content
stringlengths
0
129k
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
সেপ্টেম্বর 23, 2021 | 1
মানব প্রজনন ও যৌনতাঃ পাঠ্যবইয়ে কী পড়ছি?
মানব প্রজনন ও যৌনতাঃ পাঠ্যবইয়ে কী পড়ছি?
জুলাই 29, 2021 | 3
নারীসঙ্গ পাবার ক্ষেত্রে কি পুরুষদের সফলতা লাগে?
নারীসঙ্গ পাবার ক্ষেত্রে কি পুরুষদের সফলতা লাগে?
এপ্রিল 1, 2021 | 18
সবার একজন হয়ে ওঠার যাত্রা
সবার একজন হয়ে ওঠার যাত্রা
মার্চ 14, 2021 | 0
কওমী মাদ্রাসা ও আধুনিক শিক্ষা প্রসঙ্গে সলিমুল্লাহ খানের আলোচনার সমালোচনা
কওমী মাদ্রাসা ও আধুনিক শিক্ষা প্রসঙ্গে সলিমুল্লাহ খানের আলোচনার সমালোচনা
জানুয়ারী 24, 2021 | 5
46
প্রতিফলন সেপ্টেম্বর 8, 2015 4:00 পূর্বাহ্ন -
জানিনা, কেন ছবি দেখাচ্ছেনা মন্তব্যে, এখানে ছবির লিঙ্ক
://.-./-//2015/09/1.
প্রতিফলন সেপ্টেম্বর 8, 2015 3:58 পূর্বাহ্ন -
আমার তৈরি করা প্লট, -অক্ষ বরার রেজিস্ট্রেশন নম্বর (হাজারে) , আর -অক্ষ বরার সেই নম্বরের কতজন নিয়োগ পেয়েছে সেই সংখ্যা
প্রতিফলন সেপ্টেম্বর 8, 2015 3:54 পূর্বাহ্ন -
শুরুতেই বিসিএস-সহ সকল পরীক্ষায় স্বচ্ছতার আহবান জানানোর জন্য লেখককে সাধুবাদ জানাই
সাধুবাদ জানাই পিএসসিতে চলা অস্বচ্ছতার মুখোশ উন্মোচন করার অতীত প্রচেষ্টাকে, যা তিনি তার মন্ত্যবে লিংকসহ উল্লেখ করেছেন
সাধুবাদের পাশাপাশি কিছু সমালোচনাও প্রাপ্য লেখকের
অনুচ্ছেদ-১:
এখানে লেখক সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়জনিত বিতর্ককে "একেবারেই অগ্রহণযোগ্য" বলে মন্তব্য করে, উনার ভাষ্যমতে "গ্রহণযোগ্য(!)" মতামত দিয়ে বলেছেন -
বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রটি যে নিজের যোগ্যতায় প্রথম হয়নি বা সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছে তাদের নির্বাচনও ফেয়ার হয়নি- একথা অনেকেরই বুঝতে কষ্ট হয়
এখানে দুইটা জিনিস স্পষ্ট -
১) ব্যক্তি ওয়ালিদ বিন কাশেম দুর্নীতি করে প্রথম হয়েছেন
২) অন্য সকল নির্বাচিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও অন্যায় ঘটেছে (হয় তারা নিজেরা অন্যায় করেছেন, কিংবা অন্যায়ের শিকার হয়েছেন, নিশ্চিত করে বলেননি লেখক)
এখানে প্রথম অভিযোগটা একেবারেই "ব্যক্তিগত আক্রমণ"
ওয়ালিদ বিন কাশেম মুক্তমনার "সহলেখক" নন, কিন্তু তাই বলে কি তাকে এভাবে প্রমাণ ছাড়া ব্যক্তিগত আক্রমণ করা গ্রহণযোগ্য? উল্লেখ্য- আমি একে ব্যক্তি-আক্রমণ বলতাম না যদি লেখক তার অভিযোগের পক্ষে শক্ত প্রমাণ দিতে পারতেন
উনি খুবই দুর্বল যুক্তি দিয়েছেন যে, জনাব ওয়ালিদ মেধাতালিকায় তার অবস্থান জানতে পেরেছেন
আমাদের দেশের দুর্নীতির মাত্রার প্রেক্ষাপটে পরিচিতদের মাধ্যমে রেজাল্ট জানা আর রেজাল্ট 'ম্যানিপুলেট' করার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল তফাৎ তা নিশ্চয় কাউকে বলে দিতে হবে না
মুক্তমনার মতো পাবলিক প্লাটফর্মে একজন ব্যক্তিকে এভাবে দুর্বল যুক্তির ভিত্তিতে সরাসরি দুর্নীতিবাজ বলা "গ্রহণযোগ্য" হয়েছে কি না, তা লেখকের কাছে জানতে আগ্রহী
আর সম্পাদকমন্ডলীর কাছে আমার জিজ্ঞাসা, এটা মুক্তমনায় গ্রহণযোগ্য কি?
