content
stringlengths
0
129k
وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَن لَّاإِلَهَ إِلَّا اللَّه
ُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ.
যাবতীয় ইবাদত, মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক সমস্তই আল্লাহর জন্য
হে নবী, আপনার উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত অবতীর্ণ হোক
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া (সত্য) কোন মা'বূদ নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু 'আলইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ্ বান্দাহ ও তাঁর রাসূল
এখানে তিন জনের মুখের কথা একত্রে বলা হয়েছে
কিছু বুঝলেন? এটা মে'রাজের ঘটনা
নামাজে তাশাহ্হুদে বসে আল্লাহর সামনে রাসূলের (দঃ) দুই হাঁটু গেড়ে কালেমায়ে শাহাদত পড়াটা আল্লাহর একত্ববাদের মৌখিক স্বীকৃতি ছিল এবং মৌখিক স্বীকৃতির সাথে সাথে শাহাদাত আঙ্গুল তোলাটা আল্লাহর একত্ববাদের বাস্তব কাজেরই স্বীকৃতি
তাই এই আঙ্গুল তোলার গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য বর্ণনায় রাসুল বলছেন- শাহাদাত আঙ্গুলটি শয়তানের ওপর লোহার (বল্লমের) চেয়েও বেশী কষ্টদায়ক (মোসনাদে আহমাদ, মেশকাত, ৮৫ পৃঃ)
নামাযে প্রত্যেক ইশারার বদলে দশটি অর্থাৎ প্রত্যেক আঙ্গুলের বদলে একটি করে নেকী লেখা হয় (তারীখে হাকেম, কান্যুল ওমমাল, ৭ম খন্ড, ৩৪০ পৃ
ইবনুল মালেক বলেন, বর্ণিত আছে যে, নবী (দঃ) যখন মেরাজে যান তখন তিনি আত্তাহিয়্যাতুর শব্দগুলো দ্বারা আল্লাহর গুণকীর্তন করেন
অতঃপর আল্লাহ বলেন, "আসসালামু আলাইকা আইয়্যুহান নাবিইয়ু্ ওয়ারাহমাতুল্লাহি অবারাকা-তুহু"
এরপর রাসূলুল্লাহ বলেন, 'আসসালা-মু আলাইনা অআলা-ইবা-দিল্লা-হিস্ সা-লিহীন
তারপর জিব্রাইল (রা.) বলেন, আশহাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু অআশহাদু আন্না মুহাম্মদান আবদুহু অরাসূলুহু
নামায যেহেতু মোমেনদের মেরাজ সেজন্য নামাযের শেষে 'মেরাজের' তোহফা আত্তাহিয়্যাতুর দ্বারা সেই কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয় [মেশকাত, ১ম খন্ড, ৫৫৬ পৃঃ]
এই পবিত্র আঙ্গুল দিয়ে নাফরমানি কাজ কোনদিন করবেন না
রৌরব ডিসেম্বর 11, 2010 11:15 অপরাহ্ন -
@আকাশ মালিক,
নাকি নামাজ বন্দেগী একেবারেই ছেড়ে দিয়েছেন?
কি যে বলেন না? নিয়মিত সিজদা করে চলেছি আমি
এই দেখুন ::
যাবতীয় আর্থিক ইবাদত সমস্তই আল্লাহর জন্য
:: ::
মৌখিক স্বীকৃতির সাথে সাথে শাহাদাত আঙ্গুল তোলাটা আল্লাহর একত্ববাদের বাস্তব কাজেরই স্বীকৃতি...শাহাদাত আঙ্গুলটি শয়তানের ওপর লোহার (বল্লমের) চেয়েও বেশী কষ্টদায়ক
তাহলে মাঝে মাঝে আঙুল তুলে শয়তানকে খোঁচা দিতে হয়? 😕
লীনা রহমান ডিসেম্বর 13, 2010 9:14 অপরাহ্ন -
তাহলে মাঝে মাঝে আঙুল তুলে শয়তানকে খোঁচা দিতে হয়?
