content
stringlengths
0
129k
আন্তর্জাতিক
খেলাধুলা
মুক্তমত
সাহিত্য
রাজনীতি
ক্যাম্পাস
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
বিনোদন
জাতীয়
আইটি
ভ্রমণ
মুক্তিযুদ্ধ
প্রবাস
ফিচার
একুশে বইমেলা
কলাম
লাইফ স্টাইল
আর্টস
সোশ্যাল মিডিয়া
আজ মঙ্গলবার | ৩০ নভেম্বর ২০২১ ইং
সমগ্র দেশ
সিলেট বিভাগ
সিলেট
মৌলভীবাজার
হবিগঞ্জ
সুনামগঞ্জ
রাজনীতি
ক্যাম্পাস
মুক্তিযুদ্ধ
বিনোদন
আন্তর্জাতিক
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
জাতীয়
ভ্রমণ
প্রবাস
ফিচার
টেকনোলজি
একুশে বইমেলা
আর্টস
কলাম
খেলাধুলা
লাইফ স্টাইল
সোশ্যাল মিডিয়া
সিলেট টুডে বিশেষ সংখ্যা
সিলেট টুডে রিপোর্ট
০১ ফেব্রুয়ারি , ২০১৫ ১২:৪৩
টেকনোলজি
সার্চ ইঞ্জিন গুগলে চাকরি পেলেন শাবির শাহরিয়ার
এবার সার্চ ইঞ্জিন গুগলে যোগদান করতে যাচ্ছেন দেশের অন্যতম সেরা প্রোগ্রামার সৈয়দ শাহরিয়ার মঞ্জুর
তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৯-১০ সেশনের শিক্ষার্থী
তথ্য-সূত্র : সাষ্টনিউজ
এবার সার্চ ইঞ্জিন গুগলে যোগদান করতে যাচ্ছেন দেশের অন্যতম সেরা প্রোগ্রামার সৈয়দ শাহরিয়ার মঞ্জুর
তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৯-১০ সেশনের শিক্ষার্থী
তিনি ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট (আইসিপিসি ২০১৪)এ ঢাকা রিজিওনালে চ্যাম্পিয়ন এবং ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশ নেওয়া দল সাস্ট আত্মপ্রত্যয়ী দলের সদস্য ছিলেন
তার দল সাস্ট আত্মপ্রত্যয়ী ভার্সন ২ এই বছরও রিজিওনালে সেকেন্ড রানারআপ হয় (চ্যাম্পিয়ন হয় তারই অনুজদের নিয়ে গঠিত শাবিরই আরেকটি দল)
এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে, গত তিনটি রিজিওনালে তার দল কোন রকম প্যানাল্টি ছাড়াই সমস্যা সমাধানের অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে
শাহরিয়ারের শাবির প্রোগ্রামিং এর এই জগতে হয়ত আসা হত না
এক্ষেত্রে তিনি জানালেন তার বন্ধু গোলাম কিবরিয়া লিমনের কথা, যে তাকে শাবিতে ভর্তির ব্যাপারে উৎসাহিত করেছিল প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট এর লোভ দেখিয়েই
ছোট থেকেই কন্টেস্ট করে অভ্যাস তার
ছোটবেলায় যোগ দিয়েছেন গণিত উৎসবে
২০০৬ সালে ম্যাথ অলিম্পিয়াডে জাতীয় পর্যায়ে রানার আপ হন তিনি
আজকের এই পর্যায়ে আসার পেছনে তিনি তার পিতামাতা এবং শিক্ষকদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন
তাদের দুআ, সমর্থন এবং সহায়তা ছাড়া তার পথ চলা মোটেও সহজ হত না বলেই তিনি মনে করেন
প্রোগ্রামিং এ বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা উল্লেখ করে তিনি আগামী প্রজন্মকে অলিম্পিয়াড গুলোতে যোগদানের বিষয়ে জোর দিতে পরামর্শ দেন
আর ভালো করার জন্য প্রোগ্রামারদের বেশি বেশি কন্টেস্ট করারও বিকল্প নেই বলেই জালানেন শাহরিয়ার
আগ্রহ থাকলে এই দিকটাতে আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা অনেক ভালো করতে পারবেন এমন আশাবাদই ব্যক্ত করেন তিনি
গুগলে যোগদানের জন্য গতবছরের গুগল এপাক কন্টেস্টে অংশগ্রহণ করেন
এরপরে আরও ৫ বার সাক্ষাৎকারের সম্মুখীন হতে হয় তাকে
অবশেষে গতকাল ৩০ জানুয়ারি গুগল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে তার যোগদানের বিষয়টি
সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছরের ৫ অক্টোবর যোগদান করবেন তিনি
