content
stringlengths
0
129k
রবীন্দ্র স্বাধিকার প্রতিষ্ঠা পরিষদের এই আয়োজনে তিনদিনের অনুষ্ঠান হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে
'সংস্কৃতি সংসদের কমিটি গঠনের এক বছর পরে ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমী মিলনায়তনে সংস্কৃতি সংসদের সম্মেলনে নতুন কমিটি গঠিত হয়
সেসময়ে বাংলা একাডেমীর মিলনায়তনটি মূল ভবনের তিনতলায় ছিল
ছোট হলেও মিলনায়তনটিতে সেসময় অনেক আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে
কম ভাড়ায় এই হল পাওয়া যেত
আমি হই সভাপতি ও মাহফুজ আনাম সাধারণ সম্পাদক
এক বছরের মধ্যে দ্রুত এই সম্মেলন করার উদ্দেশ্য ছিল
এই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত
সংস্কৃতি অনুরাগী বহু কর্মী সংস্কৃতি সংসদে যুক্ত হওয়ার আকাক্সক্ষা ব্যক্ত করেন
তাঁরা পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনৈতিক কর্ম ও ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত হতে চাইছিলেন না
কিন্তু অনেকেই ছাত্র ইউনিয়নের সমর্থক ছিলেন এবং সংস্কৃতি সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সাংস্কৃতিক বৃহৎ কর্ম পরিচালনা করছিল সে সম্পর্কে খুব আগ্রহী হয়ে পড়েন
সংস্কৃতি সংসদ জন্মলগ্ন থেকে প্রগতিশীল সংস্কৃতির চর্চা করেছে
আসলে সংস্কৃতি সংসদ ছিল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের অঘোষিত ভ্রাতৃপ্রতিম একটি সংগঠন
' (পৃ ১৯১)
সংস্কৃতি সংসদ ছাড়া ছাত্র ইউনিয়ন নিয়েও আবুল হাসনাত তাঁর স্মৃতির কথা জানিয়েছেন
এই ছাত্র সংগঠনে তিনি জড়িত হন ছাত্রজীবনে তাঁর বন্ধু মতিউর রহমানের মাধ্যমে
তিনি লিখেছেন, 'ষাটের দশকের প্রারম্ভে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলনের পর আমার বাল্যকালের বন্ধু মতিউর রহমান আমাকে নিয়ে যান ৩১/১ হোসেনী দালানে
এই বাড়িটির স্বত্বাধিকারী ছিলেন পিয়ারু সর্দার
তিনি এখন প্রয়াত
এ প্রসঙ্গে কিছু কথা না বললেই নয়
'পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে আমরা নানা ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে যখন সেই কৈশোরকালে বিকশিত হচ্ছি তখন সমাজে একথা প্রচলিত ছিল যে, ঢাকার আদিবাসীরা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মূলধারা থেকে সরে গিয়ে প্রতিক্রিয়াশীলতাকে ধারণ করেছে এবং ইসলামপুরের নবাববাড়ি-নিয়ন্ত্রিত রাজনীতিকেই জীবনের মৌল বিষয়
হিসেবে লালন ও গ্রহণ করেছে
কথাটির মধ্যে সত্যতা থাকলেও কিছুটা সীমাবদ্ধতা ছিল
ঢাকার আদিবাসীরা শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে কিছুটা অনগ্রসর হলেও তাদের জীবনবোধে সমকালীন রাজনীতি প্রভাব ফেলেছিল
পরবর্তীকালে এই চেতনার পরিচয় পাওয়া যায় ভাষা-আন্দোলনে পিয়ারু সর্দারের অংশগ্রহণে এবং ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পিয়ারু সর্দারের মত কয়েকজন মান্য সর্দারের যুক্তফ্রন্টকে সমর্থনে; ষাটের দশকের মধ্যপর্যায়ে ছয়দফা ঘিরে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে ঢাকার আদিবাসীদের এই আন্দোলনে সংশ্লিষ্টতায়
