content
stringlengths
0
129k
সাতক্ষীরার কেঁড়াগাছির স্থগিত কেন্দ্রে ভোট শেষ-হাবিল পুনরায় চেয়ারমান
নভেম্বর ৩০, ২০২১ ০
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের স্থগিত হওয়া ভোট হয়েছে
মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে নিকাল ৫ টা পর্যন্ত কেড়াগাছি উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়
ভোটে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ভুট্টো লাল গাইন পেয়েছেন ৭ ভোট
ভোটে স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম আফজাল হোসেন হাবিল
কলারোয়া ফিচার
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় চলছে কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের স্থগিত হওয়া কেন্দ্রের ভোট
নভেম্বর ৩০, ২০২১ ০
নিজস্ব প্রতিনিধি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের স্থগিত হওয়া ভোটগ্রহণ চলছে নিছিদ্র নিরাপত্তায়
মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৮টায়
কলারোয়ার কাজীরহাট কলেজে এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা
নভেম্বর ২৯, ২০২১ ০
কামরুল হাসানঃ কলারোয়ার ঐতিহ্যবাহী কাজীরহাট কলেজে এইচ,এস,সি-২১' পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে
সোমবার বেলা ১১ টায় কলেজ চত্বরে অনুষ্ঠিত
রাত পোহালে কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউপির স্থগিত হওয়া কেন্দ্রের ভোট
নভেম্বর ২৯, ২০২১ ০
কামরুল হাসানঃ কলারোয়া উপজেলার ৫নং কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের স্থগিত হওয়া ভোট আজ মঙ্গলবার ৩০নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে
উপজেলা রিটার্নিং অফিসার
কলারোয়ার কুশোডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক চাকুরী দেয়ার নামে টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
নভেম্বর ২৯, ২০২১ ০
শহর প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম কর্তৃক দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী পদে চাকুরী দেয়ার
কলারোয়ার বাকি থাকা দুই ইউপির নির্বাচন ৫ জানুয়ারি
নভেম্বর ২৮, ২০২১ ০
কামরুল হাসানঃ কলারোয়ার কেরালকাতা ও কুশোডাঙ্গা ইউপি নির্বাচন আগামী ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ
কলারোয়ার সোনাবাড়িয়ায় শীতবস্ত্র বিতরণ
নভেম্বর ২৮, ২০২১ ০
কামরুল হাসানঃ কলারোয়ার সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে
রবিবার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়ন
$2021$ টি অংক এমন ভাবে লেখা হলো যে, যেকোনো দুটি ক্রমিক অংক দিয়ে যে সংখ্যা তা হয় $17$ অথবা $23$ দ্বারা বিভাজ্য হয়
শেষ অংকটি যদি $7$ হয় তবে, প্রথম অংকটি কত?
চেকা, জিপিইউ, এন কেভিডি, এমজিবি এবং কেজিবি
এই সবই একই ধরণের সংগঠনের অস্তিত্বের নাম যা প্রকাশ করে হাজারো গোপনীয় বিভীষিকা যার মূল চাবিকাঠি একটি প্রতিষ্ঠানের হাতেই, যার নাম- সোভিয়েত সিক্রেট পুলিশ; সোভিয়েত ইউনিয়নের ভয়ঙ্করতম গোপন পুলিশ প্রশাসন
