content
stringlengths
0
129k
একটা জিনিস খেয়াল করলাম, আপনি মাসরুফ হোসেনের কথার উত্তর দেননি
বিপ্লব কর্মকার সেপ্টেম্বর 6, 2015 8:43 পূর্বাহ্ন -
পোস্টের সাথে অপ্রাসংগিক হবে তবুও বলছি
গত দিন আমার কাছে প্রত্যন্ত গ্রামের এক রেপ ভিক্টিম গরীব নারী এসেছে
তার রেপ কেস ম্যজিস্ট্রেট খারিজ করে দিয়েছে, কোন আলামত পায়নি বলে
মেডিক্যাল রিপোর্টও তাই বলে
তার স্বামী পংগু, ধর্ষন কারী প্রভাবশালী ও ধনী
শুধু কাগজপত্রে যে অনিয়ম দেখেছি তা হল- ধর্ষিতা যেই থানায় মামলা করেছে সেই থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মেডিকেল টেস্ট হয়নি, হয়েছে জেলা সদরের হাসপাতালে
আবার মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ঐ জেলার অন্য আরেকটি থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের, যেখানে সে ভর্তি হয়নি
এখানে পুলিশ, ডাক্তার , মেজিস্ট্রেট তিন জনই প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা
আমার বন্ধুকে সব কাগজপত্র নিয়ে আগাতে বলেছি, যদি আমাদের ধারনা সত্যি হয় তাহলে তিনজনই ঐ নারীর প্রতি অন্যায় করেছে
৩০ তম বিসিএসের পুলিশ ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা আরেকটি জেলায়, এক অশিক্ষিত লোককে ধমক দিয়ে বলে- এভাবে থাকলে থাকেন না হলে পাকিস্তান চলে যান
টাকা দিয়ে চাকরি নিয়েছি জনসেবা করার জন্য নয়
আমার এক বন্ধু নির্ধারিত সময়ে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিয়েছে
কোন এক কারনে তার সার্টিফিকেট প্রয়োজন
সার্টিফিকেটের জন্য ট্যাক্স অফিসে গেলে, তাকে বলা হয় এত টাকা ট্যাক্স দিয়েছেন আমাদের অফিস খরচ দিবেন না? সে পাঁচশ টাকার নোট বের করে দিলে ট্যাক্স অফিসার তার বসার চেয়ারের সাথে থাকা কবিদের কাধে ঝোলানো ব্যাগ - যা আমরা এতক্ষন দেখিনি সেখানে রাখে
তবে আমরা প্রশাসনেরই কয়েকজন উর্ধতন কর্মকর্তাকে সবকিছু বলি
তারাই লাইনচ্যুত গাড়িকে ট্র্যাকে আনেন
তারা সংখ্যায় কম সাংঘাতিকভাবে সৎ ও গরীব
আপনারা বিদেশে থাকেন, সবকিছুকে আদর্শ মনে করেন
দেশে এসে বসবাস করেন
কোন না কোন কারনে সরকারী অফিসে যেতেই হবে, যদি কখনো ১০০ টাকা অন্যায়ভাবে দিতে হয় বা ন্যায্য সেবা না পান, তাহলে এ অধমের কথা মনে রাইখেন যে একদিন এই পরিবর্তনের জন্য ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে বেড়িয়েছিল, মুল সমস্যায় হাত দিয়েছিল
এজন্য সে অনেকের তীর্যক মন্তব্যের মুখোমুখি হয়েছিল
আমিও বলতে পারতাম, ডঃ আবুল কালাম তার সব ডিগ্রি দেশেই নিয়েছে, দেশেই থেকেছে
ভারতীয়রা উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে আবার দেশে ফিরে আসে, তারা তাদের দেশকে সেভাবে গড়ে নিয়েছে
কিন্তু বাংলাদেশিরা যে যেভাবে পারে দেশ ছেড়ে পালাতে চায়, এরপর বিদেশ গিয়ে দেশের জন্য সে কি টান অনুভব করে
দেশে থাকেন কোথায় গন মানুষের সমস্যা, কেন সমস্যা হচ্ছে, সমাধান কেন হচ্ছে না বুঝবেন
জওশন আরা শাতিল সেপ্টেম্বর 7, 2015 3:10 পূর্বাহ্ন -
আমি স্পষ্ট করে আপত্তি জানিয়েছি তথ্য প্রমাণাদি ছাড়া ঢালাওভাবে একটা ব্যাচের সব বিসিএস ক্যাডারকে দূর্নীতির মাধ্যমে মেধা তালিকায় জায়গা পাওয়া বলে ফেলায়
