content
stringlengths 0
209k
|
|---|
এটাকে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা বলেও মনে করেন তারা
|
এ প্রসঙ্গে জানতে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, নিশ্চয়ই যুক্তিসঙ্গত কারণেই সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে এটি ফেরত যাচ্ছে
|
সেক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ আমলে নিয়ে খসড়া তৈরি করা হলে ফেরত যাওয়ার কথা নয়
|
এভাবে বারবার ফেরত পাঠানোর মতো ঘটনার উপক্রম হওয়া সত্যিই বেদনাদায়ক (রিয়ালি শকিং)
|
খসড়া তৈরিকালে দক্ষ ব্যক্তিদের পরামর্শ নেওয়া হলে এমন ঘটার কথা নয়
|
২০১০ সালে প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১১ সাল থেকেই এই শিক্ষা আইন তৈরির কাজ চলছে
|
মূলত এই আইনের বিভিন্ন দিক প্রথম থেকেই ব্যাপক আলোচনায় এসেছিল
|
এর মধ্যে আছে কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট টিউশন, নোট-গাইড ও সহায়ক পাঠ্য
|
আরও আছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ ও বিদেশি শিক্ষাক্রমের প্রতিষ্ঠান পরিচালনা ইত্যাদি
|
এসব বিষয় নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষক ও পুস্তক সংগঠন আন্দোলনে নেমেছিল
|
ফলে প্রথমে শাস্তির বিধানসহ একটি খসড়া প্রস্তাব করা হলেও ২০১৩ সালে খসড়া থেকে তা তুলে নিয়ে একটি 'দুর্বল' খসড়া তৈরি করা হয়েছিল
|
সবমিলে খসড়া তৈরিতে লেগে যায় প্রায় ৫ বছর
|
ফলে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে প্রথমে শিক্ষা আইনের যে খসড়া করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছিল, তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ফেরত আসে
|
এভাবে পরে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয়বার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়
|
কিন্তু পরের বছর তা ১২টি পর্যবেক্ষণসহ ফেরত আসে
|
মন্ত্রিসভার পর্যবেক্ষণ নিয়ে এতদিন কাজ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
|
এজন্য সাবেক সচিব হাবিউল আওয়ালকে পরামর্শকও নিয়োগ দেওয়া হয়
|
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওই সভা সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত আইনের খসড়ার অনেক বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
|
আইনের আকার ছোট করতে বলা হয়েছে
|
সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, আইন হলো নীতিনির্ধারণী নির্দেশনা
|
এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে খুঁটিনাটি থাকার প্রয়োজন নেই
|
আইনের নির্দেশনার আলোকে বিধিমালায় সুস্পস্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে
|
নাম প্রকাশ না করে বৈঠকে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার আইনের কলেবর ছোট করতে নির্দেশ দিয়েছেন
|
আইন অহেতু বড় হলে কার্যক্ষেত্রে সমস্যা হয়
|
সেই বিষয়টি মাথায় রেখে শিক্ষা আইনের কলেবরও ছোট করার পরামর্শ দেওয়া হয়
|
সূত্র আরও জানায়, দেশের সব আইনের উৎস সংবিধান
|
কিন্তু শিক্ষা আইন প্রণয়নে যৌক্তিকতায় সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের কোনো রেফারেন্স উল্লেখ হয়নি
|
সংবিধানে শিক্ষার বিষয়ে ১৭ অনুচ্ছেদে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া আছে
|
সেই সঙ্গে যে শিক্ষানীতির আলোকে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা চলছে তার কথাও উল্লেখ নেই
|
২০১০ সালে বাংলাদেশের সর্বশেষ শিক্ষানীতি প্রণয়ন হয়েছে
|
সূত্র জানায়, একই সঙ্গে আইনে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষাবিষয়ক যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে সেটারও রেফারেন্স যুক্ত করতে বলা হয়েছে
|
আওয়ামী লীগের ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারের ৩.১৮ ধারায় শিক্ষা নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে
