া উপজাত হিসেবে হাইড্রোজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড তৈরি করা একটি ব্যক্টেরিয়ার সাথে অংশীদারী শুরু করলো, যে উপজাত পূর্বোক্ত আকিয়া শক্তি তৈরির জন্য ব্যবহার করতে পারে |
সময়ের সাথে সাথে তারা অবিচ্ছেদ্য হয়ে পড়লো আর |
ঐ ব্যক্টেরিয়া পরিণত হলো মাইটোকন্ড্রিয়ায় |
এই অনুকল্পের অনেকগুলো ভিন্ন পাঠ আছে, যারা মিলনের কারণ ও ঐ মিলনে যে আর্কিয়া এবং ব্যক্টেরিয়া অংশ নিয়েছিলো তার প্রকৃত পরিচয় নিয়ে আলাদা যুক্তি প্রয়োগ করে |
কিন্তু সকলেই ক্রম-উদ্ভব শিবির থেকে আলাদা একটি বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একাট্টা বলে - সকলেই বলে যে পোষক কোষটি ছিলো অকৃত্রিম প্রাককেন্দ্রিক |
তা ছিলো আগাগোড়া আর্কিয়া |
এটা আকারে বড়ো ছিলো না |
এর কোন নিউক্লিয়াসও ছিলো না |
এটা সুকেন্দ্রিক হওয়ার রাস্তায় অগ্রসর হচ্ছিলো না |
তবে হঠাৎ করে একটি ব্যক্টেরিয়াকে নিজের সাথে যুক্ত করে আর্কিয়া বিবর্তনের নতুন পথে চলা শুরু করে |
মার্টিন বলেন, "উদ্ভাবনগুলো পরে এসেছিলো |
" (মানে সুকেন্দ্রিক কোষের বর্ধিত আকার কিংবা বড় জিনোমের মতো দারুণ সব বৈশিষ্ট্যগুলো পরে এসেছিলো - অনুবাদক) |
এই পার্থক্য খুব গুরুত্বপূর্ণ না হয়ে পারে না |
হঠাৎ-উদ্ভব মত অনুযায়ী প্রথম দিকের সুকেন্দ্রিকদের ক্রমান্বয়ে অর্জিত অনেকগুলো অভিযোজনের মধ্যে মাইটোকন্ড্রিয়া একটি উদাহরণ নয় |
লেন বলেন, "মাইটোকন্ড্রিয়া অর্জন করাই ছিলো সুকেন্দ্রিকদের উদ্ভব |
দুইটি একই ঘটনা |
" যদি তাই হয়, তাহলে সুকেন্দ্রিকদের অভ্যুত্থান বিবর্তনীয় রূপান্তরের ক্ষেত্রে চোখ, কিংবা সালোকসংশ্লেষণ কিংবা প্রাণীদের সাগর থেকে ভূমিতে ওঠার ধারাবাহিক পরিবর্তনের তুলনায় মূলগতভাবে একেবারেই ভিন্ন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.