content
stringlengths
0
129k
তৃতীয়ত, একাত্তরের পরাজিত শক্তিদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করা হলো
চতুর্থত, বাংলাদেশের সংবিধানে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির কোনো স্থান ছিল না
কিন্তু সংবিধান সংশোধন করে এ দেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রবর্তন করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মূল্যবোধকে হত্যা করা হলো
গোলাম আযমের নাগরিকত্ব না থাকার পরও তাকে দেশে এসে রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হলো
এই কারণগুলো বিশ্লেষণ করলে আমরা বুঝতে পারব যে, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড কোনো ব্যক্তির হত্যাকাণ্ড নয়, কোনো পরিবারে বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড ছিল না, একাত্তরের পরাজিত শক্তির প্রতিহিংসা এবং তাদের সেই স্বার্থ চরিতার্থ করতে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে বিলুপ্ত করে এ দেশকে আবার একটি নব্য পাকিস্তানি দেশে রূপান্তরিত করার মূল প...
সুতরাং আজকের এই দিনে আমি মনে করি, যারা আত্মস্বীকৃত খুনি, যারা হত্যাকাণ্ডকে অত্যন্ত গৌরবের সঙ্গে গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সোচ্চার হয়ে হত্যাকাণ্ডের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন, তাদের বিচারকা হয়েছে
বাকি যারা আছেন, তাদেরও বিচারের রায় বাস্তবায়নে সরকার তৎপরতা চালাচ্ছেন
আশা করি, শিগগিরই এটা সফল হবে
পাশাপাশি যারা নেপথ্য নায়ক, যারা মূল কারিগর- তাদের ব্যাপারেও তদন্ত হওয়া উচিত এবং বিচার হওয়া উচিত
বঙ্গবন্ধুকে হত্যায় খন্দকার মোশতাক একটি বড় ভূমিকা পালন করেছেন
খন্দকার মোশতাকের রাজনৈতিক চরিত্র রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে দেখব, তিনি কোনো সময়য়ই একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক বা প্রগতিশীল রাজনীতির পক্ষের ব্যক্তি ছিলেন না
তারপরও তিনি আওয়ামী লীগে ছিলেন এটাই বাস্তব এবং সিনিয়র নেতৃত্বের মধ্যেই তার অবস্থানটাই ছিল
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রাথমিক পর্যায়ে যে সরকার গঠন হয়েছিল, সেই সরকারে তিনি পররাষ্ট্রের দায়িত্বে ছিলেন
যেহেতু তখন বাংলার, এমনকি প্রত্যেকটি বাঙালির কাছে বঙ্গবন্ধু অন্যরকম একটি সেন্টিমেন্ট বঙ্গবন্ধুকে ফিরে পেতে হবে, তিনি বেঁচে আছেন কিনা, এ প্রশ্নই সারাক্ষণ সবার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে
খন্দকার মোশতাক তখন একটি সুদ্ধ চাল চেলেছিল
তিনি বক্তব্যের শুরুতেই বললেন যে, তোমরা বঙ্গবন্ধুকে চাও, না স্বাধীনতা চাও?' অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুকে যদি চাও তবে স্বাধীনতা পাবে না
তার মানে হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে মুক্তিযুদ্ধ থেকে সরিয়ে আনা
তখন আমরা এর পাল্টা বলেছিলাম যে, বঙ্গবন্ধু এবং স্বাধীনতা এক এবং অভিন্ন
আমরা একসঙ্গেই দুটোই চাই
তখন থেকেই কিন্তু তার পোস্ট সাসপেন্ডেড
এন্ড হি ওয়াজ নট এট অল টু মুভ এনি হোয়ার এজ এ ফরেন মিনিস্টার
তিনি তখন অন্তরীণ ছিলেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তার কোনো মুভমেন্ট ছিল না
আমাদের আবদুস সামাদ আজাদকে আনঅফিসিয়ালি দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আমাদের বিভিন্ন কমিটি ছিল তিনি তখন তাদের সঙ্গে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় লবিংয়ে গিয়েছিলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রচারণা চালিয়েছেন
কিন্তু মোশতাক কোথাও যেতে পারেননি
তাকে যেতে দেয়া হয়নি
ওই সময় থেকেই তার কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ ছিল
পরবর্তীকালে আমরা ১৫ আগস্টের সকালে যখন শুনলাম, খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এবং তিনি রাষ্ট্রপতি হয়েছেন, তখন তার সম্পৃক্ততা পরিষ্কার হয়ে গেল
তার কর্মকালের মধ্য দিয়েই তিনি প্রমাণ করেছেন, তিনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন কলাকুশলীদের মধ্যেও ছিলেন
প্রত্যেকটি পদক্ষেপের মধ্যেই তার উপস্থিতি ছিল
ফলে তিনি আর অস্বীকার করেননি
সরাসরি রাষ্ট্রপতি হয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু করলেন
