content
stringlengths
0
209k
হোমিওপ্যাথিক ডাক্তাররা দাবি করেন, যতই দ্রবণ ডাইলুট করে পাতলা করা হবে, ততই নাকি অষুঢের গুণাগুণ বৃদ্ধি পাবে
সেজন্য তারা এক গামলা পানিতে এক বিন্দু ওষুধ দিয়ে প্রথমে খুব করে ঝাঁকান
তারপর সেই দ্রবীভূত দ্রবণ আরো দ্রবীভূত করে আবারো ঝাঁকিয়ে, তার থেকে দশভাগ নিয়ে আবার সেটাকে আরও এক গামলা পানিতে ছাড়েন... তারপর তরল করে তারপর আবার...আবারও... দশ ভাগ নিয়ে ... এভাবে লঘু থেকে লঘুতর দ্রবণ তৈরি করার খেলা চলতেই থাকে
তারা দাবী করেন এভাবে যত ডাইলুট করা হবে, তত নাকি ওষুধের শক্তিমাত্রা বৃদ্ধি পাবে
কিন্তু বাস্তব পরীক্ষায় দেখা গেছে, এভাবে কয়েক তরলীকরণের পরে ওষুধের গুণসম্পন্ন একটি অণুও অবশিষ্ট থাকতে পারে না সেই দ্রবণে
হোমিওপ্যাথিক বোতলের গায়ে 30 শক্তিমাত্রা যদি লেখা থাকে তার মানে হচ্ছে সেটাকে উপরের পরীক্ষার মত 1,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000 বার 'লঘুকরণ' করা হয়েছে
এর মানে হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরের পানির এক কোনায় এক বিন্দু ওষুধ ছেড়ে দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের অন্য দিকে (মানে পৃথিবীর অন্য প্রান্তে) গিয়ে যদি আপনি সেই মহাসাগরের পানি এক খাবলা পান করে্ন, তবে আপনার রোগ সারার সম্ভাবনা যতটুকু হোমিওপ্যাথিতে রোগ সারার সম্ভাবনা প্রায় ততটুকুই
এই ব্যাপারটা আসলে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেনীর রসায়নের জ্ঞান দিয়েই গানিতিকভাবে প্রমাণ করা যায়
ঐ যে মাদের কেমেস্ট্রি বইয়ের এভোগেড্রোর প্রকল্পের কথা মনে আছে? ওই চ্যাপ্টার টা খুলে দেখুন
আপনি নিজেই ধানাই পানাই বুঝে যাবেন
এর আগে ভিক্টর স্টেঙ্গরের একটা ভাল লেখা প্রকাশিত হয়েছিল এ নিয়ে
সেটা পাওয়া যাবে এখানে
এছাড়া স্কেপ্টিক ডিকশনারীতেও কিছু ভাল তথ্য সন্নিবেশিত আছে
দেখুন এখানে
আদিল মাহমুদ ডিসেম্বর 6, 2009 11:16 অপরাহ্ন -
@অভিজিৎ,
কিভাবে তত্ত্বটা কাজ করে তা বুঝতে পেরেছি, এভোগেড্রোর সংখ্যার কথাও মনে আছে
কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারছি না এই তত্ত্বের যথার্থতা তারা কিভাবে দাবী করেন?
এটা তো সাধারন জ্ঞানের পরিপন্থী, উচ্চতর রাসায়নিক বা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাদই দিলাম
সাধরনভাবে, আমার যদি মাথা ব্যাথা হয় আমি টাইনেলন বা প্যারাসিটামল খাব
এখন আমি যদি একবারে দুইটা খাই (একই মাত্রার) তবে ব্যাথা তাড়াতাড়ি সারার সম্ভাবনা, একটা খেলে একটু দেরী সারার সম্ভাবনা
কিন্তু কেউ যদি আমাকে বলে যে পেইন কিলার কাজ করবে সবচেয়ে বেশী যদি তুমি একটাকেই ভেঙ্গে চুরে তার ১০০০ ভাগের এক ভাগ খেলে, তাহলে প্রথমেই তো আমি জানতে চাইব এহেন অদ্ভূত ব্যাবস্থার যুক্তি কি? তারা যদি গবেষনা বা পরীক্ষা করে এক এক রোগের জন্য এক এক মাত্রা ঠিক করে সে আলাদা কথা
তাদের আবিষ্কৃত ওষুধ, তাদের গবেষনালব্ধ মাত্রা
কিন্তু সাধারণভাবে কি করে বলা যায় যে যেকোন ওষুধই যতই পাতলা করা যায় তার গুন বৃদ্ধি পায়?