দয়া করে এখানে কেউ বলবেন না যে, "রেজাল্ট ম্যানিপুলেট করা যেমন দুর্নীতি, তেমনি আগে রেজাল জানাও দুর্নীতি
অতএব, ওয়ালিদ দুর্নীতি করেছেন এবং তাকে পাবলিকভাবে দুর্নীতিবাজ বলা ঠিক হয়েছে
" কেন বলবেন না? কারণ, এ ধরনের ত্যাঁনা প্যাঁচানো যুক্তি দেখিয়ে বলা যায়, "ফেসবুকের ব্যক্তিগত ম্যাসেজ জনসম্মুখে প্রকাশ করা অনৈতিক, লেখক তা করেছেন এবং লেখক নীতিহীন মানুষ
" হ্যাঁ, ব্যক্তিগত ম্যাসেজ জনসম্মুখে প্রকাশ করাকে আমি খুবই অপছন্দ করি, এটা লেখক হিসেবে "এথিক্‌স্‌ " এর মধ্যে পড়ে বলেও মনে করি না
এবং একই সাথে এটাও মনে করিনা, লেখক একজন নীতিহীন লোক
এখানে অবশ্যই বলা উচিত, লেখকের (এবং জনাব ওয়ালিদের) উচিত ছিলো এব্যাপারে আরো দায়িত্বশীল আচরণ করা, বিশেষ করে তিনি যখন আরেকজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন
প্রতিফলন সেপ্টেম্বর 8, 2015 3:55 পূর্বাহ্ন -
আগের মন্তব্যের পর ...
অনুচ্ছেদ-২:
আগের অনুচ্ছেদে গণহারে অভিযোগ করলেও ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন কেবল ব্যক্তিগত অভিযোগের
২য় অনুচ্ছেদে ব্যাখ্যা করছেন - পাবলিক পরীক্ষায় দুর্নীতির কথা
এখানে উনার যুক্তি (যা তিনি বোল্ড করে বিশেষভাবে দেখাতে চেয়েছেন), সাধারণ ক্যাডারে ৩৮ হাজার রেজিস্ট্রেশন নম্বরের আধিক্য কেন? দুঃখিত জনাব লেখক, এ আধিক্য কি কোন দুর্নীতি প্রকাশ করে না
বরং এর একটা সহজ ব্যাখ্যা আছে, রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ভর করে কোন্‌ জায়গা থেকে ভর্তি ফর্‌ম্‌ কিনেছেন তার উপর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অন্যান্য যেসব জায়গায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঘনত্ব বেশি বলে আমরা ধারণা করি, সেসব জায়গার শিক্ষার্থীদের একই জায়গা থেকে ফর্‌ম্‌ কেনার সম্ভাবনা বেশি, তাদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি
আর পরিণামে, ফলাফলেও সেটা দেখা স্বাভাবিক
তাই না? এমন সহজ-সাধারণ ব্যাখ্যা উপেক্ষা করে কেউ যদি এখানে দুর্নীতির গন্ধ খুঁজতে থাকেন, তাহলে তার প্রেক্ষিতে কেউ যদি তাকে "কন্সপিরেসি থিওরি"-তে বিশ্বাসী বলে তার বক্তব্য উড়িয়ে দেন, তাহলে দোষটা কি মন্তব্যকারীর হয়, নাকি লেখকের?
উল্লেখ্য- আমি লেখকের কন্সপিরেসি থিওরির সত্যতা যাচাই করতে একটা প্লট তৈরি করেছি
সেখানে ৩৮ এর ঘরের পাশাপাশি ২৮,৩০,৩১ এর ঘরের আধিক্যও যথেষ্ট বেশি
যেটা আমার দেয়া সহজ ব্যাখ্যার সঙ্গে মানানসই
পরিসংখ্যানের সামান্য জ্ঞান থেকে বলতে পারি, এটা একেবারে অস্বাভাবিক কিছু নয়
অনুচ্ছেদ-৩:
লেখাটি পড়ে এ অনুচ্ছেদটি বড়ই আক্রমণাত্মক মনে হয়েছে আমার
বিসিএস শিক্ষার্থীদের একটা ফেসবুক গ্রুপ আছে সেখানে প্রায় দেড় লাখের উপর ছাত্রছাত্রী সদস্য হিসেবে আছে
একবার তাদের উদ্দেশ্যে আহবান জানিয়েছিলাম ২৮ তম থেকে ৩৩ তম বিসিএস পর্যন্ত যদি কোন প্রার্থীর নাম জানা থাকে যে সৎভাবে নিয়োগ পেয়েছে, তাহলে তার রেজি নং ও কততম বিসিএস তা জানানোর জন্য
কিন্তু কেউ জানাতে পারেনি
এ অংশটুকু পড়ে সন্দেহাতীতভাবে মনে হয়েছে, লেখক বিসিএসে নিয়োগ পাওয়া (প্রায়) সকল শিক্ষার্থীকে দুর্নীতিবাজ বলেছেন
এখানে বন্ধনীর ভিতরে প্রায় যোগ করলাম কেবলই আমার মতামতকে শুদ্ধতর করতে
উনি দাবি করেছেন (অন্ততঃ অনুচ্ছেদের টেক্সট তাই বলে), কেউ সৎভাবে নিয়োগ পাওয়ার কথা দাবি করতে পারেনি
আর এই দাবি উনার পুরো লেখার সাথে একেবারেই মানানসই
