content
stringlengths
0
129k
আকাশ মালিক ডিসেম্বর 11, 2010 4:11 পূর্বাহ্ন -
যেই মাত্র অভিজিৎ দা নানান উদাহরণ উপমা দিয়ে সুন্দর বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টাকে খোলাসা করে নিয়ে এলেন, তখনই সংশপ্তক নিয়ে এলেন আরেকটা ভাবনার বিষয়
সত্যিই এটা মানসিক রোগ কি না?
জীববিজ্ঞান আর সাইকিয়াট্রির বিজ্ঞান নিয়ে তারা তর্ক করুন যারা বিজ্ঞান বুঝেন
আচ্ছা এই নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর মূলধারার জীববিজ্ঞানীদের বক্তব্যটা কী আর তাদের দেয়া সমাধানটাই বা কী
মনোবিদ্যা বা মানসিক চিকিৎসাবিদ্যার বাহিরে ট্রিটমেন্ট হিসেবে তাদের বিকল্প পন্থাটা কী?
মানুষকে পীর ফকিরের হাত থেকে বাঁচাতে হলে, সঠিক কারণ ও বাঁচার পন্থা বা উপায় জানাতে হবে, সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে
আশা করি কুসংস্কার দূরীকরণের লক্ষ্যে, হাজেরা, রিফাতদের বাঁচাতে সচেতন মহল এ নিয়ে আরো লিখবেন, প্রচার করবেন
আমাদের হাতেই আমরা গড়ে দিতে পারি, আমাদের আগামী দিনের শিশুর সুন্দর ভবিষ্যত
রৌরব ডিসেম্বর 11, 2010 6:38 পূর্বাহ্ন -
@আকাশ মালিক,
ইয়ে, হাজেরার ব্যাপারটাতে যৌনতার একটা ভূমিকা থাকতে পারে তো? আমি সব মন্তব্য খুঁটিয়ে পড়িনি, কিন্তু যতটুকু পড়লাম এ প্রসঙ্গটার উল্লেখ দেখলাম না
হিস্টিরিয়ার সাথে যৌন অবদমনের সম্পর্ক আছে, কোথায় যেন দেখেছিলাম
ডিসেম্বর 11, 2010 7:30 পূর্বাহ্ন -
@রৌরব, হিস্টিরিয়ার সাথে যৌন অবদমনের সম্পর্ক নিয়ে অনেক আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত সাইকোলজিতে
ইংল্যান্ডের ভিক্টোরিয়ান যুগ (১৮৫০-১৯১০) প্রবাদপ্রতিম বিখ্যাত ভদ্রঘরের মেয়েদের সেক্সুয়ালিটি অবদমনের জন্য
বছরখানেক আগে একটা বুক-রিভিউ আর্টিকেল পড়েছিলাম সেই সময়ে মানীগনি ডাক্তারদের কাজের বড় অংশই ছিল মহিলাদের হিস্টিরিয়ার চিকিৎসা
বাসায় হাউসকলে যেয়ে 'পেলভিক ম্যাসাজ' এবং আরো অন্যান্য ট্রিটমেন্ট
প্রথম বাস্পচালিত 'ডিলডো' বানানো হয় ১৮৬৯ এবং প্রথম বিদুৎচালিত ১৮৮৩ সালে প্রধানত হিস্টিরিয়ার চিকিৎসার জন্যেই
আমি আর্টিকেলটা খুজে পেলাম না তবে নীচে দেয়া লিংকটিতে সেসম্পর্কিত কিছু তথ্য আছে
(সতর্কিকরন- হিস্টিরিয়ার চিকিৎসার প্রাপ্তবয়স্ক ছবি আছে)
বর্তমানের আরবে-ইরানে হিস্টিরিয়া তথা জ্বীনভুতের অনেক কেস দেখা যায় মহিলাদের মধ্যে
এগুলোর মূলে যে রয়েছে অবদমন, সেসম্পর্কে অনেক গবেষনাই দেখিয়েছে
ফরিদ আহমেদ ডিসেম্বর 11, 2010 8:11 পূর্বাহ্ন -
