content
stringlengths
0
209k
3 হল 1/1000000 ইত্যাদি
এবার ভেবে দেখুন 30 মানেটা কি
১ এর পিঠে ৬০টা শূন্য পরিমাণ জলে এক পরিমাণ অসুধ
যদি অষুধ ১ অনু হয় - তাহলে আমার ১ এর পিঠে ৬০টা শূন্য অণূর জল লাগবে সেটা মেশানোর জন্য
কতটা জল? মোটামুটি ৩০ বিলিয়ন গুণ আকারের একটা পাত্র লেগে যাবে সেই জল রাখতে
বুঝুন তাহলে
অষুধের একটি অনু মেশাতেই এই দশা
আর আপনার কথা মত 'কয়েক কোটি অনু পাওয়া যাওয়ার' জন্য কি রকম বড় আকারের পাত্র লাগবে!!! সত্যি যে ব্যাপারটা তা হল - 30 কিংবা 30 এ ধরণের দ্রবণে কোন ওষুধের একটি অনুও না থাকার সম্ভাবনাই বেশি
উচ্চামাধ্যমিক শ্রেনীর রসায়ন বইয়ের এভোগেড্রোর প্রকল্প থেকেই সেটা জানা যায়
এভোগেড্রোর নাম্বার আমাদের কিন্তু সীমা বেধে দিচ্ছে কতদূর ডাইলুট করলে দ্রবনে দ্রাবকের অনু অবশিষ্ট থাকতে পারে
সে হিসেবে হোমিওপ্যাথির ঔযধগুলোতে কোন দানা অবশিষ্ট থাকে না
ন্যানো টেকনোলজি হোক আর বায়োমেকানিক্সই হোক - কোন কিছুই এ নিয়মের বাইরে না
আঁচিল এর চিকিত্সায় এটা আসলেই কার্যকর বলছেন, দেখুন হোমিওপ্যাথি ডাক্তারদের আমি ঢাউস ঢাউস বিজ্ঞাপন দেখেছি - ক্যান্সার থেকে শুরু করে এইডস পর্যন্ত সব রোগই সাড়াতে পারেন বলে তারা দাবী করেন
অথচ নির্মম সত্য হল, যখন ভেরিফিকেশনের প্রশ্ন আসে - তখন খোস, পাছড়া, দাউদ জন্ডিস, সর্দি কাশি, পেট ব্যাথা - এ ধরোনের মামুলি রোগ বালাই সারাবার কথাই জানা যায়
দেখুন জ়ণ্ডিসের মালা পড়েও কিন্তু লোকের জণ্ডিস ভাল হয়ে যায়, কিংবা সাধু বাবার বা পীর ফকিরের পানিপুরিতেও রোগ সারার বিভিন্ন দৃষ্টান্ত আমরা সমাজে দেখি
ইংরেজীতে প্ল্যাসিবো ইফেক্ট বলে একটা ইফেক্ট আছে, যেখানে ডামি পিল দিয়ে রোগির চিকিৎসা করা হয়, কারণ ডাক্তাররা জানে বডি রেজিস্টেন্সের কারনে এমনিতেই কিছু রোগ দু-দশ দিনে ভাল হয়ে যায়
কিন্তু কোন কোন রোগি ওষুধ ছাড়া বাসায় ফেরৎ যেতে চায় না
সে ধরণের রোগির ক্ষেত্রে প্ল্যাসিবো চিকিৎসা করা হয় - ডামি পিল কিংবা ভিটামিন জাতীয় ওষুধ গছিয়ে দিয়ে
আমার ধারণা হোমিওপ্যাথিতে সে সমস্ত অসুখই সারে যেগুলো মানুষের বিশ্বাসকে বাড়িয়ে মনের জোর বাড়ানো হয়
রোগী ভেব নেয় ওষুধেই বুঝি কাজ হচ্ছে
তবে সবচেয়ে যেটা ভয়ঙ্কর তা হল - হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জন্য কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রী লাগে না
আমাদের পাড়ার বহু বুড়া চাচা মিয়াকে দেখেছি চাকরি বাকরির পাশাপাশি শখ করে হোমিওপ্যাথির চিকিৎসা করেছেন
