content stringlengths 0 129k |
|---|
ফেইসবুক ফ্যান পেইজ |
সম্পাদক ও প্রকাশক : মুহাঃ আবুল কালাম আজাদ |
নির্বাহী সম্পাদক : সাজ্জাদুর রহমান | বার্তা সম্পাদক : কাজল কায়েস |
বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ, রতন প্লাজা-৩য় তলা, চকবাজার, লক্ষ্মীপুর |
মোবাইল : +৮৮০ ১৭১ ১২৬ ০৫৪৬, +৮৮০ ১৭১ ৬৫৪ ৫৯৫৯ |
জেড. রহমান প্রিমিয়ার ব্যাংস্ক স্কুল এন্ড কলেজ- একটি ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয় |
অত্র বিদ্যালয়টি প্রায় একশ একর জমির উপর ১৯৮৭ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয় |
তারই ধারা বাহিকতায় বিদ্যালয়টির লেখাপড়ার মান ও অবকাঠামোর উন্নতি বৃদ্ধি পেতে থাকে |
বর্তমানে অত্র বিদ্যালয়ের প্রায় দুই হাজার ছাত্র/ছাত্রী লেখা-পড়া করছে |
এর রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস |
অনেক কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছিলেন |
সরকারের ঘোষিত ভিশন ২০২১ অর্জনের উদ্দেশ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি |
এক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি কোন অংশে পিছিয়ে নেই |
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবক কাছে দ্রুত পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা কর হয়েছে |
ভর্তি কার্যক্রম থেকে শুরু করে ফলাফল প্রস্তুত করাসহ সকল কাজ অনলাইন সফটওয়ারের মাধ্যমে সম্পন্ন করার পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে |
ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের সকল তথ্য অনলাইনে নিজস্ব ওয়েবসাইটে সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে |
প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটির জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক |
অত্র প্রতিষ্ঠানে মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগ সহ বিভিন্ন বিভাগ চালু আছে |
প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ধারা সমুন্নত থাক এটাই সকলের আন্তরিক চাওয়া এবং প্রত্যাশা |
আমরা প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নতি কামনা করি |
গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ যে কোনো গর্ভবতী মায়ের জন্য বেশ ভয়ের ব্যাপার |
নানা কারণে গর্ভাবস্থায় মাসিকের রাস্তায় রক্তক্ষরণ হতে পারে |
গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সময় রক্তপাত হতে পারে |
পুরো গর্ভাবস্থাকে তিন ভাগে ভাগ করলে প্রথম তিন মাস, মাঝের তিন মাস ও শেষের তিন মাসের যে কোনো সময় রক্তক্ষরণ হতে পারে |
প্রথম তিন মাসের রক্তক্ষরণের কারণ |
* শতকরা ২০-৩০ ভাগ গর্ভবতী মায়ের প্রথম তিন মাসে রক্তক্ষরণ হতে পারে |
এর মধ্যে অর্ধেকের বাচ্চার কোনো সমস্যা হয় না, পুরো গর্ভাবস্থা কাটিয়ে পূর্ণ সন্তান প্রসব করা হয় |
* বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই প্রথম তিন মাসে রক্তক্ষরণের প্রধান কারণ |
অনেক সময় অল্প রক্তক্ষরণ হয়; কিন্তু ঠিকমতো চিকিৎসা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী থাকলে শেষ পর্যন্ত সন্তান প্রসব সম্ভব |
* একটোপিক প্রেগনেন্সি : জরাযু ছাড়া পেটের ভেতরে অন্য কোনো জায়গায় (যেমন টিউব, ডিম্বাশয়) যদি ভ্রƒণ স্থাপিত হয় তবে তাকে একটোপিক প্রেগনেন্সি বলে |
মাসিক বন্ধ হওয়ার পর পেটে ব্যথার সঙ্গে সঙ্গে হালকা রক্তপাত এর প্রধান লক্ষণ |
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে একটোপিক প্রেগনেন্সি কিনা তা জানা যায় |
* ইমপ্লেনটেশন রক্তপাত : বাচ্চা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ছাড়াই কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে জরায়ুতে ভ্রƒণ স্থাপিত বা ইমপ্লেনটেশনের সময় রক্তপাত হতে পারে |
* আর কিছু কারণে প্রথম তিন মাসে মাসিকের রাস্তায় রক্তক্ষরণ হতে পারে |
তা হলোN মোলার প্রেগনেন্সি, যেখানে জরায়ুতে ভ্রƒণের পরিবর্তে টিউমার জাতীয় সমস্যা হয় এবং এ অবস্থায় রক্তক্ষরণের সঙ্গে সঙ্গে আঙ্গুরের থোকার মতো বের হয় |
তবে একটা ব্যাপার জেনে রাখা ভালো যে, যেসব ভ্রƒণের জন্মগত কোনো ত্রুটি থাকে, সাধারণত সেসব বাচ্চাই নষ্ট বা এবরশন হয়ে যায় |
গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে রক্তক্ষরণের কারণ |
