content stringlengths 0 129k |
|---|
মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে |
লগিন করুন সহজেই! |
ই-বুক ডাউনলোড করুন |
স্পটলাইট |
ফিরে দেখা শেষ দশক (২০১০-১৯) |
সাম্প্রতিক খবরাখবর |
সাদা-কালোয় বহুবর্ণের মুক্তিযুদ্ধ, 'লাল মোরগের ঝুঁটি' ট্রেলার |
নভে. ২৬, ২০২১ |
১০ হলে 'নোনা জলের কাব্য' ও তৃতীয় সপ্তাহে 'রেহানা'র ৭ হল |
নভে. ২৬, ২০২১ |
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক পরিবর্তন করে ছাড়পত্র পেল 'অমানুষ' |
নভে. ২৫, ২০২১ |
গঙ্গামতী চরের জেলেরা সবার আগে দেখলো 'নোনা জলের কাব্য' |
নভে. ২৪, ২০২১ |
সেন্সরে নিষিদ্ধ হয়ে ইউটিউবে 'নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প' |
নভে. ২৩, ২০২১ |
১৫০ পর্বের ওয়েব সিরিজ হয়ে যাচ্ছে ৮ পর্বের সিনেমা! |
নভে. ২২, ২০২১ |
লগিন করুন সহজেই! |
বিএমডিবি'র পরিচিতি |
এদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে একটি বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে এবং হয়তো বর্তমান সময়টা একটি বিপ্লবকালীন সময় |
এই বিপ্লবকে বেগবান করে তুলতেই বাংলা মুভি ডেটাবেজ - বাংলাদেশী সিনেমার ডেটাবেজ |
বাংলাদেশী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির এই পরিবর্তনকালীন সময়ে বাংলাদেশী চলচ্চিত্র বিপ্লবকে অনুভব করতে, বিপ্লবের সাক্ষী হতে বাংলা মুভি ডেটাবেজ এর সাথে থাকুন |
ধন্যবাদ |
এন্নিন (জিকাকু দাইশি[://..//]), জাপানই তেন্দাই ধারায় মিক্ক্যো বা নিদর্শন ধারার প্রচলন আনেন, যা পরবর্তীতে তামিৎসু বলে পরিচিতি লাভ করে |
তেন্দাই তামিৎসু মতবাদ অনুযায়ী পদ্ম সূত্রের পাশাপাশি বিদর্শন ধ্যানও গুরুত্বপূর্ণ |
এভাবে, মন্ত্র জপ করে, নির্দিষ্ট মুদ্রাতে(ধ্যান আসন), বিদর্শন ধ্যানের মাধ্যমেই নির্বান লাভ করা সম্ভব |
তিমিৎসু ধারার উৎপত্তি চীন থেকে, এবং কুকাই (কোবো দাইশি[://..//%5%]) ধারা থেকে এর ব্যপ্তি ঘটে |
<>u (২০১৩), '' : u '', কলাম্বিয়া ইঊনিভার্সিটি প্রেস, পৃ. ৪৫ </> |
'://..//.?=ব্যবহারকারী:__/&=5241484' থেকে আনীত |
এ পৃষ্ঠায় শেষ পরিবর্তন হয়েছিল ১২:২৩টার সময়, ৯ জুলাই ২০২১ তারিখে |
লেখাগুলো ক্রিয়েটিভ কমন্স অ্যাট্রিবিউশন/শেয়ার-আলাইক লাইসেন্সের আওতাভুক্ত; এর সাথে বাড়তি শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে |
এই সাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে, আপনি এটি ব্যবহারের শর্তাবলী ও এর গোপনীয়তা নীতির সাথে সম্মত হচ্ছেন |
উইকিপিডিয়া®, অলাভজনক সংস্থা উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক |
ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে |
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয় |
ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ |
এই গাছের কোন পাতা নেই |
ড্রাগন ফলের গাছ সাধারনত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে |
বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কতৃক উদ্ভাবিত ড্রগন ফলের নতুন জাতটি হলো বারি ড্রাগন ফল-১ যা দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয় ফল |
এ ফলের আকার বড়, পাকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির |
ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম |
একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে |
ড্রাগন ফল পরিচিতি |
ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ |
ড্রাগন ফলের চাষ পদ্ধতি |
ড্রাগন ফল সংগ্রহ |
ড্রাগন ফল পরিচিতি |
ড্রাগন ফল সাধারণত তিন প্রজাতির হয়ে থাকে- |
১) লাল ড্রাগন ফল বা পিটাইয়া |
এর খোসার রঙ লাল ও শাঁস সাদা |
এই প্রজাতির ফলই বেশি দেখতে পাওয়া যায় |
২) কোস্টারিকা ড্রাগন ফল |
খোসা ও শাঁস উভয়ের রঙই লাল |
৩) হলুদ রঙের ড্রাগন ফল |
এই জাতের ড্রাগন ফলের খোসা হলুদ রঙের ও শাঁসের রঙ সাদা |
জাতঃ বাংলাদেশে উদ্ভাবিত জাতগুলো হলো- |
বারি ড্রাগন ফল-১, বাউ ড্রাগন ফল-১ (সাদা) ,বাউ ড্রাগন ফল-২ ( লাল ), বাউ ড্রাগন ফল-৩ |
ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ |
ভিটামিন সি, মিনারেল এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত |
ফলে ফিবার, ফ্যাট, ক্যারোটিণ, প্রচুর ফসফরাস, এসকরবিক এসিড, প্রোটিন ,ক্যালসিয়াম, আয়রন রয়েছে |
প্রতি ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য ড্রাগন ফলে যে পুস্টিমান পাওয়া যায় তা দেওয়া হলো- |
পানি- ৮০-৯০ গ্রাম |
শর্করা- ৯-১০ গ্রাম |
প্রোটিন- ০.১৫-০.৫ গ্রাম |
আঁশ- ০.৩৩-০.৯০ গ্রাম |
খাদ্যশক্তি- ৩৫-৫০ কিলোক্যালরি |
চর্বি- ০.১০-০.৬ গ্রাম |
ক্যালসিয়াম- ৬-১০ মি গ্রাম |
আয়রন- ০.৩-০.৭ মি.গ্রাম |
ফসফরাস- ১৬-৩৫ গ্রাম |
ক্যারোটিন- ( থায়ামিন, রিবোফ্লাবিন সামান্য |
ভিটামিন- বি-৩ - ০.২ - ০.৪ মি গ্রাম |
ড্রাগন ফলের গুরুত্বঃ |
১. ক্যারোটিন সমৃদ্ধ থাকায় চোখ ভালো রাখে |
২. আঁশের পরিমাণ বেশি থাকায় হজমে সহায়তা করে |
এছাড়া আঁশ শরীরের চর্বি কমায় |
৩. এই ফলে বিদ্যমান প্রোটিন শরীরের যাবতীয় বিপাকীয় কাজে সহায়তা করে |
৪. এর ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত ও দাঁত মজবুত রাখে |
৫. ভিটামিন বি-৩ রক্তের কোলেস্টেরল কমায় এবং ত্বক মসৃণ রাখে |
৬. ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ত্বক , দাঁত ও চুল ভালো রাখতে সাহায্য করে |
ড্রাগন ফলের চাষ পদ্ধতি |
সুনিষ্কাশিত উঁচু ও মাঝারি উঁচু উর্বর জমি নির্বাচন করতে হবে এবং ২-৩ টি চাষ দিয়ে ভালোভাবে মই দিতে হবে |
রোপণ পদ্ধতি ও রোপণ সময়ঃ |
সমতল ভূমিতে বর্গাকার বা ষঢ়ভূজাকার এবং পাহাড়ি ভূমিতে কন্টুর পদ্ধতিতে ড্রগন ফলের কাটিং রোপণ করতে হবে |
ড্রগন ফল রোপণের জন্য উপযোগী সময় হলো মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য ওক্টোবর |
বংশবিস্তারঃ |
অঙ্গজ পদ্ধতি বা বীজের মাধ্যমে ড্রাগন ফলের বংশবিস্তার হয়ে থাকলেও মাতৃ গুনাগুণ বজাই রাখার জন্য অঙ্গজ পদ্ধতিতে অর্থাৎ কাটিং এর মাধ্যমে বংশ বিস্তার করাই ভালো |
কাটিং এর সফলতার হার প্রায় শতভাগ এবং তাড়াতাড়ি ধরে |
কাটিং থেকে উৎপাদিত একটি গাছে ফল ধরতে ১২-১৮ মাস সময় লাগে |
সাধারণত বয়স্ক এবং শক্ত শাখা ১ থেকে ১.৫ ফুট কেটে হালকা ছায়াতে বেলে দোআঁশ মাটিতে গোড়ার দিকের কাটা অংশ পুতে সহজেই চারা উৎপাদন করা যায় |
তারপর ২০ থেকে ৩০দিন পরে কাটিং এর গোড়া থেকে শিকড় বেরিয়ে আসবে |
তখন এটা মাঠে লাগানোর উপযুক্ত হবে |
তবে উপযুক্ত পরিবেশে ও প্রয়োজন অনুযায়ী কাটিংকৃত কলম সরাসরি মূল জমিতে লাগানো যায় |
প্রনিং ও ট্রেনিংঃ |
ড্রাগন ফল খুব দ্রুত বাড়ে এবং মোটা শাখা তৈরি করে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.