content
stringlengths
0
129k
বেগম জিয়ার অভিলম্বে মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে কুষ্টিয়া মহিলাদলের কর্মী সম্মেলন
< ="--1" ="--" -=""></>&;;;;;; ="--1" ="--" -=""&;;;;;;&;;;;;;/&;;;;;;
নিউজলেটার সদস্যতা
কপিরাইট 2001- সিটি অফ ডেট্রয়েট দ্বারা
সিটি অফ ডেট্রয়েটের ওয়েব সাইট সম্পর্কে তথ্যের জন্য, ওয়েব সম্পাদককে ইমেল করুন
সমস্ত উপাদান ডেট্রয়েট শহরের সম্পত্তি এবং শুধুমাত্র অনুমতির সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে
বাক্যের অন্তর্গত শব্দকে পদ বলা হয়
অর্থাৎ শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে সজ্জিত হয় তখন তাকে বলা হয় পদ
পদে পরিণত হওয়ার সময় শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক
লগ্নক চার প্রকার
যথা: বিভক্তি, নির্দেশক, বচন এবং বলক
বিভক্তির সংজ্ঞার্থ ও প্রকার:
১. বিভক্তি: বাক্যে ব্যবহৃত 'শব্দ'গুলির গায়ে যে লগ্নক এসে জুড়ে পদে পরিণত করে সেগুলিকে সংস্কৃত ব্যাকরণে বলে 'বিভক্তি'
অর্থাৎ, যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ শব্দ ও ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাদের পদে পরিণত করে, সেই ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে বিভক্তি বলে
আধুনিক ব্যাকরণে ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে সেগুলো বিভক্তি
যেমন: চল+লাম, কামাল+এর
এখানে লাম এবং এর হলো বিভক্তি
বিভক্তি দুই প্রকার
(১) ক্রিয়া বিভক্তি: ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত বিভক্তি
যেমন- 'করলাম', বললাম, খেলাম প্রভৃতি ক্রিয়াপদে সঙ্গে যুক্ত 'লাম' শব্দাংশ
(২) কারক বিভক্তি: বিশেষ্য ও সর্বনামে পদের সঙ্গে যুক্ত বিভক্তি
ছেলের, বালকের, কামালের, কৃষকের প্রভৃতি পদের সঙ্গে যুক্ত 'এর' শব্দাংশ
প্রসঙ্গত, বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের সম্পর্কের নাম কারক
নির্দেশক কী ও এর ব্যবহার:
নির্দেশক: শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায় এমন লগ্নককে নির্দেশক বলে
অন্যভাবে বলা যায়: যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ শব্দ বা পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বচন নির্দেশ করে এবং তার নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে তাকে নির্দেশক বলে
যেমন: -টা,-টি,-টুকু,-খানা,-খানি,-জন
নির্দেশক দুই প্রকার: পদাশ্রিত নির্দেশক ও শব্দাশ্রিত নির্দেশক
বিশেষ্য,সর্বনাম ও বিশেষণপদে(টা,টি,টো,টে)-বাড়িটা,গাড়িটা,মেয়েটি,দিনটি,এটা,সেটা,দুটো,তিনটে ইত্যাদি
মানুষের ক্ষেত্রে(জনযুক্ত): পণ্ডিতজন,বিজ্ঞজন একজন
অধিক সংখ্যা(জন পৃথকভাবে): পাঁচ জন, পঁচিশ জন
"নমস্কার' শব্দের অর্থ কী?" বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানমতে সংস্কৃত নমস্কার (নমঃ+√কৃ+অ) অর্থ - (বিশেষ্যে) করজোড়ে কপাল ছুঁয়ে অভিবাদন, প্রণাম, সালাম