... পিয়ারু সর্দার পরিবারের এবং তাঁর সন্তানের আনুকূল্যে নানা সহায়তা না পেলে হোসেনী দালানে প্রায় এক দশক ছাত্র ইউনিয়নের দুটি আপিস প্রান্তিক ও সংলগ্ন ৩১/১ হোসেনী দালান ঘরটি ঘিরে সাংগঠনিক তৎপরতা চালানো সম্ভব ছিল না
' (পৃ ৫৪) এভাবেই লেখক আবুল হাসনাত জানিয়েছেন ঢাকার সর্দারদের সহায়তা এবং তাঁর জীবনের দীর্ঘ সময় ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা
এই হোসেনী দালানের ঘরটিতেই সাইফউদ্দিন আহমেদ মানিক, পঙ্কজ ভট্টাচার্য, মতিউর রহমান এবং সে-সময়ের সকল রাজনৈতিক সতীর্থর সঙ্গে তাঁর জীবন কীভাবে জড়িয়ে ছিল তাঁর বর্ণনা দেন এবং এর মাঝে চিত্রিত হয়েছে সে-সময়ের ছাত্র রাজনীতির উজ্জ্বল নৈতিক এবং দেশপ্রেম- ছোঁয়া দৃঢ় স্বপ্নের দিকগুলো
পূর্ব পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সাংস্কৃতিক বিবর্তনের ইতিহাসে দৈনিক সংবাদের ভূমিকা অসাধারণ
একটি সংবাদপত্রকে ঘিরে দেশের বামপন্থী এবং প্রগতিশীল ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের যে-সম্মিলন ঘটেছিল তা ইতিহাসে বিরল
জহুর হোসেন চৌধুরী, আবু জাফর শামসুদ্দিন, শহীদুল্লা কায়সার, রণেশ দাশগুপ্ত, মুস্তাফা নুরুল ইসলাম, সরদার ফজলুল করিম, আলী আকসাদ, সন্তোষ গুপ্তসহ দেশের প্রায় সকল প্রগতিশীল মানুষ এই পত্রিকায় জড়ো হয়ে দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন এর স্বত্বাধিকারী আহমেদুল কবীর
লেখক আবুল হাসনাত তাঁদের সকলের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং তাঁদের মেধা ও অবদানের বর্ণনা দিয়েছেন
সংবাদ আমাদের রাজনৈতিক আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে গিয়ে বারবার সরকারের রোষানলে পড়েছে; এমনকি দেশের স্বাধীনতার পরও এই পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাকশাল গঠনের পর
আর্থিক এবং অন্যান্য ঝুঁকির পরও সংবাদ কখনো তার আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত হয়নি
পঞ্চাশের দশক থেকে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ওয়াহিদুল হক এবং সন্জীদা খাতুন আমাদের সংস্কৃতিকে উন্নততর এক উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন
'৬১ সালের রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকীতে তাঁদের অবদান অশেষ
এরপরই তাঁরা ছায়ানট গঠনের পরিকল্পনা নেন
আজ প্রায় ষাট বছরের কাছাকাছি সময় 'ছায়ানট' আমাদের সমাজে সংগীত, রবীন্দ্রচর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে তা আবুল হাসনাত এই গ্রন্থে তুলে ধরেন
এই ছবি সত্যিই খুব কাছ থেকে দেখা ছবি
এছাড়া এই বইয়ের উল্লেখযোগ্য সম্পদ ঢাকা নগরীর আদি ও সমকালীন সাংস্কৃতিক জগতের অজানা দিকগুলোর দিকে আলো ফেলা
কেমন ছিল পঞ্চাশের দশকের পুরনো ঢাকার খাদ্য, সাংস্কৃতিক জীবন, ঘোড়ার গাড়ি, বিভিন্ন ধর্মীয় আচার, বিশেষ করে মহররম এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানের বিচিত্রসব আনন্দ-বিষাদের চিত্র
নিজে এই সমাজে জন্ম নিয়েছেন, বেড়ে উঠেছেন এবং খুব কাছ থেকে দেখেছেন ঢাকার সর্দার ও অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিকে
সঙ্গে সঙ্গে প্রগতিশীল রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং মুক্তিযুদ্ধে কলকাতায় কয়েক মাস থাকার ফলে সেখানকার উজ্জ্বল সব সাহিত্যিক এবং শিল্পকলার মানুষদের খুব কাছে এসেছিলেন
