content
stringlengths
0
129k
তেমনি লাল সালু, আবদুল্লাহ (আমরা মেট্রিকে পড়েছি) এসব প্রকাশ করলেও ব্লাস্ফেমির অভিযোগে পড়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল
আবুল মনসুর আহমেদের আরেকটি বিখ্যাত সুখপাঠ্য বই আছে, "গালিভরের সফরনামা"
ভদ্রলোকে বেশ উদারচেতা হলেও তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার মনে হয়েছে কিছুটা কনফিউজিং
সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 11, 2013 8:50 অপরাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ,
হ্যা, লেখকের মধ্যে বিস্তর সমস্যা ছিল
তবে যা লেখেছেন সেগুলোর যে কোনো তুলনা নেই!
গল্পটিকে নাট্যায়ন করতে গিয়ে একাধিকবার গণ্ডগোলের খবর শুনেছি
ওয়ালীউল্লাহ এর 'লালসালু' নিয়েও তাই
ঈয়াসীন নভেম্বর 11, 2013 10:02 অপরাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ, নাটকটিতে অনেক কাটাছিঁড়া করতে হয়েছে
আমি অনেক দিন দেশের বাইরে
নোমানের (বন্ধু) খবর পেয়েছিলাম নাটকটি মঞ্চস্ত হয়েছে
তবে আমি আরেকটু বিশদ জেনে আপনাকে জানাবো
অর্থাৎ কোন দলের নাটক, কবে হয়েছে, ইত্যাদি
ঈয়াসীন নভেম্বর 11, 2013 3:25 পূর্বাহ্ন -
ভাই সৈকত, এই গল্পটি আমার অনেক স্মৃতির মূল ধরে টানাটানি করে
১৯৯৮ সালের দিকে আমরা মতিঝিল এজিবি কলোনিতে থাকতাম
খুব সম্ভব ডিগ্রির বাংলা বইয়ে এই গল্পটি ছিল
একদিন গল্পটি পড়ে আমি আর নোমান নামে এক বন্ধু অভিভূত হয়ে যাই
আমরা টুকটাক মহল্লা কেন্দ্রিক নাটক করতাম
কলোনির ছোট ভাইদের নিয়ে হুজুর কেবলা নাটকটি মঞ্চস্ত করবার পরিকল্পনা করলাম
নাট্যরুপও দিলাম
আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে টানা এক মাস কলোনির ছাদে রিহারসেল করেও নাটকটিকে দাঁড় করাতে পারিনি
আমি বিদেশ চলে এলাম
বন্ধু নোমান এখনও দেশে থাকে এবং একটি নাট্যদলের সঙ্গে যুক্ত
ঐ নাট্যদলটি বছর দুয়েক আগে আমার আর নোমানের নাট্যরূপ দেওয়া হুজুর কেবলা নাটকটি মঞ্চস্ত করেছে
অনেক প্যাচাল পাড়লাম
একটু নস্টালজিক হয়ে গিয়েছি পোস্টটা পড়ে
মক্কায় মুহাম্মদের অমানবিক শাদী - সাতক্ষীরায় মালাউনের শাস্তি " নৃপেন্দ্র সরকার এপ্রিল 14, 2012 6:31 অপরাহ্ন -
[...] কথায় আসি
মূল গল্পটি সৈকত চৌধুরীর নিজস্ব পাতায় আছে
লেখাটি প্রকাশের [...]
