content stringlengths 0 129k |
|---|
একটি ১ বছরের গাছ ৩০টি পর্যন্ত শাখা তৈরি করতে পারে এবং ৪ বছরের বয়সী একটি ড্রাগন ফলের গাছ ১শ' ৩০টি পর্যন্ত প্রশাখা তৈরি করতে পারে |
তবে শাখা প্রশাখা উৎপাদন উপযুক্ত ট্রেনিং ও ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভর করে |
গবেষণায় দেখা গেছে যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ১২ থেকে ১৮ মাস পর একটি গাছ ফল ধারণ করে |
ফল সংগ্রহের ৪০ থেকে ৫০টি প্রধান শাখায় প্রত্যেকটি ১ বা ২টি সেকেন্ডারি শাখা অনুমোদন করা হয় |
তবে এ ক্ষেত্রে টারসিয়ারী ও কোয়ার্টারনারী প্রশাখাকে অনুমোদন করা হয় না |
ট্রেনিং এবং প্রনিং এর কার্যক্রম দিনের মধ্যে ভাগে করাই ভালো |
ট্রেনিং ও প্রনিংকরার পর অবশ্যই যে কোন ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করতে হবে |
তানা হলে বিভিন্ন প্রকার রোগবালাই আক্রমণ করতে পারে |
গর্ত তৈরীও চারা রোপণঃ |
১.৫ মিটার ১.৫ মিটার ১ মিটার আকারের গর্ত করে তা রোদে খোলা রাখতে হবে |
গর্ত তৈরির ২০-২৫ দিন পর প্রতি গর্তে ২৫-৩০ কেজি পচা গোবর , ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম এমওপি, ১৫০ গ্রাম জিপসাম এবং ৫০ গ্রাম জিংক সালফেট সার গর্তের মাটির সাথে ভালো করে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করে দিতে হবে |
প্রয়োজনে সেচ দিতে হবে |
গর্ত ভরাটের ১০-১৫ দিন পর প্রতি গর্তে ৫০ সেমি দূরত্বে ৪ টি করে চারা সোজাভাবে মাঝখানে লাগাতে হবে |
চারা রোপণের ১ মাস প থেকে ১ বছর পর্যন্ত প্রতি গর্তে ৩ মাস পর পর ১০০ গ্রাম করে ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে |
পরিচর্যাঃ |
আগাছা অপসারণ করে নিয়মিত সেচ প্রদান এবং প্রয়োজনে চারপাশে বেড়ার ব্যবস্থা করতে হবে |
গাছ লতানো এবং ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার লম্বা হওয়ায় সাপোর্টের জন্য ৪ টি চারার মাঝে ১টি সিমেন্টের ৪ মিটার লম্বা খুঁটি পুততে হবে |
চারা বড় হলে খড়ের বা নারিকেলের রশি দিয়ে বেধে দিতে হবে যাতে কাণ্ড বের হলে খুতিকে আঁকড়ে ধরে গাছ সহজেই বাড়তে পারে |
প্রতিটি খুঁটির মাথাই একটি করে মটর সাইকেলের পুরাতন টায়ার মোটা তারের সাহায্যে আটকিয়ে দিতে হবে |
তারপর গাছের মাথা ও অন্যন্য ডগা টায়ারের ভিতর দিতে বাইরের দিকে ঝুলিয়ে দিতে হবে |
কেননা এভাবে ঝুলন্ত ডগাই ফল বেশি ধরে |
সার প্রয়োগঃ |
গাছের বয়স বাড়ার সাথে নিম্নলিখিতভাবে সার দিতে হবে- |
গাছের বয়স মাদা প্রতি সারের পরিমাণ/বছর |
গোবর সার (কেজি) ইউরিয়া(গ্রাম) টিএসপি (গ্রাম) এমওপি (গ্রাম) |
১-৩ বছর ৪০-৫০ ৩০০ ২৫০ ২৫০ |
৩-৬ বছর ৫০-৬০ ৩৫০ ৩০০ ৩০০ |
৬-৯ বছর ৬০-৭০ ৪০০ ৩৫০ ৩৫০ |
১০ বছের ঊর্ধে ৭০-৮০ ৫০০ ৫০০ ৫০০ |
সেচ ব্যবস্থাপনাঃ |
ড্রাগন ফল খরা ও জলাবর্ধতা সয্য করতে পারে না |
তাই শুস্ক মৌশুমে ১০-১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে |
এছাড়া ফলন্ত গাছে ৩ বার অর্থাৎ ফুল ফোটা অবস্থায় একবার, ফল মটর দানা অবস্থায় একবার এবং ১৫ দিন পর আরেকবার সেচ দিতে হবে |
রোগ ও বালাই ব্যবস্থাপনাঃ |
ফলে রোগ বালাই খুবই একটা চোখে পড়ে না |
তাবে কখনো কখনো এ গাছে মূলপঁচা, কান্ড ও গোড়া পঁচা রোগ দেখা যায় |
মূলপচা: |
গোড়ায় অতিরিক্ত পানি জমে গেলে মূল পঁচে যায় |
এ রোগ হলে মাটির ভিতরে গাছের মূল একটি দুটি করে পঁচতে পঁচতে গাছের সমস্ত মূল পঁচে যায় |
গাছকে উপরের দিকে টান দিলে মূল ছাড়া শুধু কান্ড উঠে আসে |
তবে এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে উঁচু জমিতে এ ফলের চাষ করা ভালো |
এ রোগটি দ্বারা সংঘটিত হয় |
কাণ্ড ও গোড়া পচা রোগ: |
ছত্রাক অথবা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এ রোগ হতে পারে |
এ রোগ হলে গাছের কাণ্ডে প্রথমে হলুদ রং এবং পরে কালো রং ধারণ করে এবং পরবর্তীতে ঐ অংশে পঁচন শুরু হয় এবং পঁচার পরিমাণ বাড়তে থাকে |
এ রোগ দমনের জন্য যে কোন ছত্রাকনাশক (বেভিস্টিন, রিডোমিল, থিওভিট ইত্যাদি) ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করে সহজেই দমন করা যায় |
পোকা মাকড়ঃ |
ড্রাগন ফলের জন্য ক্ষতিকর পোকা মাকড় খুব একটা চোখে পড়ে না, তবে মাঝে মাঝে এফিড ও মিলি বাগের আক্রমণ দেখা যায় |
এফিডের বাচ্চা ও পূর্ণ বয়স্ক পোকা গাছের কচি শাখা ও পাতার রস চুষে খায়, ফলে আক্রান্ত গাছের কচি শাখা ও ডগার রং ফ্যাকাশে হয়ে যায় ও গাছ দূর্বল হয়ে পড়ে |
এ পোকা ডগার উপর আঠালো রসের মতো মল ত্যাগ করে ফলে শুটিমোল্ড নামক কালো ছত্রাক রোগের সৃষ্টি হয় |
এতে গাছের খাদ্য তৈরি ব্যাহত হয় |
এতে ফুল ও ফল ধারণ কমে যায় |
এ পোকা দমনে সুমিথিয়ন/ডেসিস/ম্যালাথিয়ন এসব কীটনাশক প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২৫ মিলিলিটার বা ৫ কাপ ভালো ভাবে মিশিয়ে স্প্রে করে সহজেই এ রোগ দমন করা যায় |
ড্রাগন ফল সংগ্রহ |
ড্রাগন ফলের কাটিং থেকে চারা রোপনের পর ১ থেকে ১.৫ বছর বয়সের মধ্যে ফল সংগ্রহ করা যায় |
ফল যখন সম্পূর্ণ লাল রঙ ধারণ করে তখন সংগ্রহ করতে হবে |
গাছে ফুল ফোঁটার মাত্র ৩৫-৪০ দিনের মধ্যেই ফল খাওয়ার উপযুক্ত হয় |
বছরে ৫-৬টি পর্যায়ে ফল সংগ্রহ করা যায় |
প্রথমত জুন-অক্টোবর, দ্বিতীয় ডিসেম্বর-জানুয়ারি |
← |
→ |
. |
.. |
* |
* |
, , . |
জবস ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন...সরকারি চাকরিবেসরকারি চাকরিব্যাংক জবসএন.জি.ওশিক্ষকতাআরো... |
ড্রাগন ফল পরিচিতি |
ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ |
ড্রাগন ফলের চাষ পদ্ধতি |
ড্রাগন ফল সংগ্রহ |
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ |
কিভাবে একজন সফল উদ্যোক্তা হবেন |
রঙিন মাছ চাষ পদ্ধতি |
এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসা |
মাশরুম চাষ করে সাবলম্বী হোন |
© 2021 . |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.