তাঁদের জীবনের অনেক মানবিক দিক আবুল হাসনাতের জীবনকে প্রভাবিত করে তরুণ বয়স থেকে
স্বাধীনতার পর সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রায় বছরখানেক পড়াশোনা করে কাটান লেখক
এমনিতেই তিনি সাহিত্যের বিভিন্ন দিকসহ চিত্রকলার প্রতি ছিলেন ভীষণ অনুরাগী
রাশিয়াসহ ইউরোপের অনেক মিউজিয়াম তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন
এছাড়া নিউইয়র্কের মিউজিয়ামগুলো ছিল তাঁর ভীষণ প্রিয়
সেদিক থেকে তরুণ বয়সেই তাঁর সাহিত্য ও শিল্পরুচি একেবারে ভিন্নভাবে গড়ে ওঠে
বইটিতে উঠে এসেছে ১৯৭১ সালে যাপিত আবুল হাসনাতের কলকাতাজীবন এবং কবি বিষ্ণু দে, সুভাষ মুখোপাধ্যায়, শঙ্খ ঘোষ, দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম চট্টোপাধ্যায়, দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়সহ প্রায় সকল শীর্ষস্থানীয় লেখকের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে ওঠার আদ্যোপান্ত চিত্র
সেই সম্পর্ক আজীবন অটুট ছিল
এরপর কালি ও কলম পত্রিকা সম্পাদনার সময় প্রায় দেড় দশক কলকাতায় তাঁকে প্রায়ই যেতে হতো পত্রিকার কাজে
সে-সময় কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীসহ অনেক লেখকের সঙ্গে তাঁর নতুন করে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, বন্ধুত্ব হয় শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, চিন্ময় গুহসহ অনেক লেখকের সঙ্গে
কলকাতা নগর কীভাবে বাংলা সাহিত্যকে কর্ষণ ও শিল্পিত করে তুলেছে গত দেড় শতকে, তার আণুবীক্ষণিক বর্ণনা দেন আবুল হাসনাত তাঁর এই স্মৃতিকথায়
'কলকাতা যে বহু মানুষকে আগলে রাখে তা নয়, বুক পেতে গ্রহণ করে সকলকে
সঙ্গীত অনুরাগী কলকাতা সকল মানুষের আহার ও বাসস্থানের সুযোগ করে দেয়
একদিকে মুটে মজুর, ফেরিওয়ালা, সস্তা খাবারের দোকানদার, ফুটপাতের ব্যবসায়ী, অসংখ্য সেলসম্যান, সেবা সদনের নার্স এবং ট্যাক্সি ড্রাইভার, উটকো বোহেমিয়ান, ভাসমান মানুষদের নিয়েই শহর কলকাতা
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও ময়দান বহু মানুষের স্মৃতি নিয়ে এখন উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে আছে
... কলকাতার পাঁচতারা হোটেলে গেলে বহু ধনিকের চাকচিক্য ও আভিজাত্য ঝলমল করে ওঠে
সুরম্য ফ্ল্যাটবাড়িগুলোতে উচ্চবিত্তের জীবনযাপনেও কখনো-সখনো রুচির ও সংস্কৃতির যে ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তাতে আমরা উপলব্ধি করি, শিক্ষার পরিগ্রহণও এই মানুষগুলোর অনেক গভীর
' (পৃ ১৩৮)
বাংলাদেশকে আজকের সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক অবস্থায় আসতে যে দীর্ঘ সংগ্রামের পথ অতিক্রম করতে হয়েছে, আর সে-সংগ্রামে যে-মানুষগুলো বিশেষ অবদান রেখেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের জীবন ও অবদান বর্ণিত হয়েছে এ-গ্রন্থে
এছাড়া আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতা তথা ভারতের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক জগতের পণ্ডিত মানুষগুলোর যে-মানবিক অবদান অপরিসীম, তা লেখক বর্ণনা করেছেন
বিশেষ কৃতজ্ঞতার ভাষায়