লোকজনও ভাবছেন - কি বিরাট ডাক্তার
মানুষের জটিল রোগ সারানোটা যদি এতোই সোজা হত, তাহলে আর এত দিনের চিকিৎসাবিজ্ঞানের জ্ঞান আমাদের লাগতো না
এলোপ্যাথিতেও যে ভুল চিকিৎসা হয়না তা নয়, কিন্তু আমার ধারনা সেখানে পরীক্ষা নীরিক্ষা করে জানবার উপায় সব সময়ই থেকে যায়
আর হোমিওপ্যাথি সব সময়ই আমাদের জন্য একটা 'ব্ল্যাক বক্স'
ব্ল্যাক বক্স কখনো সায়েন্স হতে পারে না
শুধু এভাবে বলে দিলেই চলবে না 'অমুক্টায় কাজ হয়', বরং ব্যাপারটা যদি বৈজ্ঞানিক হয় - আমাদের ্কাছে খোলসা করতে হবে পুরো প্রক্রিয়াটা কিভাবে কাজ করে
তবেই সেটা বিজ্ঞান হয়ে উঠবে
সেটা না হওয়া পর্যন্ত সংশয় থেকেই যাচ্ছে
বিপ্লব পাল ডিসেম্বর 10, 2009 10:18 অপরাহ্ন -
@অভিজিৎ,
তবে সবচেয়ে যেটা ভয়ঙ্কর তা হল - হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জন্য কোন প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রী লাগে না
ভারতে লাগে
হোমিওপাথির জন্যে ডাক্তারী ডিগ্রিও আছে
ডাই্লুশন ইনফানাইট মানে শক্তি তত বাড়বে এটা কি সার্বজনীন সত্য হোমিওপ্যাথে না লিমিটেড ট্রুথ?
অভিজিৎ ডিসেম্বর 11, 2009 12:16 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
ডাই্লুশন ইনফানাইট মানে শক্তি তত বাড়বে এটা কি সার্বজনীন সত্য হোমিওপ্যাথে না লিমিটেড ট্রুথ?
আমি যতদূর জানি এটাকে 'হোমিওবিজ্ঞানে' সার্বজনীন সত্য হিসেবেই দেখা হয়
হানিম্যান সাহেব অনেক আগে এটা বলে গিয়েচ্ছিলেন
সেটাই মেনে চলা হয়
কিন্তু এর মত এই ডাইলুশন শক্তির পেছনেও কোন কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই
নামে এক জীববিজ্ঞানী হোমিওপ্যাথির ডাইলুশনের কার্যকারিতা একসময় দাবী করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে কন্ট্রোল্ড সায়েন্টিফিক স্টাডিতে তা মিথ্যা প্রামণিত হয়
এখানে দেখো (বিশেষ করে শেষ লাইনটা)
জার্নালেও ( 446, 352-353 22 2007) হোমিওপ্যহাথিকে অপবিজ্ঞান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে
এখানে দেখো
অক্টোবর 4, 2012 2:30 পূর্বাহ্ন -
হয়তো এমন একটা কিছু করতে পারে যা আমরা এখনো আবিস্কার করতে পারিনি
যেমন আত্মা নামক যে শক্তিটি জীবদেহে বা কোষে থাকে তা কখনো দেখা যায়নি
আত্মা নামে সত্যিই কোন কিছু আছে কিনা এর কোন প্রমানও বর্তমান বিঞ্জান দেখাতে পারেনি
অথচ আত্মা এমন এক শক্তি যা জীবকোষ এর সবকিছু নিয়ন্ত্রন করছে
মৃত প্রানীর জীবকোষ নষ্ট না হলেও এর সব কর্মকান্ড থেমে যায় আত্মার অভাবে
