content
stringlengths
0
129k
১৯২৮ খ্রিস্টাব্দের শেষদিকে, নজরুল কৃষ্ণনগরের বাড়ি ছেড়ে সপরিবারে কলকাতা চলে আসেন
১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল গ্রামোফোন কোম্পানির সঙ্গে, ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে বেতার ও মঞ্চের সঙ্গে এবং ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন
১৯২৮-১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল 'এইচ.এম.ভি' গ্রামোফোন কোম্পানির সঙ্গে সঙ্গীত-রচয়িতা ও প্রশিক্ষক রূপে সংযুক্ত হন
'এইচ.এম.ভি' গ্রামোফোন কোম্পানিতে নজরুলের প্রশিক্ষণে প্রথম রেকর্ডকৃত তাঁর দুটো গান 'ভুলি কেমনে' ও 'এত জল ও কাজল চোখে' প্ররিবেশন করেন আঙ্গুরবালা
নজরুলের নিজের প্রথম রেকর্ড ছিল স্বরচিত 'নারী' কবিতার আবৃত্তি
১২ নভেম্বর ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল কলকাতা বেতার কেন্দ্র সান্ধ্য অধিবেশনে থেকে প্রথম অনুষ্ঠান প্রচার করেন
১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে, 'মনোমোহন থিয়েটার'-এ প্রথম মঞ্চস্থ শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের রক্তকমল নাটকের জন্য নজরুল গান রচনা ও সুর সংযোজনা করেন
শচীন্দ্রনাথ ওই নাটকটি নজরুলকে উৎসর্গ করেন
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে, মঞ্চস্থ মন্মথ রায়ের চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী নাটক 'কারাগার'-এ নজরুলের আটটি গান ছিল, নাটকটি একটানা ১৮ রজনী মঞ্চস্থ হওয়ার পর সরকার নিষিদ্ধ করে
জানুয়ারি ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে নজরুল দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, চট্টগ্রাম এবং মার্চ ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়া ও বগুড়া ভ্রমণ করেন
নজরুল চট্টগ্রাম ভ্রমণকালে হবীবুল্লাহ বাহার ও শামসুন্নাহার ভাইবোনের আতিথ্য গ্রহণ করেন; বন্ধু কমরেড মুজফ্ফর আহমদের জন্মস্থান সনদ্বীপও ভ্রমণ করেন
১৯২৮-১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে, নজরুলের কবিতা ও গানের সংকলন 'সিন্ধু-হিন্দোল' (১৯২৮), 'সঞ্চিতা' (১৯২৮); 'বুলবুল' (১৯২৮), 'জিঞ্জীর' (১৯২৮) ও 'চক্রবাক' (১৯২৯) প্রকাশিত
১৯২৯ সালে কবির তৃতীয় পুত্র কাজী সব্যসাচীর জন্ম হয়, আর মে মাসে চার বছরের প্রিয়পুত্র বুলবুল বসন্ত রোগে মারা যায়
কবি এতে প্রচন্ড আঘাত পান
অনেকে বলেন এ মৃত্যু নজরুলের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়
তিনি ক্রমশ অন্তর্মুখী হয়ে উঠেন এবং আধ্যাত্মিক সাধনার দিকে ঝুঁকে পড়েন
বুলবুলের রোগশয্যায় বসে নজরুল হাফিজের 'রুবাইয়াৎ' অনুবাদ করেন, যা পরে 'রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ' নামে প্রকাশিত হয়
১০ই ডিসেম্বর ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতার এলবার্ট হলে বাঙালিদের পক্ষ থেকে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়
এতে সভাপতিত্ব করেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, অভিনন্দন-পত্র পাঠ করেন ব্যারিস্টার এস ওয়াজেদ আলি, শুভেচ্ছা ভাষণ দেন বিশিষ্ট রাজনীতিক সুভাষচন্দ্র বসু (নেতাজী) এবং রায়বাহাদুর জলধর সেন
কবিকে সোনার দোয়াত-কলম উপহার দেওয়া হয়