আল্লাচালাইনা সেপ্টেম্বর 27, 2010 2:31 পূর্বাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ,
কিন্তু কেউ যদি আমাকে বলে যে পেইন কিলার কাজ করবে সবচেয়ে বেশী যদি তুমি একটাকেই ভেঙ্গে চুরে তার ১০০০ ভাগের এক ভাগ খেলে, তাহলে প্রথমেই তো আমি জানতে চাইব এহেন অদ্ভূত ব্যাবস্থার যুক্তি কি?
কখনও যদি আমাদের বাস্তবে দেখা হয় তবে এই মন্তব্যটির জন্য আমার কাছ থেকে আপনার একটি আলিঙ্গন পাওনা থাকলো আদিল মাহমুদ
:: :: ::
আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 27, 2010 7:57 পূর্বাহ্ন -
@আল্লাচালাইনা,
চিন্তায় ফেললেন দেখি, কখনো রুয়েল লাইফে দেখা হয়ে গেলে দূরে দূরে থাকব
😀
আল্লাচালাইনা সেপ্টেম্বর 27, 2010 2:07 অপরাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ,
কখনো রিয়েল লাইফে দেখা হয়ে গেলে দূরে দূরে থাকব
:: :: ::
ডারউইনের ভুত মে 14, 2012 1:30 অপরাহ্ন -
@অভিজিৎ,
হোমিওপ্যাথিক বোতলের গায়ে 30 শক্তিমাত্রা যদি লেখা থাকে তার মানে হচ্ছে সেটাকে উপরের পরীক্ষার মত 1,000,000,000,000,000,000,000,000,000,000 বার 'লঘুকরণ' করা হয়েছে
হোমিওপ্যাথির কম ডাইলুট করা ওষুধেও কি কোন কাজ হয় না?
অভিজিৎ মে 16, 2012 9:43 পূর্বাহ্ন -
@ডারউইনের ভুত,
এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া মুশকিল
হোমিওপ্যাথদের দাবীই হচ্ছে যতবেশি ডাইলুট করা হবে তত নাকি ওষুধের গুণ বাড়ে
এখন কেউ যদি বলেন কম ডাইলুট করা ওষুধেও কি কোন কাজ হয় কিনা - সেটা একটা দার্শনিক প্রশ্নের মতো হয়ে দাঁড়ায় - একজন বিলিয়নারের একটু কম টাকা থাকলে তাকেও গরীব বলা যায় কিনা- এরকমের!
