content
stringlengths
0
209k
ফরিদ আহমেদ জুলাই 26, 2010 11:37 পূর্বাহ্ন -
@সৈকত চৌধুরী,
এ লেখাটি আগে কোথাও পড়েছি বলে মনে হচ্ছে
আগে পড়ার কথা নয়, আজকে সকালেই লিখেছি লেখাটা
তবে এই লেখার দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ 'এই জীবনে কিছুই হতে চাই নি আমি
না মেঘ, না বৃষ্টি, না ছায়া, না রোদ্দুর, না সমুদ্দর, না জল, না নীল, না পাখি, না আকাশ
কোন কিছুই নয়
' হয়তো আগে পড়ে থাকতে পারেন
গীতাদির তখন ও এখন (৩৭) এ আমি একটি মন্তব্য করেছিলাম
সেই মন্তব্যে এই দুটো লাইন আছে
আরেকটি বিষয় হতে পারে এই লেখায় আমার অতীতের যে অংশটা এসেছে তা আমি আমার ঘাসের বনে ছোট্ট কুটির লেখাতেও উল্লেখ করেছিলাম
হয়তো ওটাই আপনার অবচেতন স্মৃতিতে রয়ে গেছে
যেটাই হোক না কেন, আপনার স্মৃতিশক্তির প্রশংসা না করে পারছি না
যে তিনটে বানান ভুল ধরেছেন তার দুটোতে আমার কোন আপত্তি নেই
কোনো-টাই আসলে সঠিক বানান হবে
কোন ব্যবহার হয় বিশেষ কিছু জানার জন্য যে প্রশ্ন করা হয় সেখানে
যেমন, কোন পথে যাব? বা কোন তারিখে ঘটনাটা ঘটেছে?
কাহিনি বানানের ক্ষেত্রে আমি আমার অবস্থান ধরে রাখবো
বানানের শুদ্ধতা-অশুদ্ধতা যাচাইয়ে আমি ২০০৮ সালে প্রকাশিত বাংলা একাডেমীর বাংলা বানান অভিধান ব্যবহার করি
বাংলা একাডেমীর পুরোনো অভিধানে যে কাহিনী লেখা আছে সেটা আমি জানি
আমার কাছে ১৯৯৩ সালের একটা অভিধান আছে
সেখানেও ভুল বানানটাই আছে
কাহিনি বানান নিয়ে অভির সাথে একটা বাগবিতণ্ডা হয়েছিল আমার এখানে
দেখতে পারেন, বিস্তারিত জানতে পারবেন
মাহবুব সাঈদ মামুন জুলাই 26, 2010 1:03 অপরাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
অভিশপ্ত জীবন আমার
থিকথিকে অন্ধকারের মধ্যে অনিচ্ছুক এবং অবাঞ্ছিত জন্ম পেয়েছি আমি
আশাহীন, স্বপ্নহীন এক জীবনকে হাতে ধরিয়ে দিয়ে এই ধরায় পাঠিয়ে দিয়েছেন বিধাতা আমাকে
চোখ মেলেই দেখেছি চারিদিকে অন্ধকারের শক্ত কালো দেয়াল
জন্মান্ধ ইঁদুর ছানার মত মাথা কু্টে মরেছি সেখানে কতযুগ, কত অনন্ত সময়
শুধুমাত্র একটু মুক্তির আশায়
মুক্তি চাই, মুক্তি চাই বলে ডুকরে ডুকরে কেঁদেছি অসহায় আমি
না, আলোর জন্য কোন আকুতি ছিল না আমার, ছিল না কোন অদম্য ভালবাসাও
তীব্র প্রয়োজন ছিল শুধু অসহ্য আঁধার থেকে বের হয়ে আসার
পৌরাণিক কাহিনির কোন অভিশপ্ত চরিত্রের মত নক্ষত্র নিয়ন্ত্রিত পথে হেঁটেছি আমি টালমাটাল, তালচিহ্নহীন
একাকী, সঙ্গীবিহীন
দ্বিধাগ্রস্থ, দিশাহীন ছিল সেই যাত্রা
এক জীবনের অর্ধেকটাই কেটে গিয়েছে আমার সেই আঁধারের রাজ্যের সীমানা পেরোতেই
বুক ভারী হয়ে গেছে
কথার শব্দমালা চিন্তা-মন থেকে বোবা বনে পাথর হয়ে গেছে
::
ক্লান্তিতে হাল ছেড়ে দেওয়া আমার ভারি দুচোখ যখন মুদে আসতে থাকে গভীর ঘুমের আশায়, তারা ঠেলে ঠেলে তুলে দিতে চায় আমাকে
কেউ বুঝতে চায় না যে, বড্ড ক্লান্ত আমি
ক্লান্তির বোঝা টানতে টানতেই নিঃশেষিত আমি
বিশাল বোঝার ভারে নিষ্পেষিত
লড়াই করার আর কোন শক্তি অবশিষ্ট নেই আমার
মনের কথা বলেছেন
🙂
কিন্তু শেষতঃ আপনি ভাগ্যবান এই জীবনে এমন বন্ধু পেয়েছেন