আমাদের জাতীয় চরিত্রের মাঝে অনেক দীনতা আছে, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পী-সাহিত্যিকদের আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের অবদানকে স্বীকার করার ক্ষেত্রে, সেদিক থেকে আবুল হাসনাত আমাদের ভিন্ন শিক্ষা দেন তাঁর উদার এবং মানবিক হৃদয়ছোঁয়া বর্ণনার মাধ্যমে
আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা লেখার ক্ষেত্রে সাধারণত ব্যক্তিজীবনের আবেগ লেখকদের খুব বেশি নির্মোহ হতে দেয় না, অনেক সময় নিজেকে লেখকরা উপস্থাপন করেন ভিন্নভাবে
সেদিক থেকে আবুল হাসনাতের লেখা গ্রন্থটি একটি ভিন্ন দলিল, যা আমাদের বোঝায় কী করে নিজেকে প্রায় আড়াল করে একজন কবি ও রাজনীতির মানুষ তাঁর দীর্ঘ জীবনে দেখা একটি সমাজের
সংস্কৃতি ও শিল্প-সাহিত্যকে ভালোবেসে এর সত্যিকার রূপকে আঁকতে হয়
তিনি ছিলেন সারাজীবন সেই সাহিত্য ও সংস্কৃতির একজন যোগ্য ধাত্রীর ভূমিকায়
এর কর্ষণ ও নির্মাণে তাঁর অবদান ভোলা কঠিন, বিশেষ করে গত পঞ্চাশ বছরে তিনি যেভাবে এই শিল্পজগৎকে পরিচর্যা করেছেন
হারানো সিঁড়ির চাবির খোঁজে তাই আমাদের সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য সংযোজন
সমাজবিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ে যদি কোনোদিন সত্যভাষী হন এবং গভীর অনুসন্ধানী গবেষণা করেন, তাহলে হয়তো এ-বইটি বিশেষ সহায়ক ভূমিকায় বেঁচে থাকবে
দীর্ঘদিন পর দ্বিতীয় দিনের মতো করোনাভাইরাসে মৃত্যু পঞ্চাশের নিচে নেমে এসেছে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে ৪৮ জন মারা গেছেন
এ নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৮৮০ জনে
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩২৭ জন
এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৪২ জনে
গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৮ হাজার ৮৬৯টি
পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৭ দশমিক ৩ শতাংশ
এ পর্যন্ত মোট ৯২ লাখ ২১ হাজার ৬৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে
আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ১৬৮ জন
এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৩৫ জন
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে
এর দশদিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের প্রাণ কেড়ে নেয় ভাইরাসটি
সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের
কিন্তু এবার সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে দেশ
গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়
বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়
এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে
দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে
পূর্ববর্তী পোস্ট
কার্পাসডাঙ্গায় ফুটবল টুর্নামেন্টে কোমরপুর জয়ী
পরবর্তী পোস্ট
৩০১ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি
এছাড়া, আরও পড়ুনঃ
দেশে করোনায় আরও ৬ জনের মৃত্যু
ব্রাজিলে বাংলাদেশিসহ আদম পাচার চক্রের আটজন গ্রেফতার
বিজয় দিবসে জেলা-উপজেলায় শপথ পড়াবেন ডিসি-ইউএনও
আ.লীগে বাড়ছে বিদ্রোহী প্রার্থী : মদদদাতাদের তালিকা হয় : শাস্তি হয় না