উল্লেখ্য, শাহরিয়ার বর্তমানে বাংলাভাষার প্রথম এবং একমাত্র সার্চ ইঞ্জিন "পিপীলিকা"য় কাজ করছেন
আমার মাতৃভূমি পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার ভুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ভুলবাড়িয়া গ্রামে
সেখান থেকে বাবা পরিবার পরিজনসহ চলে আসেন পাবনা শহরে
সেই ১৯৪৭ সালে
আজ থেকে প্রায় ৭০ বছর আগে
সেই পাবনা শহরে নিজস্ব কোন জমি-জিরাত বাড়ী ঘর নেই
করতে পারিনি আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে
আবার গ্রামের বাড়ী জমি-জিরাত ও নেই-১৯৫৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর আমরা পাঁচটি নাবালক ভাই-বোনকে মানুষ করতে মা সেগুলি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হন
তাই পৈত্রিক ভিটাও নেই গ্রামে
এত কিছু স্বত্বেও পাবনাতেই আমার আজীবনের বসবাস
পাবনা আমাকে লেখাপড়া শিখিয়েছে-সাংস্কৃতিক সংগঠন ২/৩টি করতে শিখিয়েছে-ভাষা-আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধ করতে অনুপ্রাণিত করেছে, বামপন্থী রাজনীতি করতে উৎসাহিত করেছে
তাই পাবনার কাছে আমার ঋণের কোন সীমা পরিসীমা নেই
সে ঋণ শুধবার ক্ষমতাও নেই
এই সত্তর বছরে পাবনার উন্নয়নের দিকে যদি আজ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে ফিরে তাকাই তবে যে দৃশ্য ভেসে ওঠে তা তেমন একটা সুখকর নয়
পাবনার প্রাপ্তি অপ্রাপ্তি পাবনা বাসীর মত আমাকেও উদ্বেগাকুল করে কিন্তু হতাশায় নিমজ্জিত করে না
আশাবাদী মনটি আমার দৃঢ়ভাবে মনে করে, যদি পাবনা বাসী ঐক্যবদ্ধ থাকা যায়, যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাবনায় ন্যায় সঙ্গত দাবীগুলি যথার্থভাবে উত্থাপন করা যায়, যদি সেই দাবীতে সংগঠিত সংগঠিত হয়ে সোচ্চার থাকা যায়-তবে অবশ্যই পাবনাকে আমরা যথেষ্ট পরিমাণে উন্নত পাবনায় আজ হোকে কাল হোক পরিণত করতে পারব
কাজটা আমাদের দাবী করতেও হবে আমাদেরকেই
সমগ্র উত্তরবঙ্গের চেহারা পাবনার চাইতে কোনভাবেই ব্যতিক্রমী নয়-তাই তাও বিবেচনায় রাখছি
এর জন্য যেমন প্রয়োজন ঐক্যের, তেমনই প্রয়োজন আত্মবিশ্বাসের
এই দুটি থাকলে মানুষ অসাধারণ শক্তি অর্জন করতে পারে এবং বিশ্বাস রাখতে চাই, পাবনা ও উত্তবঙ্গবাসী এই দুটিকে পুঁজি করে দৃঢ়তা-নমনীয়তার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে শুরু করবেন
এবারে সমস্যাগুলির কথায় আসি
পাবনা জেলার নয়টি উপজেলা শহরেই পৌরসভা প্রশাসন চালু হয়েছে
নতুন পৌরসভাগুলি হলো, সাঁথিয়া, আটঘরিয়া, সুজানগর, চাটমোহর, ভাঙ্গুরা ও ফরিদপুর
আগে থেকেই পৌরসভা ছিল পাবনা, ঈশ্বরদী ও বেড়াতে
তন্মধ্যে পাবনা ও ঈশ্বরদী পৌরসভাকে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় উন্নীত করা হয়েছে অনেকদিন হলো
এই তিনটির মধ্যে সবচাইতে পুরাতন পাবনা পৌরসভা
এবারে পাবনা পৌর নাগরিক সুবিধাদির কথা ভাবা যাক
প্রথমেই যোগাযোগ ব্যবস্থা
একমাত্র সড়ক যোগাযোগের কথাই প্রযোজ্য কারণ পাবনাতে কোন রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠে নি (তবে আশা করা যায় বছর খানেকের মধ্যে নির্মীয়মাণ রেলপথের নির্মাণকাজ ঈশ্বরদী থেকে পাবনা পর্যন্ত সমাপ্ত হবে) এবং নৌ যোগাযোগের কোন সুযোগই নেই
পৌর এলাকার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা যা আছে তাকে সচল ও নিরাপদ রাখতে হলে অবিলম্বে তার ৮০ ভাগ রাস্তাকে ব্যাপক সংস্কার ও মেরামত কাজ করতে হবে