ইয়ে, হাজেরার ব্যাপারটাতে যৌনতার একটা ভূমিকা থাকতে পারে তো? আমি সব মন্তব্য খুঁটিয়ে পড়িনি, কিন্তু যতটুকু পড়লাম এ প্রসঙ্গটার উল্লেখ দেখলাম না
হিস্টিরিয়ার সাথে যৌন অবদমনের সম্পর্ক আছে, কোথায় যেন দেখেছিলাম
হিস্টিরিয়ার পিছনে মেয়েদের সেক্সুয়াল ডিসফাংশনের এই ভিক্টোরিয়ান ধারণা বহু আগেই বাতিল হয়ে গিয়েছে
ডিসেম্বর 11, 2010 8:29 পূর্বাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ, ইন্টারনেটে কয়মিনিটের সার্চেই দেখা গেলো হিস্টিরিয়ার সাথে যৌন অবদমনের সম্পর্ক পুরনো এবং মোটামুটি বাতিলকৃত তত্ব
আমি পারলে আমার মন্তব্যটি প্রত্যাহার করে নিতাম
সেই সাথে পুরুষ এবং নারী কেউ যদি কমেন্টে বিব্রত হন সেজন্যে ক্ষমাপ্রার্থী
রৌরব ডিসেম্বর 11, 2010 6:52 অপরাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
:-/ হুঁ ঠিক, ১৮৭৩ সালেই দেখেছিলাম নিউজটা, সংবাদ প্রভাকরে
গত শ-খানেক বছরে আর আপডেটেড হতে পারিনি, চোখে ছানি পড়ে যাওয়ায় 😛
আকাশ মালিক ডিসেম্বর 11, 2010 8:25 পূর্বাহ্ন -
হাজেরার ব্যাপারটাতে যৌনতার একটা ভূমিকা থাকতে পারে তো? - -হিস্টিরিয়ার সাথে যৌন অবদমনের সম্পর্ক আছে, কোথায় যেন দেখেছিলাম
সঠিক করে বলতে পারবোনা কারণ এ নিয়ে হাজেরার প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি, হয়তো কেউ কারণ সন্ধানের চেষ্টাও করেনি
অন্য একটি ঘটনায় একজন ডাক্তার বলেছেন, অনিয়মিত লাগাতার ঋতুস্রাবের সাথে অস্বাভাবিক আচরণ ও সন্তান না হওয়ার সম্পর্ক আছে
তবে এর সাথে হিস্টিরিয়ার মত মারাত্বক কিছুর সম্পর্ক আছে কি না নিশ্চিত নই
সুমিত দেবনাথ ডিসেম্বর 11, 2010 10:04 অপরাহ্ন -
@আকাশ মালিক,
সত্যিই এটা মানসিক রোগ কি না?
যেই মাত্র অভিজিৎ দা নানান উদাহরণ উপমা দিয়ে সুন্দর বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিষয়টাকে খোলাসা করে নিয়ে এলেন, তখনই সংশপ্তক নিয়ে এলেন আরেকটা ভাবনার বিষয়
সত্যিই এটা মানসিক রোগ কি না?
যখন কোন মানুষের মধ্যে অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরী হয় তাকে তো রোগই বলতে হবে
আর মস্তিষ্ক নামক হার্ডওয়্যার থেকেই তো মন নামক সফটওয়্যারের উৎপত্তি
তাই জীববিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে
মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন থেকে যেমন অস্বাভাবিকত্ব দেখা দিতে পারে
তেমনি মানসিক আঘাত বা সমস্যা থেকে মস্তিষ্কে রাসায়নিক পরিবর্তন হতে পারে
আর সাইকিয়াট্রি বিজ্ঞানে বানিজ্য হতেই পারে
পুজিঁবাদী ব্যবস্থায় কি দিয়ে না বানিজ্য হচ্ছে না?