হয়তো হোমিওপ্যাথিক ঔষধে নির্দিষ্ট কোন এর একটা এমন তৈরী করে যা মানুষের জাগিয়ে তোলে
এজন্য আধুনিক গবেষনা প্রয়োজন
এখনো অজানা অনেক কিছুই
হোমিওপ্যাথিক আমিও অবজ্ঞা করতাম
আমার দুটো হাতের তালু অস্বাভাবিক ঘামতো, সব সময়ই রুমাল রাখতে হতো, কিছু লিখতে গেলে হাতের ঘামে কাগজ ভিজে যেত, বিরক্তিকর ব্যাপার! অনেক নামকরা ডাক্তার দেখিয়েছি সবাই বললেন এটার তো কোন ঔষধ নেই, তুমি নার্ভাস, কেউ বললেন থাইরয়েড গ্লেন্ড এর প্রবলেম! ইত্যাদি ইত্যাদি
অবশেষে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খেলাম সাইলেশিয়া 1, আরে হাত ঘামা বন্ধ! ঔষধ ছেড়ে দিলাম আবার কিছুদিন পর ঘাম ফেরত এলো
এবার খেলাম সাইলেশিয়া 1, পূর্বের ভেজা হাতের চামড়া শুখিয়ে ছোটো ছোট দেখা দিল, মহা মুসকিল! আর ঔষধই খেলাম না
কিন্তু আবার হাত ঘামা ফেরত এলো মাস খানেক পর
তাহলে কি আজীবন ঔষধই খেয়ে যেতে হবে? এরপর বছর সাতেক পর সাইলেশিয়া 30 খেলাম (দুই সপ্তাহ)
এখন দেখছি পুরোপরি ভাল,হাত-ঘামা আর কখনোই হয়না্, টেনসানেও না! কিন্তু সিলিকন-ডাই-অক্সাইড (বালু) যা থেকে সাইলেশিয়া তৈরী হয়েছে, সেটি অত্যান্ত যৌগ, করো সাথে সহজে বিক্রিয়া করে না
তাহলে এটা হলো কি? এভাগাড্রো আর নিউটন কিংবা প্লাংকের ধ্রুবক যাই হোক না কেন, কাজ তো হলো! , ? . .
অভিজিৎ অক্টোবর 4, 2012 6:07 পূর্বাহ্ন -
@,
আত্মা নামে সত্যিই কোন কিছু আছে কিনা এর কোন প্রমাণও বর্তমান বিঞ্জান দেখাতে পারেনি
অথচ আত্মা এমন এক শক্তি যা জীবকোষ এর সবকিছু নিয়ন্ত্রন করছে
মৃত প্রানীর জীবকোষ নষ্ট না হলেও এর সব কর্মকান্ড থেমে যায় আত্মার অভাবে
ভুল কথা
আত্মা ব্যাপারটি মানুষের আদিম কল্পনা, এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই
আত্মার অস্তিত্ব বিজ্ঞান দেখাতে পারেনি, কারণ আত্মা বলেই কিছু নেই
একটা সময় মানুষ জীবন-মৃত্যুকে ব্যাখ্যা করতে পারতো না, তাদের কল্পনা করতে হয়েছিল অদৃশ্য আত্মার
কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান আত্মার ধারণা ছাড়াই প্রাণকে ব্যাখ্যা করতে পারে
বস্তুত: জীববিজ্ঞান, স্নায়ুবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, শরীরবিজ্ঞান, জেনেটিক্স আর বিবর্তন-বিজ্ঞানের নতুন নতুন গবেষণা আত্মাকে আক্ষরিক ভাবেই রঙ্গমঞ্চ থেকে হটিয়ে দিয়েছে
আর সেজন্যই যুগল-সর্পিলের (ডিএনএ) রহস্য-ভেদকারী নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিক বলেন , 'একজন আধুনিক স্নায়ু-জীববিজ্ঞানী মানুষের এবং অন্যান্য প্রাণীর আচরণ ব্যাখ্যা করার জন্য আত্মা নামক ধর্মীয় ধারণার দ্বারস্থ হওয়ার প্রয়োজন বোধ করেন না'