আপনি এই একই অভিযোগ তথ্য প্রমাণাদি হাতে নিয়ে করলে আপত্তি করার প্রশ্নই ওঠে না, আপনাকে স্যালুট জানাবো
রাজনকে চোর সন্দেহে চোর বলে লোকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে, কেউ একবারও ভাবে নি, তাকে শাস্তি দেবার আগে সে আসলেই চোর কিনা, তা যাচাই করে দেখার
প্রমাণ ছাড়া কোন অভিযোগ যে ভিত্তিহীন তা বুঝেন আশা করি
ভিত্তিহীন অভিযোগকে সাধুবাদ দিয়ে একজন সৎ মেধাবী শিক্ষার্থী, যারা দেশকে সেবা দিতে যাচ্ছে, তাদের অসম্মান করার পক্ষে নই
দূর্নীতিবাজ আর সৎ ব্যক্তির মাঝে কতটা তফাত, সেটা আমি জানি
এক সৎ ব্যক্তির কাছে তার সততা আদর্শ, এই আদর্শকে যখন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আঘাত করবেন, তখন আপনি যতখানি অসততা দূর করছেন, তার চেয়েও বেশী তাদের আঘাত করছেন, যাদের শ্রমে এখনও বাংলাদেশটা টিকে আছে
অভিযোগ করতে হয় করুন, অসততার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয় করুন, কিন্তু ঢালাও ভাবে অভিযোগ করার আগে আরেকবার ভেবে দেখুন আপনি আদর্শবানের আদর্শেও আঘাত করছেন কিনা
আপনি আমি বিদেশে থাকি, তাই দেশের সমস্যা বুঝি না, এই ইঙ্গিত দিয়ে কথা বলেছেন
বিদেশের সুখে আছি, দেশের সমস্যা বুঝব কি করে, এমন টোনে কথা বললেন
এইভাবে না জেনে কথা বলার অভ্যাসটা বাদ দেবেন দয়া করে? সাথে আবুল কালাম আজাদের কথাও বললেন, তিনি তো দেশেই ডিগ্রী নিয়েছেন, দেশেই কাজ করেছেন
আপনাকে অতন্ত্য বিনয়ের সাথে জানাই, আমাদের দেশ আবুল কালাম আজাদ তৈরী করে না, করার সামর্থ্য নেই
বাংলাদেশ সরকারের, বাংলাদেশের মানুষের ধারণাই নেই, গবেষণা কি জিনিস
জাফর ইকবাল স্যারের মত কয়েকজন মানুষ যারা জানেন, দেশে ফিরে এসেছেন, তাদের দারুণভাবে দেশের মানুষ সম্মানিত করছে, গবেষণার সুযোগ দিচ্ছে, দেখতে পাচ্ছেন?
আরো একটা কথা বলি, আবুল কালাম আজাদ মিসাইল বানাতেন, ভারত সরকারের মিসাইল দরকার ছিল বলে তারা আবুল কালাম আজাদকে ফান্ড দিয়েছিল
চীন আর পাকিস্তানকে ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখতে মিসাইল, এটম বোমা দরকার না হলে ভারতও আবুল কালাম আজাদকে তৈরী করতো না
রামানের নাম শুনেছেন? তাকে ভাতর সরকার কিন্তু আবুল কালাম আজাদের কণা মাত্রও পৃষ্ঠপোষতা দেয় নি
কারণের রামানের গবেষনা পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের কাজে লাগলেও তাতে ভারত সরকারের পেশী বৃদ্ধি হয় না
উনাকে প্রায় সারাটা জীবন সারাদিন আরেকটি চাকরী করে রাতে ঘরে ফিরে গবেষণার কাজ করতে হয়েছে
এখনও বেচে থাকার জন্য লড়াইয়ে, মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে রামানের গবেষণার কাছেই ছুটতে হয়, আর মানুষকে মেরে ফেলার জন্য ছুটতে হয় আবুল কালামের মিসাইলের সাহায্য নিতে
আপনার ভিশনের সীমাবদ্ধতাটা দেখালাম
আপনার ভিশন দিয়ে আমি পৃথিবী দেখবোনা
আপনি যতটুকু চিন্তা করতে পারেন, সেইটুকু দিয়ে আমার জীবনকে জাস্টিফাই করতে আসলেন তো, তাই বলছি, আমি আবুল কালাম আজাদ নই, হতেও চাই, তার জীবন দিয়ে আমাকে জাস্টিফাই করার দরকার নাই