|
প্রস্তাবিত আইনের চতুর্থ অধ্যায়ে থাকা মাধ্যমিক শিক্ষার বিষয়ে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল থেকে নতুন করে চিন্তা করা হচ্ছে
|
কিন্তু খসড়ায় বিদ্যমান পদ্ধতির কথাই বলা হয়েছে
|
সূত্র জানায়, যেহেতু এই স্তরটি নিয়ে নতুন করে চিন্তা করা হচ্ছে তাই এখানে আপডেট করা যেতে পারে
|
যদি কোনো অংশ পরবর্তী সময়ে কার্যকর করার প্রয়োজন হয় তাহলে সেটার ভূতাপেক্ষ প্রয়োগের ব্যবস্থা রাখা যাবে
|
খসড়া আইনের পঞ্চম অধ্যায়ে শুধু কওমি মাদ্রাসার কার্যক্রম ও মানোন্নয়নের কথা বলা হয়েছে
|
এই বিষয়টি আলাদাভাবে দেওয়ার পরিবর্তে মাদ্রাসা শিক্ষার সামগ্রিক অংশে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে
|
খসড়া আইনের ২২ ধারায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদির বিষয় সংক্রান্ত বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে
|
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে এটা সংক্ষিপ্ত করে বিস্তারিত বিধির মাধ্যমে নিশ্চিত করতে বলা হয়
|
অষ্টম অধ্যায়ে সংস্কৃতি ও পালি শিক্ষা বিদ্যমান আইন দ্বারা পরিচালিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে
|
বৈঠকে এ বিষয়টি শুধু দুটি ভাষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রথমেই বাংলা ভাষার কথা উল্লেখ করতে বলা হয়েছে
|
এরপর বিদেশি ভাষা হিসেবে সংস্কৃতি, পালি, আরবি, ফার্সিসহ প্রয়োজনীয় ভাষার কথা উল্লেখ করতে বলা হয়েছে
|
সর্বশেষ খসড়ার উল্লেখযোগ্য বিষয় : প্রস্তাবিত আইনে শিক্ষকদের শাস্তির ব্যাপারে মোটামুটি নমনীয়তা দেখানো হয়েছে
|
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনায় সাম্প্রতিককালে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসছে পরিচালনা কমিটির ব্যাপারে
|
এ বিষয়ে কোনো বর্ণনা নেই
|
যথারীতি বাণিজ্যিক কোচিংকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে
|
তবে শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার করলেও সেখানে নিজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের পড়াতে পারবেন না
|
এমনকি যে শিক্ষার্থীর ক্লাস থাকবে, সেই সময়ে কোচিং সেন্টারে তাকে পড়ানো যাবে না
|
কোনো নামেই নোট-গাইড চলবে না
|
আইনের ভাষ্য অনুযায়ী, পাঠ্যবইয়ের পাঠের আলোকে পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক বই প্রকাশ করা যাবে না
|
বর্তমানে বাংলাবাজারকেন্দ্রিক যে পুস্তক ব্যবসা আছে, তাদের বাণিজ্যের মূল অংশই এটি
|
তবে সরকারি অনুমতি সাপেক্ষে সহায়ক পুস্তক প্রকাশ করা যাবে
|
পাঠ্যবইয়ের আলোকে পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলি পত্রিকায় বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রকাশের জন্য সরকারি অনুমতি নিতে হবে
|
জানা গেছে, প্রস্তাবিত ১৮ পৃষ্ঠার খসড়ায় মোট ৫৭টি ধারা যুক্ত করা হয়েছে
|
২০১৩ সালের প্রথম খসড়ায় ৬৭টি ধারা ছিল
|
আইনে পাঁচ স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হয়েছে
|
এগুলোর মধ্যে আছে-প্রথম শ্রেণির আগে প্রাক-প্রাথমিক, পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক, দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি উচ্চ মাধ্যমিক এবং এরপর উচ্চশিক্ষা স্তর
|
২০১০ সালে সংসদে পাশ করা শিক্ষানীতিতে প্রাক-প্রাথমিক বাদে তিন স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের কথা বলা আছে
|
ড. কুদরত-এ-খুদা কমিশনের প্রতিবেদনেও অনুরূপ সুপারিশ ছিল
|
তবে শিক্ষা আইনের প্রস্তাবটি সম্প্রতি অনুমোদিত জাতীয় শিক্ষাক্রমের রূপরেখার (এনসিএফ) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
|
দীর্ঘ দুই দশক পর আফগানিস্তানের মসনদ আবার তালেবানদের
|
তবে এবার তালেবানরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতার প্রথম মেয়াদের মতো সহিংসতায় জড়িয়েছে এমন খবর পাওয়া যায়নি
