content stringlengths 0 129k |
|---|
তিনি জানান নদী উত্তাল থাকায় বুধবার ভোর ৫টা থেকে কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে লঞ্চ ও সিবোট চলাচল বন্ধকরে দিয়েছে |
আওয়ামীলীগ সংলাপে রাজি এই খবর শুনার পর বৈঠকে বসেছেন ঐক্য ফ্রন্টের নেতারা - 365 <% ( _ > 0 ) { %> , |
365 |
সঠিক খবর সঠিক সময়ে |
: |
সাধারন খবর |
লাইফ স্টাইল |
আমাদের সাথে যোগাযোগ |
আওয়ামীলীগ সংলাপে রাজি এই খবর শুনার পর বৈঠকে বসেছেন ঐক্য ফ্রন্টের নেতারা |
29, 2018 রাজনীতি, সাধারন খবর |
নিউজ ডেস্কঃ বিডি খবর ৩৬৫ ডটকম |
আওয়ামীলীগ জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের সাথে সংলাপে বসতে রাজি এই খবর পাওয়ার পর বৈঠকে বসেছেন ঐক্য ফ্রন্টের নেতারা |
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের মতিঝিলের চেম্বারে এই বৈঠক হচ্ছে |
আওয়ামীলীগ ঐক্যজোটের সাথে সংলাপে রাজি হওয়ার পর ঐক্য ফ্রন্টের করনীয় সম্পর্কে এই বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে |
এর আগে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংলাপে বসার জন্য সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে |
গতকাল প্রধানমন্ত্রীর পলিটিক্যাল অফিস, ধানমন্ডির ৩ নং এ এই চিঠি ঐক্য ফ্রন্টের পক্ষ থেকে পৌছে দেওয়া হয় |
আজ বিকালে আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সড়ক যোগাযোগ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ধানমন্ডির ৩ নং অফিসে বৈঠকে আওয়ামীলীগ ঐক্য ফ্রন্টের সাথে সংলাপে বসবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয় |
ওবায়দুল কাদের বলেন কোন রকম চাপে নয়, নীতিগতভাবেই আওয়ামীলীগ ঐক্য ফ্রন্টের সাথে বৈঠকে বসবে |
যেহেতু কোন রকম শর্ত ছাড়া ঐক্য ফ্রন্ট বৈঠকে বসতে চাচ্ছে তাই আমরা বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছি |
আর শেখ হাসিনাও সংলাপে বসতে চান, এটাই হল শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগ সরকার |
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ছিল |
এটি ছিল একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড |
এ হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে |
পাকিস্তানিদের শাসন এবং শোষণ থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করার লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে ১৩ বছরের অধিক সময় কারাবরণ করেছিলেন |
দুই দুইবার ফাঁসির আসামি হয়ে বাংলার মানুষের জীবনে জয়গান গেয়ে বাংলার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এ দেশকে স্বাধীন করতে সক্ষম হয়েছিলেন |
স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি |
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন দেশে ফিরে এসে তিনি বলেছিলেন, এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে যাবে, যদি আমি অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে না পারি |
সেই অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে তিনি যখন সাড়ে তিন বছরের মাথায় সব কিছু গুছিয়ে একটি স্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে এনে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করে দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি দিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে '৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবার... |
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আজীবন প্রেরণার উৎস ছিলেন তার সহধর্মিণী, তিনি বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সহযোগী ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর সহকর্মীও ছিলেন |
সেই মহীয়সী নারী ফজিলাতুন্নেসা মুজিব তার ছোট ছেলে রাসেলসহ সপরিবারে শহীদ হন সেদিন |
সেদিনের সে ঘটনা চোখের সামনে এখনো জ¦ল জ¦ল করছে |
বঙ্গবন্ধু সমস্ত মহকুমাকে আগেই জেলায় রূপান্তরিত করেছিলেন |
পরবর্তী সময়ে তিনি প্রত্যেকটি জেলায় একজন করে গভর্নর নিয়োগ করেন |
পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামে নতুন একটি দল গঠন করেন |
সেই লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধু আমাকে ঝালকাঠি জেলার গভর্নর নিয়োগ করেছিলেন |
তখন আমাদের গভর্নরদের এডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রেনিং দিতে ঢাকায় আনা হয়েছিল |