জুনাইদ ফেব্রুয়ারী 7, 2012 3:57 পূর্বাহ্ন -
এখানে স্বার্থগত কারনে ধর্মীয় ঘটনার অপব্যাখ্যার জিনিসটা দেখানো হয়েছে
এই আবুল মনসুর আহমদই ইসলামের প্রচারপদ্ধতির উপর বই লিখেছেন
মনকে মুক্ত করে গল্প পড়া উচিৎ নইলে গল্প বুঝতে ভুল হওয়া স্বাভাবিক
ফারুক ফেব্রুয়ারী 2, 2011 12:17 অপরাহ্ন -
ধর্মের নামে ভন্ডামীর প্রকৃষ্ঠ উদাহরন এই গল্পটি
এই ধরনের গল্প বা সত্যিকারের ঘটনা (এরুপ ঘটনা বাংলাদেশে অহরহ এখনো ঘটছে) আরো বেশি বেশি মানুষের গোচরে আনা উচিৎ
উল্লেখ করা প্রয়োজন যে , ইসলামে /কোরানে পীর , ফকির ও প্রচলিত আউলিয়া সুফীদের কোন স্থান নেই
এরা সকলেই ভন্ড ও এরা ভ্ন্ডামী করে তাদেরি রচিত হাদীস ও বিকৃত ইসলামের ইতিহাসের দোহাই দিয়ে
লেখককে ধন্যবাদ , এমন একটি বিষয় নিয়ে লেখার জন্য
শ্রাবণ আকাশ ফেব্রুয়ারী 3, 2011 10:20 পূর্বাহ্ন -
@ফারুক, দুদিন ধরে সামুতে আপনার কিছু পোস্টেও হাদিস নিয়ে এই ধরনের কথা দেখছি
তাহলে কেন যে বলা হয় কোরআনের অর্থ বুঝতে গেলে ঐসবের দরকার!
কিছুটা কনফিউজ হয়ে যাচ্ছি
ফারুক ফেব্রুয়ারী 3, 2011 11:26 অপরাহ্ন -
@শ্রাবণ আকাশ,
তাহলে কেন যে বলা হয় কোরআনের অর্থ বুঝতে গেলে ঐসবের দরকার! কিছুটা কনফিউজ হয়ে যাচ্ছি
যারা কোরানকে আল্লাহর বাণী বলে বিশ্বাস করে , তাদের কনফিউজ হওয়ার সুযোগ নেই
কারন কোরানেই বলা হয়েছে , কোরান সবিস্তারে ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ হয়েছে
কোরানের কোথাও বলা হয়নি , রসূল কোরানের ব্যাখ্যাকারী
"আলিফ লাম রা , এটি এমন এক বই , যার আয়াতসমূহ নিখুত নির্ভুল () এবং এক মহাজ্ঞাণী সর্বজ্ঞ সত্বার পক্ষ হইতে সবিস্তার ব্যাখ্যা সহ বর্ণীত
যেনো তোমরা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো বন্দেগী না কর
নিশ্চয় আমি তোমাদের প্রতি তাহারই পক্ষ হইতে সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা
সুরা হুদ (১১) আয়াত ১-২
এখন যারা বলে থাকে কোরান বুঝতে হলে রসূলের হাদীসে প্রয়োজন , তারা কি কোরানে লিখিত আল্লাহর বাণী/দাবীকেই অস্বীকার করছে না?
সুরা আল-হাদীদ(৫৭) আয়াত ১৭ - আল্লাহ এই আয়াতে দাবী করেছেন যে তিনি কোরানকে পরিস্কার সহজ () করে দিয়েছেন , যাতে সকলেই বুঝতে পারে
"তোমরা জেনে রাখ , আল্লাহ্‌ই ভূ-ভাগকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন
আমি পরিস্কারভাবে তোমাদের জন্য আয়াতগুলো ব্যক্ত করেছি , যাতে তোমরা বোঝ
সৈকত চৌধুরী ফেব্রুয়ারী 4, 2011 12:47 পূর্বাহ্ন -
যারা কোরানকে আল্লাহর বাণী বলে বিশ্বাস করে , তাদের কনফিউজ হওয়ার সুযোগ নেই
কারন কোরানেই বলা হয়েছে , কোরান সবিস্তারে ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ হয়েছে
কোরানের কোথাও বলা হয়নি , রসূল কোরানের ব্যাখ্যাকারী
কোরানেই বলা হয়েছে , কোরান সবিস্তারে ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ হয়েছে
তাই আর কনফিউজ হওয়ার সুযোগ নাই
যুক্তির বলিহারি!!!