হত্যাকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে নিশ্চয়ই সফল হয়েছিল বলেই ২১ বছর ক্ষমতায় ছিল
ফলে ১৯৭৫-এর ১৪ আগস্ট আমরা যে পর্যায়ে ছিলাম, সেখানে আনা সম্ভব হয়নি রাজনৈতিকভাবে
অর্থাৎ ২১ বছরে যারা দেশটিকে পরিচালনা করেছিল তারা প্রকৃত অর্থে এই হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্য বাস্তবায়নে ব্যস্ত ছিল এবং তাদের মাধ্যমেই একদিকে যেমন মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তিরা রাজনৈতিক, সামাজিকসহ সব ধরনের মর্যাদা পেয়েছে, ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরাও ওই সরকারগুলোর আমলেই বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি পেয়েছে
রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক প্রতিষ্ঠা পেয়েছে
তারা নির্বাচনে অংশ নিয়ে নির্বাচিত হয়েছে
সুতরাং যারা ২১টি বছর এই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছিল, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর তাদের সব কর্মকাণ্ড মূলত প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে তাদের সহায়ক ছিল
১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে প্রথমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমরা আবার সেই ১৯৭৫-এর ১৪ আগস্টের অবস্থানে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা শুরু করি
বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল ইনডেমনিটি এক্টের মাধ্যমে
আমরা সেটা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পার্লামেন্টে ওভার বল করে দিয়ে হত্যার বিচারকার্য পরিচালনা করি
হত্যার রায় হয়
কিন্তু তারপরও যন্ত্র এত প্রকট ছিল যে, সেই রায় সে সময়ে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি
পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর সেই রায় কার্যকর করা সম্ভব হয়েছিল এবং ২০০৯ সাল থেকেই মূলত আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মূল্যবোধ, জাতীয় চার নীতি ফিরিয়ে আনা এবং বঙ্গবন্ধুর যে স্বপ্ন সোনার বাংলা অর্থনৈতিক মুক্তি সেই কাজগুলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শুরু করি
এখনো সেই কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং আজকে আমরা বিশ্ব দরবারে মর্যাদাশীল বাঙালি জাতি
যে বাঙালিকে মনে করত ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে দেশে দেশে ঘুরে বেড়ায়
সেই আমরা এখন বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে বিদেশে যাই
অনুলিখন : মরিয়ম সেঁজুতি
শেয়ার করুন
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে
মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না
বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র
গত সোমবার (২২ নভেম্বর) ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে দ্বিতীয় পর্যায়ে (লেভেল-২) রেখেছে
স্টেট ডিপার্টমেন্টের ট্র্যাভেল অ্যাডভাইজারে এ তথ্য সন্নিবেশিত হয়েছে
এতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার উচ্চতর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকতে বলা হয়
অর্থাৎ বাংলাদেশ ভ্রমণে দেশটির নাগরিকদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়
একই সঙ্গে সন্ত্রাস ও অপহরণের কারণেও সতর্ক থাকার কথা বলা হয়
করোনা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) অনুমোদিত টিকার সবগুলো ডোজ নেয়া থাকলে বাংলাদেশে গিয়ে করোনায় সংক্রমিত হওয়া ও গুরুতর উপসর্গগুলো বিকাশের ঝুঁকি কমে যাবে না
শেয়ার করুন
মন্তব্য করুন
খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে
মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না
u o 19 si u i s uuu i gss g i i s g o i ui i ci s igi u csi c c i s g s s ii i s si 69 s u s c ii igi u ui s uu i c i
বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
বন্ধ হচ্ছে অ-নিবন্ধিত মোবাইল সেট, যেসব নিয়ম জানা জরুরি
বন্ধ হচ্ছে অ-নিবন্ধিত মোবাইল সেট, যেসব নিয়ম জানা জরুরি
নয়া দিগন্ত অনলাইন
০১ অক্টোবর ২০২১, ০০:১৬
- ছবি : সংগৃহীত