আমা নিজের জীবন জাস্টিফাই করার জন্য আমিই চিন্তা করতে পারি, আপনার চিন্তা করা লাগবে না
যেদিন আমার দেশের সরকার গবেষণা কি বুঝতে শিখবে, মানুষকে বাঁচাতে কতটুকু পরিশ্রম দিতে হয়, কতটুকু গবেষণার সুযোগ দিতে হয়, সেটুকু বুঝবে, বা আমরা যারা বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করি তারা বাংলাদেশ সরকারকে এটা বুঝাতে পারবো, সেদিন আমাদের দেশের গবেষকরাও দেশে ফিরে আসবে, আমি তাদের উপর এতোটুকু বিশ্বাস রাখি
আমার বিদেশ জীবনের সুখের সংজ্ঞা শুনবেন? সকাল সাতটা থেকে রাত দশটা, এটা আমার প্রায় দিনের কাজের রুটিন, দুপুরে খাবার সময় পাই বা না পাই
বাঙ্গালদেশের সরকারী কর্মচারীরা সরকারের টাকায় অফিসে বসে ফেসবুকিং বাদ দিয়ে এইটুকু কাজ করার মানসিকতা অর্জন করতে পারলে, বাংলাদেশেও একদিন সুপার কম্পিউটার তৈরী হবে, অন্ধত্ব নিরামনের গবেষণা হবে
বাংলাদেশেও মানুষ নির্ভয়ে রাতে ঘুমাতে পারবে, রাস্তায় বের হলে কেউ কোপ দিয়ে মাথা কেটে ফেলবে না
রুশো আলম সেপ্টেম্বর 7, 2015 7:44 অপরাহ্ন -
বাংলাদেশ সরকারের, বাংলাদেশের মানুষের ধারণাই নেই, গবেষণা কি জিনিস
নিজের আত্ন অহংকার এই এক লাইনে বেশ ভালই ফুটিয়ে তুলেছেন
যারা নুতুন নুতুন বিদেশে যায় তাদের মধ্যে এই প্রবণতাটা খুব কাজ করে
দেশটা সব গন্ড মূর্খ দিয়ে ভর্তি , এই দেশ ছেড়ে এসে খুব ভাল করেছি, এই দেশ আমার মত 'মেধাবী' দের জন্য নয়
এই সব মিথ্যা প্রবোধ দিয়ে সাধারণত নিজেকে স্বান্তনা দেয় এরা
মানছি যে বাংলাদেশ সরকার থেকে গবেষনা খাতে উৎসাহ দেওয়া হয় না বললেই চলে
তারপরও দেশে থেকে নানা প্রতিকুলতাকে উপেক্ষা করে অনেকে গবেষনা চালাচ্ছেন
দেশে কোন গবেষনাই হচ্ছে না, দেশের মানুষ গবেষনা কি তাই জানে না এই জাতীয় ধৃষ্টতামুলক মন্তব্য তাদের প্রচেষ্টার প্রতি এক ধরনের অপমান
পোষ্টের কিছু বাক্যে বেসরকারী বিশ্ব বিদ্যালয়ে থেকে বি সি এসে উত্তীর্ণরা মন ক্ষুন্ন হলেও পোষ্টের সামগ্রিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন নেই
বাংলাদেশে এটা সবাই জানে যে বি সি এসে নিয়োগ প্রক্রিয়া দুর্নীতিগ্রস্ত
এই পোষ্টে মুলত সেটাই বিশেষ করে ভাইভাতে ২০০ নম্বর বরাদ্দ রাখাকেই প্রশ্ন বিদ্ধ করা হয়েছে
কাজেই এখানে সমস্যার কিছু আছে বলে মনে করি না
জওশন আরা শাতিল সেপ্টেম্বর 7, 2015 10:01 অপরাহ্ন -
প্রিয় রুশো আলম,
আগের কমেন্টটাতে আমি কি কোথায় থাকি কি করি, সেই প্রসংগ লেখক এনেছেন, আমি নই
এটা অবাক লাগেনি, অযাচিত ভাবে এইখানে আমি কি করি, সেটা টেনে আনা হয়েছে? আমি কোথায় পড়ব, কাজ করব, সেটা নিয়ে অন্য কারর কি কথা বলার কথা?
হাজার প্রতিকূলতার মাঝে বাংলাদেশের কিছু মানুষ কেবল নিজেদের ব্যক্তগত প্রচেষ্টায় গবেষণা করছে সেটা আমার জানা আছে, কিন্তু সেটা বাংলাদেশ সরকারের অবদান হিসেবে উল্লেখ করা যায় না, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকেও প্রতিনিধিত্ব করে না
আশা করি, আমি আমার মত প্রকাশের অধিকার রাখি, সেটা আপনার কাছে আত্ম অহংকার মনে হলেও
"যারা নুতুন নুতুন বিদেশে যায় তাদের মধ্যে এই প্রবণতাটা খুব কাজ করে
এই লাইনটা কি আপনি কোন একটা গোষ্ঠীকে জেনারালাইজ করার জন্য বললেন? এটা কি ঠিক হল?
