content stringlengths 0 129k |
|---|
তবে আমি আরেকটু গভীরে যেতে চেয়েছিলাম |
নেশাজাতীয় কিছু যেমন এলক্যাহল বা ককেইন হিরুইন জাতীয় কিছুর প্রভাব তো বুঝাই যায় যে ব্যবহারকারীর মস্তিস্কে এর একটা রিএকশ্যান সৃষ্টি হবে |
জিনে ভুতে ধরা মানু্ষদের দেহের রক্তে তো কোন প্রকার দ্রব্য সঞ্চারিত হচ্ছেনা |
এর জৈবীক ব্যাখ্যা কী হতে পারে? |
অভিজিৎ ডিসেম্বর 10, 2010 11:51 অপরাহ্ন - |
@আকাশ মালিক, |
মানব মস্তিস্ক খুব কম্পলেক্স |
এর ম্যাল-ফাংশনিং হতে পারে, বিভিন্ন কারণে, এমনকি অনেক সময় কারণ ছাড়াই |
নেশা জাতীয় দ্রব্যের কারণে হয়, সেটা আমি আপনি জানি |
বিশ্বাসের ভাইরাসের কারণে হতে পারে, তা আমি একটা লেখায় দেখিয়েছিলাম |
খুব দৃঢ ভাবে কিছু বিশ্বাস করলে অনেক সময় মস্তিস্ক সেটাকেই সত্যি বলে মনে করে |
ইল্যুশন, হ্যালুসিনেশনের অনেক উদাহরণ আছে মেডিকেলে |
আবার সম্মোহনের সাহায্যেও অনেক সময় মস্তিস্ককে প্রতারিত করা যায়, ভুল কোন কিছুতে বিশ্বাসী কিংবা অস্বাভাবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করা যায় |
প্রবীর ঘোষের একটা বইয়ে পশ্চিম বঙ্গের এক গ্রামের কেস স্টাডির কথা পড়েছিলাম - গাছের নীচ দিয়ে যাওয়ার সময় এক গ্রামের মহিলার মনে হয়েছিলো মামদো ভুত তার উপর ভর করেছে |
বাসায় এসে অস্বাভাবিক কাজ কর্ম শুরু করেছিলো |
এমনকি এমন কিছু কাজও করেছিলো, যেটা স্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় মহিলার পক্ষে করা একেবারেই অসম্ভব |
এমনি একটা কাজ ছিলো পানির কলসি মুখে নিয়ে উঠানে এক জায়গা থেকে আরেক জয়াগায় নিয়ে যাওয়া |
এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, মস্তিস্ককে উদ্দিপ্ত করে অস্বাভাবিক কাজ করিয়ে নেয়া সম্ভব |
এগুলো সবই মানসিক রোগ |
খুব স্পস্ট করে বলি 'বিশ্বাসের রোগ' |
বিশ্বাসের রোগ বলছি কারণ, ছোটবেলা থেকেই বিশ্বাসের নানা পদের ভাইরাসের স্বীকার হই আমরা |
শিক্ষিত পরিবারে হয়তো আরো বেশি থাকে এগুলো |
অনেকেই এগুলো থেকে বেরুতে পারেন, কিন্তু আবার অনেকেই তার মধ্যে ডুবে গিয়ে বিভ্রান্ত হন |
তাদের মস্তিস্ক হয়ে পড়ে অরক্ষিত |
আপনি চিন্তা করে দেখুন - মুসলিম নারীরাই জ্বিনের কবলে পড়েন, হিন্দু নারী রা নয় |
তারা কবলে পড়েন ভুতের |
প্রবীর ঘোষের বইয়ের মহিলা যেমন পড়েছিলেন |
আবার পশ্চিমে বিশ্বাসীরা যীশুকে দেখতে পান, বাংলাদেশের কেউ নন |
আবার ভারতের হিন্দু ছেলেদের মধ্যে 'জাতিস্মর' পাওয়ার হদিস মেলে |
মুসলমানদের মধ্যে নয় |
কারণ তারা 'জ্বিন ভাইরাস' দিয়ে সংক্রমিত হলেও, 'জন্মান্তর ভাইরাস' দিয়ে নয় |
তাই মুসলিম পরিবারে জ্বিনের আসর পড়লেও এমন ছেলে পাওয়া যায়না যে পূর্বজন্মের কথা স্মরণ করতে পারে |
হিন্দুদের মধ্যে আবার উলটো |
পশ্চিমে খ্রীস্টানরা আবার যীশুকে দেখে |
এগুলো সবই সংক্রমিত মননের প্রতিরূপ, সহজ কথায় মানসিক রোগ |
সাধে কি আমি বিশ্বাসের ভাইরাস নিয়ে লিখি! আমার মনে আছে, আদিল মাহমুদ আমার ঐ লেখার মন্তব্যে বলেছিলেন, ঘাস ফড়িং এর আত্মহত্যার যে উদাহরন দিলেন তাদের ক্ষেত্রে তো মনে হয় যে এই ভাইরাস আক্ষরিক অর্থেই ভাইরাস |