এ সংবর্ধনা সভায় প্রফুল্লচন্দ্র রায় বলেন, 'আমার বিশ্বাস, নজরুল ইসলামের কবিতা পাঠে আমাদের ভাবী বংশধরেরা এক একটি অতি মানুষে পরিণত হইবে
' সুভাষচন্দ্র বসু বলেন, 'আমরা যখন যুদ্ধ ক্ষেত্রে যাব তখন সেখানে নজরুলের যুদ্ধের গান গাওয়া হবে! আমরা যখন কারাগারে যাব, তখনও তাঁর গান গাইব
১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে, প্রকাশিত হয় নজরুলের রাজনৈতিক উপন্যাস 'মৃত্যুক্ষুধা', গানের সংকলন 'নজরুল-গীতিকা', নাটিকা 'ঝিলিমিলি' এবং কবিতা ও গানের সংকলন 'প্রলয়-শিখা' ও 'চন্দ্রবিন্দু'
'চন্দ্রবিন্দু' গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত এবং 'প্রলয়-শিখা'র জন্য নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়
১৬ই ডিসেম্বর ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে, প্রকাশিত আদালতের রায়ে নজরুলের ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ হয়, নজরুল হাইকোর্টে আপিল ও জামিন লাভ করেন
ইতোমধ্যে 'গান্ধী-আরউইন চুক্তি'র ফলে হাইকোর্ট কর্তৃক নজরুলের বিরুদ্ধে মামলা খারিজের আদেশ দেওয়া হয়, ফলে নজরুলকে দ্বিতীয়বার কারাবাস করতে হয়নি
জুন-জুলাই ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল দার্জিলিং ভ্রমণ করেন
রবীন্দ্রনাথও তখন দার্জিলিং-এ ছিলেন
তাঁর সঙ্গে নজরুলের সাক্ষাৎ হয়
এ বছর প্রকাশিত হয় নজরুলের উপন্যাস 'কুহেলিকা', গল্প-সংকলন 'শিউলিমালা', গানের স্বরলিপি 'নজরুল-স্বরলিপি' এবং গীতিনাট্য 'আলেয়া'
৩রা পৌষ ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে, নজরুলের নাটক 'আলেয়া' কলকাতার নাট্যনিকেতনে প্রথম মঞ্চস্থ হয়
এতে গানের সংখ্যা ছিল ২৮টি
এই বছর নজরুল আরো নাটকের জন্য গান রচনা ও সুরারোপ করেন, যেমন―যতীন্দ্রমোহন সিংহের 'ধ্রুবতারা' উপন্যাসের নাট্যরূপের চারটি গান (সুরারোপ), মন্মথ রায়ের 'সাবিত্রী' নাটকের ১৩টি গান (রচনা ও সুরারোপ)
১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতা বেতার থেকে প্রচারিত মন্মথ রায়ের 'মহুয়া' নাটকের গানগুলোর রচয়িতা ছিলেন নজরুলই
১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল রাউজানে (চট্টগ্রাম) এক সাহিত্য সম্মেলনে যোগদান করেন
৫ই ও ৬ই নভেম্বর ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল সিরাজগঞ্জে 'বঙ্গীয় মুসলমান তরুণ' সম্মেলনে যোগদান করেন
২৫-২৬ ডিসেম্বর ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতা এলবার্ট হলে 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য' সম্মেলনে যোগদান করেন
সম্মেলনের সভাপতি কবি কায়কোবাদ নজরুলকে মাল্যভূষিত করেন
১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে, নজরুলের প্রকাশনার মধ্যে সবগুলোই ছিল গীতিসংকলন, যথা―'সুর-সাকী', 'জুলফিকার' ও 'বন-গীতি'
১৯৩২-৩৩ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল 'এইচ.এম.ভি' ছেড়ে 'মেগাফোন' রেকর্ড কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হন
এই কোম্পানির রেকর্ড করা প্রথম দুটো নজরুল-সঙ্গীত ছিল ধীরেণ দাসের গাওয়া 'জয় বাণী বিদ্যাদায়িনী' ও 'লক্ষ্মী মা তুই'
১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল এক্সক্লুসিভ কম্পোজাররূপে 'এইচ.এম.ভি'-তে পুনরায় যোগদান করেন