পাশাপাশি বাকশালে যাদের জেলাভিত্তিক নেতা করা হয়েছিল, সম্পাদক এবং যুগ্ম সম্পাদক এদের ৫ জন করে ঢাকায় আনা হয়েছিল রাজনৈতিক প্রশিক্ষণের জন্য |
অর্থাৎ একটি জেলার সব রাজনৈতিক নেতা, প্রশাসনিকপ্রধান এবং এমপিরা সবাই ঢাকায় ছিলেন |
আমি ঢাকায় থাকলে প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাসভবনে যেতাম এবং কিছুক্ষণ সেখানে থাকতাম |
বঙ্গবন্ধু আলোচনা করতেন, শুনতাম, চলে আসতাম |
কিন্তু ১৪ আগস্ট আমাদের গভর্নরদের দুটি সংবর্ধনা ছিল |
একটা রেজিস্ট্রেশনভিত্তিক ময়মনসিংহ রোডে, এডিও কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে |
দ্বিতীয়টি পুরান ঢাকায় মুক্তধারা পাবলিকেশন থেকে আমাদের সংবর্ধনা দিয়েছিল |
আমরা সন্ধ্যায় যখন পুরান ঢাকায় পাবলিকেশন্সে গেলাম তখন প্রোগ্রামটা শেষ হতে প্রায় ১০টার বেশি বেজে গেল |
সুতরাং সেদিন আমার আর বঙ্গবন্ধুর বাসায় যাওয়া হলো না |
অনুষ্ঠান শেষে আমি ২৫ নম্বর হাজি ওসমান গণি রোডে আমার খালার বাসায় চলে গেলাম |
ভোর আনুমানিক ৫টা হবে, আমার খালা দরজায় কড়া নেড়ে আমার ঘুম ভাঙালেন |
খালা আমাকে রেডিও শুনতে বললেন |
রেডিওর কাছে আসতেই শুনতে পেলাম, 'আমি মেজর ডালিম বলছি |
খুনি শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে' |
এই একটা কথাই বারবার বলছে |
এর আগে একটা রিউমার ছিল, পাকিস্তানিরা হিলট্যাক্স দিয়ে একটা ঘোষণা দিতে পারে, ইত্যাদি ইত্যাদি |
এমনো শোনা যাচ্ছিল যে, যারা কারাবন্দি ছিল তারা প্রতিদিনই লকআপ খোলার পরে বাইরে উঁকি দিয়ে দেখত বাইরে পাকিস্তানি পতাকা উড়ছে কিনা |
ফিসফাসের এ বিষয়টা বঙ্গবন্ধুর কানেও এসেছিল |
তিনি আমাদের বারবার সাবধান করেছেন |
তবে তার ওপর যে হামলা হতে পারে এ ধরনের ধারণা কখনোই ছিল না বা তিনি কখনো বিশ্বাস করেননি |
সেদিন রেডিওর ওই কথা শুনে আমি ভাবলাম, এটা হয়তো তেমনই একটি রিউমার |
হয়তো দশ মিনিট পরেই ঠিক হয়ে যাবে |
খালাকে এ কথা বলে আমি বাথরুমে চলে গেলাম |
কিন্তু বাথরুমে যতক্ষণ ছিলাম রেডিওতে ওই একটি কথাই বেজে যাচ্ছিল |
আমার মধ্যে তখন সন্দেহ কাজ করতে লাগলো |
বাথরুম থেকে বেরিয়ে ওজু করে নামাজ পড়লাম |
এরপর মোশতাকের বিষয়টা জানতে পারলাম |
একজন গভর্নর হিসেবে আমার বাসায় সব সময় পুলিশ প্রোটেকশন ছিল |
কিছুক্ষণের মধ্যে নানক, কাশেম এবং সালাম (বর্তমানে কানাডা প্রবাসী) এনা এসে আমাকে ডাকল |
আমি বারান্দায় গিয়ে তাদের দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলাম 'কী খবর |
ওরা বললN চলে আসেন |
আমি চিন্তা করলাম, আমার বের হওয়ার একটাই রাস্তা |
এখন যদি আমি বের হই, তবে পুলিশের মধ্যে রিঅ্যাকশন কী হতে পারে |
নানককে বিষয়টা দেখতে বললাম |
ওরা বাড়ির ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখল, বেশির ভাগ পুলিশ ঘুমানো |
বলল, অসুবিধা নেই, চলে আসেন |
আমি তাড়াতাড়ি করে একটি ব্রিফকেস গোছালাম |
এরপর শেখ মনির বাসায় ফোন করলাম |
রিং হচ্ছে, নো রেসপন্স |
তারপর ফোন করলাম আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় |
রিং হচ্ছে, বাট নো রেসপন্স |
সবশেষ ফোন করলাম বঙ্গবন্ধুর বাসায় |
কিন্তু নো রেসপন্স |
আমি কন্টিনিউ এই তিন বাসায় বেশ কয়েকবার ফোন দিলাম |
অবশেষে ফোন করা বন্ধ করে দিয়ে নিচে নেমে এলাম এক হাবিলদার তাড়াতাড়ি শাট গায়ে দিয়ে আমার পেছন পেছন এল নাজিরাবাজার পর্যন্ত |
আমি বললাম, তুমি থাক |
আমার খেয়াল ছিল না যে, মোশতাকের বাসা আগামসি লেন |
ওই রোডে ঢুকতেই মনে হলো কারফিউ, আর্মির গাড়ি ভর্তি |
আমি কিছুটা ঘাবড়ে গেলাম |
কারণ, আমার ব্রিফকেসে তখন একটা স্টেনগান আর একটা রিভলবার |
নানক বলল, কী করবেন |
আমি বললাম, বিসমিল্লাহ বলে হাঁটা শুরু কর |
সাধারণ পথচারীর মতো আমরা হেঁটে আগামসি লেন পার হলাম |
হাঁটতে হাঁটতে বললাম, একটা কাজ করি, কোনো ধরনের গ্যাঞ্জাম হলে আমরা তো সব সময় কেরানীগঞ্জ চলে যাই |
এখন সেখানে গেলে সবাইকে পাব |
নানক বলল, সেখানে তো কেউ নেই |
সবাইকে শেষ করে ফেলেছে |
এতক্ষণ যাই হোক, বিষয়টা বিশ্বাস হচ্ছিল না |
কিন্তু নানকের কথায় এবার যেন গায়ের রক্ত সব ঠাণ্ডা হয়ে এলো |
হাত-পা কিছুটা কাপতে শুরু করল |
বললাম, এখন বলল- 'আপনি আপাতত কোনো শেল্টারে চলেন |
পরে খোঁজ নিয়ে আপনাকে সব জানাব |
আমি লালবাগে আমার এক আত্মীয়ের বাসায় গিয়ে উঠলাম |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.