content
stringlengths
0
129k
এবং আত্মপক্ষ সমর্থন করতে বলেছেন
বিপ্লব কর্মকার সেপ্টেম্বর 8, 2015 7:40 পূর্বাহ্ন -
বাকীসবগুলো পয়েন্টের উপর আলোচনা হয়ে গেছে
তাই আর রিপিট করলাম না
ব্লগে লেখা পড়ার পাশাপাশি মন্তব্য এবং মন্তব্যের জবাবগুলোও পড়া উচিত
তারপর কমেন্ট করা উচিত
সাধারণ ক্যাডারে ৩৮ হাজার রেজিস্ট্রেশন নম্বরের আধিক্য কেন? দুঃখিত জনাব লেখক, এ আধিক্য কি কোন দুর্নীতি প্রকাশ করে না
বরং এর একটা সহজ ব্যাখ্যা আছে, রেজিস্ট্রেশন নম্বর নির্ভর করে কোন্ জায়গা থেকে ভর্তি ফর্ম্ কিনেছেন তার উপর
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অন্যান্য যেসব জায়গায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের ঘনত্ব বেশি বলে আমরা ধারণা করি, সেসব জায়গার শিক্ষার্থীদের একই জায়গা থেকে ফর্ম্ কেনার সম্ভাবনা বেশি, তাদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি
উপরে এ নিয়ে একজনের স্বীকারোক্তি আছে এবং আমার জবাব আছে
আচ্ছা, অন্যের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে তথ্য জানতে চাওয়া কতখানি নৈতিক? একজন পরীক্ষায় কত নম্বর পেল, তা তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তার মধ্যে পড়ে
কোন তৃতীয় পক্ষ সে তথ্য পেতে পারেন না, যদি তার পক্ষে শক্ত ভিত্তি দেখাতে না পারেন
আপনাকে কি বলব বুঝতে পারছি না
এ বিষয়টা আগেই পরিস্কার করেছি
পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর পরীক্ষাসংক্রান্ত সবকিছু পাব্লিক ডকুমেন্ট
দেশের যে কোন নাগরিক দেখতে চাইতে পারে
আমি দাবি করছি না, বিসিএস পরীক্ষা-পদ্ধতি একেবারেই স্বচ্ছ, এখানে কোন দুর্নীতি হয়না, কিংবা ওয়ালিদ বিন কাশেম দুর্নীতি করেননি
আমি কেবল প্রমাণ ছাড়া এভাবে কোন একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে গেলাম
পাশাপাশি দুটি লাইনে স্ববিরোধী বক্তব্য
ভালো থাকবেন
প্রতিফলন সেপ্টেম্বর 8, 2015 10:40 পূর্বাহ্ন -
পাশাপাশি দুটি লাইনে স্ববিরোধী বক্তব্য
কিছু মনে করবেন না, এ মন্তব্য পড়ে আমার মন্তব্য করার খায়েশ মিটে গেছে
আমার লেখা লাইন দু'টো আবার পড়ুন
লাইন দু'টোর বক্তব্যের মাঝের সূক্ষ্ম পার্থক্যটুকু বুঝার চেষ্টা করুন
সূক্ষ্ম পার্থক্য পরিষ্কার করা আর স্ববিরোধিতার মধ্যে পার্থক্যটুকু ধরার চেষ্টা করুন
না পারলে কোন বন্ধুর সহায়তা নিতে পারেন
ভালো থাকবেন
রায়হান আবীর সেপ্টেম্বর 7, 2015 9:24 পূর্বাহ্ন -
ধন্যবাদ এই গুরুত্বপূর্ন আলোচনার জন্য
পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম
আমি নিজেও ব্যক্তিগতভাবে কয়েকজনকে চিনি যার দূর্নীতি না করেই বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন
আপনার অনুসন্ধানের জন্য তাদের অনুমতি নিয়ে তাদের রোল নাম্বার শেয়ার করবো
পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম
সোহাগ সামি সেপ্টেম্বর 6, 2015 1:15 পূর্বাহ্ন -
ভারতে ভাইভা শেষ হওয়ার চার দিনের মাথায় ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়
ফলাফলের সাথে সবার মেধাক্রম, কোন কোটায় কতজন, কার নম্বর কতো ( প্রিলি, লিখিত, ভাইভা), কাট- অফ মার্ক কতো, সব তথ্য দেওয়া হয়
এমনকি ভাইভা পর্যন্ত রেকর্ড করে রাখা হয়
এক বছরের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে
আর আমাদের দেশে লিখিত মার্কস জানার জন্য ১ হাজার টাকা খরচ করে দেড় বছর অপেক্ষা করতে হয়
সাধারণ একটা কাগজে মার্কশীট দিতে ১০০০ টাকা রাখে, যেটায় খরচ হয় ১০ টাকারও কম
১ হাজার জন মার্কশীটের জন্যে আবেদন করলে পিএসসি পায় ১০ লাখ টাকা, আর যত দিন পরে দেওয়া হয় ততো দিনে সবাই আগ্রহ হারিয়ে ফেলে
আমার দেশ কবে এগিয়ে যাবে
বিপ্লব কর্মকার সেপ্টেম্বর 6, 2015 1:38 পূর্বাহ্ন -
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার ফরমের মুল্যবাবদ যে টাকা নেয়া হয়, সে টাকার মধ্যেই প্রার্থীদের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর জানানো হয়
আলাদা টাকা নেয়া হয় না
কিন্তু পিএসসি এক পাতা মার্কসিটের দাম নেয় একহাজার টাকা, যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা মার্কসীটের জন্য দরখাস্ত না করে
তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী এক পৃষ্টা তথ্য মুল্য দুই টাকা
পিএসসি যেন দুই টাকাই নেয় সেজন্যও তথ্য কমিশনে অভিযোগ করেছি
আশা করি গরিব ছাত্রছাত্রীরা শীঘ্রই এর সুফল পাবে
ভারতের উদাহরন দিয়ে আমাকে হতবাক করেছেন
চারদিনের মাথায় ফলাফল?