এই সময় তাঁর অনেক গান রেকর্ড হয়
১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল তিনটি মূল্যবান অনুবাদ-কর্ম সমাপ্ত করেন; যথা―'রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ', 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' এবং 'কাব্য আমপারা'
রেকর্ড, বেতার ও মঞ্চের পর নজরুল, ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে, চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন
তিনি প্রথমে যে ছায়াছবির জন্য কাজ করেন সেটি ছিল গিরিশচন্দ্র ঘোষের কাহিনী 'ভক্ত ধ্রুব' (১৯৩৪)
এ ছায়াছবির পরিচালনা, সঙ্গীত রচনা, সুর সংযোজনা ও পরিচালনা এবং নারদের ভূমিকায় অভিনয় ও নারদের চারটি গানের প্লেব্যাক নজরুল নিজেই করেন
ছবির আঠারোটি গানের মধ্যে সতেরোটির রচয়িতা ও সুরকার ছিলেন নজরুল
এছাড়া তিনি আর যেসব চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন সেগুলো হচ্ছে―'পাতালপুরী' (১৯৩৫), 'গ্রহের ফের' (১৯৩৭), 'বিদ্যাপতি' (বাংলা ও হিন্দি ১৯৩৮), 'গোরা' (১৯৩৮), 'নন্দিনী' (১৯৪৫) এবং 'অভিনয় নয়' (১৯৪৫)
বিভিন্ন ছায়াছবিতে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ব্যবহৃত নজরুল-সঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় অর্ধশত
চলচ্চিত্রের মতো মঞ্চ-নাটকের সঙ্গেও নজরুল ত্রিশের দশকে সম্পৃক্ত ছিলেন
১৯২৯-১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতার বিভিন্ন মঞ্চে স্বরচিত দুটো নাটক 'আলেয়া' ও 'মধুমালা' সহ প্রায় ২০টি মঞ্চ-নাটকের সঙ্গে তিনি সংযুক্ত ছিলেন
'রক্তকমল', 'মহুয়া', 'জাহাঙ্গীর', 'কারাগার', 'সাবিত্রী', 'আলেয়া', 'সর্বহারা', 'সতী', 'সিরাজদ্দৌলা', 'দেবীদুর্গা', 'মধুমালা', 'অন্নপূর্ণা', 'নন্দিনী', 'হরপার্বতী', 'অর্জুন-বিজয়', 'ব্ল্যাক আউট' ইত্যাদি নাটকে ১৮২টি নজরুল-সঙ্গীত অন্তর্ভুক্ত হয়
১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল-প্রকাশনার সবই ছিল সঙ্গীত-বিষয়ক; যথা―'গীতি-শতদল', 'গানের মালা' 'সুরলিপি', 'সুরমুকুর' ইত্যাদি
অক্টোবর ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল কলকাতা বেতারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত হন
তাঁর তত্ত্বাবধানে সঙ্গীতানুষ্ঠান প্রচারিত হয়; যথা―'হারামণি', 'মেল-মিলন' ও 'নব-রাগ-মালিকা'
১৯৩৯-১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তীর সহযোগিতায় কলকাতা বেতার থেকে রাগভিত্তিক ব্যতিক্রমধর্মী সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিবেশন করেন, যা ছিল নজরুলের সঙ্গীত-জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পর্ব
১৯৩৯-১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে, 'এইচ.এম.ভি' (৫৬৭টি), 'মেগাফোন' (৯১টি), 'টুইন' (২৮০টি), 'কলম্বিয়া' (৪৪টি), 'হিন্দুস্থান' (১৫টি), 'সেনোলা' (১৩টি), 'পাইওনিয়ার' (২টি), 'ভিয়েলোফোন' (২টি), 'রিগ্যান' (১টি) প্রভৃতি থেকে প্রায় এক হাজার নজরুল-সঙ্গীতের রেকর্ড প্রকাশিত হয়
৭ই আগস্ট ১৯৪১ খ্রিস্টাব্দে, ২২শে শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে, রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল তাৎক্ষণিকভাবে রচনা করেন 'রবিহারা' ও 'সালাম অস্তরবি' কবিতা-দুটো এবং 'ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে' শোকসঙ্গীত