মানুষের ক্ষেত্রে তো তা না, বলা যায় মানসিক ভাইরাস |
হ্যা ঠিক তাই |
মানসিক ভাইরাসও মস্তিস্কের ক্ষতি করতে পারে, আর তা করে খুব ভাল ভাবেই |
আকাশ মালিক ডিসেম্বর 11, 2010 12:01 পূর্বাহ্ন - |
ধন্যবাদ অভজিৎ দা, |
দারুণ বিশ্লেষণ |
মুসলিম নারীরাই জ্বিনের কবলে পড়েন, হিন্দু নারী রা নয় |
তারা কবলে পড়েন ভুতের |
ও মা, এটা তো কোনদিন জানতাম না |
আবার সম্মোহনের সাহায্যেও অনেক সময় মস্তিস্ককে প্রতারিত করা যায়, ভুল কোন কিছুতে বিশ্বাসী কিংবা অস্বাভাবিক কাজে উদ্বুদ্ধ করা যায় |
আরেকটু ব্যাখ্যা করা যায়? |
স্বাধীন ডিসেম্বর 11, 2010 12:57 পূর্বাহ্ন - |
সাধে কি আমি বিশ্বাসের ভাইরাস নিয়ে লিখি! আমার মনে আছে, আদিল মাহমুদ আমার ঐ লেখার মন্তব্যে বলেছিলেন, ঘাস ফড়িং এর আত্মহত্যার যে উদাহরন দিলেন তাদের ক্ষেত্রে তো মনে হয় যে এই ভাইরাস আক্ষরিক অর্থেই ভাইরাস |
মানুষের ক্ষেত্রে তো তা না, বলা যায় মানসিক ভাইরাস |
হ্যা ঠিক তাই |
মানসিক ভাইরাসও মস্তিস্কের ক্ষতি করতে পারে, আর তা করে খুব ভাল ভাবেই |
ঘাস ফড়িং এর ক্ষেত্রে তো আসলেই সেটা একটি ভাইরাস, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে তো এটা একটি তুলনা মাত্র |
সত্যিকার সে রকম কোন ভাইরাস বা বস্তু তো আর ট্রান্সফার হয় না যেটা এই মানসিক বিকৃতি ঘটাচ্ছে |
একই প্রশ্ন মিম নিয়ে লেখাটিতেও এসেছিল |
এই ধাঁধাটির একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন |
মস্তিষ্কে বা কিংবা দেহের মাঝে ঠিক কি রাসায়নিক, কিংবা হরমোনাল ক্রিয়ার কারণে এই সংক্রমন ঘটে সেটা জানা দরকার |
কোন গবেষণা কি আছে? |
অভিজিৎ ডিসেম্বর 11, 2010 2:29 পূর্বাহ্ন - |
মস্তিস্ক আসলে মোটা দাগে একটি ইনফরমেশন প্রসেসিং ডিভাইস বা তথ্য প্রক্রিয়াকরন যন্ত্র |
এটাকে সঠিক তথ্য দিয়ে স্বাভাবিক কাজ যেমন করানো যায়, তেমনি করানো যায় অস্বাভাবিক কাজও |
কম্পিউটারে আপনি ইনফরমেশন দিয়ে আপনার একাডেমিক রিসার্চের সিমুলেশন যেমন করতে পারেন, তেমনি আবার ভাইরাস দিয়ে সিস্টেমের বারোটাও বাজাতে পারেন |
ভাইরাসগুলো কিন্তু এক ধরনের ইনফমেশনই |
কম্পিউটার যেমন অনেক সময় ইনফরমেশনের মধ্যে পার্থক্য করতে না পেরে প্রতারিত হয়, মানব মস্তিস্কও তেমনি |
সঠিক অথ্য যে পথে মস্তিস্কে পৌছায়, ক্ষতিকর তথ্যও সে পথেই |
এর জন্য আলাদা কোন 'ট্রান্সফার মেকানিজমের' দরকারে নেই |
তিব্বতের মেডিশন করা বৌদ্ধভিক্ষুদের মস্তিস্কের এফএমআরআই স্ক্যান করে দেখা গেছে তাদের মস্তিস্কের কোন কোন অংশের কাজের ধরণ একটু আলাদা হয় |
তার মানে আপনি ক্রমাগাত ইনফরমেশন পাঠিয়ে মস্তিস্কের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া বদলে দিতে পারি |
সবাই পারেন না, কেউ কেউ পারেন অনেক সাবলীল ভাবে |
অনেক ক্ষেত্রে সাধু সন্ন্যাসীরা মস্তিস্কে তথ্য সঞ্চালনকে ব্যাহত করে এমন করে ফেলেন ব্যাথা বেদনার ব্যাপারটি মস্তিস্কে পৌঁছয় অনেক ধীরে |
জ্বলন্ত আগুনে হেটে যাওয়া, কিংবা পেরেক ঠুকে শরীরকে ক্ষত বিক্ষত করা - এগুলো তারা প্রকাশ্যে প্রদর্শন করেন (যদিও কোন কোনটির পেছনে লৌকিক কৌশলও আছে), অলৌকিকতার নিদর্শন হিসেবে |
