content stringlengths 0 129k |
|---|
@নৃপেন্দ্র সরকার, |
আমিও উত্তর খুজছি কান্নায় মানুষের চোখে জল আসার বিবর্তনীয়ব্যাখা |
কান্নার একটা বড় ফাংশন হচ্ছে স্ট্রেস রিলিভ |
এটার তো বায়োলজিকাল উৎস সন্ধান করাই যায়, এবং এটা নিয়ে কাজ হয়েছেও |
এমনকি উইকিতেও আছে- |
, , , , . ; . , - -, , . ; - , , ( ) . , , , . , , . . , . |
এ ছাড়া আরেক ধরণের 'কান্না' আছে চোখের ইরিটেশনের জন্য |
যেমন পেঁয়াজ কাটলে, কিংবা চোখে আঘাত পেলে পানি আসে |
এগুলোর জন্য চোখের আভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে রক্ষার বিবর্তনীয় ব্যাখ্যা আসবে |
. সহ অনেকেই এ নিয়ে গবেষণা করেছেন |
নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এই লেখাটা পড়া যেতে পারে- |
নিয়েও গবেষণা হচ্ছে |
সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা একটি গবেষণায় দেখিয়েছেন " " |
যা হোক, এগুলো আমার গবেষণার টপিক নয়, খুব বেশি সাহায্য করতে পারবো না |
যার আগ্রহ আছে তাকে একটু কষ্ট করে আরো গবেষণার হদিস খুঁজে নিতে হবে |
নৃপেন্দ্র সরকার আগস্ট 14, 2010 8:48 অপরাহ্ন - |
কান্নার একটা বড় ফাংশন হচ্ছে স্ট্রেস রিলিভ |
. আপনার এই ব্যাখ্যাটা দারূণ লেগেছে |
স্ট্রেস ডেভেলপমেন্ট |
এটি একটি বাইওকেমিক্যাল প্রসেস |
সাংস্কৃতিক মিথ্যা আশ্বাস (ভগবান তাকে স্বর্গে স্থান দিয়েছেন |
বাপ মরেছে, কী হয়েছে? আমরা আছি না! ইত্যাদি) বাইওকেমিক্যাল প্রসেসটাকে ভিন্ন সংস্কৃতিতে ভিন্ন ভাবে কম বা বেশী করছে |
তাই কান্নার ভ্যারিয়েশন হচ্ছে |
আপনার উইকি রেফেরেন্স পরিস্কার ধারণা দিয়েছে |
সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটা পথ সামনে এসেছে |
শুধু ধন্যবাদ দিলে আপনা্র মূল্য দেওয়া হয় না |
তাই কিছুই বলছি না |
রনি আগস্ট 14, 2010 1:46 পূর্বাহ্ন - |
অভিজিৎ দা, |
আপনার লেখাটি খুব সুন্দর হয়েছে |
মুক্ত মনা আমার চোখ খুলে দিয়েছে |
আমার এখন আফসোস হচছে যে, এত দিন ধর্ম এর পেছনে অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট করেছি |
এই মূল্যবান সময় গুলো জ্ঞান চরচার পেছনে নষ্ট করলেও লাভ হত |
কম্পিউটার এ নতুন বাংলা লেখা শিখেছি তাই ২ ১ টা বানান ভুল হয়েছে |
তাই আমি ক্ষমা প্রাথী |
সৈকত চৌধুরী আগস্ট 14, 2010 5:58 পূর্বাহ্ন - |
মুক্ত-মনায় স্বাগতম |
নিয়মিত আলোচনায় অংশগ্রহণ কাম্য |
রৌরব আগস্ট 14, 2010 8:39 পূর্বাহ্ন - |
স্বাগতম মুক্তমনায় |
আ. হা. মহিউদ্দীন আগস্ট 14, 2010 12:48 পূর্বাহ্ন - |