'রবিহারা' কবিতাা নজরুল স্বকণ্ঠে আবৃত্তি করেন কলকাতা বেতারে, গ্রামোফোন রেকর্ডে
'ঘুমাইতে দাও' গানটিও কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে স্বকণ্ঠে প্ররিবেশন করেন
১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে, নজরুল অসুস্থ এবং ক্রমশ নির্বাক ও সম্বিতহারা হয়ে যান
দেশে ও বিদেশে কবির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়, তবে কোনো সুফল পাওয়া যায়নি
১৯৪২ (জুলাই)―১৯৭৬ (আগস্ট) খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত, দীর্ঘ ৩৪টি বছর নজরুলের এই অসহনীয় নির্বাক জীবনকাল অতিবাহিত হয়
২৪শে মে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে, ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে নজরুলকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়
৯ই ডিসেম্বর ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দে, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে নজরুলের অবদানের স্বীকৃতি-স্বরূপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে
জানুয়ারি ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে, নজরুলকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি 'একুশে পদক'-এ ভূষিত করে
২৯শে আগস্ট ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে, ১২ই ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দে, ঢাকার পিজি হাসপাতালে নজরুল শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের উত্তর পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় কবি, বাঙালির জাতীয় কবি, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে
বন্ধু-গো আর বলিতে পারি না,
বড় বিষ-জ্বালা এই বুকে
পোস্ট শেয়ার করুন
: অতিথি লেখক
মুক্তমনার অতিথি লেখকদের লেখা এই একাউন্ট থেকে পোস্ট করা হবে
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
সেপ্টেম্বর 23, 2021 | 1
শুভ জন্মদিন অভিজিৎ রায়
শুভ জন্মদিন অভিজিৎ রায়
সেপ্টেম্বর 11, 2021 | 2
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ: প্লেটোনিক ভালোবাসার দীর্ঘনিঃশ্বাস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ: প্লেটোনিক ভালোবাসার দীর্ঘনিঃশ্বাস
আগস্ট 23, 2021 | 0
মানব প্রজনন ও যৌনতাঃ পাঠ্যবইয়ে কী পড়ছি?
মানব প্রজনন ও যৌনতাঃ পাঠ্যবইয়ে কী পড়ছি?
জুলাই 29, 2021 | 3
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল) - জন্মদিনকে স্মরণ করে
বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল) - জন্মদিনকে স্মরণ করে
জুলাই 22, 2021 | 0
6
মার্চ 8, 2020 9:31 অপরাহ্ন -
সন্তোষ ঘোষ
জুলাই 14, 2019 2:05 পূর্বাহ্ন -
মুক্তমনা-র উপস্থাপনা চমৎকার
কাজী নজরুল আমাদের সমাজের পতিতাদের নিয়ে 'বারাঙ্গনা' নামে একটি কবিতা লিখেছিলেন
সেই কবিতাটি আপনাদের কাছে থাকলে আমাকে পাঠালে সবিশেষ উপকৃত হবো
কাছে না থাকলে কবিতা টি নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ'য়ে রয়েছে ,জানা থাকলে আমাকে জানালে উপকৃত হবো
আন্তরিক শুভেচ্ছা রইলো