হোমিওপ্যাথির অন্যান্য দাবীগুলোও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি
স্কেপ্টিক এর লেখাটা দেখুন
ডকিন্সের ভিডিও যেটা দিগন্ত মন্তব্যে দিয়েছে সেটা দেখুন,
জেমস র‍্যান্ডির এই ভিডিওটাও দেখতে পারেন -
://../?=1939
আল্লাচালাইনা সেপ্টেম্বর 27, 2010 9:57 অপরাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ,
যতই হালকা দ্রবন তৈরী করা যায় ততই শক্তিশালী ঔষধ এটার যুক্তি হোমিওপ্যাথি মতে কি হতে পারে তাই ভাবছি
এই প্রশ্নের উত্তর বিপ্লব রহমান (বিপ্লব পাল নয়) দিয়েছে নীচে
নুরুজ্জামান মানিক ডিসেম্বর 6, 2009 11:46 পূর্বাহ্ন -
দুর্নীতিগ্রস্থ ডাক্তাররা ফার্মেসি বা ঔষধ কোম্পানি থেকে বেশি কমিশন পাবার আশায় অতিরিক্ত ঔষধ দিতে চান
আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, খুব ভাল ডাক্তাররা খুব কম ঔষধ দেন
আমার মেয়ের চার বছর বয়সে এক অ্যালোপ্যাথ এর ওভারডোজ গ্রহণের ফলে সাংঘাতিক অসুস্থ হয়
হাম (সবধংষবং)-এর তেমন কোন ঔষধ নেই; কিন্তু আমার মেয়েকে যেই ডাক্তার দেখিয়েছিলাম তিনি এমন কড়া এন্টিবায়োটিক এডাল্ট ডোজ দিয়েছিলেন, যে বেচারার সারা মুখ-নাক-চোখে ঘা হয়ে গিয়েছিল বিষক্রিয়া থেকে
অন্য দেশে ডাক্তারদের এমন ভুল প্রেসক্রিপশন প্রদান করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যায়
হোমিওপ্যাথি ঠিক এই জায়গাতেই 'শূন্যস্থান পূরণ' করছে
::
আদিল মাহমুদ ডিসেম্বর 6, 2009 11:42 পূর্বাহ্ন -
লেখাটি আগে খুব সম্ভব যুক্তি পত্রিকায় দেখেছিলাম
খুবই প্রয়োযনীয় লেখা, আমারো আগে ধারনা ছিল হোমিওপ্যাথি পুরোপুরি বিজ্ঞানসম্মত
নাহলে আমাদের দেশের মীরপুরে সরকারী হোমিওপ্যাথি কলেজ আছে কেমন করে?
তবে যাই বলুন, হোমিপ্যাথের মিষ্টি মিষ্টি বড়িগুলি খেতে ছেলেবেলায় বেশ মজা লাগত
যদিও হোমিওপ্যাথির মূলনীতি অষুধকে বার বার ডাইলুট করার মানে কি বুঝলাম না
তাদের ব্যাখ্যা জানতে ইচ্ছে করছে
হেলাল ডিসেম্বর 6, 2009 8:18 পূর্বাহ্ন -
যদিও বাংলাদেশের শিক্ষিত শ্রেণী খুব একটা পা মাড়ায় ওদিকে এমনকি কোন এমপি বা মন্ত্রিকেও শোনিনি কোন হোমিও কলেজ হসপিটালে ভর্তি হতে কারণ তাদের নিশ্চিত জানা আছে এগুলো বাটপারি, তবু সরকার এতগুলো হোমিও কলেজ এবং আয়োবের্দীয় কলেজ বানিয়ে দেশে হাজার হাজার বাটপার, প্রতারক কেন বানাচ্ছে
বাটপার ,প্রতারক শব্দগুলো নিয়ে আপত্তি করার আগে সত্যিই সত্যিই তাদের কাছে গিয়ে দেখুন
তাদের কথার ধরন দেখলেই বুঝতে পারবেন অসুখের মত সিরিয়াস বিষয় নিয়ে এডভাইজ দেবার যোগ্যতা আদৌ তাদের আছে কিনা
প্রথমেই তারা এলোপ্যাথির চৌদ্দ গোষ্টির বিরোদ্ধে একটা লেকচার দেবে যাতে রোগি এখন কেন অদুর ভবিষ্যতেও যাতে এলোপ্যাথির কাছে না যায়