শ্রী অভিজিৎ সংষ্কৃতির উপর এক দীর্ঘ প্রবন্ধ লিখে ফেললেন |
তিনি পন্ডিত ব্যক্তি, মানব জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ করতে সমর্থ হন |
বর্তমানে মানব জ্ঞানের যথেষ্ট উৎকর্ষ ঘটায়, জ্ঞানের আদি শাখা সমূহ বিভিন্ন উপ-শাখায় বিভাজিত হয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়টিকে জটিল করে তুলছে |
ফলে আমার মতো সাধারণ পাঠকের পক্ষে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি বুঝা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায় |
তাই আমাদের মতো পাঠকের জন্য জ্ঞানের আদি রূপ বুঝার জন্য সহজতর |
উদাহরণ নিউটনের মাধ্যমে পদার্থবিদ্যা বুঝা যত সহজতর, আধুনিক পদার্থবিদের মাধ্যমে পদার্থবিদ্যা বুঝা ততই কঠিন |
আমার কাছে সংষ্কৃতির সংজ্ঞা হলো বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার সমন্বিত রীতিনীতির প্রতীকী, যা স্থান, কাল ও মানব গ্রুপের উপর নির্ভরশীল এবং ভাববাদের মাধ্যমে যার আদি বহির্প্রকাশ |
কালক্রমে সংষ্কৃতি উপাসনালয়ের গন্ডি পেড়িয়ে, সামন্তবাদের বৈঠকখানা হয়ে, রাজপথে গণ-মানুষের কাছে উপস্থিত হয়েছে |
বর্তমানে বলা হচ্ছে সংগিতের ভাষা নাই, নৃত্যের কোন নির্দিষ্ট অংগভংগি নাই |
এগুলি সার্বজনীন |
অতএব সংষ্কৃতি বুঝতে হলে সমাজ ও তার মনোস্তাত্বিক বিবর্তনের কারন উদ্ঘাটন করতে হবে |
নৃপেন্দ্র সরকার আগস্ট 14, 2010 12:09 পূর্বাহ্ন - |
@অভিজিৎ রায়, |
আমার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনি সময় ব্যয় করে এত দীর্ঘ তথ্যবহুল লেখা লিখেছেন তার জন্য আমি অভিভূত |
আমি পড়েছি |
আরও কয়েক বার পড়তে হবে |
তখন হয়ত কিছুটা বুঝতে পারব |
স্বাধীনের দেওয়া রেফারেন্স বইটি |
: / . |
. এ আজকেই অর্ডার করব |
জিনিষগুলো বুঝতে আমার ভাল সময় লাগবে |
অভিজিৎ আগস্ট 14, 2010 12:37 পূর্বাহ্ন - |
@নৃপেন্দ্র সরকার, |
ধন্যবাদ নৃপেনদা |
তবে স্বাধীনের দেওয়া বইটা আমি পড়ি নাই |
তাই বলতে পারছি না |
স্বাধীন আগস্ট 14, 2010 12:47 পূর্বাহ্ন - |
বইটা পড়ে দেখতে পারেন |
আমার কাছে লিটেরাচার রিভিউগুলো বেশ আপ টু ডেট মনে হয়েছে |
নৃপেন্দ্র সরকার আগস্ট 14, 2010 12:55 পূর্বাহ্ন - |
তবে স্বাধীনের দেওয়া বইটা আমি পড়ি নাই |
তাই বলতে পারছি না |
অর্ডার করা হয়ে গেল |
খারাপ বললেও ফেরত দেওয়ার উপায় নেই |
ডিজিটাল ব্যাপার-স্যাপার |
ফরিদ আহমেদ আগস্ট 13, 2010 9:45 অপরাহ্ন - |
বিজ্ঞান ছাইড়া সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞানেও নাক গলাইছো তুমি |
