content
stringlengths
0
129k
তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না
তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর
তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ
আচ্ছা, বিশ্বাসটা আনা যায় কিভাবে
আমাকে আন্তরিক ভাবে কিছু উপায় বাতলে দেন
আগে ঠিক করুন , আপনার বিশ্বাস আনার কোন প্রয়োজন আছে কিনা? আপনি যদি বিশ্বাস ছাড়াই মানসিক শান্তিতে থাকেন , তাহলে কি দরকার খামাকা কষ্ট করার
কষ্ট ছাড়া কোন শর্টকাট রাস্তা নেই বিশ্বাস আনার
কষ্ট বলতে কোন পীরের মুরীদ হওয়াকে বোঝায় না
যাচাই বাছাই করে সংশয় মুক্ত না হয়ে যারা বলে থাকে বিশ্বাস করি , তারা আসলে নিজেকেই ধোঁকা দেয়
যেমন টি এই গল্পের নায়ক এমদাদের বিশ্বাসের পরিবর্তন , কোন যাচাই বাছাইর ফল নয় , বরং খেলাফত আন্দোলন
ফলে বহু চেষ্টা করিয়াও সে এবাদতে তেমন নিষ্ঠা আনিতে পারিতেছিল না
আকাশ মালিক ফেব্রুয়ারী 4, 2011 9:16 পূর্বাহ্ন -
কষ্ট ছাড়া কোন শর্টকাট রাস্তা নেই বিশ্বাস আনার
ও মা, বিশ্বাস করতে আবার কষ্ট করতে হয় নাকি?
যাচাই বাছাই করে সংশয় মুক্ত না হয়ে যারা বলে থাকে বিশ্বাস করি , তারা আসলে নিজেকেই ধোঁকা দেয়
"আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ"
সুরা আরাফ(৭) আয়াত ১৭৯
তো জ্বিন যাচাই বাছাই করলেন কী ভাবে?
এরচেয়ে তো বরং তারাই সত্যবাদী, যারা বলেন আমরা যাচাই বাছাই বিহীন, যুক্তি প্রমাণহীন, অন্ধভাবে বিশ্বাস করি অদৃশ্য বস্তুর উপর
কোরান তাদের জন্যে - আল্লাজিনা ইয়ুমিনুনা বিল-গায়িব যারা বিশ্বাস করে অদৃশ্য বস্তুর উপর
ফারুক ফেব্রুয়ারী 4, 2011 6:31 অপরাহ্ন -
@আকাশ মালিক,
ও মা, বিশ্বাস করতে আবার কষ্ট করতে হয় নাকি?
কষ্ট ছাড়া বিশ্বাসের কি পরিনতি হয় , তার বড় প্রমাণ আপনি নিজেই
জন্মসুত্রে কপিপেষ্ট বিশ্বাস নিয়ে বড় হয়েছিলেন বলেই না , আজ আপনি অবিশ্বাসীর খাতায় নাম লিখে বিশ্বাসের বিরুদ্ধে জেহাদে নেমেছেন
কষ্ট করে যদি বিশ্বাস আনতেন , তাহলে হয়তো আপনার এ দূর্মতি/সুমতি হতো না
তো জ্বিন যাচাই বাছাই করলেন কী ভাবে?
