content
stringlengths
0
129k
কাহিনির মত এইটাও মানবা না জানি, তবুও কইতাছি
এমিল ডার্খেইম নয়, ভদ্রলোকের নাম এমিল ডুর্খাইম
আদিল মাহমুদ আগস্ট 13, 2010 9:57 অপরাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
ডিজিটাল প্রেমের কাহিনী বহু শোনা যায়, তবে ডিজিটাল শোকের কাহিনী এইই প্রথম শুনলাম
হাসিনা শুনলে মনে হয় খুব খুশী হবেন
আতিক রাঢ়ী আগস্ট 13, 2010 10:23 অপরাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ, ::
অভিজিৎ আগস্ট 14, 2010 12:43 পূর্বাহ্ন -
@ফরিদ ভাই,
আপনের মন্তব্য আমার লেখার চাইতে ভালা, এইটা বোধ হয় না বললেও চলবো
আর, ঠিক আছে এমিল ডুর্খাইমই সই
আপ্নাগো লাইনের লুক আফটার অল! ধন্যবাদ কারেকশনটার জন্য
আর ডিজিটাল শোকের বর্ণনাটা আসলেই খাসা
কেয়া রোজারিও আগস্ট 14, 2010 5:41 পূর্বাহ্ন -
ফরিদ আহমেদ,
আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হোল এখানে সোশ্যাল রেকগ্নিশন বা সামাজিক অনুমোদন টাই কাজ করেছে বেশী
যদিও প্রশ্ন থেকে যায় -একটি ঘটনা দিয়ে সব কি ব্যাখ্যা করা যায় বা তা' আদৌ উচিত কিনা
আপনার মননের খেড়ো খাতা মানে ফেইস বুকের গল্প শুনে একটা গল্প বলতে ইচ্ছে হচ্ছে -এক ভদ্রলোক নিত্যিদিনের মত কাজ সেরে বাড়ী ফিরে দেখলেন স্ত্রী ঘেমে নেয়ে হাতে মুখে হলুদ মেখে রান্নায় ব্যাস্ত
আজ বুঝি আগেই রান্না চড়িয়েছেন
ভদ্র মহিলা খানিক বাদে গলা উচিঁয়ে বললেন তোমার একখানা চিঠি এসেছে, খুলি নি
ভদ্রলোক আয়েশ করে বসে চিঠি খুলে দেখলেন লেখা আছে স্ত্রীর বাবা , তার শ্বশুর গত হয়েছেন
খানিক টানা পোড়েনের পর স্ত্রীকে খবর টা দিতেই বাবার নাম করে গগন বিদারী আওয়াজে মহররমের মাতম করে কেঁদে উঠলেন স্ত্রী
ভদ্রলোক স্বান্তনা দিতে ছুটে যাবার আগে হঠাৎ ই লক্ষ্য করলেন চিঠির নীচে বাঁদিকের কোনায় হলুদ মাখা বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ আর খামের ওপরে খানিক টা ভাতের আঠা লেগে রয়েছে
হয়তো বা কাদঁতে গেলেও সামাজিক অনুমোদন লাগে আর ভোগ তো একলা করা যায় , কিন্তু উপোভোগ করতে হয় সবাইকে নিয়ে
সাইফুল ইসলাম আগস্ট 14, 2010 11:27 পূর্বাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
অভির লেখা নিয়ে দুর্দান্ত, চমৎকার, অসাধারণ, ফাটাফাটি, ব্রিলিয়ান্ট, গবেষণা নির্ভর, শ্রমসাধ্য কাজ, এই সব বিশেষণ দিতে দিতে এখন সবগুলোকেই আমার কাছে এডজেক্টিভিক্যালি ইউনিভার্সাল লাগে