রাষ্ট্রের ও রাষ্ট্রপ্রধানদের হয়ে দমন-পীড়নের এক ভয়ানক মানব অস্ত্র
১৯১৭ সালের বলশেভিক বিপ্লবের পর, রাশিয়ার কমিউনিস্টরা রাজনৈতিক প্রতিরোধের যে কোন প্রতীকি আন্দোলন বাতিল করার জন্য যাদের মাধ্যমে দমনমূলক সহিংসতা ব্যবহার করেছিল, যাদের নামে আজও কেঁপে উঠে অনেকের বুক, তারা সোভিয়েত সিক্রেট পুলিশ
সেই ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের রাজত্বকালে, ইউনাইটেড স্টেটস অব সোভিয়েত রাশিয়া (ইউএসএসআর) এর অধীন বিভিন্ন গোপনীয় পুলিশ সংস্থাগুলি লক্ষ লক্ষ সোভিয়েত নাগরিকদের হত্যা করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়
একমাত্র জোসেফ স্ট্যালিনের শাসনামলেই, ২৯ মিলিয়ন মানুষকে বাধ্যতামূলক কৃষক পুনর্বাসনের নামে ভয়ানক কাজের চাপে সোভিয়েত কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে (যা গুলাগ নামে পরিচিত) হত্যা করা হয়
অন্যরা বলছেন যে স্ট্যালিনের শাসনামলে যে হত্যা পরিসংখ্যানের কথা উল্লেখ রয়েছে তার চেয়েও ঢের বেশি মানুষ রক্তাক্ত সংঘর্ষে নিহত হয়
আর সেই ধারণাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে
যাই হোক, অনেক মানুষই স্ট্যালিনের অপরাধ সম্পর্কে জানেন
কিন্তু, সোভিয়েত সিক্রেট পুলিশ দ্বারা সংঘটিত গর্হিত ও নৃশংস অপরাধগুলো সম্পর্কে খুব কম লোকই জানেন
দুঃখজনক হলেও সত্য বিভিন্ন সোভিয়েত সংস্থার নেতৃত্বে অনেক পুরুষই ছিলেন লেনিন বা স্ট্যালিনের চেয়েও অধিক রক্ত পিপাসু ও একনায়কত্বে বিশ্বাসী
নিচে এমন কিছু নৃশংস সোভিয়েত ক্ষমতাশালী অপরাধীর কথা তুলে ধরা হলো
ইয়াকোভ পিটারঃ একজন ব্যাংক ডাকাত এবং নৃশংস খুনী
ইয়াকোভ পিটার- নাম টি তেমন সুপরিচিত নয়
পিটার জাতিগত ভাবে একজন লাটভীয় ছিলো
সে বেড়ে উঠেছিলো রাশিয়ান রাজতন্ত্র , বা আরও ভালোভাবে বললে জারদের শাসনামলে
লাটভিয়া সরাসরি ছিল রাজতন্ত্রের অধীনে
সেই সময়ে, লাটভিয়া (তারপর কুল্যান্ড এবং লিভোনিয়া বলা হয়) আনুষ্ঠানিকভাবে মস্কো দ্বারা শাসিত
তখন বাল্টিক জার্মানরা সত্যিই ভীষণভাবে শোষিত
পিটারের বাবার মত চাষিরা তখন কম মজুরীতে জার্মান আর্যদের (উচ্চবংশীয়) খামারে কাজ করতো
জার্মান উচ্চবংশীয়রা তখন সর্বোচ্চ সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করত
যখন পিটার প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠেন, তখন পিটার লাটভীয় সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক ওয়ার্কার্স পার্টিতে যোগ দেন
যা ছিলো রিগা শহরের একটি বিপ্লবী রাজনৈতিক দল
১৯০৫ সালে অনুষ্ঠিত রাশিয়ান বিপ্লবের অংশ নেওয়ার পর, পিটার লন্ডনে স্থানান্তরিত হন যেখানে তিনি সহকারী ল্যাটিন কমিউনিস্টদের সাথে যোগদান করেন
১৯১০ সালের শেষের দিকে, পিটার এবং অন্যান্য রাজনৈতিক সমমনা সমর্থক, "পিটার দ্য পেইন্টার" নামের এক কুখ্যাত ডাকাতের সাহচর্যে, বিভিন্ন দোকানে লুটপাট শুরু করে এবং এমনকি লন্ডনের হাউন্ডডাইচের একটি ট্রেনেও তারা ডাকাতি করে
এই সকল অপরাধের মাঝে দুই জন পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগও উত্থাপিত হয়
উভয় হত্যাকান্ডের জন্য লেখক ডোনাল্ড রামব্লিউ, পিটারকে দায়ী করেছেন