সংশপ্তক ডিসেম্বর 11, 2010 1:52 পূর্বাহ্ন -
জিন-ভুতেরা কেন বারেবারে শুধু মেয়েদেরকেই আক্রমণ করে? সমাজ বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞানে কি এর কোন ব্যাখ্যা নেই? কামনা করি এমন কাহিনি যেন আর কাউকে কোনদিন নতুন করে লিখতে না হয়
বিশেষ সময়ে জিন-ভুতেরা বারেবারে শুধু মেয়েদেরকেই আক্রমণ করে , এবং পুরুষেরা আক্রান্ত হয় শয়তান এবং অশুভ আত্মার দ্বারা
অনেক পুরুষের আবার তথাকথিত 'স্লিপ ওয়াকিং' সমস্যা রয়েছে বলে দাবী করা হয়
এখন দেখা যাক বিশেষ কোন সময়ে এসকল সমস্যার প্রাদুর্ভাব সাধারনত দেখা দেয়
কিছু সত্য ঘটানা নির্ভর উদাহরণ নীচে দিলাম
দৃশ্য ১ : ধর্ষক পুরুষ দাবী করছে যে সে শয়তানের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাজটা করেছে
দৃশ্য ২ : এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে খুন করে আদালতে দাবী করলো যে সে 'স্লিপ ওয়াকিং' সমস্যায় ভুগছে এবং যখন সে 'স্লিপ ওয়াকিং' এ ছিলো সে সময় সে সময় সে তার স্ত্রীকে খুন করে
দৃশ্য ৩: একজন নারী ব্যভিচার করার সময় ধরা পড়ার পর দাবী করলো যে সে আসলে একটা জ্বীন বা মামদো ভূতের সাথে কাজটা করেছে
স্নায়ুবিক রোগের যেমন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে , এর বিপরীতে 'মানসিক রোগ' বলে যে রোগগুলোকে চিহ্নিত করা হয় সেগুলো আসলেই কোন রোগ কি না এবং 'মানসিক চিকিৎসাবিদ্যা' আসলেই কোন বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞানের শাখা কি না তা নিয়ে 'চিকিৎসা বনিকের' সাথে মূলধারার জীববিজ্ঞানীদের অনেক দিনের পুরোনো লড়াই এখনও বহাল আছে
সনাতন মনোবিদ্যা(চিকিৎসা) কিংবা সাইকিয়াট্রির বিজ্ঞান হিসেবে সর্বসম্মত স্বীকৃতি কোন কালেই মেলেনি
বরং এই 'মনোচিকিৎসা বাণিজ্যের' অনেক কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দেয়া হয়েছে
সৈকত চৌধুরী ডিসেম্বর 11, 2010 12:30 পূর্বাহ্ন -
তখন ছোট ছিলাম, মাদ্রাসায় পড়তাম
টুকটাক যাদু-টোনা, মন্ত্র-তন্ত্র শিখেছি, দু-এক যায়গায় সাক্সেসফুল তায়-তদবিরও করেছি
আমিও ছোটবেলায় লুকিয়ে লুকিয়ে জাদু-টোনা-মন্ত্র- তাবিজ ইত্যাদি শিখার চেষ্টা করতাম
আমি ভাবতাম যেহেতু কোরানে জ্বীন ও জাদুর কথা আছে তাহলে জ্বীনের সাথে দেখা করার ও জাদু করার একটা উপায় নিশ্চয় আছে
এসব শিখতে গিয়ে অনেক বই যেগুলো পেলে জাদু ও জ্বীন সাধকরা নিজেকে ধন্য মনে করে ওগুলো সংগ্রহ করেছিলাম
বেশ কিছু ধাঁধাতে পড়ে গিয়েছিলাম এগুলো প্র্যাকটিস করতে গিয়ে
কিছু কিছু ক্ষেত্রে জাদু-টোনা এগুলোর কিছু আলামত দেখতে পাই
অবশ্য একটু বড় হয়েই এগুলোর ব্যাখ্যা ও অসারতা বুঝতে পারি
ছোটবেলায় সংগ্রহ করা মারাত্মক তাবিজ-তদবিরের কিছু বই সম্ভবত আমার পুরোনো বইয়ের ভান্ডারে এখনো খুঁজলে পাওয়া যাবে
যদি সময় মত প্রবীরদার "অলৌকিক নয় লৌকিক" বইটি পেয়ে যেতাম তবে অনেক কষ্ট আর সম্ভাব্য বিপদ থেকে বেচে যেতাম
তবে কষ্ট করে নিজে নিজে শেখার মধ্যে একটা কৃতিত্ব আছে
আমার বড় জানতে ইচ্ছে করে রিফাত, হাজেরাদের এই দুর্গতি কি কোনদিনই শেষ হবার নয়?