কাতুকুতু দিতে হয়
আকাশ মালিক ডিসেম্বর 13, 2010 9:58 অপরাহ্ন -
@লীনা রহমান,
তাহলে মাঝে মাঝে আঙুল তুলে শয়তানকে খোঁচা দিতে হয়?
আরো একটি ঘটনা হল- নবীজি নামাযে আত্যাহিয়্যাতু পড়া অবস্থায় এক পৌ্ত্তলিক অমুসলিম পাশ দিয়ে যাচ্ছিল
নবীজিকে দেখে সে জিজ্ঞেস করেছিল, 'তোমার আল্লাহ কয়জন'
নামাজ অবস্থায় কথা বলা নিষেধ তাই নবী ইশারায় শাহাদাত আঙ্গুল উঁচু করে দেখিয়ে দিলেন তার আল্লাহ একজন
লীনা রহমান ডিসেম্বর 10, 2010 9:38 অপরাহ্ন -
রিফাতের পরিণতি পড়ে যেমন মেজাজ গরম হয়েছিল তার আত্মীয়দের উপর তেমনি অনেক কষ্টও লেগেছিল
আজকের সময়েও যদি এসব ঘটনা দেখতে হয়! এখনো যদি এসব ভন্ড পীরদের এভাবে সুযোগ দেয়া হয়! আর হাজেরার কথা শুনেও খারাপ লাগল
আসলে আমি এত বেশি ভন্ড পীর বা কবিরাজ দেখেছি আমার বাসায় যে ছোটবেলা থেকেই এদের প্রতি বিতৃষ্ণ
আমার আপন সেজ ফুফুকে জিনে ধরে শুনেছি
যখন জিনে ধরে তখন সে সবাইকে তুই করে বলে, আর তখন কেউ তাকে ধরলেই নাকি তাকে প্রচন্ডভাবে থাপড়াতে থাকে
আমার দেখার সুযোগ হয়নি কখনো তবে আমার বড় বোন দেখেছে
আরো শুনেছি সে তখন যা বলে তাই নাকি সত্যি হয়
তবে তার একটা ভবিষ্যতবাণীই আমি শুনেছি আর তা মিথ্যে হয়েছে
আমার বাবা পাঁচ বছর অসুস্থ থেকে মারা যান
ডাক্তার রোগ ধরতে না পারায় অনেক কবিরাজি চিকিৎসাও চলেছিল
আমার ফুফু জিনে ধরা অবস্থায় বলেছিল "ছালা পরা বুড়ি" নাকি আব্বুকে সুস্থ করে দেবে
তার কথা মত ধূমপায়ী পুরুষসদৃশ বুড়ি আমার বাবার ঘর দখল করে থেকেছিল কয়েকদিন, আর তার চেলারা আমাদের সব ঘর দখল করেছিল বলে আমাদেরকে বাড়ির বাইরে শুতে হয়েছিল
যাহোক বুড়ি যা করেছিল তা হল আমাদের অনেক টাকা খরচ করিয়ে অনেক ভাল-মন্দ খেয়েছিল, আমাদের সারা বাড়ি সিগারেটের গন্ধ দিয়ে ভরে দিয়েছিল, একগাদি টাকা নিয়েছিল, আর চিকিৎসা স্বরূপ আমার অসুস্থ বাবাকে অনেকগুলো লাথি দিয়েছিল আর সবার গায়ে তার থু থু মেখে দিয়েছিল
আমি তার সামনেই আসিনি ঘেন্নায়
অবশেষে সে কয়েকদিন পর আমার বাবাকে রোগমুক্তি দিতে না পারলেও আমাদেরকে তার ও তার চেলাদের অসহ্য যন্ত্রনা থেকে মুক্তি দিয়ে চলে গিয়েছিল
আমিও অনেক ভেবেছি ফুফুকে জিনে ধরার কারণ কি
কোন কূল করতে পারিনি
জাবের ইবনে তাহের এপ্রিল 23, 2016 11:18 পূর্বাহ্ন -
হিস্টিরিয়ার দুইটা প্রকার আছে
সোমাটোফরম ডিসঅর্ডার আর ডিসোসিয়েটিভ ডিসঅর্ডার
মূলত ডিসোসিয়েটিভ আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডার এর কারনেই জীনে ধরা টাইপ সমস্যা দেখা যায়
যেটা আপনার ফুফুর মাঝে দেখা গিয়েছিল
নানা কারনে মানসিক দন্ধ ও চাপ সহ্য না করতে পারার কারনে সাধারণত এই ধরনের আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডার দেখা যায় এবং রোগি একটা ভিন্ন অস্তিত্বএ প্রকাশ পাবার চেষ্টা করে বাস্তবতাকে ভুলে থাকবার জন্য
বিপ্লব রহমান ডিসেম্বর 10, 2010 9:30 অপরাহ্ন -
জবাব বাতিল
অনুসন্ধান করুন
:
নতুন ব্লগ লিখুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
নারীই বন্ধ প্রকাশনায়
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় অনিন্দ্য পাল
অশ্লীল ভিডিওটি দেখলে কেন? প্রকাশনায় বিধান
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় বিধান
বিষণ্ণতায় আমি, এবং কারণ খুঁজে দেখার চেষ্টা প্রকাশনায়
বিষয় অনুযায়ী লেখা
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খে...