ঘট্নাডা কী? স্নিগ্ধার ভাত মারতে চাও নাকি? নাকি কালচারাল ইউনিভারসাল এর মত সায়েন্টিফিক ইউনিভারসালের যুক্তি তুইলা ধইরা কইবা যে ছোটোখাটো কিছু বাহ্যিক ভেদাভেদ থাকলেও সব বিজ্ঞানগুলোই আসলে একই বিজ্ঞান |
তা সে হোক না কেন সমাজবিজ্ঞান কিংবা জীববিজ্ঞান অথবা পদার্থবিজ্ঞান |
লেজেতো সবগুলারই বিজ্ঞান আছে |
অভির লেখা নিয়ে দুর্দান্ত, চমৎকার, অসাধারণ, ফাটাফাটি, ব্রিলিয়ান্ট, গবেষণা নির্ভর, শ্রমসাধ্য কাজ, এই সব বিশেষণ দিতে দিতে এখন সবগুলোকেই আমার কাছে এডজেক্টিভিক্যালি ইউনিভার্সাল লাগে |
তাই আর কোন বিশেষণে গেলাম না |
হইছে এক রকম আর কি |
প্রিয়জন মারা গেলে সব সমাজের লোকই কাঁদে এতে মনে হয় কারো কোন আপত্তি নেই |
তবে এই কান্নার প্রকারভেদের ক্ষেত্রে সামাজিক চাপটাকেও অস্বীকার করা যায় না একেবারে |
গত পরশুদিন কাছাকাছি বসবাস করা আমার পরিচিত এক ভদ্রলোকের মা মারা গিয়েছেন |
ভদ্রলোকের স্ত্রীর সাথে তাঁর মায়ের সম্পর্কটা ছিল একেবারে সাপে-নেউলে |
এর জের দুই পরিবারেও গিয়ে পড়েছিল |
দুইজনের মা-বাবাই ঢাকা শহরে খুব কাছাকাছি জায়গায় থাকার পরেও তাঁদের মধ্যে কোন যোগাযোগ ছিল না |
ভদ্রলোকের মা মারা যাবার পরে তাঁদের পরিবার থেকে ভদ্রমহিলার পরিবারকে এই খবরটা জানাবার প্রয়োজনটুকুও কেউ বোধ করে নি |
মা মারা যাবার খবর শুনে ভদ্রলোক তাঁর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন যে তিনি মা হারা হয়েছেন (মা মারা যাবার পরে কেউ কম্পিউটার খুলে ফেসবুকে যেতে পারে এটা বিশ্বাস করতেও অবশ্য কষ্ট হচ্ছিল আমার |
) সেই স্ট্যাটাস দেখে ভদ্রমহিলার বাবা-মা জানতে পারেন যে তাঁদের কন্যার শাশুড়ি মারা গিয়েছেন |
এখন এই ভদ্রমহিলা পরিচিত সবাইকে ফোন করে তাঁর শাশুড়ির মৃত্যু সংবাদ দিচ্ছেন আর গগনবিদারী কান্নাকাটি করছেন |
মৃত্যু সংবাদ পাবার পর থেকে কীভাবে মেঝেতে গড়াগড়ি করে তিনি কাঁদছেন তাঁর সবিস্তার বর্ণনা দিচ্ছেন ওই সশব্দ আকুল কান্নার ফাঁকে ফাঁকেই |
যাদের সুস্থ মন তাঁরা বলবেন যে, জীবিত মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতেই পারে, মারা যাবার পরে সেটা কী আর কেউ মনে রাখে |
কাজেই তিনি সত্যি সত্যিই হয়তো প্রচণ্ড দুঃখ পেয়েছেন, ফলে ওরকম কোরবানির গলাকাটা পশুর মত মেঝেতে পড়ে কাঁদছেন |
কিন্তু আমার অসুস্থ মনে কেন যেন বারবার শুধু সামাজিক চাপের কথাই ভেসে ভেসে উঠছে |
শাশুড়ির মৃত্যুতে না কাঁদলে লোকে কী ভাববে সেটাই হয়তো কাজ করছে ভদ্রমহিলার মনে |
আরেক খান কথা |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.