নমঃ নমঃ নমো বাংলাদেশ মম (নজরুল)
কিম্ভূতকিমাকার (ড. মোহাম্মদ আমীন)
এর বাংলা আভিধানিক অর্থ বিকট, কুৎসিত, কদাকার বা অদ্ভূত
সংস্কৃতাগত বা সংস্কৃতরূপী শব্দ 'কিম্ভূত' ও 'কিমাকার' মিলে বাংলা 'কিম্ভূতকিমাকার' শব্দের গঠন
তবে 'কিম্ভূত' বা 'কিমাকার' শব্দের কোনটাতে বিকট বা কুৎসিত কিছু নেই
'কিম্ভূত' সংস্কৃত 'কিম ভূত' হতে এসেছে
এর অর্থ হচ্ছে- কী প্রকার/ কীসের মতো/ কী ধরণের ইত্যাদি
অন্যদিকে কিমাকারের সংস্কৃত রূপ হল 'কিম আকার'
এর অর্থ- কী তার আকার
অথচ বাংলায় শব্দ দুটি মিলিত হয়ে কেমন কদাকার হয়ে গেল
মনে হয়, 'কিম্ভূত' বা 'কিম ভূত' এর ভূত শব্দটা এ জন্য দায়ী
বাঙালিরা ভূতের ভয়ে এত তটস্থ থাকত যে, 'কিম ভূত' এর কী প্রকার অর্থটিকে শেষ পর্যন্ত ভূতের মতো অদ্ভুত বানিয়েই ছাড়ল
পরিবহন না কি পরিবহণ
জ্যোতিভূষণচাকী বলেছেন, পরিবহন না পরিবহণ তার স্পষ্টত নির্ণায়ক সূত্র নেই
তা ঠিক নয়
নির্ণায়ক সূত্র আছে
প্র, পরা, পরি, নির্ প্রভৃতি উপসর্গের পর কিছু কিছু কৃৎ প্রত্যয়ের ন, ণ হয়ে যায়
ণত্ববিধিমতে, প্রথমে ঋ ঋৃ র ষ-এর পরে যদি স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, য-ব-হ এবং অুনস্বারের ব্যবধান থাকে তাহলেও ন, ণ হয়ে যায়
পরিবহণ= প র্‌ ই ব্‌ অ হ্ অ্ ণ
এখানে ব্যবধান হলো ই ব্‌ অ হ্ অ্
তাই পরিবহন=পরি+√বহ্‌+অন
অনুরূপ: পরিযাণ (পরি+ √যা+অন); নির্যান (নির্‌+√যা+অন), নির্মাণ (নির্+ √মা+অন); নির্বপণ (নির্+√বপ্+অন); নির্ণয় (নির্‌+ √নী+অ);পরিমাণ; প্রণত, প্রণতি, প্রণাম,প্রণম্য, প্রণয়ন, প্রণালি, প্রণীত, প্রণেতা, প্রণোদনা ইত্যাদি
(প্রবহমাণ [প্র+বহ্+মান (শানচ)] (প্রচলিত প্রবহমান)]; ব্যাকরণিক গঠনমতে, প্রবহমাণ বানানে ণ আসার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ন
এরও কোনো যুক্তি পাওয়া যায় না
তাহলে পরিবহন বানানে ণ কেন?
যাই হোক, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধানে একমাত্র পরিবহণ(পরি+√বহ্‌+অন) বানানকে স্থান দেওয়া হয়েছে
ওই অভিধানে পরিবহন বানানের কোনো শব্দ নেই
পরিবহণ বানানই প্রমিত
'অক্ষর' এবং 'বর্ণ' এই দুটি শব্দের মধ্যে অর্থগত কোনো পার্থক্য আছে কি না?
ধ্বনি, বর্ণ, অক্ষর
ধ্বনি মুখনিঃসৃত; প্রত্যেক ভাষার ধ্বনির সংখ্যা নির্দিষ্ট
এক বা একাধিক ধ্বনির সংযোগে শ্রাব্য শব্দ গঠিত হয়
বর্ণ কি ধ্বনির চিত্ররূপ? না, সব ক্ষেত্রে একথা বলা যাবে না
উদাহরণ: (১) বাঙলা 'বিসর্গ' (অঃ, আঃ) একটি বর্ণের নাম, কোনো ধ্বনির নাম নয়
(২) ইংরিজি (উচ্চারণ জেড, জি, ইজেড) বর্ণ যে-ধ্বনির দ্যোতক তা শুনতে অনেকটা 'জ'-এর মতো
বস্তুত, সব ভাষাতেই বর্ণমালা হলো একগুচ্ছ বর্ণ বা চিত্রের সমাহার যা সে-ভাষার সামগ্রিক ধ্বনিমালাকে প্রকাশ করার শৈল্পিক কৌশল
সোজাসাপ্টা কথা হলো, একটি ভাষার বর্ণ সংখ্যা ও ধ্বনি সংখ্যা সমান নয়