|
তারই পরিপ্রেক্ষিতে অনেকেই এই তালেবানকে সহনশীল ও উদার বলে আখ্যা দিচ্ছেন
|
তালেবানদের সেই সহনশীলতা ও উদারতা নারীদের কাজে ফেরার আহ্বান জানানো এবং স্কুলে মেয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতই প্রমাণ করে দেয়
|
তালেবানদের আচরণের সেই প্রমাণ আরও পাকাপোক্ত হলো- পূর্বের মতো নারীদের মুখ-চোখসহ পুরো শরীর ঢাকা ভারী বোরকা বাধ্যতামূলক না করে হিজাব বাধ্যতামূলক করার মাধ্যমে
|
এ ধরনের বোরকা আফগানিস্তানের ঐতিহ্য হলেও তা পরে অনেক নারীরই কষ্ট হতো বিশেষ করে গরমকালে এবং গর্ভবতী থাকাবস্থায়
|
বুধবার (১৭ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমনটাই বলেছেন কাতারের দোহায় অবস্থিত তালেবান দপ্তরের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন
|
তিনি বলেন, তালেবান শাসনের অধীনে আফগানিস্তানে বোরকা পরিধান বাধ্যতামূলক না হলেও নারীদের হিজাব পরতে হবে
|
এর আগে, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানের শাসনকালে আফগানিস্তানে নারীদের জন্য বোরকা পরিধান বাধ্যতামূলক ছিল
|
সে সময় মেয়েদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণও বন্ধ করে দেয়া হয়
|
নারীদের স্বাধীনভাবে ভ্রমণ এবং কাজ করারও অনুমতি ছিল না
|
তবে এবার তালেবান ক্ষমতায় আসার পর স্কাই নিউজকে সুহাইল শাহীন বলেন, পুরো শরীর ঢাকা বোরকার পরিবর্তে নারীরা মাথায় হিজাব পরছেন কি না, সেটাই পর্যবেক্ষণ করা হবে
|
তবে, তালেবান কী ধরনের হিজাবের অনুমোদন দিবে তা স্পষ্ট করেননি সুহাইল
|
পোশাকের বাইরে আফগানিস্তানে নারী শিক্ষা নিয়েও উদ্বিগ্ন রয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার গোষ্ঠী
|
তবে, নারী শিক্ষা বিষয়ে তালেবান আগের মতো কঠোর থাকবে না বলেও আশ্বাস দেন সুহাইল শাহীন
|
তিনি বলেন, নারীরা প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন
|
আমরা মস্কো ও দোহা সম্মেলনেও নারী শিক্ষা নিয়ে এ ধরনের নীতির কথা বলেছি
|
তালেবান অধিকৃত অঞ্চলে হাজার হাজার স্কুলের কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি
|
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে শরীয়াহ আইনের সীমার মধ্যে নারী অধিকার সংরক্ষণের ঘোষণা দেন তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ
|
নারীদের সরকারে অংশ নেয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তালেবানের একজন শীর্ষ নেতা
|
এর আগে ক্ষমতায় এসে তালেবান সরকার কঠোর শরীয়াহ আইন জারি করে এবং অধার্মিকতা ঠেকাতে পুলিশ বাহিনীও গড়ে তোলে
|
সে সময় চুরির দায়ে হাত কেটে ফেলা, ব্যভিচারের দায়ে পাথর নিক্ষেপ করে মেরে ফেলার মতো শাস্তিও দেয়া হতো আফগানিস্তানে
|
সূত্র : এএফপি
|
টিএস
|
ভারী বোরকার পরিবর্তে হিজাব বাধ্যতামূলক করলো তালেবান
|
মন্তব্য করুন
|
'); // // (!='') $().('
|
'); // // }); = .; $('._ ').((){ $().('',':100%;'); }); });
|
"পড়তে ভাল্লাগে না", "পড়ার টেবিলে মন বসে না", "পড়া মনে থাকে না"
|
পড়া মনে না থাকা নিয়ে এমন হাজারো সমস্যা বা হতাশার কথা মানুষের মুখে মুখে ঘুরে
|
আসলে লেখাপড়া কাজটা কোন হতাশার বিষয় নয়
|
নিয়ম মাফিক পড়ালেখা করলে, সহজ কিছু টিপস্ মেনে চললেই হতাশাজনক এই বিষয়টিই আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হতে পারে
|
* পড়তে বসার আগে একটু হাঁটা-হাঁটি করতে হবে
|
খালি হাতে হালকা ব্যায়ামও করা যেতে পারে
|
এতে মস্তিষ্কের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়
|
ফলে মস্তিষ্কের কর্ম দক্ষতা ও ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়
|
এটি একটি পরীক্ষিত বিষয়
|
* পড়তে বসার পূর্বে প্রত্যেকের একটা টার্গেট ঠিক করে নিতে হয়
|
যেমন- কী পড়বেন? কোথা থেকে শুরু করবেন? কতটুকু পড়বেন, কয়টি বই পড়বেন? এটা কিন্তু খুব জরুরী
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.