তাই আর কোন বিশেষণে গেলাম না
হইছে এক রকম আর কি
ঠিক কইছেন ভাই
সংশপ্তক আগস্ট 14, 2010 11:51 পূর্বাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
আরেক খান কথা
কাহিনির মত এইটাও মানবা না জানি, তবুও কইতাছি
এমিল ডার্খেইম নয়, ভদ্রলোকের নাম এমিল ডুর্খাইম
ফরাসী ভদ্রলোকটির E নাম এর উচ্চারণ হবে এমিল(অ) দুর্কেম
ড , হ এবং খ ফরাসী ভাষায় নেই এবং ফরাসী বাংলায় লেখা সম্ভব নয়
ফরিদ আহমেদ আগস্ট 14, 2010 12:25 অপরাহ্ন -
আমি ইংরেজিভাষী দেশে তাঁর নাম যেভাবে উচ্চারণ করে সেটাই বলেছি
লাইজু নাহার আগস্ট 13, 2010 8:07 অপরাহ্ন -
অনেক কিছু জানতে পারলাম
ব্রাইট স্মাইল্ আগস্ট 13, 2010 7:44 অপরাহ্ন -
মানব সংস্কৃতি নিয়ে লেখাটি বেশ যুক্তিপুর্ন
ভালো লাগলো জেনে যে
সংস্কৃতিতে কিছু বাহ্যিক ছোটখাট ভেদাভেদ থাকলেও সেটা শেষ পর্যন্ত অভিন্ন মানব সংস্কৃতিই
রৌরব আগস্ট 13, 2010 7:22 অপরাহ্ন -
খুবই সুখপাঠ্য, তথ্যবহুল লেখা
অভিজিৎ আগস্ট 13, 2010 8:55 অপরাহ্ন -
আপনাকেও ধন্যবাদ, পড়ার জন্য
গীতা দাস আগস্ট 13, 2010 5:07 অপরাহ্ন -
অভিজিৎএর লেখা মানেই কঠিন বিষয়কে চারপাশ থেকে উপাত্ত নিয়ে উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেওয়া
সংস্কৃতির ভূতও এর ব্যতিক্রম নয়
লেখাটি পড়ে নিজেকে একটু সমৃদ্ধ করলাম
ধন্যবাদ অভিজিৎ
বিপ্লব রহমান আগস্ট 13, 2010 6:31 অপরাহ্ন -
@গীতা দাস,
অভিজিৎ আগস্ট 13, 2010 8:54 অপরাহ্ন -
@গীতা দি এবং বিপ্লব,
আপনাদের ধইন্যা পাতা 🙂
গীতা দাস আগস্ট 14, 2010 12:41 পূর্বাহ্ন -
সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস
কাজেই আপনাদের মত লোকদের সাথে করতে গিয়ে আপনার ধইন্যা পাতার উত্তরে নতুন শব্দ ব্যবহার করে বলছি শুক্তো ভাত ( স্বাগতম)
জবাব বাতিল
অনুসন্ধান করুন
:
নতুন ব্লগ লিখুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
নিউটনীয় মহাবিশ্ব ও জড়তার উৎস প্রকাশনায়
মাটি- মহাকাশের সঙ্গে জীবনের যোগ খুজতে প্রকাশনায়
শ্রীমদভগবাদগীতা, ভগবানের মুখনিঃসৃত বর্ণবৈষম্যের বিষবাষ্প প্রকাশনায় রতন কুমার শীল
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় মাহাথির আহমেদ তুষার
নারীই বন্ধ প্রকাশনায়
বিষয় অনুযায়ী লেখা
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খে...