কোরানের চেয়ে অনেক হাদিসকেই আমার কাছে অধিক বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়
হাদিসের তো অন্তত সাক্ষ্য আছে যেমন কেউ মুহাম্মদকে কিছু করতে দেখেছেন বা শুনেছেন পরে অন্যের কাছে তা বলেছেন এভাবে
কিন্তু কোরানের তো একেবারেই বিশ্বাসযোগ্যতা নেই
মুহাম্মদ এসে বললেন ওটা তার উপর নাজিল হয়েছে আর অমনিই যাচাই-বাছাই ছাড়াই তা গ্রহণ করো- এটা একটা কথা হল?
মোহাম্মদের আদর্শকে সর্বোত্তম আদর্শ বলা হয়েছে কোরানে, এখন মোহাম্মদের জীবন-আদর্শ সম্পর্কে না জানলে চলবে কিভাবে? আর মুহাম্মদ সম্পর্কিত সকল তথ্য, তার জীবনী, এমনকি মুহাম্মদ নামক একজন লোক যে আদৌ ছিল তাও আমরা জানতে পারছি হাদিস থেকে
হাদিসের সত্যতা/ গ্রহণযোগ্যতার পক্ষেও অনেক আর্গুমেন্ট আছে কিন্তু আমি এগুলো নিয়ে আর বিতর্কে যাচ্ছি না
ফারুক ফেব্রুয়ারী 4, 2011 1:02 পূর্বাহ্ন -
@সৈকত চৌধুরী,
কোরানেই বলা হয়েছে , কোরান সবিস্তারে ব্যাখ্যাসহ অবতীর্ণ হয়েছে
তাই আর কনফিউজ হওয়ার সুযোগ নাই
যুক্তির বলিহারি!!!
যুক্তির বলিহারি তো দেখাচ্ছেন আপনি , আমার বক্তব্য থেকে "যারা কোরানকে আল্লাহর বাণী বলে বিশ্বাস করে , তাদের কনফিউজ হওয়ার সুযোগ নেই" এই কথাটি বাদ দিয়ে
আমি নির্দিষ্ট করেই বলেছি কাদের কনফিউজ হওয়ার সুযোগ নাই
আপনার কাছে কোরান থেকে হাদীস বেশি বিশ্বাসযোগ্য হতেই পারে , সেটা আপনার বিষয় বা সেটা ভিন্ন বিতর্ক
আপনি যে কনফিউজ হবেন , সেটা স্বতঃস্বীদ্ধ
কারন আপনার কোরানে বিশ্বাস নেই
আপনার কনফিউজ হওয়াটাই প্রমান করে , আমার যুক্তি সঠিক
সৈকত চৌধুরী ফেব্রুয়ারী 4, 2011 2:41 পূর্বাহ্ন -
আমি বলতে চেয়েছিলাম একজন মানুষ বিশ্বাস করে ফেললে সে কি আর এটার উপর কোনো সংশয় পোষণ করবে না, যাচাই-বাছাই করবে না? নাকি বিশ্বাস করেছে বলেই শপথ নিবে যে সে আর কনফিউজড(!!)
হবে না কারণ তার সে সুযোগই নাই(?)
আপনি যে কনফিউজ হবেন , সেটা স্বতঃস্বীদ্ধ
কারন আপনার কোরানে বিশ্বাস নেই
আপনার কনফিউজ হওয়াটাই প্রমান করে , আমার যুক্তি সঠিক
আচ্ছা, বিশ্বাসটা আনা যায় কিভাবে
আমাকে আন্তরিক ভাবে কিছু উপায় বাতলে দেন
ফারুক ফেব্রুয়ারী 4, 2011 3:19 পূর্বাহ্ন -
@সৈকত চৌধুরী,
আমি বলতে চেয়েছিলাম একজন মানুষ বিশ্বাস করে ফেললে সে কি আর এটার উপর কোনো সংশয় পোষণ করবে না, যাচাই-বাছাই করবে না?
কেন নয়? অবশ্যই সংশয় পোষণ করবে , যাচাই-বাছাই করবে
সত্যি কথা বলতে কোরানে এটাই করতেই বলা হয়েছে
কিন্তু দুঃখের বিষয় , আলেম উলামারা কোরানের নির্দেশের বরখেলাপ করে মানুষকে এর উল্টোটাই শিক্ষা দিয়ে থাকে
সুরা আরাফ(৭) আয়াত ১৭৯ "আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