প্রতিটি মানুষের ব্রেণ আছে , যার যার যাচাই বাছাইয়ের কাজটা তার নিজেকেই করতে হবে
এখানেই এসেছে কষ্টের ব্যাপারটি
প্রতিটি মানুষের যাচাই বাছাইয়ের পদ্ধতি ভিন্ন ও সন্তুষ্ট হওয়ার ক্রাইটেরিয়াও ভিন্ন
তা যদি না হতো , তাহলে পৃথিবীতে ভিন্ন মত , পথ বা দলাদলিও থাকতনা
আপনার মনে যখন জ্বিন নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে , তখন যাচাই বাছাই করে সংশয় মুক্ত হতে হবে আপনাকেই
আমি সেটা করে দিতে পারব না বা করে দিলেও সেটা আপনার মনঃপুত হবে তার কোন গ্যারান্টি ও নেই
তদুপরি আপনি সেটা মানবেনি বা কেন? একারনেই বলেছিলাম বিশ্বাস আনতে হলে যাচাই বাছাইয়ের কষ্ট করতে হয় , কোন শর্টকাট রাস্তা নেই
এরচেয়ে তো বরং তারাই সত্যবাদী, যারা বলেন আমরা যাচাই বাছাই বিহীন, যুক্তি প্রমাণহীন, অন্ধভাবে বিশ্বাস করি অদৃশ্য বস্তুর উপর
১মত- অন্ধভাবে বিশ্বাস করার কথা কোরানের কোথাও বলা হয় নাই
২য়ত- সত্যবাদী কিনা জানি না , তবে কোরানে বলা হয়েছে -"যাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, যাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না, আর যাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না, তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর
তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ
কোরান তাদের জন্যে - আল্লাজিনা ইয়ুমিনুনা বিল-গায়িব যারা বিশ্বাস করে অদৃশ্য বস্তুর উপর
এখানে কিন্তু বলা হয়নি বিশ্বাস টা কিভাবে আনতে হবে
কোথাও কি বলা হয়েছে অন্ধভাবে বিশ্বাস আন? এখানেই আসে ব্যাক্তির স্বাধীন ইচ্ছার ব্যাপারটি
যারা বিশ্বাস আনতে পারবে , কেবল তারাই কোরান থেকে দিগনির্দেশনা পাবে
শ্রাবণ আকাশ ফেব্রুয়ারী 4, 2011 9:26 অপরাহ্ন -
আগে ঠিক করুন , আপনার বিশ্বাস আনার কোন প্রয়োজন আছে কিনা? আপনি যদি বিশ্বাস ছাড়াই মানসিক শান্তিতে থাকেন , তাহলে কি দরকার খামাকা কষ্ট করার
আমার বিশ্বাস নাই
কিন্তু সুন্দরী পরনারী আর কচি মাইয়া দেখলে মনে যে কি অশান্তি, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না
কি যে মানসিক অশান্তিতে থাকি, তা না দেখলে বুঝবেন না
মনে হয় জীবনটাই বৃথা!
তো এখন কি করব? বিশ্বাস আনবো? এই পীর সাহেবের মত নবীজীর পথ অনুসরন করবো?
ফারুক ফেব্রুয়ারী 4, 2011 10:45 অপরাহ্ন -
@শ্রাবণ আকাশ,
তো এখন কি করব? বিশ্বাস আনবো? এই পীর সাহেবের মত নবীজীর পথ অনুসরন করবো?
আগে জানুন , বিশ্বাস আনা বলতে কি বোঝায় , তারপরে না বিশ্বাস আনবেন
পীর সাহেবের মত নবীজীর পথ অনুসরন করা কি অতটা সহজ মনে হচ্ছে আপনার কাছে? পীর সাহেবের মত মুরীদ ও অনুসারী জোগাড় করতে পারবেন তো? না পারলে মার কিন্তু একটাও মাটিতে পড়বে না
তখন আবার আমাকে দূষেন না , কেন আপনাকে আগেভাগে সাবধান করিনি
তানভী ফেব্রুয়ারী 2, 2011 2:20 পূর্বাহ্ন -
ওহ! হাসতে হাসতে পেট ধরার জোগাড়! ::
গল্পটা মিস করে গিয়েছিলাম
'শ্রাবণ আকাশ' ভাইকে ধন্যবাদ যে আপনি কমেন্ট করেছেন! সাম্প্রতিক কমেন্টের ওখানে আপনার কমেন্টের পাশে গল্পের নামটা দেখেই পড়ার ইচ্ছা হল
নাইলে পড়া হতো না
তখন পীর সাহেব অগত্যা নিজের রেজামন্দী জানাইয়া দাঁড়িতে হাত বুলাইতে বুলাইতে বলিতে লাগিলেনঃ ছোবহান আল্লাহ! এ সবই কুদরতে এলাহী! তাঁরই শানে-আজিম! আল্লাহ্ পাক নিজেই কোরান-মজিদ ফরমাইয়াছেন (আরবী ও উর্দু)...