ক্যানাডার লরেন্টিয়ান ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মাইকেল পারসিঙ্গার টেম্পোরাল লোবকে উদ্দীপ্ত করে কৃত্রিমভাবে ধর্মীয় প্রনোদনার আবেশ আস্বাদন করা সম্ভব বলে দেখিয়েছেন |
এনিয়ে আমি আত্মা নিয়ে ইতং বিতং নামের একটি লেখায় লিখেছিলাম |
শুভাচার ডিসেম্বর 11, 2010 11:26 পূর্বাহ্ন - |
@অভিজিৎ,ভারতের হিন্দু ছেলেদের মধ্যে 'জাতিস্মর' পাওয়ার হদিস মেলে |
মুসলমানদের মধ্যে নয় |
যারা হিন্দু এবং ইসলাম নয়, কিন্তু "জাতিস্মর" নিয়ে জন্মায় তাদের ব্যাপারে কি ব্যাখ্যা মিলে? |
১. ://../?=67&= |
২. ://../?=_5 |
৩. ://../?=&= |
৪. ://../?=823 |
৫.খাবার ছাড়া মাসকে মাস কিভাবে এক মানুষ বাঁচতে পারে (?) এক অবিশ্বাস্য কাহিনীঃ ://../?=2984 |
এগুলোর উত্তর বৈজ্ঞানিকভাবে দেয়া কি সম্ভব? অস্বীকার ও তো করা যায় না |
শুভাচার ডিসেম্বর 11, 2010 11:32 পূর্বাহ্ন - |
৬. ://../?=_ |
৭. ://..////0786409134/-20 |
৮. [বিজ্ঞান ও কিন্তু পূণঃজন্ম সম্পর্কে অনেক এগিয়েছে] ://.-./. |
অভিজিৎ ডিসেম্বর 12, 2010 9:41 অপরাহ্ন - |
ইউটিউবের ভিডিওর উপর ভিত্তি করে আমি সিদ্ধান্তে আসতে অপারগ |
অধিকাংশ জাতিস্মরের ঘটনাই জালিয়াতি এবং প্রতারণা - এ ধরণের বহু ডকুমেন্টেড কেস আছে |
প্রবীর ঘোষ, জেমস র্যান্ডি, মাইকেল শারমার সহ বহু বিশেষজ্ঞ এ নিয়ে বই লিখেছেন আপনি পড়ে দেখতে পারেন |
প্রবীর ঘোষের অলৌকিক নয় লৈকিক গ্রন্থে ভারতের বহু জাতিস্মর কেসের রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়েছে |
ইন্টারনেটেও এ নিয়ে অনেক লেখা আছে, দেখুন এখানে, এখানে ইত্যাদি |
আর এই জাতিস্মরের ধারণা দাঁড়িয়ে আছে সেই আত্মার পূর্নজন্ম- এবং কর্মফলের এর মিথের উপর ভিত্তি করে |
আর বিজ্ঞানের বিবর্তনতত্ত্ব মানতে গেলে তো আত্মার অস্তিত্ব এবং পুনর্জন্মকে ভালমতই প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় |
বিজ্ঞান আজ প্রমাণ করেছে জড় থেকেই জীবের উদ্ভব ঘটেছিল পৃথিবীর বিশেষ ভৌত অবস্থায় নানারকম রাসায়নিক বিক্রিয়ার জটিল সংশ্লেষের মধ্য দিয়ে আর তারপর বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভব ঘটেছে জৈববিবর্তনের বন্ধুর পথে |
এই প্রাণের উদ্ভব এবং পরে প্রজাতির উদ্ভবের পেছনে কোন মন বা আত্মার অস্তিত্ব ছিল না |
প্রাণের উদ্ভবের পর কোটি কোটি বছর কেটে গেছে, আর আধুনিক মানুষ তো এল -এই সেদিন - মাত্র ত্রিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার বছর আগে |
তাহলে এখন প্রশ্ন হতে পারে পঞ্চাশ বছর আগে মানুষের আত্মারা কোথায় ছিল? জীবজন্তু কিংবা কীটপতঙ্গ হয়ে? কোন পাপে তাহলে আত্মারা কীটপতঙ্গ হল? পূর্বজন্মের কোন কর্মফলে এমনটি হল? পূর্বজন্ম পূর্বজন্ম করে পেছাতে থাকলে যে প্রাণীতে আত্মার প্রথম জন্মটি হয়েছিল সেটি কবে হয়েছিল? হলে নিশ্চয়ই এককোষী সরল প্রাণ হিসেবেই জন্ম নিয়েছিল |
এককোষী প্রাণের জন্ম হয়েছিল কোন জন্মের কর্মফলে? এগুলোর কোন উত্তর নেই |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.