তারপর বেশ কিছু উদাহরণ দেবে বিখ্যাত অমুক লাখ লাখ টাকা খরচ করে ,ইন্ডিয়া ঘুড়ে এসে ভাল না হয়ে অবশেষে তার কাছে হোমিও চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছে
আর ক্যানসার, ব্রেণ টিউমার ইত্যাদি জটিল ব্যাধির ১০০% গ্যারান্টির বিজ্ঞাপন গুলোর কথা নাইবা বললাম
যা বলছিলাম প্রতারণার সরকারি লাইসেন্স তারা পেলে ,যারা জারফুক, কবিরাজি, যাদুটোনা ,পীর-ফকিরের দোয়া দেয় তারা কেন পাবেনা? কি জানি ভবিষ্যতে ধান কণ্যা বা আপোষহীন নেতা-নেত্রীর নামে এসবের কলেজও দেখতে পারব হয়তো!আর হুজুরে সাইদাবাদীরা হয়তো এসবের মন্ত্রিও হতে পারেন
এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লেখার জন্য লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ
মোর্শেদ অক্টোবর 27, 2011 3:30 অপরাহ্ন -
@হেলাল, হোমিওপ্যথি বিঞ্জান নয় বিঞ্জানের চেয়েও আধূনিক তাই বলেই সূক্ষমাত্রা স্থুলু মস্তিকে এগুলো ঢুকবে না
কারন পারমানবিক , আইফোনের যুগে যারা ভেজাল ময়দার গোল্লা (ট্যবলেট) খান তাদের মস্তিকে এগুলো ঢোকার কথাও না
বর্তমান এলোপ্যাথি চিকিৎসা কেন্দ্র কষাইখানা ছাড়া আর কিছুই না , আর অধিকাংশ ডাক্তারই, ভেজাল ময়দার গোল্লা (ট্যবলেট) কোম্পানির মালিক এবং ল্যবরেটরির মালিকদের গোলাম ছাড়া আর কিছুই নয়
শিক্ষিত শ্রেণী, এমপি, মন্ত্রি, রাষ্টপতিরা হোমিও চিকিৎসা নেন বা নিয়েছেন কিনা তা আপনি জানেন না
আশাকরি আপনি শিক্ষিত একটু পড়াশুনা করেই মন্তব্য করবেন .....
অরণ্য অক্টোবর 27, 2011 11:33 অপরাহ্ন -
@মোর্শেদ,
ভাল বলেছেন! ()
চরম ফাউল ফেব্রুয়ারী 28, 2012 7:34 অপরাহ্ন -
@হেলাল,
আমার বাসা মিরপুর ১৪ সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এর পাশে তো একদিন ওখানকার হাসপাতালে গিয়েছিলাম একটা কাজে সেখানে ১ বেডে দেখলাম ১৩/১৪ বছরের ১টা ছেলে তার পায় কাল ক্ষত নিয়ে শুয়ে আছে
কথা বলে জানতে পারলাম ওর নাকি পায়ে গাংগ্রীন হয়েছে এবং পায়ের গোরালির নিছ থেকে কোন সেন্স নেই
আর ও জানতে পারলাম ও নাকি এর আগে ঢাকা মেডিকেল এ ছিল অনেকদিন সেখান ডাক্তাররা নাকি পা কেটে ফেলার কথা বলেছিল তাই সে ওখান থেকে চলে এসেছে এবং তার এক আত্মীয়র মাধ্যমে এখানে ভর্তি হয়েছে
তার প্রায় তিন থেকে চার মাস পরে একদিন জুম্মার নামাজ পরতে ওখানকার কলেজ মসজিদে যাই
কলেজ এর ভিতরে ঐ ছেলেকে দেখে কিছুটা আগ্রহ নিয়ে যাই এবং দেখতে পেলাম তার পা প্রায় অনেকটা ভাল(ক্ষত ভরাট হয়ে পুরবের মত) হয়ে গেছে এবং তাতে সে অনেক খুশি
তো আপনারা যারা বলেন হোমিওপ্যাথিতে কাজ করে না তারা এটাকে কী বলবেন
তারপর আর একটা কথা বলি কিছুদিন আগে আমার কাশি হয়েছিল, তো এক ফারমেসী (এল এম এফ ডাক্তার)থেকে ঔষধ নিয়ে খেলাম কাশি যায় না
কি করবো লাস্ট এ হোমিওপাথি হসপিটাল থেকে ১০টাকা দিয়ে টিকেট কেটে ঔষধ নিয়ে সেবন করি
দুই দিনের মধ্যে আমার কাশি কমে যায়
তিন দিনের দিন আমি পুরা সুস্থ