১৯২১ সালে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন একই ধারণা পোষণ করে বলেছিলেন, 'দেহবিহীন আত্মার ধারনা আমার কাছে একেবারেই অর্থহীন এবং অন্তঃসারশূন্য'
আমার অবিশ্বাসের দর্শন বইয়ে আত্মা নিয়ে সাম্প্রতিক জ্ঞানের আলোকে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা আছে, দেখে নিতে পারেন
ব্লগেও কিছু লিখেছিলাম
এখানে দেখতে পারেন -
সচলায়তনে: আত্মা নিয়ে ইতং-বিতং (পর্ব-১, পর্ব-২, পর্ব-৩, পর্ব-৪, শেষ-পর্ব)
মুক্তমনায় : আত্মা নিয়ে ইতং-বিতং (পর্ব-১, পর্ব-২, পর্ব-৩, পর্ব-৪, পর্ব-৫)
লেখাটাতে আত্মা সংক্রান্ত যে পরস্পরবিরোধিতাগুলো উল্লেখ করেছি, সেগুলো দেখতে পারেন
আমার অনুরোধ লেখাটা (মানে সবগুলো পর্ব) পুরোটা পড়ে এসে তারপর এ নিয়ে আলোচনা করবেন
যে পয়েন্টে আপনার দ্বিমত বা কনফিউশন সেটা নিয়ে আলোচনা করা যাবে
আপনার বাকি পয়েন্টগুলো বিশেষতঃ হাত ঘামা ইত্যাদি নিয়ে যা বললেন, তা এনেকডোটাল এভিডেন্স
বিজ্ঞানে এনেকডোটাল এভিডেন্স খুব একটা গ্রহণযোগ্য নয়
কন্ট্রোলড স্টাডিতে হোমিওপ্যাথির কোন গুণাগুণ পাওয়া যায়নি
নেচারের মত জার্নালে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেই রিপোর্ট করেছেন
তবে মানুষের মস্তিষ্ক অনেক অদ্ভুত ভাবে কাজ করে
সেজন্যই ডামি পিল বা প্ল্যাসিবোতেও রোগী ভাল হয়
কোন হুজুরের পানি পড়া খেয়েও ছোটখাটো হাতঘামা রোগী ভাল হয়েছে এ রকম পাওয়া যাবে, কিন্তু তা বলে পানিপড়াতে কোন ঔষধীয় গুণাবলী নেই
সাকলাইন ডিসেম্বর 18, 2013 7:53 অপরাহ্ন -
@অভিজিৎ,
আমি তো জানি, হোমিওপ্যাথিতে একটা আবিস্কারের র্পূবে ১০০ জন মানুষের উপর সরাসরি গবেষণা চালানো হয়
অ্যালোপ্যাথিতে কি তা করে ?? করে ইদুর এর উপর...ইতর শ্রেণীর প্রাণী আর মানুষের কি একই রকম , ??
অবশ্যই একটা গবেষণালব্ধ . হোমিওপ্যাথিতে একজন ডিগ্রীধারী ডাক্তার ও ছাত্র বলতে পারবে রোগ কি, তার কারণ কি বা মেডিসিন কিভাবে এ কাজ করে
রা কি এক জীবাণু ছাড়া রোগের আর কোন কারণ বের করতে পেরেছেন? বা কিভাবে তাদের মেডিসিন কাজ করে তার ব্যাখ্যা দিতে পারবেন ? হাতুড়ে ডাক্তার নিয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই, কিন্তু একজন ডিগ্রীধারী ( ) হোমিও ডাক্তার সরাসরি , , , , , , , , , , প্রায় ৭-১০ বছর পড়ে, বুঝে তারপর পায়
তাই বাটপারী বলার কোন সুযোগ নেই
ফরিদ আহমেদ ডিসেম্বর 9, 2009 1:18 পূর্বাহ্ন -