এ যেন শত জনমের সাধনা
:2:
সাবিনা ইয়াসমিনের গানটা কি ববিতা-রাজ্জাকের করা " অনন্ত প্রেম " ছবির ??? যৌবনের পারম্ভে দেখা আমার জীবনের একটি সেরা ছবি এটি
গতকাল থেকে মনে হয় এ গানটা ৫০ বার শুনেছি
যতবার শুনি ততবার শুধু মন-প্রান ছুঁয়ে যায়
এ গানটির জন্য আপনাকে এক হাজারটা গোলাফ শুভেচ্ছা রলো
শেষতঃ আপনার তুলনা আপনি নিজেই
ফরিদ আহমেদ জুলাই 26, 2010 6:17 অপরাহ্ন -
@মাহবুব সাঈদ মামুন,
ধন্যবাদ মামুন ভাই
সাবিনা ইয়াসমিনের গানটা কি ববিতা-রাজ্জাকের করা " অনন্ত প্রেম " ছবির ??? যৌবনের পারম্ভে দেখা আমার জীবনের একটি সেরা ছবি এটি
গতকাল থেকে মনে হয় এ গানটা ৫০ বার শুনেছি
যতবার শুনি ততবার শুধু মন-প্রান ছুঁয়ে যায়
ঠিক ধরেছেন
এটা অনন্ত প্রেম ছবির গান
সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া অন্যতম সেরা একটি গান, কিন্তু খুব একটা জনশ্রুত না
সাবিনার গাওয়া এরকমই আরেকটি গান 'এই উতলা রাতে কেন যে'
অসাধারণ, কিন্তু অজনশ্রুত
শুনে দেখুন, ভাল লাগবে বলেই আশা রাখছি
://../?=4-7_
মাহবুব সাঈদ মামুন জুলাই 26, 2010 9:22 অপরাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
আসলেই অসাধারন আরও একটি গান
সাবিনার পরে যখন রুনা লায়লার জয়-জয়কার অবস্থা তখন কে কত বড় শিল্পী তা নিয়ে আমাদের ভাই-বোন দের মধ্যে তুমুল কথা কাটাকাটি বা এক একসময় তা ঝড়গাঝাটিতে রূপ নিতো
তবে আমি সারা জীবন সাবিনার জাদু ছোঁয়া সুরেলা কন্ঠের একজন প্রিয় ভক্ত
আধুনিক বা সিনেমার গান ছাড়াও তার দেশাত্ববোধক গান শুনলে কার না মনে ভালো লাগার ছোঁয়া লাগে !!অথচ এমন গুনী জাতীয় শিল্পীর যখন ক্যান্সার হয় তখন রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কি নাজুক বিমাতাসুলভ আচরন হয় তা আমরা তার বেলায় দেখেছি
ভালো থাকুন
আকাশ মালিক জুলাই 26, 2010 10:09 অপরাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
কোনো-টাই আসলে সঠিক বানান হবে
কোন ব্যবহার হয় বিশেষ কিছু জানার জন্য যে প্রশ্ন করা হয় সেখানে
যেমন, কোন পথে যাব? বা কোন তারিখে ঘটনাটা ঘটেছে?
উদাহরণটা এভাবে দিলে কেমন হয়?
কোন্ দিন আসিবেন বন্ধু কইয়া যাও - -
কোনদিন যারে তুমি দাওনি মালা -
এ জন্যে বিশেষ কোন ব্যবস্থা নেই
এ জন্যে কোন্ ব্যবস্থা নেয়া ভাল?
হসন্ত চিহ্ন ( ্ ) কি বিলুপ্ত হয়ে গেল?
ফরিদ আহমেদ জুলাই 26, 2010 11:31 অপরাহ্ন -
@আকাশ মালিক,
বাংলা একাডেমীর প্রমিত বাংলা বানানের ২.১৫. তে হস্-চিহ্ন সম্পর্কে বলা হয়েছেঃ
হস্-চিহ্ন যথাসম্ভব বর্জন করা হবে
যেমনঃ কাত, মদ, চট, ফটফট, কলকল, ঝরঝর, তছনছ, জজ, টন, হুক, চেক, দিশ, করলেন, বললেন, শখ, টাক, টক
তবে যদি ভুল উচ্চারণের আশঙ্কা থাকে তাহলে হস্-চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে
যেমনঃ উহ্, যাহ্
যদি অর্থের বিভ্রান্ত্রির আশঙ্কা থাকে তাহলেও তুচ্ছ অনুজ্ঞায় হস্-চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে
যেমনঃ কর্, ধর্, মর্, বল্
এন্টাইভন্ড জুলাই 26, 2010 1:06 পূর্বাহ্ন -
::
স্নিগ্ধা জুলাই 25, 2010 10:19 অপরাহ্ন -