যদিও লেখক মন্তব্যে জানিয়েছেন,
বোঝার ভুল আছে
আমি কখনোই বলিনি ২৮ তম থেকে সবাই ঢালাওভাবে দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছে
দুঃখিত, লেখক, এখানে বুঝার ভুল নয়, বুঝানোর ভুল হয়েছে
মাসরুফ হোসেন, জওশন আরা শাতিল আপনার ঢালাও অভিযোগ বুঝতে ভুল করেননি, বরং আপনি বুঝাতে ভুল করেছেন
মন্তব্যে আপনি এর ব্যাখ্যা দিলেও তা পর্যাপ্ত নয়, কারণ আপনার লেখা যারা পড়বেন, তারা লেখার সব মন্তব্য পড়বেন না
ভাল হয়, ৩য় অনুচ্ছেদখানি সংশোধন করে দিলে
আচ্ছা, অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে তথ্য জানতে চাওয়া কতখানি নৈতিক? একজন পরীক্ষায় কত নম্বর পেল, তা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মধ্যে পড়ে
কোন তৃতীয় পক্ষ সে তথ্য পেতে পারেন না, যদি তার পক্ষে শক্ত ভিত্তি দেখাতে না পারেন
আমার ইউনিভার্সিটিতে টিচিং এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা অন্তন্তঃ তাই বলে (দয়া করে 'আপনি তো বিদেশে থাকেন, দেশের কী বুঝবেন' ধরনের ফালতু যুক্তি দিয়ে কিছু বলবেন না)
টিচিং এসিস্ট্যান্স ট্রেনিং-এ আমাদের পঁইপঁই করে বলে দেয়া ছিলো, আমরা যেন একজনের নম্বর আরেকজনের কাছে প্রকাশ না করি, তাহলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লংঘন করার দায় অভিযুক্ত হবো
ডিসক্লেইমার:
আমি দাবি করছি না, বিসিএস পরীক্ষা-পদ্ধতি একেবারেই স্বচ্ছ, এখানে কোন দুর্নীতি হয়না, কিংবা ওয়ালিদ বিন কাশেম দুর্নীতি করেননি
আমি কেবল প্রমাণ ছাড়া এভাবে কোন একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গেলাম
ভাল থাকবেন
আরেক ফাল্গুন সেপ্টেম্বর 8, 2015 5:05 পূর্বাহ্ন -
বিসিএস এ ভাইবার মত একটা 'গায়েবী' পরীক্ষায় ২০০ নাম্বার! এই পরীক্ষায় কোন পরিক্ষার্থীকে কী প্রশ্ন করা হলো
সে তার কী উত্তর দিলো
এবং ফলে তাকে কত মার্ক দেওয়া হলো সেসবের রেকর্ড কীভাবে রাখা হয় আমার জানা নাই
এমতাবস্থায় ভাইবাবোর্ড বা এইধরনের উচ্চপর্যায়ে, হট লিঙ্ক থাকা
সেই মারফত রেজাল্ট জানতে পারা
যা কি না তথ্য অধিকার আইন খাটিয়েও জানা দুষ্কর
খুবই সন্দেহজনক
এবং 'নৈতিকতা-অনৈতিকতার' প্রশ্ন পাশে রেখেও বলা যায় ফর্মাল প্রক্রিয়া ব্যাতিরেকে এই তথ্য প্রকাশ করাটা 'বেআইনি'
ফলে প্রশ্ন উঠতেই পারে যে পুরো প্রক্রিয়াটা স্বচ্ছ ছিলো কি না
তাই, জনাব ওয়ালিদ বিন কাশেম এর দিকে যে সন্দেহের তীর, সেটা অযৌক্তিক নয়
তিনি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও কেউ না কেউ একই প্রশ্ন/সন্দেহ উত্থাপন করত
এবং পুরো প্রক্রিয়ার এইসব অস্বচ্ছতার স্থানগুলো নির্দেশ করা এবং সেসব সংশোধনের উপায় খোজাই এই সিরিজের পোস্টেগুলোর লক্ষ্য মনে হয়েছে
আর এটা সত্যি যে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা প্রকাশ করা অনৈতিক
কিন্তু 'নৈতিকতা-অনৈতিকতার' প্রশ্নটি এত সরল নয় যে সব সময় এক লাইনের 'রুল' দিয়ে নির্ধারণ করা যাবে
এখানে স্রেফ ওয়ালিদ বিন কাশেম এর একটি পাবলিক স্টেটমেন্ট সম্পর্কে বিশদ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে
যেটা তিনি জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন
নির্দিষ্ট করে এই আলাপচারিতাটুকু প্রকাশ 'অনৈতিক' হয়নি
আর 'সহলেখক' বিষয়ক আপনার খোঁচার ব্যাপারে বলা যায়, আপনি হয়তো লক্ষ্য করেননি বিপ্লব কর্মকারকেও মুক্তমনা সম্পাদক সতর্কতা জানিয়েছেন