লাটভীয় সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধের দরুন পহেলা জানুয়ারি ১৯১১ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সাথে সম্মিলিত হয়ে লন্ডনের পুলিশ অফিসার এবং রাইফেলম্যানরা "পিটার দ্য পেইন্টার" এবং তার সহকর্মীদের "সিডনি স্ট্রীটের অ্যাপার্টমেন্ট" অবরুদ্ধ করে
দুই পক্ষের মধ্যে বিকেল পর্যন্ত ঘন্টার পর ঘন্টা বন্দুক যুদ্ধ হয়
বন্দুক যুদ্ধে ঘটনা স্থলেই দুইজন সন্ত্রাসী নিহত হয় ও একজন পুলিশ কর্মকর্তা গুলি বিদ্ধ হয়
আহত পুলিশ কর্মকর্তা এক মাস মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে পরিশেষে হার মেনে মৃত্যুর কোলেই ঢলে পড়ে
পিটার বিন্দুমাত্র ক্ষতির শিকার না হয়ে লন্ডনে অপ্রত্যাশিতভাবে নিরাপদে লুকিয়ে থাকেন
পরবর্তীতে তিনি লাটভিয়াতে ফিরে আসেন এবং তারপর ১৯১৭ সালের বিপ্লবের সময় লাটভিয়া থেকে রাশিয়ায় চলে যান
রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে সোভিয়েত বাহিনী ক্ষমতা গ্রহণের পর, পিটারকে সোভিয়েত স্টেট সিকিউরিটি ওরফে চেকা'র প্রথম ডেপুটি চীফ হিসেবে মনোনীত করা হয়
এই পদে আসীন হবার পর ক্ষমতার বলে পিটার ককেশাস অঞ্চলে বিরোধী-বলশেভিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বহু রক্তাক্ত সংঘর্ষে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখে
পরবর্তীতে প্যান-তুর্কী ও প্যান-ইসলামিক বাসমাশি আন্দোলনের বিরুদ্ধেও পিটার যুদ্ধ ঘোষণা করে
দ্য পোলিশ অপারেশনঃ
পোল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যে যে ইতিহাস রচিত তার প্রতি পৃষ্ঠায় খুঁজে পাওয়া যায় কোন না কোন রক্তাক্ত অধ্যায়
বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই পরিস্থিতি যাকে বলে অগ্নি গর্ভ রূপ ধারণ করেছিলো
১৯৩৯ হতে ১৯৪১ সালের মধ্যে, যখন সোভিয়েত রাশিয়ার সাথে নাৎসি জার্মানির অসহযোগ চুক্তির মেয়াদ চলছিলো, তখন সোভিয়েত রেড আর্মি পোল্যান্ডের অর্ধেকের বেশি একরকম শাসন-শোষণ- দমন-নিষ্পেষণে গুড়িয়ে দিয়েছিলো
সোভিয়েতদের দ্বারা পরিচালিত পোলিশ-বিরোধী অভিযানের সবচেয়ে কুখ্যাত উদাহরণটি ছিল ১৯৪০ সালে সংঘটিত কাতিন গণহত্যা
এই গণহত্যায় সোভিয়েত বাহিনী পোলিশ সেনাবাহিনীর অফিসার ও নিয়মিত বাহিনীর প্রায় ২২,000 সদস্যকে হত্যা করেছিলো
এর আগে এন কেভিডি, স্ট্যালিন এর খুনী রাজত্বের সময় ব্যবহৃত গোপনীয় পুলিশ সংস্থাটি "পোলিশ অপারেশন" পরিচালনা করেছিলো
এই অপারেশনটি ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত চলেছিল
এই অপারেশন ছিল আরও বড় এক রাজনৈতিক আন্দোলন দমনের পূর্ব প্রস্তুতি
পরবর্তীতে সোভিয়েত সিক্রেট পুলিশ গণ আন্দোলন প্রতিরোধের নামে বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাস রাখা প্রায় এক মিলিয়ন ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন দেখিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে
"পোলিশ অপারেশন" আনুষ্ঠানিকভাবে এন কেভিডি অর্ডার নম্বর ০০৪৮৫ দ্বারা অনুমোদন করা হয়
অভ্যন্তরীণ বিষয়সমূহের পিপলস কমিসারের অধিদপ্তরের এই অফিশিয়াল অনুমতিপত্র এনকেভিডিকে "পোলিশ গুপ্তচরদের" দমন করার অনুমতি দেয়