বসু, ক্ষুদিরাম (১৮৮৯ -১৯০৮) বিপ্লবী ও শহীদ
মেদিনীপুর জেলার হাবিবপুর গ্রামে ক্ষুদিরামের জন্ম
ছয় বছর বয়সে মা লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবীর মৃত্যু এবং একই বছরে পিতা ত্রৈলোক্যনাথ বসু মারা গেলে জ্যেষ্ঠ বোন তাঁকে লালন পালন করেন
গ্রামের বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার পর তমলুকের 'হ্যামিল্টন' স্কুল ও তারপর ১৯০৩ সালে মেদিনীপুরের 'কলেজিয়েট' স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি শিক্ষা লাভ করেন
পড়াশুনায় মেধাবী হলেও কিশোরোচিত দুরন্তপনা ও দুঃসাহসিক কার্যকলাপের প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল
ক্ষুদিরাম বসু
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলন ক্ষুদিরামের মতো স্কুলের ছাত্রদেরও প্রভাবিত করে এবং পরিণামে তিনি পড়াশোনা ছেড়ে সত্যেন বসুর নেতৃত্বে এক গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন
আরও কয়েকজনের সঙ্গে সেখানে তিনি শরীরচর্চার সাথে সাথে নৈতিক ও রাজনৈতিক শিক্ষা পেতে শুরু করেন
এ সময়ে পিস্তল চালনাতেও তাঁর হাতেখড়ি হয়
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডে উৎপাদিত কাপড় পোড়ানো ও ইংল্যান্ড থেকে আমদানিকৃত লবণে বোঝাই নৌকা ডোবানোর কাজে ক্ষুদিরাম অংশগ্রহণ করেন
১৯০৬ সালের মার্চে মেদিনীপুরের এক কৃষি ও শিল্পমেলায় রাজদ্রোহমূলক ইস্তেহার বণ্টনকালে ক্ষুদিরাম প্রথম পুলিশের হাতে ধরা পড়লেও পালিয়ে যেতে সক্ষম হন
পরবর্তী মাসে অনুরূপ এক দুঃসাহসী কর্মের জন্য তিনি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন এবং আদালতে বিচারের সম্মুখীন হন
কিন্তু অল্প বয়সের বিবেচনায় তিনি মুক্তি পান
১৯০৭ সালে হাটগাছায় ডাকের থলি লুট করা এবং ১৯০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নারায়ণগড় রেল স্টেশনের কাছে বঙ্গের ছোটলাটের বিশেষ রেলগাড়িতে বোমা আক্রমণের ঘটনার সাথে তিনি জড়িত ছিলেন
একই বছরে মেদিনীপুর শহরে অনুষ্ঠিত এক রাজনৈতিক সভায় সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যপন্থি রাজনীতির বিরুদ্ধে তিনি বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও স্বদেশী আন্দোলনের কর্মীদের প্রয়োজনভিত্তিক কঠোর সাজা ও দমননীতির কারণে কলকাতার প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড বাঙালিদের অত্যন্ত ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন
যুগান্তর বিপ্লবীদল ১৯০৮ সালে তাঁকে হত্যার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং প্রফুল্ল চাকী ও ক্ষুদিরামের উপর এ দায়িত্ব পড়ে
কর্তৃপক্ষ কিংসফোর্ডকে কলকাতা থেকে দূরে মুজাফ্ফরপুরে সেশন জাজ হিসেবে বদলি করে দিয়েছিলেন
দুই যুবক ৩০ এপ্রিল স্থানীয় ইউরোপীয় ক্লাবের গেটের কাছে একটি গাছের আড়ালে অতর্কিত আক্রমণের জন্য ওত পেতে থাকেন
কিন্তু কিংসফোর্ডের গাড়ির মতো অন্য একটি গাড়িতে ভুলবশত বোমা মারলে গাড়ির ভেতরে একজন ইংরেজ মহিলা ও তাঁর মেয়ে মারা যান
এ ঘটনার পর ক্ষুদিরাম ওয়ানি রেলস্টেশনে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন
তিনি বোমা নিক্ষেপের সমস্ত দায়িত্ব নিজের উপর নিয়ে নেন
কিন্তু অপর কোনো সহযোগীর পরিচয় দিতে বা কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করতে রাজি হননি
তাঁকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়
প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য অনুসারে মুজফ্ফরপুর কারাগারে ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ফাঁসিতে তাঁর মৃত্যৃ হয়