রিফাত মেয়েটার জন্য বড় কষ্ট হয়
মা ও মামার মত নিজের স্বজনেরা স্বেচ্ছায় মেরে ফেলল এই মেয়েটিকে উদ্ভট বিশ্বাসের কারণে
বিশ্বাস মানুষকে মৃত্যু দেয় মুক্তি দেয় না- এটা এর একটা উদাহরণ
মালিক ভাই, আপনার লেখার হাত দারুন
একদম তন্ময় হয়ে পড়লাম, মনে হল ঘটনাটি নিজ চোখে দেখতে পাচ্ছি
এরকম আরো লেখা পাবার প্রত্যাশায় রইলাম
আসরাফ ডিসেম্বর 10, 2010 11:56 অপরাহ্ন -
দু দিন পরে ব্লগে কোন নতুন লেখা পড়লাম
তাও মন খারাপ করা
আর কত দিন অন্ধকারে থাকব? :- :- :-
অসামাজিক ডিসেম্বর 10, 2010 10:24 অপরাহ্ন -
আমার বিশ্বাস জ্বীনে ধরার ব্যাপারটা মানসিক অসুখ
নয় বছর বয়সে সাড়ে ৬ ফুট উচু রফিক ভাই এর সাথে বিয়ে হওয়া একটি মেয়ে প্রচন্ড শারীরিক ও মানসিক অনিরাপদ বোধের চাপ সহ্য করতে পারেনি এবং সাথে সাথে তার জানাশোনা জ্বীন-ভুতের প্রচলিত কাহিনী কল্পনায় যোগ হয়েছিল
সন্ধ্যাবেলা নারকেল গাছের দিকে তাকিয়ে থেকে নিজের জামা-কাপড় ছেড়া এসবই মনে হয় তার বাসর পরবর্তি অসুস্থতার লক্ষন
অপরিনত বয়সে বিয়েটাই তার এই সমস্যার মুলে ছিল কারন যখন সে বাবার বাড়ী গেল সেখানে তার নিরাপত্তাবোধ ফিরে এল এবং ভাল হয়ে এখন ৫ সন্তানের জননী হল
আমার দেখা সকম জ্বীন ভিক্টিমের কমন গ্রাউন্ড দেখেছি যে,তাদের নিজস্ব বা আশেপাশের মানুষের জ্বীনের দ্বারা মানুষ আক্রমনে বিশ্বাস
শারীরিক দুর্বলতা থেকে জন্ম নেয়া মানসিক চাপ ও তার সাথে আশেপাশের মানুষের জ্বীন-ভূতের আসরে বিশ্বাস এই সমস্যার মুলে
আমার মায়ের মাঝে কিছুদিন এরকম সমস্যা হয়েছিল
প্রচলিত সবার মতই শুরু হয়েছিল ঘটনা কিন্তু আমার বাবার প্রচন্ড ধমকে কেউ হুজুর ডাকার সাহস পায়নি বাবা ধর্মে বর্নিত জ্বীনে বিশ্বাস করলেও নিজের পরিবারে জ্বীন আক্রমনের কনসেপ্টটাই সহ্য করে নাই আমরা ভাই-বোনরাও একমুহুর্তের জন্য ভাবতে পারি নাই আমাদের মাকে জ্বীন ধরেছে ফলে কেউ এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে পারেনি এবং ডাক্তার দেখিয়েই সে...
তুর্কির মানুষদের একটি কনসেপ্ট ভাল লেগেছে এ নিয়ে,যে, জ্বীনকে নিয়ে ভাবলেই জ্বীন আসে সুতরাং জ্বীন থেকে বাচার উপায় হল এটা নিয়ে না ভাবা
আকাশ মালিক ডিসেম্বর 10, 2010 11:00 অপরাহ্ন -
@অসামাজিক,
ইংল্যান্ড আসার পর মানসিক রোগী যুবক যুবতীদের নিয়ে কাজ করে আমারও মনে হয়েছে, আপনার বিশ্লেষণটাই সঠিক