মুক্তমনা সম্পাদক সেপ্টেম্বর 7, 2015 7:27 অপরাহ্ন -
প্রিয় জওশন আরা শাতিল, আপনাকে এই মর্মে সতর্ক করা যাচ্ছে যে, মুক্তমনার কোনো সদস্যের কাছ থেকেই অযাচিত ভাবে সহলেখকের কর্মকে হেয় প্রতিপন্ন করা, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা, অ্যাম্বিশন ইত্যাদি নিয়ে দৃষ্টিকটু ব্যক্তি আক্রমন কাম্য নয়
প্রাসঙ্গিক মন্তব্য-
কবে থেকে এইসব ফেসবুকিয় আবর্জনাগুলো মুক্তমনার নীড়পাতায় উঠে আসতে শুরু করল!
"আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, আপনার চিন্তাভাবনা বিসিএস কে কেন্দ্র করেই ঘুরপাক খাচ্ছে কেন বুঝতে চাচ্ছি আরকি
হতাশা? বিসিএস ছাড়াও মানুষের জীবনে অনেক লক্ষ্য আছে, চিন্তাভাবনা করার মত অনেক বিষয় আছে, আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা সেটা ভুলিয়ে দেয়নি আশা করি
জওশন আরা শাতিল সেপ্টেম্বর 7, 2015 9:38 অপরাহ্ন -
প্রিয় মুক্তমনা সম্পাদক,
আপনাদের সতর্কতা শ্রদ্ধাভরেই মাথায় রাখলাম
তবে আমি আত্মপক্ষ সমর্থনে বলছি, লেখাটাই বেসরকারী বিশ্ব্যবিদ্যালয়ের ছাত্রদের মেধার মান ইঙ্গিত করে একটা মেসেজ দেয়া হয়েছে, সেটা আমার কাছে আপত্তিকর মনে হয়েছে
তাই আমি প্রশ্নকারীর কাছে তার ক্রেডিবিলিটি সম্পর্কে জানতে চেয়েছি
উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে নয়, খুবই সাধারণ ভাবেই জানতে চেয়েছি
কেউ যদি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধার মান নিয়ে প্রশ্ন করত, তাহলে যেভাবে খুব স্বাভাবিকভাবে যেমন প্রশ্নকারীর ব্যাকগ্রাউন্ড জানতে চাইতাম, সেভাবেই জানতে চেয়েছি
আমার বক্তব্য ব্যক্তি আক্রমন মনে হয়ে থাকলে আমি ক্ষমা চাচ্ছি
রায়হান আবীর সেপ্টেম্বর 7, 2015 9:07 পূর্বাহ্ন -
কবে থেকে এইসব ফেসবুকিয় আবর্জনাগুলো মুক্তমনার নীড়পাতায় উঠে আসতে শুরু করল
প্রিয় শাতিলআপা, এই লেখাটি ঠিকমত না পড়ে সেটাকে ফেসবুকের আবর্জনা তকমা দিলেন ক্যানো বুঝতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হলাম
বিপ্লব কর্মকার এখানে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ উল্লেখ করেছেন কিন্তু কোথাও দেখলাম না তিনি বলেছেন অতএব প্রমানিত হয় 'বিএসএস যে যারা নিয়োগ পেয়েছে সবাই দূর্নীতি করে পেয়েছে'
আপনি সেই সিদ্ধান্ত নিলেন পোস্টে হয়তো শুধু চোখ বুলিয়ে এবং ঢালাও মন্তব্য করলেন
কেনো করলেন সেটা জানতে চাইলে যে উত্তর দিলেন সেটাকেই বরঞ্চ আমার অপ্রাসংগিক এই পোস্টের সাথে অসামঞ্জস্য, ব্যক্তিআক্রমণে পরিপূর্ণ, অপ্রয়োজনীয় উপদেশে ভরপুর মনে হলো
আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, আপনার চিন্তাভাবনা বিসিএস কে কেন্দ্র করেই ঘুরপাক খাচ্ছে কেন বুঝতে চাচ্ছি আরকি
হতাশা? বিসিএস ছাড়াও মানুষের জীবনে অনেক লক্ষ্য আছে, চিন্তাভাবনা করার মত অনেক বিষয় আছে,
জওশন আরা শাতিল সেপ্টেম্বর 7, 2015 1:08 অপরাহ্ন -