মেডিটেশন করে সুরা ফাতিহা দিয়ে
মজার ব্যাপার হচ্ছে সে কিন্তু মুসলিম না, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী
আর যে তাকে এটা শিখিয়েছে সে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী
আমার কৌতুহল বেড়ে গেল
নেট ঘেটে দেখলাম আর এর জন্য এই সুরা মহৌষধ
আফসোস এত দিনে জানলাম
কলেজ লাইফে ঢাকার কোন ওপেন এয়ার কনসার্ট বাদ যায়নি
সেই ১৯৯২ থেকে ব্যান্ড ভক্ত ছিলাম
টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে পয়ত্রিশ টাকা দিয়ে ফিতার ক্যাসেট কিনতাম
ক্যাসেটের দুই পাশে মিলিয়ে বার বা চৌদ্দটা গান
ভার্সিটির হল লাইফে কত রাত কেটেছিল বাচ্চু, হাসান, জেমস আর পার্থকে নিয়ে
পাকিস্তানের এক সময়ের বিখ্যাত ব্যান্ড সিঙ্গার জুনায়েদ জামশেদ এর বদলে যাওয়ার ঘটনা
মজসিদে অনেক লোকের মাঝে দারস দিচ্ছিলেন মাওলানা তারিক জামিল
তিনি খেয়াল করলেন চাদরে মুখ ঢাকা এক যুবক দূরে দাঁড়িয়ে ইতস্তত চোখে তাকিয়ে আছে
কিছু যেন বলতে এসেছে
-কি কর তুমি ?
মিউজিকের সাথে আছি
-গান গাও নাকি বাজনা বাজাও ?
আমিই ভোকাল - গান গাই ?
-আমি তোমার জন্য কি করতে পারি ?
আমার অনেক খ্যাতি
একটা যুবক যা স্বপ্ন দেখে আমি তার সবই পেয়েছি- সবই আমার বাস্তব
সব পেয়েছি শুধু এ জায়গাটা ফাঁকা (বুকের দিকে ইশারা করে )
মাওলানা তারিক জামিল নিজেই বললেন এ ঘটনা এই তো সেদিন
জুনায়েদ জামশেদ আর নেই
সেই সময়ের কোটি তরুনের প্রিয় গায়ক মিউজিক ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর পথে মানুষকে ডাকতে ডাকতে চলে গেলেন রবের সান্নিধ্যে
ভারতের নায়ক শাহরুখ খান এক সাক্ষাৎকারে বলেছিল, তার একাকিত্বটা সে শূন্যতা দিয়ে পালন করে
তার মনে হয় কি যেন নেই
আবার জনপ্রিয় কৌতুক অনুষ্ঠান মিরাক্কেল আক্কেল প্রোগ্রামের এন্টারটেনমেন্ট দেনেওয়ালা মীর, সেও ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলো ক'মাস আগে হতাশা আর শূন্যতা থেকে বাচঁতে