দেশে শুক্রবার, ১ অক্টোবর-২০২১ থেকে অবৈধ বা অনিবন্ধিত মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি
নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি এর আগে একাধিকবার এই সময়সীমা নির্ধারণ করলেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেনি
তবে ১ অক্টোবর থেকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন বিটিআরসির স্পেকট্রাম ডিভিশনের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহিদুল আলম
বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, অবৈধ হ্যান্ডসেট যেগুলো ছিল, গত তিন মাস সেগুলোর ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলক সময় ছিল
সেই সেটগুলো যাচাই করে সেসব নম্বরে এতদিন টেক্সট পাঠানো হয়েছে যে সেগুলো অবৈধ
তবে শুক্রবার থেকে কার্যকর হলেও অনিবন্ধিত ফোন সেট বন্ধ করার ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করে আরো সময় নিয়ে পদক্ষেপ নেবে বিটিআরসি
যেন মানুষজন এই বিষয়টিতে অভ্যস্ত হতে পারে
১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবৈধ ফোন সেটের জন্য 'পরীক্ষামূলক সময়' ছিল, বলছে বিটিআরসি
সংস্থাটি আরো বলছে, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যেসব সেট অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলো অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত থাকবে
এই সেটগুলোর বিষয়ে কী করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে মেসেজের মাধ্যমে জানানো হবে
বিটিআরসির অনুমোদন না নিয়ে যেসব মোবাইল ফোন আমদানি করা হয়েছে বা বাংলাদেশের ভেতরে অ্যাসেম্বল করার পর নিবন্ধন করা হয়নি, সেসব সেট অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে
বিটিআরসি সূত্র জানায়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি সাড়ে ৮ লাখ মোবাইল ফোন বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ সেটকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে
১ অক্টোবর থেকে এসব অবৈধ সেট ধাপে ধাপে 'ডিঅ্যাকটিভেট' বা বিচ্ছিন্ন করার প্রক্রিয়া শুরু করবে বিটিআরসি
অবৈধ সেট বন্ধ করা হবে যেভাবে
বিটিআরসি কর্মকর্তা শহিদুল আলম জানান, ১ অক্টোবর থেকে অবৈধ সেট বন্ধ করার প্রক্রিয়া শুরু করলেও ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য এই প্রক্রিয়ার কার্যক্রমও ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের
এই কার্যক্রম পরিচালনায় টেলিকম অপারেটরগুলো বিটিআরসির সাথে কাজ করবে
শহিদুল আলম বলেন, আমরা শুক্রবার থেকে চালু থাকা অবৈধ ফোনসেটে টেক্সট মেসেজ পাঠানো শুরু করবো
কিন্তু অনেকেই হয়তো সেই মেসেজ কয়েকদিন পরে দেখবে, বা খেয়াল করবে না
ব্যবহারকারীরা যেন আস্তে আস্তে বিষয়টিতে অভ্যস্ত হতে পারেন, এজন্য এই কার্যক্রমও আমরা পরীক্ষামূলকভাবে করবো
এই সময়ে টেক্সট মেসেজ পাঠানোর পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে অবৈধ সেট বন্ধ করার কার্যক্রমও চালু থাকবে বলে জানান শহিদুল আলম
তিনি বলেন, অনিবন্ধিত সেট হলে সেটিতে সিম ঢুকানোর সাথে সাথে মেসেজ যাবে যে সেটটি অনিবন্ধিত
ওই মেসেজে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেটটি রেজিস্ট্রার করার নির্দেশনা দেয়া থাকবে
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেটটি নিবন্ধন না করলে সেটি বন্ধ করে দেয়া হবে
অবৈধ সেট সম্পর্কে সতর্ক করার পর কতক্ষণ বা কতদিনের মধ্যে একটি সেট বন্ধ করা হবে- এবিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলেও জানান শহিদুল আলম
ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, কারণ বন্ধ করার আগে একটি সেট যাচাই করতে ও তা আসলেই অনিবন্ধিত কি-না, তা যথেষ্ট সময় নিয়ে নিশ্চিত হয়েই সেটি বন্ধ করার পরিকল্পনা বিটিআরসির
বিটিআরসি বলছে, এই নিয়ম কার্যকর হলে ছিনতাই করা সেট কেনা-বেচা করা বন্ধ হবে এবং সেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে
ব্যবহৃত সেটের ক্ষেত্রে কী হবে?
বিটিআরসি কর্মকর্তা শহিদুল আলম জানান, একজন ব্যবহারকারী একবার সেট রেজিস্ট্রার করার পর যদি সেটি অন্য কাউকে বিক্রি করতে চান তাহলে সেটি 'ডি-রেজিস্ট্রার' করে বিক্রি করতে হবে