টিআইবির যে রিপোর্টের কথা বলেছিলাম, সেখানে তারা দাবী করেছে পিএসসি ভাইভা নেয়ার পর রেজাল্ট দিতে দেরী করার কারন ক্লায়েন্ট হান্টিং
বোঝেন ভারত আর আমাদের পার্থক্য
আমাদের মানসম্মান অনেক উঁচুতে, কিন্তু কাজকারবার? দুর্নীতির কথা বললেই যত সমস্যা
কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে রেজাল্ট দিতে দেরি করাটাও তো এক প্রকার দুর্নীতি
যারা নির্বাচিত হয়ে আসবে তাদের ব্যপারে সন্দেহ করা কি পাপ?
মুক্তমনা সম্পাদক সেপ্টেম্বর 5, 2015 11:38 অপরাহ্ন -
মাসরুফ হোসেনের অভিযোগ মুক্তমনা সম্পাদকমণ্ডলী গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে
মুক্তমনায় প্রকাশিত সকল লেখার স্বত্ব ও তার দায় লেখকের
তবে কোনো অবস্থাতেই মুক্তমনাকে কোনো মনগড়া তথ্য প্রচারণা বা ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না
বিপ্লব কর্মকারকে অনুরোধ করা হচ্ছে, তিনি যেন অতিশীঘ্রি মাসরুফ হোসেনের প্রতিটি প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দেন
অন্যথায় মুক্তমনা কর্তৃপক্ষ পোস্টটি বাতিল করতে বাধ্য হবে
বিপ্লব কর্মকার সেপ্টেম্বর 5, 2015 11:53 অপরাহ্ন -
দিচ্ছি একটু সময় লাগছে
রায়হান আবীর সেপ্টেম্বর 7, 2015 9:14 পূর্বাহ্ন -
প্রিয় মুক্তমনা সম্পাদক,
আমি এই পোস্টের মন্তব্যে মাসরুফ হোসেনের কোনো স্পেসিফিক অভিযোগ বা প্রশ্ন পেলাম না
যেটা পেলাম সেটা হলো- একটা অন্যায়কে 'ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুবাদে' করা হয়েছে বলে সেটাকে হালাল করার চেষ্টা
একই সাথে দেখলাম অযৌক্তিক ব্যক্তি আক্রমণ এবং মামলা করার হুমকি
আশাকরি, পোস্টটি ডিলিট বা পোস্ট সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে পোস্টের বিষয়বস্তু এবং এই পোস্টকেন্দ্রিক অভিযোগগুলো ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হবে
মাসরুফ হোসেন সেপ্টেম্বর 9, 2015 7:39 পূর্বাহ্ন -
প্রিয় রায়হান আবীর,
আমার কমেন্টে পয়েন্ট বাই পয়েন্ট একেবারে স্পেসিফিকভাবে সাদা বাংলায় আপত্তির জায়গাটা বলা আছেঃ
1) ধরে নিলাম প্রথম স্থান অধিকারী ওয়ালিদ দুজন পিএসসি মেম্বারের সাথে ব্যক্তিগত পরিচয়ের সূত্রে সে কনফার্ম হয়েছে যে সে বিসিএস এ প্রথম হয়েছে কিনা
এর থেকে কিভাবে প্রমাণ হয় যে সে দুর্নীতি করে বিসিএস এ প্রথম হয়েছে? ওর পরীক্ষার খাতা বা ভাইভাতে যে নম্বর, সেটা যে কারচুপি করে হয়েছে তার প্রমাণ কই? ব্যক্তিগত পরিচয়ের সুবাদে রেজাল্ট কনফার্ম করা আর পুরো প্রসেসে দুর্নীতি কি এক জিনিস??