* এ সময়ে রক্তক্ষরণের প্রধান দুটি কারণের একটি হলো গর্ভফুল নিচে জরায়ুর মুখের কাছাকাছি থাকা, যাকে বলা হয় প্লাসেন্টা প্রিভিয়া, যাদের আগে জরায়ুতে কোনো ধরনের অপারেশন যেমনN ডিএনসি, সিজারিয়ান অপারেশন বা যাদের যমজ বাচ্চা হয় তাদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে |
* অন্যটি হলো গর্ভফুল জরায়ুর স্বাভাবিক অবস্থা থেকে একটু আলগা হয়ে যাওয়া |
বিভিন্ন কারণে এ রকম সমস্যা হতে পারে |
যেমনN প্রেসার বেশি থাকা বা পেটে কোনো কারণে আঘাত পেলে এরকম হতে পারে |
* আরও একটা যে কারণে শেষের দিকে রক্তপাত হতে পারে তা হলো সময়ের আগেই যদি ডেলিভারির ব্যথা উঠে যায় |
অনেক সময় জরায়ুর মুখের কোনো সমস্যার জন্য গর্ভাবস্থায় রক্ত যেতে পারে |
এ সময়ে করণীয় : প্রথম দিকে অল্প রক্ত গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রাম ও চিকিৎসা নিলে ভ্রƒণের অনেক সময় কোনো ক্ষতি হয় না আবার কিছু ক্ষেত্রে রক্ত যাওয়ার সঙ্গে বেশি পেট ব্যথা থাকলে বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে |
রক্ত বেশি গেলে সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে |
এ অবস্থায় যে কোনো সময় রোগীর রক্তের প্রয়োজন হতে পারে |
তাই এ সময় রক্তের ডোনার রেডি রাখতে হবে |
এ সময় পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে এবং ভারি কাজ করা, ভ্রমণ ও সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে |
দেশের শতকরা ছয়জন বাচ্চার চোখ থেকে পানি পড়ে |
সঠিক সময়ে এর যদি সঠিক চিকিৎসা করা না হয়, তবে নানা ধরনের জটিলতায় শিশুর দৃষ্টিশক্তি ব্যহত হতে পারে |
এজন্য কোনো হাতুড়ে চিকিৎসা না নিয়ে বিষয়টাকে সঠিকভাবে জানা উচিত |
এবং সে মোতাবেক চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত |
আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক |
এই সমস্যার আদ্যপ্রান্ত |
আমাদের চোখের ঠিক কোণায় রয়েছে ল্যাকরিমাল গ্রন্থি |
যা থেকে পানি বের হয় |
সে পানি চোখ ওচোখের মণিকে সিক্ত রাখে |
আমাদের চোখের দুই কোণায় দুটো ছিদ্র রয়েছে, যাকে বলা হয় পাংটা, আরেকটি পথে পানি নাকের ভেতর দিয়ে বের হয়ে যায় |
এজন্য আমরা কখনো চোখে ড্রপ দিলে সেটা গলায় টের পাই |
যদি কোনো কারণে এই পথ বন্ধ থাকে তখনি চোখ গড়িয়ে পানি বেরিয়ে আসে |
আবার এমনও হতে পারে পানি নাক দিয়ে যাওয়ার পথে ল্যাকরিমাল স্যাক নামে একটি থলিতে জামা হয় |
এখানে কোনো সমস্যা থাকলেও চোখ দিয়ে পানি গড়াতে পারে |
সাধারণত অপূর্ণ শিশু বা সময়ের আগে যদি শিশু জন্ম নেয় তাহলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে |
এছাড়া বাচ্চাদের নখের আছড় লেগেও মণিতে ক্ষত হয়ে পরে সেটা ইনফেকশন হতে পারে |
কি করে বুঝবেন? |
শিশুর চোখ দিয়ে অকারনে পানি পড়লেই বুঝতে হবে এ জাতীয় কোনো সমস্যা হয়েছে, তখনই শিশুকে চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া প্রয়োজন |
প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা করলে এটা কোনো জটিল সমস্যা নয় |
অনেক সময় শিশু বলতে পারেনা |
তখন মাকেই খেয়াল করতে হবে |
শতকরা ১০ ভাগ বাচ্চার নেত্রনালি পুরোপুরি খোলেনা |
এক্ষেত্রে জন্মের চার সপ্তাহ পরে পানি পড়াটা ভালোভাবে চোখে পড়ে কিছুক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শুধু ম্যাসাজ করলেও ভালো হয়ে যায় |
ম্যাসাজের ফলাফল এক বছর পর্যন্ত, ৯৬ থেকে ৯৮ ভাগ পাওয়া যাবে |
এক থেকে দুই বছরের ক্ষেত্রে যদি দেখি রোগীর কোনো উন্নতি হচ্ছে না |
তখন ডাক্তাররা পানি যাওয়ার ছিদ্রটি পরিষ্কার করে দেন |
এটি করলে যাদের সমস্যাটি রয়ে গেছে তাদের মধ্য থেকে ৯৫ ভাগ শিশুর বিষয়টি ভালো হয়ে যায় |
আবার যাদের এটি করার পরও ভালো হলো না, বাদ থাকল তাদের ক্ষেত্রে আগে বলা হতো, বড় হলে কেটে অস্ত্রোপচার করে দেব |
একে বলা হয় ডিসিআর |
ডেকরোসিস্টো রাইনোসটোমি |
প্রথমত বিষয়টি খেয়াল করতে হবে |
চোখে পড়লে ঘাবড়ে না গিয়ে ডাক্তার দেখাতে হবে |
ডাক্তারের পরামর্শে ম্যাসাজ করতে হবে |
তাতে ভালো না হলে ডাক্তারগণ পরবরতী ব্যবস্থা নিয়ে থাকবেন |
মিটু অভিযোগের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন সুশান্ত,নিজেকে নির্দোষ প্রমাণও করেছিলেন - # , |
, 27 2021 |
/ |
কথা ও কাহিনি |
টি২০ বিশ্বকাপ |
বাংলার মুখ |
অন্যান্য জেলা |
টি২০ বিশ্বকাপ |
আইপিএল-2021 |
দেখতেই হবে |
ব্র্যান্ড পোস্ট |
বাংলা-র খুঁটিনাটি |
আমাদের সম্বন্ধে জানুন |
যোগাযোগের ঠিকানা |
ব্যবহারের শর্তাবলী |
গোপনীয়তা নীতি |
© . |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.