এই নির্দেশটি উদারভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে অবস্থানরত প্রায় সকল জাতিগত পোলিস মৃত্যুদন্ড বা কারাবাসের লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়েছিল
পোলিশ নাগরিক, পোলিশ সমাজতান্ত্রিক, পোলিশ কমিউনিস্ট এমনকি ১৯১৯-১৯২২ সালের পোলিশ-সোভিয়েত যুদ্ধের যুদ্ধ বন্দীদের ঐ অনুমতিপত্রের বাহানায় হত্যা করা হয়
এই পাইকারি গণহত্যায় মৃতের সংখ্যা ১,১১,০০০ জন এর বেশি বলে মনে করা হয়
আরও ২৮,০০০- জন এর ও বেশি পোলিস সাইবেরিয়ার গুলাগের শ্রম ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল, যেখানে পরিবেশ, অপুষ্টি ও মাত্রাতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে, হাজার হাজার লোক মারা গিয়েছিল
পোলিশ ইতিহাসবিদ মিচেল জ্যাসিনস্কি লিখেছেন যে এন কেভিডি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পোলিশ পুরুষদেরকে পরিবারের সম্মুখে হত্যা করে, তাদের স্ত্রী, বোন এবং অন্যান্য পোলিশ নারীকে কাজাখস্তানে নির্বাসিত করা হয়
ভিনিসিয়া গণ হত্যাঃ
জাতিগত ভাবে পোলিসরাই যে শুধুমাত্র সোভিয়েত রাষ্ট্রের উন্মত্ত ক্রোধের শিকার হয়েছিলেন ব্যপারটি ঠিক তা নয়
জাতিগত ভাবে ইউক্রেনীয়রা প্রায়ই গণবিদ্রোহ এবং গণ সহিংসতার জন্য সোভিয়েতদের লক্ষ্যবস্তু ছিল
১৯৩৭ ও ১৯৩৮ সালের রক্তাক্ত বছরে ইউক্রেনীয় শহর, ভিনিসিয়ার নাগরিকদের ইতিহাসের পাতা থেকে প্রায় মুছে ফেলে সোভিয়েতরা
১৯৪৩ সালে যখন প্রথম গণহত্যার ঘটনা ঘটে তখন মোট ৯,৪৩৯টি লাশ পাওয়া যায়, যাদের প্রত্যেক কে হত্যা করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল .২২ ক্যালিবারের বন্দুক
খুঁজে পাওয়া মৃতদেহগুলির মধ্যে ১৬৯ জন কে নারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল
হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া বেশিরভাগ মানুষকে ইউক্রেনের বিভিন্ন কারাগারে ও লেবার ক্যাম্পে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ডিত করা হয়েছিল
পরবর্তীতে খুব দ্রুতই সকলে উপলব্ধি করেন যে ক্যাম্পগুলি এন কেভিডি দ্বারা পরিচালিত, সেই অর্থে এই হত্যাকান্ড এন কেভিডির মদদে ঘটানো হয়
ভিনিসিয়া গণহত্যা, কাতিনের মত খুব বিতর্কিত হয়ে ওঠে কারণ গণ কবরগুলোর সন্ধান পেয়েছিল জার্মান সেনাবাহিনী
সোভিয়েতরা এই ঘটনায় মহা বিড়ম্বনায় পরে যায় কারণ জার্মানদের উপর এই দোষ চাপানো সম্ভব নয় যে তারা নিজেরাই সোভিয়েতদের ফাঁসাতে হত্যাযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে
যাইহোক, ইতিহাসবিদরা আজ প্রায় সবাই একমতভাবে সম্মত হন যে, এন কেভিডি ভিনিসিয়া নাগরিকদের গণ হত্যার জন্য দায়ী
জেলতোখসনের গণহত্যা:
সোভিয়েত রাষ্ট্রের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গোপনীয় পুলিশ সংস্থা হল কেজিবি
এটি প্রথম গঠিত হয়েছিল ১৯৫৪ সালে, স্ট্যালিনের মৃত্যুর ঠিক এক বছর পর
কেজিবি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল এন কে ভিডি এর কলঙ্কিত অপরাধসমূহের দাগ মুছে দেওয়া যার দায় স্ট্যালিন পরবর্তী কমিউনিস্ট নেতাদের বইতে হচ্ছিল