এই প্রশ্নের উত্তর এখনও পাইনি
আর আটত্রিশ ঘরের রোল নম্বর নিয়ে লেখক যে ম্যানিপুলেশন দেখানোর চেষ্টা করছেন সেটারও তিনি সদুত্তর দেননি
আশা করি আপনার "না পাওয়ার" অবসান ঘটেছে
জওশন আরা শাতিল সেপ্টেম্বর 5, 2015 10:15 অপরাহ্ন -
কবে থেকে এইসব ফেসবুকিয় আবর্জনাগুলো মুক্তমনার নীড়পাতায় উঠে আসতে শুরু করল! ঢালাওভাবে একটা মেধাতালিকার সবাইকে দূর্নীতির মাধ্যমে উঠে আসা বলে ফেলা হল কোন তথ্য প্রমাণাদি ছাড়াই
কিছু মানুষ কনস্পিরেসি থিওরীতে এতো বেশী ডুবে থাকে, যে নিজে বা নিজের পরিচিত জন কোন জায়গায় সুবিধা করতে না পারলে দূর্নীতি হয়েছে বলে ফেলতে দ্বিধা করেন না
যারা মেধায় এগিয়ে আছে, তারাই মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে, এটা মেনে নিয়ে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য পড়ালেখা করলে পরের মেধা তালিকায় ঢোকার সুযোগ থাকে
আর তা না করে এইসব কন্সপিরেসী থিওরী বানাইতে বসলে এটা নিয়েই জীবন পার করতে হবে, মেধা তালিকায় ঢোকার সুযোগ হবে না, এটা বুঝতে বেশী মেধা লাগে না
নিজে যোগ্য হতে না পারলে যে যোগ্য তার গায়ে কালিমা লাগিয়ে কখনো যোগ্য ব্যক্তির মর্যাদা পাওয়া যায় না
বড়জোড় মিথ্যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যেতে পারে
বিপ্লব কর্মকার সেপ্টেম্বর 5, 2015 11:06 অপরাহ্ন -
আপনি ঢালাওভাবে কথাটা বললেন
আমি কিন্তু পিএসসির নিয়োগপক্রিয়ার পুরো চক্র ঘুরে এসেছি
যেহেতু আপনি ঢালাওভাবে কথাটা বললেন , তাই আপনার কাছেই প্রশ্ন রাখছি, পিএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছ জায়গাগুলো কি কি?
সেগুলো কেন থাকবে?
জওশন আরা শাতিল সেপ্টেম্বর 5, 2015 11:42 অপরাহ্ন -
আপনি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, আপনার চিন্তাভাবনা বিসিএস কে কেন্দ্র করেই ঘুরপাক খাচ্ছে কেন বুঝতে চাচ্ছি আরকি
হতাশা? বিসিএস ছাড়াও মানুষের জীবনে অনেক লক্ষ্য আছে, চিন্তাভাবনা করার মত অনেক বিষয় আছে, আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা সেটা ভুলিয়ে দেয়নি আশা করি
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মেধা তালিকায় সুযোগ পেলে যারা সন্দেহের চোখে তাকায়, তাদের কি বলার থাকতে পারে! বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মেধা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের চেয়ে কম এই ধারণা কেন হল! এইখানে তো দেখলাম আপনিই একটা ঢালাও ইঙ্গিত দিলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, দুর্ণীতি ছাড়া কিভাবে সম্ভব- এমন টোনে কথা বললেন
আর ঢালাও ভাবে বল্লাম কোথায়? আপনি কি একাই বিসিএস এর নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘুরে এসেছেন এমন নিশ্চয় নয়
আপনার মত আরো অনেক ব্যক্তি নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘুরে এসেছে বা পার করে এসেছে, তারা সব আপনার মত কনস্পিরেসী থিওরীর ঝুড়ি নিয়ে বসে নেই কিন্তু! আমার পরিবারে বিসিএস এ উত্তীর্ণ হয়েছে এবং হয়নি, এই দুই দলের মানুষই আছে, আমার বন্ধুদের মাঝেও এমন মানুষ আছে
কিন্তু কেউই ঢালাওভাবে বলেনি, দূর্নীতি ছাড়া মেধা তালিকায় ঢোকা যায় না
আমাকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার অসচ্ছতা জিজ্ঞেস করার কারণ কি? ধরেই নিয়েছেন যে সবার জীবনের লক্ষ্য হয় বিসিএস এ উত্তীর্ণ হওয়া বা এর অস্বচ্ছতা (কন্সপিরেসী থিওরী) খুঁজে বের করা? সবাইকে বিসিএস নিয়েই পড়ে থাকতে হবে? জীবনেও কোনদিন বিসিএস ক্যাডার হবার ইচ্ছে হয়নি, পরীক্ষাও দেইনি
কিন্তু কোনটা ঢালোভাবে উত্তীর্ণদের খাঁটো করার চেষ্টা আর কোনটা উত্তীর্ণ হবার চেষ্টা সেটা বোঝার ক্ষমতা আছে বলেই অন্যের গাঁয়ে কাঁদা লাগানোর মানসিকতা বাদ দেবার অনুরোধ করলাম