'অক্ষর' বাঙলা শব্দটিতে ৪টি ধ্বনি (অ, ক, খ, র) পাওয়া যাচ্ছে, বর্ণ‌ও ৪টি (অ, ক, ষ, র), কিন্তু অক্ষর ৩টি (অ/ক্ষ/র), মাত্রা ২ বা ৩টি (অক্+খর্) বা (অক্+খ+অর্)
এক নিঃশ্বাসে একত্রে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে অক্ষর বলে
যেমন- বাংলাদেশ
(বাং +লা+দেশ) এখানে তিনটি অক্ষর , তিনটা স্বরধ্বনি(আ+আ+এ)
বর্ণ-( ব+আ+ং+ল+আ+দ+এ+শ) আটটি
*একটা শব্দে যতগুলো স্বরধ্বনি ততগুলো অক্ষর অর্থাৎ প্রত্যেকটা স্বরধ্বনি এক একটা অক্ষরের সৃষ্টি করে
সমার্থক শব্দের সমার্থকতার পরিধি
কোনো শব্দই অন্য কোনো শব্দের সঙ্গে সর্বত্র কিংবা পুরোপুরি এবং সর্বদা সমার্থক নয়, হতে পারে না - এমনকি জল পানি বারি প্রভৃতিও
অবিকল এবং সর্বত্র সমার্থকতা কখনো সম্ভব নয়, রীতিমতো প্রকৃতি বিরুদ্ধ
যদি একাধিক শব্দ পরস্পর অবিকল ও সর্বত্র সামগ্রিকভাবে সমার্থক হয় তো একাধিক শব্দের আবশ্যকতা অনাবশ্যক হয়ে যায়
করিম ও রহিম যমজ
তারা একরকম
এর মানে এ নয় যে, তারা দুজন সবদিক দিয়ে সর্বত্র অভিন্ন
তারা আপাতদৃষ্টে যতই একরকম বা অভিন্ন হোক না, ভিন্ন দেহধারীর ব্যক্তির মতো ভিন্ন বানানধারী শব্দের প্রয়োগাচরণেও অবস্থা, দ্যোতনা, বাক্যভেদে কিছু না কিছু পার্থক্য থেকে যায়
কোনো শব্দই অন্য কোনো শব্দের সঙ্গে সর্বত্র কিংবা পুরোপুরি এবং সর্বদা সমার্থক নয়, হতে পারে না - এমনকি জল পানি বারি প্রভৃতিও
অবিকল এবং সর্বত্র সমার্থকতা কখনো সম্ভব নয়, রীতিমতো প্রকৃতি বিরুদ্ধ
যদি একাধিক শব্দ পরস্পর অবিকল ও সর্বত্র সামগ্রিকভাবে সমার্থক হয় তো একাধিক শব্দের আবশ্যকতা অনাবশ্যক হয়ে যায়
করিম ও রহিম যমজ
তারা একরকম
এর মানে এ নয় যে, তারা দুজন সবদিক দিয়ে সর্বত্র অভিন্ন
তারা আপাতদৃষ্টে যতই একরকম বা অভিন্ন হোক না, ভিন্ন দেহধারীর ব্যক্তির মতো ভিন্ন বানানধারী শব্দের প্রয়োগাচরণেও অবস্থা, দ্যোতনা, বাক্যভেদে কিছু না কিছু পার্থক্য থেকে যায়
সম্মিলন বনাম সম্মেলন
সম্মিলন: সংস্কৃত সম্মিলন (সম+√মিল্‌+অন) অর্থ - (বিশেষ্যে) সম্যক মিলন, সংযোগ, অনেক লোকের একত্রে সমাবেশ, জনসমাবেশ, বিশেষ উদ্দেশ্যে বহু লোকের সমাবেশ, সম্মেলন, সাক্ষাৎকার
প্রয়োগ: সম্মিলন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনগণ বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ল
সম্মেলন: সংস্কৃত সম্মেলন (সম্‌+মেলন) অর্থ - (বিশেষ্যে) বিশেষ উপলক্ষ্যে অনেক লোকের সমাবেশ, সভা (সাংবাদিক সম্মেলন, সম্মিলন, সাহিত্য সম্মেলন), জনসংযোগ, জনসমাবেশ
প্রয়োগ: সম্মেলন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনগণ বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ল
অর্থগুলো বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান-সহ আরও কয়েকটি অভিধান থেকে গৃহীত
অভিধার্থে দেখা যায় - সম্মিলন ও সম্মেলন প্রায় সমার্থক
একটা কথা মনে রাখা আবশ্যক, কোনো শব্দই পুরোপুরি সমার্থক নয় এবং হতে পারে না
করিম ও রহিম যমজ
তারা একরকম