সবই তার ইচ্ছা!! আহা! ::
শ্রাবণ আকাশ ফেব্রুয়ারী 1, 2011 10:27 অপরাহ্ন -
এই গল্প নিয়ে আলোচনা না হওয়ার কারণটা ঠিক বুঝলাম না! নাকি ঐ "মাথা চাওয়া"র ভয়তে কেউ কিছু বলেন নি! ::
অভিজিৎ ফেব্রুয়ারী 2, 2011 4:00 পূর্বাহ্ন -
@শ্রাবণ আকাশ,
এই গল্প নিয়ে আলোচনা না হওয়ার কারণটা ঠিক বুঝলাম না!
আলোচনা না হবার কারণ সম্ভবতঃ এই যে, লেখাটি সৈকত প্রথম পাতায় প্রকাশ করেনি, করেছে নিজ ব্লগে
তার ভূমিকার শেষ লাইনটি দেখুন -
খুবই ভাল লাগা এ গল্পটিকে সকলের সাথে শেয়ার করার উদ্দেশ্যে আমার নিজ ব্লগে প্রকাশ করলাম-
ঠিক সেকারণেই গল্পটি অনেকের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিলো
আমিও এই প্রথমবারের মতোই পড়লাম
খুবই মজার! আবুল মনসুর আহমদ নিঃসন্দেহে তার সময়ে খুব সাহাসী ব্যক্তিত্ব ছিলেন
শ্রাবণ আকাশ ফেব্রুয়ারী 3, 2011 10:16 পূর্বাহ্ন -
@অভিজিৎ, ঐ নিজ ব্লগের ব্যাপারটা ধরতে পারিনি
সবাই যেখানে প্রথম পাতায় যাওয়ার জন্য ব্যস্ত, সেখানে ইচ্ছে করে দূরে থাকাটা বোঝা মুশকিল
ধন্যবাদ আপনাকে
আমার পড়তে পড়তে "লালসালু"র কথা মনে পড়ছিল
মাহফুজ ফেব্রুয়ারী 4, 2011 6:08 পূর্বাহ্ন -
@শ্রাবণ আকাশ,
সবাই যেখানে প্রথম পাতায় যাওয়ার জন্য ব্যস্ত, সেখানে ইচ্ছে করে দূরে থাকাটা বোঝা মুশকিল
আরে বুঝলেন না, ধর্মীয় ক্যাচাল থেইক্যা বাচোনোর লাইগ্যা এই তরিকায় পদার্পন
আরেকটা কারণও হইতে পারে-
অন্যের লেখা এইভাবে দেয়াতে কেউ যদি কপি রাইট সত্ত্বের হামলা চালায়
সেই হামলা থেইক্যা বাচোনোর জন্যে
আশা করি এইবার ব্যাপারটা নিশ্চয়ই ফিলিপস বাত্তির আলোর মত ক্লিয়ার হইছে.... ()
মিথুন নভেম্বর 30, 2010 1:29 অপরাহ্ন -
গল্পটি কবে প্রকাশিত? গল্পপ্রকাশের পর মনসুর সাহেবকে মুরতাদ ঘোষনা করে তার মা্থা চাওয়া হয়নি?
সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 30, 2010 6:51 অপরাহ্ন -
গল্পপ্রকাশের পর মনসুর সাহেবকে মুরতাদ ঘোষনা করে তার মা্থা চাওয়া হয়নি?
আমিও গল্পটি পড়ার সময় তাই ভেবেছি 🙂
গল্পটি কবে প্রকাশিত হয়েছে তা ঠিক এই মুহূর্তে বলতে পারছি না
আকাশ মালিক ফেব্রুয়ারী 2, 2011 8:10 পূর্বাহ্ন -
@সৈকত চৌধুরী,
অনেকেই বলেন, এই গল্পটি ডিগ্রীর বাংলা বইতে আছে, কিছু কিছু লাইব্রেরিতেও পাওয়া যায়
বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে মৌলবাদিরা বোধ হয়, বাংলায় লেখা দুইটা গল্প পুরোপুরি না বুঝে পড়ে
হুমায়ুন আযাদের 'সুভ্রত সমাচার' আর আবুল মনসুরের 'হুজুর কেবলা'
দুটোতেই অদৃশ্য নায়ক নবী মুহাম্মদ
গল্পটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্যে সৈকত ভাইকে ধন্যবাদ
সৈকত চৌধুরী ফেব্রুয়ারী 2, 2011 7:20 অপরাহ্ন -